জসিম উদ্দিন:
ঢাকা জেলা ভাড়ায় চালিত সিএনজি অটোরিকশা মালিক কল্যান সমিতির সভাপতি জুয়েল মালতিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সুত্রে যানা যায় তিনি ঢাকা জেলা সিএনজি মেট্রো করার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ সিএনজি চালক ও মালিকদের কাছ থেকে একাধিক বার ভিন্ন ভিন্ন অংকে প্রায় ৭ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। স্থানীয় মালিক ও চালক সূত্র থেকে জানা যায় প্রথম ধাপে ৫০০০ টাকা করে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে ১০০০টাকা করে, চতুর্থ ও পঞ্চম ধাপে ৫০০ টাকা করে,এবং ৩০০টাকা করে ৪বার,মোট আঁটবারে গড়ে ৯২০০ টাকা করে আনুমানিক ৭০০০ গাড়ি থেকে প্রায় ৭ কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নেওয়া টাকা ফেরত চাইলে ভুক্তভোগীদের হামলা মামলার হুমকি দেন যার একাধিক প্রমান আমাদের হাতে রয়েছে। ভুক্তভোগীরা বলেন আমাদের টাকা ফেরত চাই ও তার হুমকি ধামকির একাধিক কল রেকর্ড ও স্কিনসর্ট আমাদের কাছে রয়েছে। দুর্নীতির বিষয়ে জুয়েল মানতিয়া কে ফোন করে জানতে চাইলে তিনি টাকা নিয়েছেন বলে শিকার করেন এবং তিনি ঢাকা জেলা সিএনজি ঢাকা মহানগরীতে চলাচলের জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ সাহেব স্বাক্ষরকৃত একটি নথি পেশ করেন যেখানে উল্লেখ্য ঢাকা -থ সিরিজের ১০০৪ টি সিএনজি ঢাকা মহানগরীতে চলাচলের অনুমতি রয়েছে। তবে অভিযোগকারীর সুত্রে জানা যায় তিনি ৭০০০টির ও বেশি গাড়ি থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকা লুটে নিয়েছেন। দুর্নীতির এই সংবাদ প্রকাশ করার কথা বললে সাংবাদিককে ফোনে মামলার হুমকি ও দেন তিনি। এ ঘটনায় গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাংবাদিকবৃন্দ।
অভিযোগ অনুযায়ী, স্থানীয় সুত্রে জানা যায় জুয়েল মানতিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির দায়ে একাধিক মামলা ও রয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা সিএনজি ঢাকা চলাচলের জন্য স্টিকার ও টোকেনের মাধ্যেমে মাসিক মান্তি ৪০০০ টাকা করে প্রায় ৩০০০ গাড়ি থেকে কোটি টাকার উর্ধে দুর্নীতি করেছে। মাসিক মান্তি করার পর ও একাধিক মামলা খেতে হচ্ছে ও ঢাকা মহানগরীতে চলাচল করতে পারছে না বলে অভিযোগ সিএনজি চালক ও মালিকদের। এবং যথাযথ মান্তি নিয়ে কাজ না হওয়ায় অনেকে টাকা ফেতর চাইলে হামলা মামলা ও হুমকির শিকার হয়েছেন অসংখ্য চালক ও মালিকগন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জুয়েল মানতিয়া বলেন আমি টাকা নিয়েছি কাজ করেছি আপনার যা ইচ্ছা আপনি করেন।
আরো জানা যায় তিনি সংগঠনের নামে ১০০টাকার টি-শার্ট দিয়ে ৩০০থেকে ৭০০টাকা পর্যন্ত নেন তিনি। এ বিষয়ে জুয়েল মানতিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক কে বলে আমি ৩০০ নেই বা ৭০০ টাকা করে নেই সেটা আমার ব্যক্তিগত বিষয় আপনাকে বলতে বাধ্য নয়। পরবর্তীতে সাংবাদিক কে নিউজ না করতে একাধিক সংবাদকর্মী ও সংগঠনের নেতাদের দিয়ে ফোন করে হুমকি ধামকি দেওয়া হয়।
এই দুর্নীতিবাজ জুয়েলের সহযোগী হিসেবে অনেকেরই নাম উঠে এসেছে যার মধ্যে রায়েরবাগ গ্যারেজ মালিক রুবেল, হানিফমৃধা , নিহার, আলামিন,আলমগীরসহ অনেকের নাম উঠে এসেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি প্রদানকৃত অর্থ ফেরত চাই। যাদের মধ্য অনেকেই বিগত সময়ে মামলা দায়ের করেও কোনো ফলাফল পাননি। জুয়েল মানতিয়ার ক্ষমতা ও টাকার জোরে ভুক্তভোগীদের মুখ বন্ধ করে দেন ও অফিস আদালত ম্যানেজ করেন। ভুক্তভোগীরা বলেন জুয়েল মানতিয়ার বিগত তিন বছর আগে ও তিনি সিএনজি চালক ছিলেন এই দুর্নীতি করে তিনি বর্তমানে ঢাকা মেট্রোসহ, ঢাকা জেলাও নারায়ণগঞ্জ জেলার ২০ টির বেশি সিএনজি,একটি গ্যারেজ, নিজের নামে জমি ও ফ্লাটসহ একাধিক সম্পত্তি করেছেন।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত