ডেস্ক রিপোর্টঃ
গোলাপি বাস! কিসের গোলাপি বাস? এটা কখন আসে, কোথা থেকে কোথায় যায়?’ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঘটা করে চালু হওয়া গোলাপি রঙের মহিলা বাস সার্ভিস সম্পর্কে জানতে চাইলে এভাবে পাল্টা এমন প্রশ্ন করেন কর্মজীবী এক নারী।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর নতুন বাজার যাত্রী ছাউনির সামনে তার সঙ্গে কথা হয় জাগো নিউজের। ওই নারীর নাম শারমিন আক্তার। তিনি কাকরাইলে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। থাকেন ভাটারা এলাকায়।
নতুন বাজার থেকে মতিঝিলে যাওয়া বাসটি ১০টি স্টপেজে থামার কথা। এসব স্টপেজের ছয়টিতে সরেজমিন দেখা যায়, সেখানে কোনো প্রচার-প্রচারণা নেই। ফলে বিভ্রান্ত হচ্ছেন নারী যাত্রীরা।
কোকাকোলা মোড়ে কোথাও স্টপেজ নেই। সেখানে নিয়মিত চলাচল করা বাসও থামতে দিচ্ছে না পুলিশ। ওই মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারী যাত্রী বলেন, এখানে স্টপেজ কই? দাঁড়াতেই তো দিচ্ছে না।
নতুন বাজার যাত্রী ছাউনির সামনে গোলাপি বাস থামার কথা। কিন্তু সেখানে নারীদের কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। বরং অন্য বাসে তড়িঘড়ি উঠে গন্তব্যে রওনা করছেন তারা।
উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, রামপুরা এলাকায় স্টপেজ থাকবে বলে ঘোষণা দেওয়া হলেও ঠিক বাসটি কোথায় থামবে, তা কেউ বলতে পারছেন না। মধ্যবাড্ডা লিংক রোডে অন্যান্য বাসগুলো যেখানে স্টপেজ দেয়, সেখানে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে বাস দেখা যায়নি।
সেখানে নারী যাত্রীদের কেউ গোলাপি বাসের জন্য অপেক্ষাও করছেন না। তাদের সঙ্গে গোলাপি বাসের বিষয়ে কথা বলার চেষ্টা করলেও আগ্রহ দেখাননি।
নতুন বাজার পুলিশ বক্স ও যাত্রী ছাউনির সামনে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট মৌমিতা রায় জাগো নিউজকে বলেন, ‘বাস একটা সকালে দেখছি। কিন্তু যে জ্যাম, তাতে রুটের শেষ মাথায় গিয়ে ঘুরে আসতে তো কয়েক ঘণ্টা লেগে যাবে। এ রুটে তো বাসও একটা। বাস বাড়ানো হলে এবং ভালো করে প্রচার-প্রচারণা চালালে হয়তো আগ্রহ বাড়তে পারে।’
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত