তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
পিরোজপুরে বিএনপির আহ্বায়কের ওপর হামলা বরগুনার সংরক্ষিত মহিলা আসনে আলোচনার শীর্ষে আসমা আজিজ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন জাহাঙ্গীর শিকদার ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে কখনোই অভিনয় করিনি : তামান্না ভাটিয়া শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্য দেয়ায় সাক্ষীর মাকে এসিড নিক্ষেপের রমজান মাসে হাই স্কুল বন্ধের আদেশ স্থগিত হঠাৎ দেশবাসীর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা সার্জারির সময় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ক্লিনিক ভাঙচুর গুম হওয়া আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন মন্ত্রী হওয়ার তালিকায় পুলিশের শীর্ষ নেতৃত্বে পরিবর্তনের হাওয়া: নতুন আইজিপি নিয়ে জোর গুঞ্জন ক্ষমা চাইতে হবে হান্নান আসিফদের: নাছির উদ্দীন ভারতের কাছে ম্যাচ হারের কারণ জানালেন পাকিস্তান অধিনায়ক ঝিনাইগাতীতে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহন তানিয়া বৃষ্টির জন্য দোয়া চাইলেন সহশিল্পীরা মন্ত্রিপরিষদের নতুন সচিব হলেন ড. নাসিমুল গনি মালয়েশিয়ায় ২২২ বাংলাদেশি আটক বিএনপির মন্ত্রিসভায় জায়গা পাচ্ছেন কারা সিন্ডিকেট ভেঙে অর্থনীতি সচল করাই চ্যালেঞ্জ শেরপুরে গাছে ঝুলন্ত সাবেক ব্যাংক কর্মচারীর লাশ শেরপুরে পতিত জমিতে সূর্যমুখী চাষে বাম্পার ফলনের আশাবাদী কৃষক নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে চীন-ভারত-পাকিস্তানসহ ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ নতুন রাষ্ট্রনায়কের সামনে যত চ্যালেঞ্জ ওয়াদুদ ভুইয়া মন্ত্রী হলে উন্নয়নের পাহাড় বয়ে যাবে বিএনপি'র বহিষ্কৃত নেতার নির্মিত অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দিল পৌর বিএনপি নাস্তিক জাহিদ ঢাকায় হামলার শিকার হওয়ার পরে রহস্যজনকভাবে উধাও শেরপুরের কৃষকের ছেলে হলেন ৪৬তম বিসিএস ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত এমপি ওয়াদুদ ভুঁইয়াকে শুভেচ্ছা জানান ইনসানিয়াত বিপ্লব প্রার্থী নুর ইসলাম শামীম একসঙ্গে ৫ নারীর সঙ্গে প্রেম, প্রেমিককে হাতেনাতে ধরেছিলেন শানায়া তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানালেন সারজিস গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের হামলা থামছে না মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হচ্ছে মন্ত্রিসভার শপথ তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানাল জার্মান দূতাবাস নাহিদ ইসলামকে অভিনন্দন বার্তা প্রধান উপদেষ্টার বিআরটিএ’র মাহবুবুর রহমান আজ কোটি টাকার মালিক ! এখনো ধরাছোয়ার বাহিরে উমেদার বাবু হাওলাদার জামায়াতপন্থিদের দাপট প্রশাসনে এবার দেশ গড়ার পালা বিজয়ের পর তারেক রহমানের ঐক্যের আহ্বান দুর্বলের ওপর আক্রমণ আমরা মেনে নেব না: তারেক রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরবাগডাঙ্গায় বোমা বিস্ফোরণ আবারও হ্যান্ডশেক বিতর্কে ভারত পাকিস্তান রামগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু পুরান ঢাকার গ্যাস সমস্যার সমাধানের অঙ্গীকার নবনির্বাচিত এমপি হামিদুর রহমানের ইবাদত ও নম্রতার গুরুত্ব: হাদিসের সতর্কবার্তা রুমিন ফারহানাকে অভিনন্দন জানালেন অপু বিশ্বাস রামগড়ে ওয়াদুদ ভূইয়া সমর্থক পরিষদের উদ্যোগে মোনাজাত ও মিষ্টি বিতরণ বিশ্বাসযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক’ নির্বাচন হয়েছে: ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে পরাজয়ের পরও উন্নয়নের অঙ্গীকার হারুনুর রশীদের চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি আসনেই জামায়াত প্রার্থীর বাজিমাত  নিজ দলের ৫ কর্মীকে পুলিশে দিলেন বিএমপি নবাগত এমপি

অবৈধভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে ফুটপাতের লাইন,জমিয়ে উঠছে বাড্ডার চাঁদাবাজি

পাঠক সংখ্যা
638

 

রাহিমা আক্তার মুক্তা :

কতিপয় পুলিশ সদস্য ও ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় কিছু নেতার আশীর্বাদে এখন ফুটপাতের মালিক বনে গেছেন হাজারো লাইনম্যান। দিনে কোটি কোটি টাকার চাঁদা তুলছে লাইনম্যানের অধীনে থাকা পেশাদার চাঁদাবাজরা। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, ফুটপাতে ব্যবসা করতে ভাড়ার চেয়ে বেশি চাঁদা গুনতে হচ্ছে। টাকা খরচ করার পরও অবৈধ তকমা নিয়ে তাদের ব্যবসা করতে হচ্ছে।

রাজধানী উত্তর বাড্ডা এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি অবৈধভাবে ফুটপাত ঘিরে রেখে মানুষ ও যান চলাচলের অনেক বিঘ্নিত ঘটাচ্ছে কিছু নামধারী লাইনম্যান। সুন্দর পরিকল্পিত একটি নগর চায় তাঁরা। অনুসন্ধানে জানা যায় এসব লাইনম্যানদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আরিফ। এই আরিফ একটি ভয়ংকর লাইনম্যান। তাছাড়া আরিফ একজন ভয়ংকর ঠান্ডা মাথার মানুষ। নিজের আধিপত্যকে জাগান দেওয়ার জন্য প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সাথে খুবই ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলেন লাইনম্যান আরিফ। যখন যেই স্থান তার পছন্দ হয় তখনি সেই স্থান তার করে নেয়। বর্তমানে আরিফের ক্ষমতার দাপটে হাতিরঝিল, রামপুরা,মধ্যে বাড্ডা,উত্তর বাড্ডা সহ নতুন বাজার সিএনজি চালিত লাইন নিজের কব্জায় নিয়ে আসে। বর্তমানে আরিফ নিজেই এই ফুটপাতের লাইনগুলো পরিচালনা করেন। আরো জানা যায় আরিফের পরবর্তীর টার্গেট খিলখেত ফুটপাতের উপর। এই লাইনগুলো পেতে আরিফের পেছনে কাজ করের একাধিক অসাধু পুলিশের সদস্য। যাদের সাথে আরিফের খুবি শক্ত সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা যায়। আরিফ লাইনম্যানের ক্ষমতার দাপটে ও নাকি জিম্মি স্থানীয় থানা পুলিশ। যার কারনে পুলিশ নিরবে নিভৃতে দেখে যাচ্ছেন আরিফের কাহিনি। ঠিক কার পাওয়ারে কিসের জোরে বর্তমান লাইনম্যান আরিফ তার ক্ষমতা খাটিয়ে ফুটপাত নিয়ন্ত্রণ করছে তা অনেকে জানার পরে ও মুখ খুলতে পারছেন না! ঠিক কি কারনে মুখ খুলতে চাচ্ছেন না তার একটি প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায় জনগনের মাঝে। আরো অনুসন্ধানে জানা যায়, এই ভয়ংকর আরিফ সাথে খুব স্বচ্ছতা গুলশান জোনের ডিসির বডিগার্ডের, ভাটারা থানার এসি পেট্রোলের ড্রাইভার,ভাটারা থানার অসাধু কিছু পুলিশ কর্মকর্তার,ট্রাফিক উপ-পুলিশ কমিশনার গুলশান জোনের ডিসির বডিগার্ড,বাড্ডা থানার একাধিক কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তার,বিট ইনচার্জ সহ আরো অনেকের। এমন সুযোগ কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী সমন্বয় গঠন করে ফুটপাতের চাঁদাবাজি করে আসছেন এই লাইনম্যান আরিফ। আরিফ বেশ কিছু দিন আগে মধ্যে বাড্ডা পূর্ব এবং পশ্চিম পাশের দুই প্রান্ত হইতে লিং রোড পর্যন্ত লাইন পরিচালনা করতেন। জানা যায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার অফিসার ইনচার্জ কাইয়ূম চলে যাবার আগেই আরো একটি লাইন সুবাস্তু হইতে এ এম জেড হাসপাতালের নতুন লাইন পেয়েছেন। যেখানে আগের লাইনম্যান ছিলেন মানিক। এই মানিকের লাইন নেওয়ার জন্য আরিফের একান্ত সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন মান্নান নামে একজন অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা। আরো জানা যায় আরিফকে লাইন পেয়ে দেবার জন্য সেই অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা মান্নান প্রতিনিয় আরিফকে টাকা দিয়ে সহোযোগিতা করে আসছিলো। যার ফলে সুবাস্ত নজরভ্যালি হইতে মধ্য বাড্ডা দুই প্রান্তের পুরো ফুটপাতের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় লাইনম্যান আরিফ। যেখানে কম করে হলে ও ৪০০-৫০০ অস্থায়ী দোকান। স্থানীয় থানার পুলিশ কর্মকর্তাদের মেনেজ করে চালানো হচ্ছে এই ফুটপাতের চাঁদাবাজি। যার প্রমান রয়েছে সাংবাদিকদের হাতে। তাছাড়া নতুনবাজার হইতে গুলশান ২ পর্যন্ত মোট ১০ টি সিএনজি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে কিছু নিম্ন বিত্ত গাড়ি চালোক। সেই লাইনটিও নিজের কব্জায় নিয়ে নেয় আরিফ। যেখানে ট্রাফিক উপ-পুলিশ কমিশনার গুলশান জোনের ডিসির বডিগার্ডকে দিয়ে লাইনটি পরিচালনা করে বলে জানা যায়। প্রতিমাসে ৬০ হাজার টাকা কন্ট্রাক করে এই লাইনটি পরিচালনা করে আসছে আরিফ। আরিফের এমন জোর-জুলুম কাজে অসহায় হকারা মুখ বুঝে দিনে বিক্রির এক অংশ টাকা লাইনম্যান আরিফের লোকের হাতে বুঝিয়ে দেয়। এসব অসহায় ফুটপাতের দোকানিদের দুঃখ কষ্ট এখন বুঝি দেখার কেউ নেই। তাছাড়া দীর্ঘদিনের দাবি থাকলেও বৈধতা পাচ্ছেন না ফুটপাতের হকাররা। পুনর্বাসনের জন্য স্থায়ীভাবে জায়গা নির্ধারণ করেও দেওয়া ও হচ্ছে না। এই চাঁদাবাজিনির্ভর ব্যবসার দায় কার? এমন প্রশ্নের সুরাহা নেই। ভোরের সময়ের নিজস্ব অনুসন্ধানে উঠে এসেছে বেপরোয়া চাঁদাবাজির সঙ্গে অগ্রিম অর্থ নিয়ে ফুটপাত বিক্রির এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানতে চাইলে নাম না বলা একজন হকার ভোরের সময়কে বলেন, চাঁদাবাজির এই দায় সরকারের। কারণ পুলিশ ও সরকারি দলের লোকজন এই চাঁদাবাজিতে জড়িত। এরা সবাই সরকারের অধীনে। তাই কেউ এর দায় না নিলেও তা সরকারকেই নিতে হবে। যদিও দায়বদ্ধতার কাঠামো ভেঙে গেছে। এটা তারই পরিণতি। ফুটপাত অবৈধ দখলের ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, কাউকে ফুটপাত দখল করতে দেওয়া হবে না। ফুটপাত জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে ফুটপাতের পরিমাণ বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে। ফুটপাত সচল রাখা গেলে রাজধানীর যানজটও অনেকটা নিরসন হবে। সরেজমিনে জানা গেছে, রাজধানীর ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা বাড্ডা এলাকার বহু স্পটে সারা বছরই ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করেন হকাররা। এই ব্যবসার কোনো অনুমোদন নেই। সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন ফুটপাত ও রাস্তায় অবৈধ দোকান সাজানোর জন্য নিত্যদিন চাঁদা দিতে হয় ব্যবসায়ীদের। ঈদ এলে এই অপতৎপরতা বাড়ে কয়েকগুণ। এতে রাজধানী বাড্ডা জুড়ে সৃষ্টি হয় ভয়াবহ যানজট। পথ চলতে ভোগান্তির শিকার হন পথচারীরা। বছরের পর বছর ধরে এই প্রবণতা চললেও কারও কোনো মাথাব্যথা নেই। এই ব্যবসা ঘিরে অবৈধ টাকার ছড়াছড়ি থাকায় যাদের ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তারাও থাকেন চোখে কালো কাপড় বেঁধে। সংশ্লিষ্টরা জানান, যদি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বৈধভাবে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হতো, তাহলে এ টাকা সরকারের রাজস্ব খাতে জমা হতো। সেই ব্যবস্থা না থাকায় সরকার বছরে বিপুল টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। বিপরীতে ভারী হচ্ছে চাঁদাবাজদের পকেট। জানা গেছে, অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র মোহাম্মদ হানিফ দায়িত্ব পালনকালে ওসমানী উদ্যান, মুক্তাঙ্গন, যাত্রাবাড়ী, মতিঝিল, মিরপুর, শাহ আলী, পান্থপথ ও আজিমপুর-এই আটটি এলাকায় হকারদের পুনর্বাসনের প্রস্তাব করা হয়েছিল। পরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে মোট ২০টি এলাকায় হকারদের পুনর্বাসনের প্রস্তাব করা হয়। ওই সব এলাকায় সাপ্তাহিক ছুটির দিনে হকাররা বসতেও শুরু করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই পদক্ষেপ কার্যকর হয়নি। বাংলাদেশ হকার্স ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী নগরীতে ফুটপাতে দোকানের সংখ্যা দুই লাখ ৬০ হাজার। এর মধ্যে মূল রাস্তার ফুটপাতে দোকান আছে ৭৫ হাজারের মতো। এই দোকানদাররা প্রতিদিন ২০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিতে বাধ্য হচ্ছে। এ হিসাবে গড়ে ৪০০ টাকা করে দিনে চাঁদার অঙ্ক দাঁড়ায় ১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাইলে বাড্ডা থানার ওসি ইয়াসিন গাজী বলেন, ‘ফুটপাতে চাঁদাবাজির সঙ্গে পুলিশের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কেউ পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করলে জড়িতদের নিস্তার নেই। এর আগেও চাঁদাবাজদের গ্রেফতার করে মামলা দেওয়া হয়েছে।’ তাছাড়া লাইনম্যান আরিফের নামে এমন চাঁদাবাজির আরো নিউজ হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন সাংবাদিকদের। তিনি আরো বলেন বাড্ডা একটি চাঁদাবাজির স্পট। আমি যখন বাড্ডার অভিভাবক হিসেবে দ্বায়িত্ব নিয়েছি নিশ্চয়ই চেষ্টা করবো চাঁদাবাজির জিরো টলারেন্সে নিয়ে আসতে। তাই সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। জানতে চাইলে পুলিশের নামে চাঁদাবাজির বিষয় অস্বীকার করে ঢাকা গুলশান জোনের পুলিশের উপকমিশনার রিফাত রহমান শামিম ভোরের সময়কে বলেন, ‘ফুটপাতে যেন কেউ চাঁদাবাজি করতে না পারে সেজন্য নজরদারি রয়েছে। পুলিশের নাম ভাঙিয়ে কেউ চাঁদাবাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে জড়িতদের আইনে আওতায় আনা হবে। হকারদের পুনর্বাসন করে সব ফুটপাত দখলমুক্ত করার পক্ষে মত দেন তিনি। বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করা গেলে চাঁদাবাজি নিয়ে আর কোনো কথা হবে না।’ বাংলাদেশ হকার্স ফেডারেশনের নেতারা বলেন, চাঁদাবাজদের অত্যাচারে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা দিশেহারা। প্রতিদিন সব কটি ফুটপাতের দোকান থেকে শাসক দলের নেতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাস্তানরা চাঁদা নিচ্ছে। সরকারের শীর্ষ মহলকে অবহিত করার পরও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে সরকার মাসে কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করতে পারত। প্রধানমন্ত্রী পুনর্বাসনের ব্যাপারে আন্তরিক। কিন্তু রহস্যজনক কারণে তা কার্যকর হচ্ছে না।

অনুসন্ধানের প্রথম পর্ব,,,,,,,,,,,

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

হাসপাতালে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা আর ঢুকতে পারবে না

স্টাফ রিপোর্টার:  সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে আগত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত চিকিৎসাধীন ও চিকিৎসা নিতে আসা সবার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য এবং হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম অধিকতর উন্নয়নের লক্ষ্যে ১০টি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নির্দেশনার একটি হচ্ছে, ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের হাসপাতালে প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। গত ১৮ নভেম্বর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব উম্মে হাবিবার সই করা এক নির্দেশনা দেশের সব হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনা প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়, সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতালে আগত আহতদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা দিতে হবে। সব আহত ব্যক্তির চিকিৎসা বিনামূল্যে করতে হবে। এ ছাড়া বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে যদি কেউ চিকিৎসায় অসমর্থ হয়- তবে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ব্যক্তির

আরও পড়ুন
language Change