তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
১৮ তারিখ গঠিত হবে নতুন সরকার? ঢাকা-৮ আসনে সত্যের জয় পেলো মির্জা আব্বাস বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় কিশোরগঞ্জে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে কারাদণ্ড ও জরিমানা মুন্সীগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ আমি যাকে ভোট দিই, সেই জেতে: মিষ্টি জান্নাত সারা দেশের ভোটদানের চিত্র পর্যবেক্ষণ প্রধান উপদেষ্টার শেরপুরে চলছে ভোটগ্রহণ জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি শেরপুরে সিলসহ শতাধিক ব্যালট উদ্ধার জয়লাভ করলে আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে প্রাধান্য : তারেক রহমান পোলিং এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ তাসনিম জারার ভোট কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ভোটকেন্দ্রে বিএনপি নেতার মৃত্যু ঈদের মতো উৎসব চলছে : প্রধান উপদেষ্টা শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রিজাইডিং অফিসার সহ ২ জনের মৃত্যু ভান্ডারিয়ায় ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ রাজধানীতে নির্বাচন ঘিরে সেনাবাহিনীর তল্লাশি অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাব-৫ এর ক্যাম্প কমান্ডারের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন উপদেষ্টারা কে কোথায় ভোট দেবেন? রাজশাহীতে মধ্যরাতে একাধিক বোমা উদ্ধার নির্বাচনে নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখের বেশি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অস্ত্রসহ আটক বিমানবন্দরে বিপুল টাকাসহ জেলা জামায়াতের আমির আটক ঢাকার নদী বাঁচাতে ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক রাজবাড়ীতে ড্রোনের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র মনিটরিং করা হবে ভোটকেন্দ্রগুলোতে কখন পৌঁছাবে ব্যালট, জানাল ইসি পদোন্নতির জন্য পরীক্ষা দিতে হচ্ছে দুদক কর্মকর্তাদের জয়ের প্রত্যাশায় বিএনপি আজ থেকে চারদিন সরকারি ছুটি বিজিবি'র অভিযানে বিদেশী পিস্তল ও ম্যাগজিন , গুলি জব্দ নিশ্চিত পরাজয়ের মুখে সারাদেশে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে জামায়াত: মাহদী আমিন সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা শাকিব শুভ হাজির হতে পারছেন না ভোটকেন্দ্রে অসুস্থ হয়ে আদালত ছাড়লেন পরীমনি, পেছাল জেরা পুলিশ নামাচ্ছে বিশ্বকাপে নিরাপত্তায় রোবট কুকুর পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি নেত্রকোনায় পাঁচ ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাটের দলিল হস্তান্তর করলেন প্রধান উপদেষ্টা দুর্নীতির সূচকে বাংলাদেশের আরও অবনতি জামায়াত আমিরের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সাক্ষাৎ নির্বাচনে যে ফল থাইল্যান্ডের কেউ কল্পনাও করেনি ভোট কেন্দ্রের শৃঙ্খলা-রক্ষার্থে কর্মকর্তা দের মাঝে মেগাফোন বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে যৌথ বাহিনীর মহড়া অনুষ্ঠিত বিএনপি জনগণের আস্থা অর্জন করেছে - হারুনুর রশীদ জাতীয় প্রেস ক্লাবের টয়লেট থেকে সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার টানা ছুটিতে হঠাৎ টাকার দরকার হলে সামাল দেবেন যেভাবে পুড়িয়ে দেওয়া হলো মধ্যরাতে ভিপি নুরের অস্থায়ী নির্বাচনি কার্যালয়

সন্তান কতৃক নির্যাতিত মায়ের আহাজারি

পাঠক সংখ্যা
638

আাজিজুর রহমান বাবু, জেলা সংবাদদাতা শরীয়তপুর:

পৃথিবীর যেসব বাবা মায়েরা শুধু মাত্র সন্তানের সুখের জন্য নিজেদের স্বপ্নকে পুড়িয়ে পথচলা মসৃন করেন। জমি জিরাত বিক্রি করে কলিজার সন্তানদের শিক্ষিত করে তোলেন। শিশুকাল থেকে যৌবন পর্যন্ত খাইয়িয়ে পড়িয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করেন। সেই সুবোধ সন্তানেরা বড় হয়ে বাবার পরিশ্রম ত্যাগ – মায়ের পরম মমতাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য আর অবমাননা করে কী নিজেকে বড্ড যোগ্য সন্তান মনে করেন ?… এটাই বাস্তবে দৃশ্যমান রয়েছে আমাদের সমাজ সংসারে।

এমনি একটি স্পর্শকাতর বেদনাদায়ক ঘটনার অবতারণা ঘটেছে শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার চরভাগার বকাউল কান্দি গ্রামে।

ঘটনার বিবরণে প্রকাশ – গৌরাঙ্গ বাজারে বারেক খলিফার বেশ জনপরিচিতি ছিলো। সেই সুবাদে এলাকার আশে পাশে বেশ সুনামের সাথেই দর্জি ব্যবসা পরিচালনা করেন। সময়ের বিবর্তনে ব্যবসার মূলধনের সংকট এবং ছেলের সিংগাপুর প্রেরণের উদ্দেশ্য ১২ লক্ষ টাকা যোগাড় করে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। একসময় পাওনাদার আর কিস্তির টাকা পরিশোধের দুঃচিন্তায় বারেক খলিফা হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু বরণ করেন। মৃত্যুর আগে তার ডায়েরিতে লিখে যান ” বার লক্ষ টাকা ” তাঁর ছোট ছেলে নুরুজ্জামান বাবু পরিশোধ করবে। পরবর্তী সেই টাকা পরিশোধ না করায় নিরুপায় হয়েই তাঁর স্ত্রী হাজেরা বেগম (৭৫) দায়ভার বহন করতে বাধ্য হন।

প্রসংগক্রমে বলতে হয় প্রয়াত বারেক খলিফার চার মেয়ে দুই ছেলে। সর্বকনিষ্ঠ সন্তান নুরুজ্জামান বাবু (২৮) ছোটকাল থেকেই নুরুজ্জামান বাবু ছিলেন ডানপিটে দূরন্ত প্রকৃতির।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায় – চার বোনের খাদিজা ও রিপার মমতায় আশ্রিত নুরুজ্জামান বাবু । ছোট ভাইয়ের ভবিষ্যৎ উন্নত করার লক্ষ্যে প্রয়াত বাবা বারেক খলিফাকে বলে কয়ে তাঁরা রাজি করান। তাঁদের ঐ মহতী চেষ্টায়ই পরবর্তী সংসার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়ায়। জীবদ্দশায় বারেক খলিফা ১২ ( এগার) লক্ষ দেনা করে ছোট ছেলেকে সিংগাপুর প্রেরণ করতে সক্ষম হন। পরবর্তীতে তাকে দুঃসহ যন্ত্রণা পোহাতে হয়। যার ফলস্রুতিতে আজকের এই পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে।

আসমান সমান দেনা নিয়ে হাজেরা বেগম (৭৫) দিশেহারা হয়ে পড়েন। এমন বিপদকালিন সময়ে মেজো মেয়ের জামাই মনির হোসেন মোল্লা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। শুধু তাই নয় সাংসারিক খরচ, চিকিৎসা হাটবাজার সহ নানাবিধ সমস্যা মেজো জামাই মনির হোসেন মোল্লার সানুগ্রহে যাপিত জীবন পরিচালনা করতে গিয়ে সাড়ে চার লক্ষ টাকা দেনা হয়ে যান। অর্থাৎ সাড়ে ১৬ লক্ষ টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে হাজেরা বেগম দিশেহারা।

সময়ের পরিক্রমায় ঋণগ্রস্ত হাজরা বেগম দেনা পরিশোধের জন্য নিজের জমি অন্যের কাছে বিক্রি করলে বাস্তহারা হবেন কিন্তু মেজো জামাইয়ের নিকট বিক্রি করলে কমপক্ষে বাড়িতে বসবাস করতে পারবেন এই অভিপ্রায়ে হাজেরা বেগম নিজের ২৪ শতাংশ জমি ও চৌচালা ঘর সহ মেজো জামাইয়ের কাছে বিক্রি করে দেনা পরিশোধ করেন । পারিবারিক ভাবে অসন্তোষ দেখা দিলে মনির হোসেন মোল্লা শাশুড়ী থেকে কেনা ২৪ শতাংশ জমি হাজেরা বেগমের মেজো কন্যা সুমাইয়াকে পুনরায় কাওলা করে দেন। বিধায় ছোট ছেলে নুরুজ্জামান বাবুর কাছে বিষয়টি আপত্তিকর হয়ে উঠে এবং সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হয়।

স্বামী বারেক খলিফার রেখে যাওয়া সম্পত্তি এবং চৌচালা ঘরই ছিলো তার শেষ সম্বল। ছেলে এবং মেজো জামাইয়ের দেনা পরিশোধ করতে গিয়ে আজ তিনি সর্বহারা। বর্তমানে মেয়ের মালিকাধীন জমিতেই বসবাস করছেন হাজেরা বেগম (৭৫)। এসবের উপর বাগড়া বাধে ছোট ছেলে নুরুজ্জামান বাবু (২৮)। সিংগাপুর থেকে ফেরত আসার পর এই পৈত্রিক বাড়িটি কব্জা করতে ধীর মস্তিস্কে বিভিন্ন অজুহাত তৈরি করে নিজের জন্মধাত্রী মাকে ভিন্ন কৌশলে বিতাড়িত করার চক্রান্ত অব্যাহত রাখে।

ঘটনার একপর্যায়ে মায়ের সাথে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ শারীরিক ভাবে হেনস্তা করে এমন কী ঘৃন্য কৌশল আঁটতে থাকে। বিভিন্ন সময় ঘরের সামনে বড়ই কাটা দিয়ে পথরুদ্ধ করে। এমন কী নুরুজ্জামান বাবুর সহধর্মীনি এলাকার মনসুর বেপারীর কন্যা শাহনাজ (২৩) কে দিয়ে আপন শ্বাশুড়িকে বাড়ি থেকে বের করার জন্য ষড়যন্ত্র ও মারমুখী আচরণ চলমান রাখে। পরিবারের বর্তমান পরিস্থিতি খুবই নাজুক। যে কোন সময় হাজেরা বেগমের প্রাণনাশের মত বিয়োগান্তক পরিণতি ঘটতে পারে।

এইরুপ জটিল পরিস্থিতি দেখে হাজেরা বেগমের মেয়ে খাদিজা আক্তার (৩২) মায়ের সার্বিক নিরাপত্তা এবং প্রাণ রক্ষার্থে মায়ের সাথেই বসবাস শুরু করেন। আপন সন্তানের এহেন মারমুখী আচরণে অতিষ্ঠ হাজেরা বেগম প্রতিনিয়ত মৃত্যুভয়ে আতংকিত।

ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে স্হানীয় মুরুব্বিদের জানালেও কেউ সত্য ঘটনাটি উপস্থাপন করেননি। হাজেরা বেগম নিরুপায় হয়ে নিরাপত্তাজনিত কারণে স্হানীয় সখিপুর থানায় সাধারণ ডায়রী করেন। জিডি নং ২৮৩ – ৭/৯/২৩ ইং। তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই আতিয়ার সরেজমিনে জিডির আলোকে তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হয়। পরবর্তীতে ৩২৩/৫০৬ পেনাল্টি কোডের ধারায় শরীয়তপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। এই পর্যন্ত উক্ত মামলার কোন সুরাহা হয় নাই।

বিধবা হাজেরা বেগম একজন অসহায় অবলা নারী হওয়ায় রাষ্ট্র প্রণীত আইন অনুযায়ী জানমাল হেফাজতের লক্ষ্যে সকল নিরাপত্তা পাওয়ার আইনগত অধিকার হাজেরা বেগমের (৭৫) রয়েছে । বাস্তবে, সমাজ ব্যবস্থার উল্টোরথে চলা মায়া মমতা সর্বদাই আজ উপেক্ষিত। অনিয়মই এখন যেনো নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জনমনের প্রত্যাশা – নির্যাতিত অসহায় মায়ের প্রতি দেশের প্রচলিত আইনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যবস্হা গ্রহণ করা হউক এবং কুলাঙ্গার পুত্র কনিষ্ঠ সন্তান নুরুজ্জামান বাবুকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হউক।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ঢাকা মেডিকেলে দালালচক্রের হাতে রোগি জিম্মি

স্টাফ রিপোর্টার॥ ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে আসা সবাই পদে পদে হয়রানীর শিকার হচ্ছেন দালাল চক্রের কাছে। রোগী গুরুতর অসুস্থ। নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) নিতে হবে এখনই। কিন্তু আইসিইউ খালি নেই। আইসিইউর জন্য দেওয়া হয় সিরিয়াল। দিনের পর দিন যায়, সপ্তাহও পার হয়ে যায়, মেলে না আইসিইউ। এ পর্যায়ে চিত্রনাট্যে হাজির হন তারা; বলেন, ‘ব্যবস্থা’ আছে। এই ‘তারা’ হলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের কর্মচারী আর বহিরাগত দালাল। ‘দ্রুত নিতে হবে, না হয় রোগী মারা যাবে’— এমন ভয় দেখিয়ে তারা রোগী ভাগিয়ে নেন বেসরকারি হাসপাতালে। ওই রোগী যতক্ষণ সেই হাসপাতালে থাকবে ততক্ষণ তাদের পকেটে ঢুকতে থাকবে কমিশনের টাকা। রোগী সুস্থ হোক বা মারা যাক, ছাড়পত্র নেওয়ার আগ পর্যন্ত চলতে থাকে এ প্রক্রিয়া। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমন তথ্য। দ্রুত নিতে হবে, না হয়

আরও পড়ুন
language Change