তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সখীপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু খুলনায় ইজিবাইকের ধাক্কায় খুবি ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে প্রকল্পের অর্থ গিলে খাচ্ছে ‘জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনকারী’ সিন্ডিকেট রেশমের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার-বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো: শরীফুল আলম জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সুখবর গণপূর্তের অজেয় সিন্ডিকেট প্রধান লতিফুল ইমামের পেছনে নামাজ পড়লে কি কোনো সুরা পড়তে হবে? শ্রীমঙ্গলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন এবং গুরুতর আহত এক বিরোধীদলীয় নেতার এপিএস হলেন মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় ৭ হাজার লিটার পেট্রোলসহ তেলবাহী ট্রাক জব্দ-আটক ৪ সাগরের তল পাওয়া গেলেও অতীত সরকারের দুর্নীতির সীমানা বের করা যায় না রোগীকে জাল সনদ প্রদান, চিকিৎসক কারাগারে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: ট্রাইব্যুনালে সাবেক ডিআইজি জলিল সাতক্ষীরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দালালচক্রের তাণ্ডব বিএনপির তিন নেতাকে সব দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার ডিসিসির সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ মুগ্ধের পিতার চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে পুলিশ কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা বাসাইলে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে দুই পরিচালক (চঃ দাঃ) এর খুঁটির জোর কোথায়? সখীপুরে ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ সিরাজগঞ্জে জ্বালানি সংগ্রহে ‘ফুয়েল কার্ড’ বাধ্যতামূলক শিখরের ‘ভায়রা’ দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী আইয়ুব শাস্তির বদলে পেলেন পুরস্কার স্বামীর গলাকাটা দেহের পাশে সন্তানদের নিয়ে রাত কাটালেন স্ত্রী কীভাবে হাম ছড়ায় এবং লক্ষণ কী? ফায়ার সার্ভিসে বিতর্কিত পদায়ন ও স্বাধীনতা দিবসের প্যারেড কেলেংকারি হিজবুল্লাহর সঙ্গে ভয়াবহ সংঘর্ষে ৪ ইসরায়েলি সেনা নিহত গোমস্তাপুরে ডিএনসির অভিযানে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২ অভিনেতা রাহুলের প্রয়াণে মুছে গেল সব তিক্ততা, যা বললেন অনন্যা গুহ সিরাজগঞ্জে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কটূক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ১০ বছরে পাচারের টাকায় ২৫টি পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব মোংলায় চিকিৎসকের ওপর হামলা ও ভাঙচুর মেসার্স এলেঙ্গা ফিলিং স্টেশনকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ হবে আজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস নিয়ে নতুন পরিকল্পনা মোংলায় ওয়াইল্ডটিমের উদ্যোগে বনজীবীদের মাঝে প্রশিক্ষণের আয়োজন ছয় মাসে সরকারের ব্যাংকঋণ অর্ধলক্ষ কোটি টাকা ছাড়াল দীঘিনালায় তেলের তীব্র সংকট আর্জেন্টিনার শেষ হোম ম্যাচের সূচিতে পরিবর্তন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় লাখ লাখ জাল নোটসহ আটক ২ সিরাজগঞ্জে মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার মানহানির মামলা আরও বাড়ল স্বর্ণের দাম সুন্দরবনের ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে কোস্টগার্ড এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ অবৈধ মজুতবিরোধী অভিযানে ২৬ দিনে উদ্ধার ২ লাখ লিটার জ্বালানি দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ৬ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস কেশবপুরে ৪১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখন ভারপ্রাপ্ত দিয়েই পরিচালনা আওয়ামী লীগ নেতা মান্নান ভূঁইয়ার নির্যাতনে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ইউনাইটেড গ্রুপের কর্মকর্তা আফজাল নাছের গ্রেপ্তার

এনসিটিবিতে চলছে ই- টেন্ডার বাণিজ্য; ঝুঁকিতে মুদ্রণ শিল্প

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:

শিক্ষা খাতের দুর্নীতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রাক্কলন, টেন্ডারের তথ্য ফাঁস, সমঝোতার নামে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে সাপোর্টিং বা এজেন্ড ঠিকাদার নিয়োগের কথা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্তৃক বেনামে বা ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজনদের মাধ্যমে ঠিকাদারি কাজ পরিচালনা করাসহ বহু অভিযোগ। বিশেষ করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহে হয় মহাচুরি। মূলত এনসিটিবিতে দুর্নীতির মূল জায়গায় হলো পাঠ্যবই ও কাগজ কেনার দরপত্র প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন কাজের কমিটি গঠনে দাবি করেছে দুনীতি দমন কমিশন। ২০২২ সালের জুলাইয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইইডিকে পাঠানো সুপারিশপত্রে এসব তথ্য জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সেই সুপারিশে বোর্ডে কর্মরত কর্মকর্তাদের কেউ কেউ স্বনামে ও বেনামে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিক বনে গেছেন বলেও উল্লেখ করেছে দুদক।

২০২২ সালের সুপারিশ আমলে না নিয়ে একই কায়দায় এখনো এনসিটিবিতে চলছে ই- টেন্ডার বাণিজ্য। ফলে  ঝুঁকিতে পড়েছে  মুদ্রণ শিল্প। মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন এ শিল্পের সাথে জড়িত হাজারো ব্যবসায়ি এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু এনসিটিবি কর্মকর্তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই।

মুদ্রণ শিল্পের সাথে জড়িত একাধিক ব্যবসায়ি জানিয়েছেন, আমরা বিগত দশ (১০) বছর যাবৎ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহের কাজ দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলতার সাথে করে আসছি। এ শিল্পের সাথে জড়িত প্রায় ছোট-বড় ৪০০টি প্রতিষ্ঠান সরকারের সুনাম অক্ষুন্ন রেখে কাজ করে যাচ্ছি, ফলে বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী মুদ্রণ শিল্প তৈরি হয়েছে। কিন্তু ২০২০-২০২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত দরপত্রে অংশগ্রহণের পূর্বশর্ত হিসেবে কোয়ালিফিকেশন ক্রাইটেরিয়ায় পূর্ববর্তী বছরের কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয় কাজের মূল্যের ৩০-৪০ শতাংশ। বিগত ৫ বছরের দরপত্রে যেসব অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছিলো তা সব মুদ্রণ ব্যবসায়িদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিলো। ফলে দরপত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে সকলেই। দরপত্রের সুসম প্রতিযোগিতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত হয়েছে।

অথচ ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ১ম ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির দরপত্রে পূর্ববর্তী কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে লটের মূল্যের প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ অধিক, যা অধিকাংশ মুদ্রণ ব্যবসায়ির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে, হাতে গোনা ৫-১০ টি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে।  ফলে এইসব মুদ্রণ ব্যবসায়িরা মনে করছেন, হাতে গোনা ৫-১০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে এনসিটিবি জিম্মি হয়ে যাবে, যথাসময়ে কাজ উঠানো চ্যালেঞ্জিং হবে এবং বাকি ব্যবসায়িরা কাজ না পাওয়ার ফলে এ মুদ্রণ শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। পাশাপাশি সিন্ডিকেট করে দরপত্রের দর বিগত সময়ের চেয়ে প্রায় ২০-৩০% বেশি অর্থাৎ, প্রায় ২ শত কোটি হতে ৩ শত কোটি টাকা লুটপাটের নীল নকশা আঁকা হয়েছে বলেও মনে করছেন মুদ্রণ শিল্পের সাথে জড়িত ব্যবসায়িরা।  ব্যবসায়িদের দাবি, এটি  অবাধ, সুষ্ঠু ও সকলের সাথে সমআচরণের পরিপন্থী।

ব্যবসায়িরা বলছেন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এর উদ্দেশ্য হলো সরকারী তহবিলের অর্থদ্বারা কোন পণ্য, কার্য বা সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং উক্তরূপ ক্রয়কার্যে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সব ব্যবসায়ির প্রতি সম-আচরণ ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চত করা। কিন্তু এনসিটিবির উর্ধতন কমকর্তা বর্তমান নির্দেশে দরপত্র দলিল প্রস্তুত কমিটি, উৎপাদন নিয়ন্ত্রক ও আইসিটি সেলের সহকারী মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার (ভারপ্রাপ্ত প্রোগ্রামার) নির্দিষ্ট সংখ্যক ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য যোগসাজসে এ ধরনের শর্ত আরোপ করেছে। সহকারি মেইনট্যানেন্স ইঞ্জিনিয়ার মো: সালাউদ্দিন লেনদেনের বিনিময়ে এ শর্ত দেওয়ার বিষয়ে সকলকে প্ররোচিত করেছে বলে অভিযোগ করছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দুর্নীতির মাধ্যমে গত বছর এ সিন্ডিকেটটি অনেককে কাজ পাইয়ে দিয়েছে এবং এ থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারি মেইনট্যানেন্স ইঞ্জিনিয়ার মো: সালাউদ্দিন প্রতিবেদককে বলেন, প্রথমত আমার কথা বলা নিষেধ। উর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশ ছাড়া আমি কথা বলতে পারবো না। আপনি আমার উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলুন। দ্বিতীয়ত. আমি যা করেছি, তার অফিসের নির্দেশেই করেছি। ব্যক্তিগতভাবে কোন উদ্যোগ নেই নাই।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোডের সদস্য (অতিরিক্ত দায়িত্ব, চেয়ারম্যান) প্রফেসর মশিউজ্জামান প্রতিবেদককে জানান, নির্দেশিকা মোতাবেক টেন্ডার ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা সচেতনভাবেই সকলেই যাতে সমানভাবে বিড করতে পারে সে ব্যবস্থা রেখেছি। আর পক্ষপাতিত্বের কোন সুযোগ এখনো তৈরি হয় নি। আগামী ২৫ জুনের পর আমরা জানবো কতজন টেন্ডারে অংশ নিয়েছেন। পক্ষপাতিত্বে অভিযোগ তাই অমূলক বলে প্রতিবেদককে তিনি জানান।

এদিকে, ক্রয়কার্যে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সকল ব্যক্তির প্রতি সম-আচরণ ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চত করতে এবং এ দুর্নীতির সাথে যারা জড়িত তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরূদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়িরা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

২২ লাখ টাকার বিদেশি মুদ্রাসহ যাত্রী আটক

২২ লাখ টাকার বিদেশি মুদ্রাসহ যাত্রী আটক

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা: চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেশি-বিদেশি প্রায় ২২ লাখ টাকার মুদ্রা জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংযুক্ত আরব-আমিরাতগামী এক যাত্রীকে আটক করা হয়। রোববার (২৭ জুলাই) রাত আটটার দিকে বিমানবন্দর এভসেক, কাস্টমস, ডিজিএফআই, এনএসআইয়ের তল্লাশির মাধ্যমে এসব মুদ্রা ও জড়িত যাত্রীকে আটক করা হয়। সোমবার (২৮ জুলাই) সকালে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আটকযাত্রী মো. আব্দুল মজিদের বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলায়। এসময় তার কাছে ৪ হাজার ৭০০ ইউএস ডলার, ৪৭ হাজার ৮৮৫ ইউএই দিনার, ৩ হাজার ৭৬২ সৌদি রিয়াল, ৩৪৬ ওমানি দিনার এবং বাংলাদেশি ৩৬ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল বলেন, ব্যাগেজ স্ক্যানিং পয়েন্টে আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে মজিদকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন
language Change