তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
বিসিবির আচরণে তামিমের ক্ষোভ নিরাপদ মা ও সুস্থ শিশুর জন্য গর্ভকালীন পরিচর্যা আবহাওয়া অফিসের শীত নিয়ে নতুন বার্তা তারেক রহমানকে যেভাবে সংবর্ধনা জানাবে বিএনপি হাদিকে হামলায় আরো ২ জন গ্রেফতার ইসলাম ধর্মে বুদ্ধিজীবীদের যে সম্মান দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে পুলিশ এআইইউবির ২৩ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত সংস্কৃতি মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে: কাদের গনি চৌধুরী শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ কম্বোডিয়ায় নতুন করে হামলা থাইল্যান্ডের বিদ্যা সিনহা মিম নতুন সিনেমায় ১৪ ডিসেম্বর: স্বর্ণের ভরি কত? শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন শাহজাদপুরে হাজী রফিকুলের MMH ও MNH অবৈধ ইট ভাটা চলছে ২০ বছর সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরে নলুয়াতে তাঁবুর ঘরে মাদক ও জুয়ার আঁধারী আসর মেসির সাথে কারিনার সাক্ষাৎ ঘিরে তুমুল আলোচনা রোনালদোকে দেখা যেতে পারে হলিউডের সিনেমায় জাতিসংঘ মহাসচিবের কড়া বার্তা ট্রাইব্যুনালে হাজির ১৫ সেনা কর্মকর্তা বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে সাংবাদিকের ওপর হামলা পোস্টাল ব্যালটে ভোট শান্তিরক্ষীদের নিহতের ঘটনায় জামায়াত আমিরের শোক ট্রাকের ধাক্কায় হোটেল কর্মচারী নিহত দেশকে নেতৃত্বহীন করতে হাদির ওপর হামলা সামনে আরও হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে হাদির ওপর হামলায় মোটরসাইকেল মালিক গ্রেফতার শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা আগামীকাল প্রধান বিচারপতির বিদায়ি অভিভাষণ ১১ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এনসিপি নেতাকে বাঁচাতে গিয়ে পুলিশ আহত অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু শাহীন শিক্ষা পরিবারের শিক্ষার্থীদের স্মৃতিমিলন জেসিআই বাংলাদেশের নতুন প্রেসিডেন্ট দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর দুঃসহ বেদনার দিন ১৪ ই ডিসেম্বর শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাবে নতুন বই সৌদিতে আলিয়াকে বিশেষ সম্মাননা ঘরে ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা মেসিকে না দেখতে পেয়ে ভারতীয়দের ক্ষোভ বাংলাদেশি জাহাজ জব্দ করল ইরান মনোনয়ন দাখিলে প্রার্থীদের যা যা করনীয় : ইসি হাদির পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রধান উপদেষ্টার জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপির সাবেক এমপি মিয়ানমারের গুলির শব্দে কাঁপছে টেকনাফ ইরানের নোবেলজয়ী নার্গিস গ্রেফতার রেকর্ড উচ্চতায় রুপার দাম অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ফখরুলের আহ্বান মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে এনসিপি কেরানীগঞ্জে আগুন, উদ্ধার ৪৫

যৌথবাহিনীর অভিযান  সত্বেও  বেড়েই চলছে মাদক,জুয়া ও দেহ ব্যবসা টঙ্গীর জাভান হোটেলে

পাঠক সংখ্যা
638

মোঃ ইব্রাহিম হোসেন:

সাম্প্রতিক সারাদেশে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযান চলমান ইতিমধ্যে অভিযান পরিচালনা করে আটক করা হয়েছে দেশের অসংখ্য অবৈধ অস্ত্র বহনকারীদের,দুর্নীতিবাজ,চোরাচালান কারবারি,মাদক কারবারিসহ গডফাদাদের। এই আতংক বন্ধ হয়েছে দেশের অসংখ্য অবৈধ কার্যক্রম। তবুও থামছে না,গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত জাভান হোটেলে সম্প্রতি আধিক্য বাড়ছে মাদক,জুয়া ও রমরমা দেহ ব্যবসা। কোন এক অদৃশ্য ক্ষমতার দাপটে এখনো ধরাছোঁয়ার বাহিরে হোটেলটির কতৃপক্ষ রাত্রির নিস্তব্ধতার মধ্যে দিয়ে দেখা যায়,মহা উল্লাসের ছলকানিতে হরদম চলছে মাদক,জুয়া,ও রমরমা দেহ ব্যবসা।

গাজীপুরের টঙ্গীতে চার তারকা হোটেলের আদলে গড়ে তোলা ‘জাভান হোটেল’হোটেলটির মালিক শেখ বাদল আহম্মেদ ছিলেন স্বৈরাচার সরকারের দোসর এবং রয়েছেন জার্মান আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি পদেও । শুধু তাই নয়,হোটেলটির মালিক শেখ বাদল আহম্মেদ পরিচয় দিতেন,স্বৈরাচার সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্নেহের মানুষ ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু!!
অন্য আরেকজন স্বৈরাচার সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গেও ছিল তার ঘনিষ্ঠ মানুষ।শেখ বাদল আহম্মেদ বেশিরভাগ সয়মই থাকেন জার্মানে তবে যখনই বাংলাদেশে আসতে তখন বেশি সময় পাড় করতেন স্বৈরাচার সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সাথে। সেই শোভাতেই তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা হিসাবে পরিচয় দিতেন শেখ বাদল আহম্মেদ। সেই সকল পরিচয় দিয়েই চলতো অবৈধ মাদক,জুয়া ও দেহ ব্যবসা। বিশ্বস্ত
সূত্র বলছে,নীরবে ও সুবিধা মত অবৈধ মাদক,জুয়া ও দেহ ব্যবসা করার জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কিনতেই শত কোটি টাকা বাজেট করেছিলেন এবং
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুলনা-৩ আসনে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ও ছিলেন। তবে বাচাই পর্বে বাদ পড়েন তিনি। এই সব পদ পদবী ও স্বৈরাচার সরকার শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল,সজীব ওয়াজেদ জয়ের নাম ভাঙ্গিয়ে ও তাদের ক্ষমতার দাপটে চলতো শেখ বাদলের হোটেল ব্যবসার নামে অবৈধ মাদক,জুয়া ও দেহ ব্যবসা।

তবে গত ৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়েছেন স্বৈরাচার শেখ হাসিনা।এ ছাড়াও দেশ ছেড়েছেন আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীরা।দেশ ছাড়তে গিয়ে বিমানবন্দর ও সিমান্ত আটক ও হয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী অনেক এমপি,মন্ত্রী।
স্বৈরাচার সরকার শেখ হাসিনার পতনের আগেই শেখ বাদল আহম্মেদ দেশত্যাগ করে পাড়ি জমিয়েছেন জার্মানে কথিত এই আওয়ামীলীগ নেতা শেখ বাদল আহম্মেদ।

অন্য দিকে, শেখ বাদল এখন আবার নতুন করে কোন এক অদৃশ্য ক্ষমতার দাপটে জার্মান বসেই নিয়ন্ত্রণ করছেন জাভান হোটেলের সকল অবৈধ কার্যক্রম। বর্তমান নেই,শেখ বাদলের শেল্টারদাতা স্বৈরাচার সরকার শেখ হাসিনা,নেই সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল,নেই সজীব ওয়াজেদ জয় ও তাদের ছত্রছায়া। নেই নিজ দলীয় ক্ষমতা তবুও থেমে নেই শেখ বাদলের মাদক,জুয়া ও দেহ ব্যবসা।

দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের অনুসন্ধানে দেখা যায়, হোটেলটিতে মাদক,জুয়া ও দেহ ব্যবসা রমরমা চলছে ,সন্ধ্যা হলেই শুরু হয়ে যায় মদপান ও জুয়ার আসর,সেই সাথে নিত্যদিন থাকছে স্কুল,কলেজ,পড়ুয়া ৮০/৯০ জন তরুণী মেয়ে,তাদের দিয়েই চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা। আরো দেখা যায়, তরুণ,তরুণীরা মদ সেবন করে বাংলা ও হিন্দি গানের তালে তালে ডিজে পার্টির স্টেজে চলছে অশ্লীল নৃত্য সেই অশ্লীল নৃত্য দেখে মদ্যপান অবস্থায় মাতাল তরুণরা ডিজে পার্টির স্টেজে উঠে ১০০/৫০০/১০০০ টাকার নোটের বান্ডিল ছিটিয়ে দিচ্ছে। পাশেই রয়েছে ,আলাদা করে জুয়া খেলার ব্যবস্থা।জুয়ার আসরে দেখা যায়,লক্ষ লক্ষ টাকা উড়ানোর খেলা। এতে করে প্রায় নষ্ট হতে যাচ্ছে এলাকার যুবসমাজ ও স্কুল,কলেজ পড়ুয়া ছেলে মেয়েরা। এখানে ভাড়ার বিনিময়ে পাওয়া যায় সুন্দরী মেয়েসহ সিঙ্গেল রুম এবং দেশি-বিদেশি ব্রান্ডের মদ।যদিও এর আগে একবার পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ অবৈধ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্রান্ডের মদের বোতল। ২/৪ দিন যেতে,না যেতেই আবার নতুন শুরু হয় মাদক,জুয়া ও দেহ রমরমা ব্যবসা।

হোটেলটি ঘুরে দেখা যায়,চার তারকা আদলে দশ তলা বিশিষ্ট সৌন্দর্যময় এই হোটেল রয়েছে চার ধরনের আবাসন যেমন,ডিলাক্স,সুপিরিয়র, সুইট রুম,ফ্যামিলি সুইট রুম।এই হোটেলটিতে রয়েছে মোট ৬৬ টি রুম তাছাড়াও রয়েছে বিশাল একটি কনফারেন্স হল,একটি বিজনেস সেন্টার,স্পা ও ডান্স,ডেলটা ক্যাফে,বিউটি সেলুন,কানকোন র‍্যায়েল রেস্টুরেন্টে,ওভার ফ্রেস ক্লাব, সুইমিং পুলসহ নানান ধরনের বিনোদন। তবে বিনোদনের আড়ালে চলছে অনৈতিক কার্যক্রম। আরো জানা যায়, ‘জাভান হোটেল’এর মালিক শেখ বাদল আহমেদ ওরফে জার্মান বাদল এর জার্মানেও রয়েছে জাভান হোটেলের মত মাদক,জুয়া ও দেহ ব্যবসা এবং রাজধানীর হাতিরঝিলে আরেকটি ১১ তলা ভবন নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ প্রান্ত সূত্র বলছে, হাতিরঝিল হোটেলটির ভবনের কাজ প্রায় শেষের দিকে খুব দ্রুত উদ্বোধন করা হবে।

অভিযোগ রয়েছে শেখ বাদল আহম্মেদ,বাংলাদেশের কলেজ পড়ুয়া সুন্দরী মেয়েদের ভালো চাকরির প্রণবল দেখিয়ে জার্মান নিয়ে বাধ্য করে দেহ ব্যবসা করতে এমন অসংখ্য অভিযোগ পাওয়া যায়।আরো জানা যায়, স্বৈরাচার সরকারের এমপি,মন্ত্রীদের মনোরঞ্জন করার জন্য শেখ বাদল সাপ্লাই দিতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সুন্দরী ছাত্রী ও নায়িকা-মডেলসহ অসংখ্য সুন্দরী মেয়ে।

এই বিষয়ে,স্থানীয় সচেতন মহলের ব্যক্তিবর্গের সাথে কথা হলে,তারা জানান,এভাবে যদি জাভান হোটেল চলতে থাকে তাহলে এলাকার যুবসমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে।সর্বশেষ স্থানীয় সচেতন মহলের ব্যক্তিবর্গ ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং এই অবৈধ মাদক,জুয়া ও দেহ ব্যবসা চলা জাভান হোটেলটি বন্ধের দাবী জানান।

এই বিষয়ে হোটেল মালিক শেখ বাদল আহম্মেদের সাথে কথা বলার জন্য তার মুঠো ফোনে কল দিলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে শেখ বাদল আহম্মেদ যেহেতু বর্তমান জার্মানে রয়েছেন সেই ক্ষেত্রে যোগাযোগ করার জন্য জার্মান WhatsApp নাম্বারে একাধিক বার ফোন দিলেও রিসিভ হয়নি।

এই বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন এর উপ-পুলিশ কমিশনার অপরাধ দক্ষিণের সাথে যোগাযোগ করা জন্য মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

শরিকদের আসন বণ্টন নিয়ে নতুন চিন্তা বিএনপির

শরিকদের আসন বণ্টন নিয়ে নতুন চিন্তা বিএনপির

ডেস্ক রিপোর্টঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৩৭ আসনে দলের সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও এখন পর্যন্ত জোটের মনোনয়ন নিশ্চিত করেনি বিএনপি। এ নিয়ে জোটের শরিকদের দ্বিধা কাটছে না। তারা এরই মধ্যে বিএনপি মহাসচিবসহ দলটির দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বিএনপি থেকে বলা হয়েছে, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শিগগির এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের মিত্ররা এখন তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের অপেক্ষায় রয়েছেন। বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, শিগগির এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। এরপর শরিকরা কে কোন আসন থেকে নির্বাচন করবেন, বিএনপির পক্ষ থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে এবার আসন বণ্টন নিয়ে ভিন্ন চিন্তা রয়েছে বিএনপির। এক্ষেত্রে মিত্রদের আসন বণ্টন সীমিত করে তাদের সংসদের উচ্চকক্ষ কিংবা ক্ষমতায় গেলে অন্যভাবে মূল্যায়ন করা হতে

আরও পড়ুন
language Change