তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ঈদের পরে নতুনরুপে আসছে মোহনা টিভির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান “সাড়া দাও বাংলাদেশ” বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৩ উল্লাপাড়ার ঘাটিনা রেল ব্রিজে ট্রেনের ধাক্কায় খালাতো দুই ভাই নিহত কুয়াকাটায় দুর্বৃত্তদের আগুনে জেলের জাল ও নৌকা পুড়ে ছাই সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে চিকিৎসা ও বিনামূল্যে ঔষধ বিতরন অস্ত্র-গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের সদস্য আটক কুয়াকাটায় শ্রমিক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ ঝিনাইগাতী-নকলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ও বাজার মনিটরিং ঝিনাইগাতীতে ভিজিএফের চাল পেল ১২ হাজার ৬৩০ পরিবার ঝিনাইগাতীর মেধাবী ছাত্র হৃদয় চক্রবর্তী ৪৫ তম বিসিএস ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত কেশবপুর শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে শিশুর মৃত্যুতে ভাঙচুর খুলনায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নিয়োগে লঙ্কাকাণ্ড পরিচ্ছন্নতার ঝাড়ু হাতে নামবে সংসদ সদস্যরা ভক্তদের কাছে পিয়ার বার্তা: এই পথটাকে উপভোগ করুন লাইলাতুল কদরের রাতে ইবাদত, জিকির ও দোয়ার ফজিলত ঝগড়া এড়িয়ে গেলে কি সম্পর্ক সত্যিই সুখী থাকে দীঘিনালায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি রিপন আটক আগুনে ১২টি দোকান পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় দেড় কোটি টাকা খুলনার ডুমুরিয়াকে জিরো কমপ্লেইন থানায় রূপান্তরের উদ্যোগ সংসদ অধিবেশনে দর্শকসারিতে ড. ইউনূস ও তারেক পরিবারের সদস্যরা খুলনায় ব্যবসায়ী ও ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম মৌলভীবাজারে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন শেরপুরে পুলিশের অভিযানে ৮৬ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সিনার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন: নাহিদ ইসলাম সিরাজগঞ্জে শহীদ পুলিশ পরিবারের মাঝে আইজিপির ঈদ উপহার বিতরণ বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পাবে কোন দেশ ধুনটে ইউপি কার্যালয়েই বাদী ও নারীকে মারধরের অভিযোগ জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিপিসির নতুন সিদ্ধান্ত ত্যাগ, নির্যাতন সহ্য করেও বিএনপি'র রাজনৈতিতে হাফেজ আহমেদ ভুঁইয়া মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ যুদ্ধ বন্ধে যে তিন শর্ত দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে মির্জা আব্বাস জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল গোয়েন্দা প্রতিবেদন উপেক্ষা বিটিভির প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার দৌড়ে মনিরুল! কাজ শেষ না হতেই বিল পরিশোধ গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়জুলের আদালতের রায় না মেনে নদী দখল করে দেশবন্ধু সিমেন্ট ফ্যাক্টরির কার্যক্রম দেশে আবারও সংসদীয় রাজনীতির সূচনা হলো প্রধানমন্ত্রী ফের রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী হতে চান আওয়ামী দোসর উজ্জ্বল মল্লিক স্পিকারের চেয়ার শূন্য রেখেই বসলো সংসদের প্রথম অধিবেশন বিড়াল হত্যায় একজনের জেল মিয়া নুরুদ্দিন অপু মাননীয় হুইপের একান্ত সচিব নির্বাচিত হলেন জয়নাল আবেদীন হাসনাত আবদুল্লাহর লাইভে উন্নয়ন পরিকল্পনা রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন দেওয়াল চাপা পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবি অভিযানে ভারতীয় মাদকসহ আটক ১ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন কমিউনিটি এডুকেশন ওয়াচ গ্ৰুপের সদস্যদের কারিগরি ও কৌশলগত প্রশিক্ষণ যশোর অভিযান চালিয়ে ককটেলসহ আটক ১

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের স্টিমেটর আনোয়ার শিকদারের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

পাঠক সংখ্যা
638

জাহাঙ্গীর আলম:

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের স্টিমেটর আনোয়ার শিকদার প্রকল্পের শুরু থেকেই প্রয়োজনীয় নিম্নমানের সামগ্রী সরবরাহের মাধ্যমে কেনাকাটায় অনিয়ম, ভুয়া আইটেম সংযোজন ও ঠিকাদারদের নিকট থেকে অতিরিক্ত ঘুষবানীজ্যের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন মর্মে তার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ার শিকদারের গ্রামের বাড়ি আরোহ সালিনা পাড়া, টেংগুরিয়া, টাঙ্গাইল। বর্তমান ঠিকানা – ৭/ এ, বাড়ি নং- ৪০, রোড নং- ১, আদাবর, ঢাকা। পৌরসভার বাইরে “সরকার সারাদেশে নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহ প্রকল্পটি” হাতে নেয় ২০২০ সালের জানুয়ারী মাসে এবং প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৫ সালের জুন মাসে। অত্র প্রকল্পের মেয়াদ প্রায় শেষ পর্যায়ে হলেও সরকার এখনো তার কাঙ্খিত লক্ষে পৌঁছাতে পারেনি। প্রকল্পের আওতায় গভীর-অগভীর নলকূপ স্থাপন, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে সারাদেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ-ই এর লক্ষ্য। জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালিত সমগ্র দেশে সুপেয় পানি সরবরাহ প্রকল্পের স্টিমেটর আনোয়ার হোসেন সিকদার। তিনি প্রকল্পের পিডি তুষার মোহন সাধু খাঁ ও ডিপিডি হানিফ এর আস্থাভাজন হওয়ায় নানা ফন্দি-ফিকির করে বিভিন্ন অজুহাতে ঠিকাদারদের নিকট থেকে অতিরিক্ত কমিশন নিয়ে প্রকল্পের টাকা তিন জনে ভাগ বাটোয়ারা করে নিচ্ছেন। শুরু থেকে প্রকল্পের কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম করে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। যেহেতু তিনি প্রকল্পের স্টিমেটর তাই প্রতিটি স্টিমেটে ভুয়া আইটেম সংযোজন ও পণ্যের মূল্য অধিক দেখিয়ে স্টিমেট তৈরি করেন এবং টেন্ডারের পর ঠিকাদারের নিকট থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করেন। প্রকল্পের শুরু থেকে বর্তমান অবধি যতগুলো নলকূপ অনুমোদন ও স্থাপন করা হয়েছে তার ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ নলকূপ অকেজো রয়েছে বলে জানা যায়। ঐসব নলকূপের ঠিকাদারদের সাথে যোগসাজস করে প্রয়োজনের অধিক ও নিম্নমানের পাইপ দিয়েছে। যার ফলে মাটির চাপে পাইপ ফেটে পানি ওঠা বন্ধ হয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে বিশেষ কারণ দেখিয়ে রিভাইজ স্টিমেট অনুমোদন দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রায় ৩০০ টি গভীর নলকূপ ঠিকাদারের সাথে আতাত করে অগভীর নলকূপ স্থাপন করিয়েছেন এবং ঠিকাদারকে গভীর নলকূপের বিল দিয়ে অতিরিক্ত টাকা ভাগ বাটোয়ারা করেছেন। স্টিমেট অনুমোদন ও বিলের জিও দিয়ে ৩-৫ শতাংশ হারে টাকা ঘুষ নেন। এভাবে নানান কায়দায় আনোয়ার হোসেন কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গড়ে তুলেছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়। আনোয়ার হোসেন সিকদারের অবৈধ সম্পদ অর্জনের কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো :- বাসা নং- ৭৮,রোড নং-৬, ধানমন্ডি। চতুর্থ তলায় ৮০০০ বর্গফুটের ফ্লোরটি স্বামী-স্ত্রী উভয়ের নামে। সাভার পৌরসভা সংলগ্ন বাড়ি নং-২০, রোড নং-৮, স্ত্রীর নামে পঞ্চম তলা আলিশান বাড়ি। তিনি সাদা রংয়ের একটি প্রাইভেটকার ব্যবহার করেন যার মূল্য প্রায় ৪০লক্ষ টাকা। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে আলিশান বাড়ির সহ এলাকায় দশ বিঘার ওপরে জমি কিনেছেন। তাছাড়াও তার পরিবারের অনেকের নামে বেনামে ব্যাংকে রেখেছেন কয়েক কোটি টাকা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, তৎকালীন প্রকল্প পরিচালক (বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী) তুষার মোহন সাধু খাঁ-র অলিখিত নির্দেশনায় মাঠ পর্যায়ের নির্বাহী প্রকৌশলীদের সাথে যোগসাজস করে অতিরিক্ত কমিশন নিয়ে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেয়া, নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহার করে কমিশন বাণিজ্য, পারসেন্টেন্স নিয়ে বিল পাশে সহায়তা, চাহিদামত উৎকোচ না পেলে রি-স্টিমেট চেয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীদের হেনস্তাসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অর্জনের অভিযোগ উঠেছে অত্র প্রকল্পের প্রাক্কলনিক মো. আনোয়ার হোসেন সিকদারের বিরুদ্ধে। তারা আরো বলেন,
মাঠ পর্যায়ে দরপত্রের চাহিদামত কাজ করতে গিয়ে পানির গভীরতা/ভাল লেয়ার না পাওয়ার কারনে অনেক সময় ঠিকাদারদেরকে দরপত্রের চাহিদার চেয়ে অনেক বেশী কাজ করতে হয়। প্রয়োজন হয় বেশী মালামালের- নিরাপদ পানি সরবরাহের স্বার্থে। তখন নতুন করে প্রাক্কলন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীরা প্রকল্প পরিচালক বরাবর প্রেরণ করেন। আর পিডি-র টেবিলে পাঠানোর আগে তা প্রকল্পের প্রাক্কলনিক মো.আনোয়ার হোসেন শিকদার যাছাই-বাছাই করে থাকেন। যদি সঠিক মনে হয় তিনি সুপারিশ করে পিডির টেবিলে পাঠান চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগটি ও কাজে লাগিয়ে আনোয়ার হোসেন শিকদার নির্বাহী প্রকৌশলীদের জিম্মি করে থাকেন । কেননা, চাহিদামত কমিশন দিতে রাজি না হলে ওই সকল নির্বাহী প্রকৌশলীদের বিভিন্ন অজুহাতে রি-স্টিমেট নিয়ে আসতে বলেন এবং বিভিন্নভাবে হয়রানী করে থাকেন। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়েই নির্বাহী প্রকৌশলীরা তার চাহিদা পূরণ করেন।

আরো জানা যায়, কোন কোন ক্ষেত্রে এক হাজার ফুট বোরিং করার কথা থাকলেও করা হচ্ছে ৭০০ ফুট থেকে ৭৫০ ফুট। উন্নতমানের সাবমার্সিবল পাম্প দেওয়া কথা থাকলেও দেওয়া হচ্ছে দেশীয় নিম্নমানের ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার পাম্প। এসব নলকূপের পানি ও পাম্প বুয়েটের ল্যাব কর্তৃক পরীক্ষা করার কথা থাকলেও সেখানেও নেওয়া হয়েছে প্রতারণার আশ্রয়। কয়েকটি ভালো নলকূপের পানি পরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট প্রদান করা হয়েছে। অথচ অনেক নলকূপের পানিতে অতিরিক্ত আয়রণ, লবণাক্ত, আর্সেনিক ও জীবাণু পাওয়া যাচ্ছে এবং অনেক নলকূপের গভীরতা কম হওয়ায় গ্রীষ্মকালে পানিও পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং প্রকল্পেও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কাজের বিবরণীর বিওকিউতে ভালো কোম্পানির ট্যাংক দেওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হয়নি। দেওয়া হয়েছে নিম্নমানের পানির ট্যাংক। ঠিকাদারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুস নিয়ে ২০ ভাগ কাজ করা হলেও দেওয়া হয়েছে ৮০ ভাগ বিল।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের স্টিমেটর মোঃ আনোয়ার শিকদারের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ফোন না ধরার কারণে মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

অভিভাবকহীন সন্তানদের থেকে রাষ্ট্রও যেন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে

সাঈদুর রহমান রিমন: বৈষম্যের মাধ্যমে সৃষ্ট বঞ্চনা, নিপীড়নের ‘কোটা বিরোধী’ যৌক্তিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে নেমেছে লাখ লাখ শিক্ষার্থী। তারা আমাদেরই সন্তান। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে রাষ্ট্র আরোপিত অন্যায্যতার প্রতিবাদ জানাচ্ছে। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের চিন্তায় দিশেহারা শিক্ষার্থীরা বৈষম্য বিরোধী যে আন্দোলন সংগ্রাম শুরু করেছে সেখানে তারা অভিভাবকহীন। মিছিলের স্লোগান কী হওয়া উচিত- তা ঠিক করে দেয়ার মতো পরামর্শকও নেই তাদের। সে আন্দোলনে কোনো রাজনৈতিক ছায়া নেই, ভিনদেশি চক্রান্তেরও কোনো ছোঁয়া পড়েনি। সরকার, রাষ্ট্র, মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করা তাদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য নয়। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে কেউ নেতা হয়ে উঠছে না, রাষ্ট্র ক্ষমতায় ভাগ বসানোরও কেউ নেই। ন্যায্যতা প্রাপ্তির আর্তিকে স্লোগানে রুপ দিয়ে তারা রাস্তায় দাঁড়িয়েছে। বঞ্চিতরা বিনয়ে গদগদ হওয়ার পরিবর্তে হয়তো কথা বলছে প্রতিবাদী ভাষায়। এসব আন্দোলন, সংগ্রাম, বিক্ষোভ-প্রতিবাদ তো বাঙালিদের বীরত্বগাঁথা

আরও পড়ুন
language Change