তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জোরপূর্বক জমি দখল ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মানববন্ধন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার মন্ত্রিসভা বৈঠকে স্বচ্ছতা ও জনসেবা নিশ্চিতে কঠোর নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর হত্যাচেষ্টা মামলায় বৈষম্যবিরোধী নেতা রিয়াদ রিমান্ডে ফুরিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মিসাইল, ইরানে কতদিন যুদ্ধ চালাতে পারবে অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায় মাওলানা ফয়জুল হাসান ময়লার বিল বেঁধে দিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এক অটোরিকশায় ফিরল একটি পরিবারের সচ্ছলতা রায়গঞ্জে পুকুর দখল নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ২ কুমিল্লার জাঙ্গালীয়ার পিডিবির ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ দুর্নীতির অভিযোগ রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল কুয়াকাটায় গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার চাঁপাইনবাবগঞ্জ কামিল মাদ্রাসার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় পণ্য জব্দ! খাগড়াছড়িতে খুচরা সার বিক্রেতাদের স্মারকলিপি প্রদান পটুয়াখালীতে যৌথ অভিযানে নকল সিগারেট জব্দ টানা ১২ দিন ছুটি পেতে পারেন সরকারি চাকরিজীবীরা মৎস্য অধিদপ্তরের জলবায়ু প্রকল্পে হরিলুট: পিডি জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়! ‘তাজুল সাম্রাজ্য’: কোটি টাকার রাজস্ব গিলে খাওয়ার রোমহর্ষক ফিরিস্তি মন্ত্রিপরিষদে সভা অনুষ্ঠিত ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অর্থ সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিশেষ অভিযানে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার মৌলভীবাজারে বিশেষ অভিযানে ভারতীয় জিরা ও ট্রাক জব্দ নকলায় নবনির্বাচিত এমপিকে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা ডাকাতি মামলার আসামির পক্ষ নিল যমুনা ওয়েলের জিএম এইচ আর ও বাঘাবাড়ি ডিপো ইনচার্জ সহকারী প্রকৌশলীর দিকে সড়কে জনদুর্ভোগের অভিযোগ বনলতা ল্যান্ডমার্কে অন্ধকারের জাল: শেয়ার দখল, কোটি টাকার লেনদেন ও ‘হুমকির রাজনীতি লোটাস কামালের ব্যবসায়িক পার্টনার নোমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা শ্রমমন্ত্রী দায়িত্বে অবহেলা করলে ছাড় নয়: ধর্মমন্ত্রী সব কিছু ঠিকঠাক মনে হচ্ছিল না : সুনেরাহ মশার কয়েল থেকে ঘরে আগুন, দগ্ধ হয়ে নারীর মৃত্যু ১৩ বছর পর ফাইনালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ বৃষ্টি নিয়ে যে বার্তা দিলো আবহাওয়া অফিস রমজানে শয়তান বন্দি, তবু গোনাহ কেন? অটিজম নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বিপাকে তিশা সৌদি আরবে সিআইএর স্টেশনে হামলা ৬ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক অভিযানে মাদকসহ আটক ৫ রামগড়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় করেন বিভাগীয় কমিশনার চাঁপাইনবাবগঞ্জে সকল মানুষকে নিয়ে কাজ করতে চাই-নূরুল ইসলাম বুলবুল মানবিক সহায়তায় সিন্দুকছড়ি জোন অফিসে উপস্থিতি নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের নতুন নির্দেশনা স্বর্ণের দামে এলো বড় সুখবর আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব সাংবাদিক দিদারুল আলমের মায়ের জানাজা আজ বাদ জোহর আটকা পড়া প্রবাসীদের আনতে দুবাই যাচ্ছে বিশেষ ফ্লাইট দেশজুড়ে অবৈধ আবাসন প্রকল্পের ছড়াছড়ি ফের রং বদলাতে চান তারেক রহমানের মামলার বাদী আমিন আহমেদ পাথরঘাটায় জবাই করা হরিণসহ শিকারি আটক অতীতের কোন সরকার গণমাধ্যমকে শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তুলেনি : বিএমএসএফ

ঢাকায় গণ্ডগোল পাকাতে ননস্টপ মিশনে দিল্লি

পাঠক সংখ্যা
638

মোস্তফা কামাল ॥
বাংলাদেশকে ডিস্টার্ব করার কাজে দমছে না ভারত। দমও নিচ্ছে না। নমুনা বলছে, দেশটির এ বিষয়ক সিদ্ধান্ত একদম পাকা। স্বস্তি দেবে না বাংলাদেশকে। কোনো না কোনো ইস্যুতে প্রতিবন্ধকতা পাকাতেই থাকবে। পারলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা পাকানোর চেষ্টাও করবে। ড. ইউনূসের সরকারকে ব্যর্থ করার যতো আয়োজন আছে সবই করবে। এর অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনকে প্রভাবিত করতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কয়েক মার্কিনি এরইমধ্যে একাট্টা হয়েছে। জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় বসার পর তারা সেই অভিযাত্রায় নামবে। এ সংক্রান্ত হোম ওয়ার্ক শেষ তাদের।

ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন জনগোষ্ঠীর প্রভাবশালী নেতা চিকিৎসক ভরত বড়াই তা আরেকটু পরিষ্কার করে দিয়েছেন। বার্তাসংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভরত বড়াই ‘বাংলাদেশি হিন্দুদের ওপর দমন–পীড়নের কথা নির্বাচনের আগেই ট্রাম্পকে দিয়ে বলাতে পারার যারপরনাই স্বস্তি তার। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে গোলমাল বাঁধানোর আশাও দেখছেন ভরত বড়াই। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের এমন নিদারুণ পতন ও পলায়ন ভারতের কাছে ছিল কল্পনা বা দুঃসপ্নেরও বাইরে। সেই জ্বালা মেটাতে বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে একটি ব্যর্থরাষ্ট্র প্রমাণ করার বিশাল দায়িত্ব ভারতের কাঁধে।

এ বাস্তবতায় ভারত-বাংলাদেশ দূরত্ব ক্রমশই বাড়ছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দু’দেশের স্নায়ু দূরত্ব জ্যামিতিক গতিতে বাড়ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের তিক্ত-কঠিন কথায় তা আরো পরিষ্কার। এক অনুষ্ঠানে ভারতের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলে দিয়েছেন, বাংলাদেশের চারপাশে বন্ধুভাবাপন্ন দেশ নেই। তাদের সব সময় চেষ্টা থাকে বাংলাদেশকে হেয় করা, একটা ঘটনা ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখা, এটা নিয়ে ষড়যন্ত্র করা। আর প্রমাণিত বিষয় হচ্ছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেয়ার পর থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের মেল বসেছে। গুজব-বিষোদগার তো আছেই।

গুজব-উত্তেজনা ছড়ানোর বিষয়ে অক্লান্ত খাটছে মোদি সরকারের একনিষ্ঠ ভারতীয় মিডিয়াগুলো। প্রায় প্রতিদিনই তাদের কোনো না আয়োজন থাকছে বাংলাদেশ ও অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে। ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর নরেন্দ্র মোদি এবং তার সরকার ও দলের কয়েক ব্যক্তি বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচার-নির্যাতন করা হচ্ছে বলে একের পর এক বিবৃতি দিয়ে আসছেন, যা শেখ হাসিনার কথারই প্রতিধ্বনি। বাংলাদেশের দিক থেকে কড়া প্রতিবাদ জানানো হলেও ভারত এ অবস্থা থেকে সরছে না। কোনো সীমা টানছে না। যার মাধ্যমে তারা জানিয়ে দিয়েছে এটি তাদের এজেন্ডা। সেইদৃষ্টে লাগাতার বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার চালিয়েই যাচ্ছে ভারত।

পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন ভেরিফাইড পেইজ থেকেও চালানো হচ্ছে নানা প্রপাগান্ডা। পুরনো এবং ভিন্ন জায়গার ছবি প্রকাশ করে দেওয়া হচ্ছে ধর্মীয় উসকানি। কফি শপকে মন্দির বানিয়ে, ছাত্রলীগের নেত্রীদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে হিন্দু ছাত্রীর ওপর অত্যাচারের ছবি হিসেবে চালানো হচ্ছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ইকোনোমিক টাইমস এক প্রতিবেদনে বাংলাদশের ছাত্র বিক্ষোভের পেছনে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই ও চীনের হাত ছিল কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ’বাংলাদেশে ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থকদের বিরুদ্ধে দমনপীড়ন’ এমন শিরোনামে প্রতিবেদন করতে ছাড়েনি ইন্ডিয়া টুডে। শেখ হাসিনা পলায়ন করার পর ভারতে অবস্থান করছেন এবং সেখানে থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র করছেন তা ফোনালাপ এবং ইন্ডিয়া টুডে-এর প্রতিবেদন থেকে বোধগম্য। কোনো বিশ্লেষক বলতে চান, ভারত যত বেশি অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে উস্কানি দেবে ততবেশি এই সরকারের জনপ্রিয়তা বাড়বে। ভারতের প্রতিটি পদক্ষেপ বুমেরাং হয়ে ফিরে যাবে।

নিজ দেশে, আশেপাশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে ভারতের শাসক দলটি মারাত্মক কোনঠাসা। সুবিধা করতে পারছে না কোনোদিকেই। বাংলাদেশে একচ্ছত্র আধিপত্য ৫ আগস্ট বরবাদ হয়ে গেছে। নেপাল, মালদ্বীপ, ভূটান, শ্রিলঙ্কাসহ আশপাশে খবরদারি ফলাতে পারছে না। ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর ১১ তারিখে পেন্টাগনে হামলা এবং নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ার ধ্বংস হওয়ার পর মুসলিম দেশগুলোকে যখন যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসী তকমা দেয় স্নায়ু যুদ্ধে পরাজিত ভারত দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম দেশ পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং মালদ্বীপকে সন্ত্রাসী দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করে আঞ্চলিক শক্তি হওয়ার স্বপ্ন দেখতে থাকে। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় নতুন স্নায়ু যুদ্ধ শুরু হলে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো ভারতের হাতছাড়া হয়ে যায়। এরপর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেমে আসে আরো বিপর্যয়। ভারত তখন পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনে তা এখন এনেছে কানাডার বিরুদ্ধে। যা অনেকটা ‘যেমন কর্ম তেমন ফল’ প্রবাদের মতো।

আশপাশে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কুলাতে না পেরে ভারতের অবশিষ্ট জায়গা বলতে গেলে কেবল বাংলাদেশই। সেই টার্গেটে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গণ–আন্দোলন এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে ভারত এবং দেশটির সংবাদমাধ্যমে উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণা, গুজব ও অপতথ্য ছড়াচ্ছে। এখানে ইসলামপন্থী জঙ্গি, পাকিস্তানি ও পশ্চিমা শক্তির উত্থান ঘটেছে বলে অপতথ্য ছড়িয়েই যাচ্ছে।

গুজব ও ষড়যন্ত্র পার্বত্যাঞ্চল থেকে সমতল কোনো জায়গাই বাদ দিচ্ছে না। আর সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা নিয়ে রীতিমত নাটক বানাচ্ছে। অথচ বাস্তবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উপাসনালয় পাহারা দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সেগুলোকে প্রচার করছে উল্টোভাবে। যার উদ্দেশ্য বাংলাদেশে অস্থিরতা পাকানো, অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ করা এবং দুদেশের সম্পর্ক অপ্রয়োজনীয় টানাপোড়েনে নিয়ে যাওয়া।

লেখক: সাংবাদিক-কলামিস্ট, ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

শিক্ষকদের ১২ প্রতিনিধি সচিবালয়ে, রাস্তায় অপেক্ষমাণ বাকিরা

শিক্ষকদের ১২ প্রতিনিধি সচিবালয়ে, রাস্তায় অপেক্ষমাণ বাকিরা

ডেস্ক রিপোর্ট: এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে সারা দেশ থেকে আসা হাজারো শিক্ষক অবস্থান করছেন রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে। তবে সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা করেননি তারা। পদযাত্রার পরিবর্তে পুলিশের সহায়তায় ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল গিয়েছে সচিবালয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করতে। বাকি শিক্ষকরা রাস্তায় অবস্থান করছেন। বুধবার (১৩ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার পরে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সচিবালয়ে যায়। এ সময় অবস্থানরত শিক্ষকরা প্রেসক্লাবের সামনে সড়কে অপেক্ষা করেন। এদিকে শিক্ষকদের পদযাত্রা ঠেকাতে বড় প্রস্তুতি নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আনোয়ার হোসেন নামে এক শিক্ষক বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশের জন্য আমাদের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সচিবালয়ে গিয়েছেন। আমরা এখানে তাদের ফিরে আসার অপেক্ষায় আছি। নিশ্চয় শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলে আমাদের জন্য সুবার্তা নিয়ে আসবেন। এদিকে সকালেই এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০১৮ সালে দীর্ঘ

আরও পড়ুন
language Change