তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সাবেক এমপির গাড়িতে হামলার মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার উপকূলের হতদরিদ্র পরিবারের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হবে শেরপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে অপসারণ হলো খালের অবৈধ বাধ বরগুনায় খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাউল বিতরণে অনিয়ম কেশবপুরে মানবিক ডাক্তার কামরুজ্জামানের শোকসভা প্রতিষ্ঠার ৫১ বছর পর নিজস্ব ঠিকানা পাচ্ছে মোংলা পৌরসভা কুয়াকাটায় যুবদলের কমিটিতে যায়গা না পেয়ে বিক্ষোভ নেতাকর্মীদের কমলগঞ্জে ৫শ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসা: রামগতির মাদককারবারী ফারহানের নেপথ্যে নারী চক্র নলডাঙ্গায় আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত রামগড়-বলিপাড়া সড়ক যেনো মরণফাঁদ মোংলায় ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৪ দোকান নদী বা খালে পলিথিন-বর্জ্য না ফেলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নারী আসনে সংসদ সদস্যদের শপথ রোববার টিএসসিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল আটক ২ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে লাভ চীন-রাশিয়ার ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে সুখবর দিল ভারত র‍্যাব পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রেফতার ২ চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহানন্দা সেতুতে টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ দীঘিনালা-মাইনি সড়কে বেইলি ব্রিজের পাটাতন ভেঙে ট্রাক আটকা ‎সমুদ্রে গোসল করতে গিয়ে তরুণের মৃত্যু ‎ ঝিনাইগাতীতে প্রেমঘটিত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ নারী পুলিশ সদস্যের মরাদেহ উদ্ধার এসএসপি নির্বাচন ২০২৬: বৈধ প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা গণপূর্তের ইএম শাখায় প্রকৌশলী আশরাফুল, ঠিকাদার সাইদুল সিন্ডিকেট কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় অধ্যক্ষর প্রতারণার ফাঁদে দুই দাখিল পরীক্ষার্থী নিম্ন আদালত মনিটরিংয়ে হাইকোর্টের ১৩ বিচারপতি সিলেট পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কালীগঞ্জে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস পালিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি ঢাকার প্রথম নারী পুলিশ সুপার হলেন শামীমা পারভীন লিবিয়ার উপকূলে নৌকা ভেঙে ১৭ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত নবজাতকসহ নারীর মরদেহ কানাডায় ফুটবল সম্মেলনে নেই ইরান ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চায় না সরকার ‘নূরানি’ চেহারার আড়ালে ভয়ংকর আফজাল শ্রমিক দিবসে নয়াপল্টনে সমাবেশ বিএনপি ফসল রক্ষার প্রাণপণ চেষ্টা কৃষকদের বাংলাদেশে ডেনিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে চলছে মেট্রোনেট চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আনোয়ারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড় দাদিকে কুপিয়ে হত্যা আটক নাতি রাজনৈতিক কারণে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার: আইনমন্ত্রী টিটন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন সংরক্ষিত নারী আসনে বৈধ গেজেট প্রকাশ আজ আবারও একসঙ্গে নাগার্জুন-টাবু

বিএনপিই এখন ভরসা, জনগণের আস্থা

পাঠক সংখ্যা
638

মাহবুবুর রহমান:

৫ আগস্ট গণ অভ্যুথানের পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপরই  দেশের হাল ধরেন অন্তবর্তি সরকারের প্রধান হিসেবে নোবেল বিজয়ী ড. মোহাম্মদ ইউনুস।
আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর সাথে পালিয়ে যান দলের শীর্ষ নেতারাও। এরপর থেকে কার্যত অচল হয়ে পড়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকান্ড। ঐতিহ্যবাহি দলটি হারায় তাদের সংগ্রামী ঐতিহ্য। কি হতো যদি শেখ হাসিনা দেশে ছেড়ে পালিয়ে না যেতেন? হয়তো তিনি গ্রেফতার হতেন। কিন্তু বেচে যেতো আওয়ামী লীগ। মামলা মোকাবেলায় করতো সাথে থাকতো রাজপথে আন্দোলন। কিন্তু তা হয়নি। নেত্রী পালিয়ে গেছেন।
জুলাই আগস্ট গণ হত্যার দায় পড়ে হাসিনার উপর। গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল। শুরু হয় হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার। এরপরই গেলো সপ্তাহে সামনে আসে জাতিসংঘের প্রতিবেদন। সেই প্রতিবেদনে যা বলা হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফিরে আসাটা অনেকটাই কষ্টকর। অসম্ভবও বটে।
কারণ: আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এখন তৈরী হয়েছে নেতৃত্ব শুণ্যতা। শেখ হাসিনার প্রতি ঘৃণা। তার নেতাকর্মীরা এখন পলাতক। কারণ তারা জনগণের কাছে ঘৃণিত, ধিক্কিত। সাধারণ মানুষও বিশ্বাস করে শেখ হাসিনা বা বঙ্গবন্ধু পরিবার এবার মাইনাসে পড়ে গেছে। নতুনভাবে ফিরে আসতে চাইলে আওয়ামী লীগকে আসতে হবে শেখ পরিবারের বলয়মুক্ত হয়ে। এক্ষেত্রে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতি ফিরে আসাটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তার উপর তাদের কাধে আছে মানুষ হত্যার দায়। নতুন ভাবে ফিরে আসলেও তাদের মেনে নেবে জনগণ? এমন প্রশ্নটাও অবান্তর নয়।
আওয়ামী লীগেরসব অপকর্ম যায়েজ করে গেছে জাতীয় পার্টি। গেলো ৩টি নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে যেভাবে সমর্থন করেছে তাতে দলটি এখন জনবিচ্ছিন্ন। কোনো রাজনৈতিক কর্মকান্ড করতে পারছে না জাতীয় পার্টি। আবার একথাও একেবারে অবান্তর নয় যে, হুসেন মাহুম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর থেকেই  জাতীয় পার্টি এখন আঞ্চলিক দলে রুপান্তরিত হয়ে গেছে। রংপুর অঞ্চলে কিছু প্রভাব ছাড়া, সারাদেশে জাতীয় পার্টির অবস্থা এককথায় নেই বললেই চলে।
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটে আর যেসব দলগুলো আছে ভোটের হিসেবে তারা অনেকটাই নিস্প্রাণ। সব মিলিয়ে আওয়ামী লীগ তা শরিক মহাজোটের ভোট সারাদেশে যদি ২০২৪ এর নির্বাচন ধরি তবে তা হবে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। এর বেশী না। ধরে নেই ২০ শতাংশ ভোট আছে আওয়ামী রীগের নেতৃত্বে মহাজোটের। গনাভ্যুথানের পর সেই হিসেবে নিম্নমুখি।
গণ অভ্যুথানের পর রাজনীতিতে আবারো সক্রিয় হয়ে উঠে জামায়াত ইসলামী। তাদের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে বসিয়ে নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টায়মত্ত দলটি। জরিপে দেখা যায়, জামায়াতের মোট ভোট আছে ৭ থেকে ১০ শতাংশ। গন অভ্যুথানে পর আরো যদি বাড়েও তবে তা ১৫ শতাংশের বেশী না। জামায়াতের রাজনীতিতে কিছু মানুষের আস্তা থাকলেও সেটা সরকার গঠনের জন্য যথেষ্ট নয়।
মহাজোট ও জামাত মিলিয়ে মোট ভোট ৩৫ শতাংশ। বাকী আছে আরো ৬৫ শতাংশ। এরমধ্যে ৫ শতাংশ ভোট আছে বড়দলের শরীক দলগুলো। বাকী এখনো ৬০ শতাংশ। এরমধ্যে ১৫ শতাংশ ভোট আছে ভাসমান ভোট। তারপরও আছে ৪৫ শতাংশ। ২ শতাংশ ভোট বাদ পড়বে ভোটারের পেশাগত কারণে। সবমিলিয়ে বিএনপির ভোট আছে ৪৩ শতাংশ।
তারমানে,এখনপর্যন্ত ৪৩ শতাংশ মানুষের আস্থায় আছে বিএনপি। গণ-অভ্যুথানের পর সেই সংখ্যা আরো বেড়ে গেছে। বেড়ে গেছে দ্বায়িত্বও। সাধারণ মানুষ মনে করে বিএনপি একমাত্র দল যার প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান দেশের বহুদলয়ি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে বিএনপিই এবার তাদের কাছ থেকে লুট হওয়া ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেবে। এক্ষেত্রে বিএনপি যদি ভুল করে আর সেই ভুলে কারণে আবারো আওয়ামী লীগ রাজনীতি শুরু করে তবে তা হবে ভয়াবহ।
প্রতিহিংসায় আওয়ামী লীগ ফিরে আসলে ফিরে আসবে আরো হিংস্র ও তান্ডবিক পন্থায়। দেশকে পরিণত করবে সন্ত্রাসের নগরি। রক্তে রঞ্জিত হবে মানচিত্র। যেমনটা হয়েছিলো সদ্যগত ২০২৪ সালে। তার ইঙ্গিত কিন্তু দিয়েছে শেখ হাসিনা। সাধারণ মানুষের সাথে কথা বললে, তারা বলে শেখের বেটি একটা খুনি। তিনি ফিরে আসলে কাউকেই রাখবে না। থাকবে না গণতন্ত্র। সেই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় সাধারণ মানুষ। যে কারণেই তাদের আস্থার ঠিকানা এখন বিএনপি।
বিএনপি যদি ভুল করে তার মাশুল গুনতে হবে পুরো জাতিকে। বিএনপি যদি ভুল করে তবে আবারো কবর রচনা হবে গণতন্ত্রের। সেই কাজটি করতে দেয়া যাবে না।
কিন্তু কোনোভাবেই আটকানো যাচ্ছে না বিএপির তৃণমুলকে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যারে বারবার নির্দেশের পরও ঠেকানো যাচ্ছে না বিএনপি নেতাকর্মীদের চাদাবাজি ও দখলবাজিকে। এই অবস্থা থেকে ঘুরে দাড়াতে হবে দলকে।
কি করতে হবে বিএনপিকে? সাধারণ মানুষের কাছে যেতে হবে। প্রচারণা চালাতে হবে, মানুষ হত্যার। তবেই সাধারণ মানুষ আওয়ামী লীগের আসল রুপ ভুলে যাবে না। সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে বিভিন্ন আসনের আওয়ামী লীগের এমপিদের  দুর্নীতি ও অনিয়ম তথ্য। জানাতে হবে কেমন ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতারা। জনগণের কতো টাকা তারা তসরুপ করেছেন। প্রতিহিংসা না করে এসব ছড়িয়ে দিলেই জনগণ জানতে পারবে কি করেছে। তখন তারাই বলছে, নো হাসিনা, নো আওয়ামী লীগ।
নো হাসিনা, নো আওয়ামী লীগ মানেই বিএনপির প্রতি জনগণের আস্থা আরো বেড়ে যাওয়া। বেড়ে যাবে প্রত্যাশা। যে প্রত্যাশা ইতিমধ্যে বিরাজমান কোটি বাংলাদেশীর মনে। সারাদেশের মানুষ এখন মনে করে তাদের ভোটাধিকার আর গনতন্ত্র ফিরিয়ে আসবে তারেক রহমানের হাত ধরেই। তিনি বাংলাদেশের আগামীর রাষ্ট্রনায়ক। শুভকামনা তারেক রহমান আপনাকে আগামীর বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অভিযাত্রায়। © মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি পুনর্গঠন

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (জেবস) এর কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। সোমবার রাজধানীতে সংগঠনের সভাপতি মো. রিয়াজুর রহমান রিয়াজের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিন দরবেশের সঞ্চালনায় এক বিশেষ সভায় বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (জেবস) এর কার্যকরী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, সচিবালয়ের অভ্যন্তরে যারা দীর্ঘ বছর সাংবাদিকতার আড়ালে ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনে ব্যস্ত ছিল, তাদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের ঐ দোসররা যাতে ভোল পাল্টিয়ে কোনোক্রমেই আবারও বিশৃঙ্খলা করতে না পারে, সে বিষয়ে সকলকে সর্বদা সজাগ ও ঐক্যমত থাকার আহ্বান জানানো হয়। সভায় নবগঠিত কমিটির সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, নতুনরূপে আত্মপ্রকাশ ও অতিবিপ্লব তৈরির চেষ্টা করছে ঘাপটি মেরে থাকা পতিত স্বৈরশাসকের দোসররা। তাদের বিষয়েও সবাইকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। সভায় জেবস নেতৃবৃন্দ সচিবালয় বিটে কর্মরত প্রকৃত

আরও পড়ুন
language Change