তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে, ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ ভারত যাওয়ার ১৯ মাস পর শেরপুর সীমান্তে যুবকের মরদেহ হস্তান্তর ধুতির ওপর অজানা পায়ের ছাপ, ‘গোপালের পদচিহ্ন’ বলছেন ভক্তরা বেলকুচিতে অভিযান চালিয়ে ১৭৪৪ লিটার ডিজেল জব্দ অ্যাম্বুলেন্সে ইয়াবা পাচার স্বামী-স্ত্রী আটক মোংলায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রী নিহতের প্রতিবাদে মানববন্ধন কমলো জ্বালানি তেলের দাম কালীগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি রামগড়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদল এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসে সম্ভাবনা নেই : শিক্ষামন্ত্রী কেশবপুরে উদ্বোধন হলো হাম- রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন পাথরঘাটায় চাঁদা না দেওয়ায় হামলা কতদিন পরপর চুল কাটবেন  চট্টগ্রামে বস্তিতে ভয়াবহ আগুন হাসান নাসিমের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন রেলওয়ের প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা কুদরত-ই-খুদা অর্থ লুটপাট ও নারী কেলেঙ্কারিতে চ্যাম্পিয়ন ২৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায় বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিম গিলে খাচ্ছে চট্টগ্রামের বনাঞ্চল ঐশ্বরিয়ার বিয়ের শাড়ি দাম জানলে চোখ কপালে উঠবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সতর্কবার্তা জিয়া শিশু কিশোর মেলা' এর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা কক্সবাজারে ৩ জনকে গলা কেটে হত্যা তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় বাংলাদেশ এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রাজউকের হেলাল উদ্দীন সবুজ-ফাতেমা মলির অবৈধ সম্পদের পাহাড় ২৯ জেলার জন্য দুঃসংবাদ, সতর্কতা জারি রাজধানীর সাত পাম্পে বাধ্যতামূলক হলো ফুয়েল পাশ ধনবাড়ীতে পলাতক দুই মাদক আসামি প্রকাশ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের শোক শেখ হাসিনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ কোহলির জন্য ক্রিকেট অনুসরণ করেন জোকোভিচ চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী প্রশিক্ষণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রবেশপত্র না পেয়ে পরীক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ আমতলীতে অবৈধ জ্বালানি মজুদ: ডিজেল-অকটেন জব্দ ভোলাহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত গ্যাস নিয়ে জরুরি নির্দেশনা দিল সরকার অফিস সময় শেষে শুরু অনিয়মের অফিস পূর্ববর্তী সরকারের ভুলে হুমকিতে জনস্বাস্থ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা সাবেক এমপি শামসুদ্দোহার মৃত্যুতে গণতন্ত্রী পার্টির শোক গরমে ফুটি কেন খাবেন? বিএনপি শরিকদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: সার্জিস ইসরায়েল আমাকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে চাপ দেয়নি : ট্রাম্প এসএসসি পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী সন্ধ্যায় ১১ দলীয় ঐক্যর জরুরি সংবাদ সম্মেলন রাজনীতিতে আমার কেবল শুরু: চমক শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে আগাম জাতের বোরো ধান কাটা শুরু মোংলায় ইজিবাইক চাপায় ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রীর মৃত্যু

আ. লীগ দেশকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে গেছে: ড. ইউনূস

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:

অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর মানুষের আস্থা আছে-এ কথা জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, দেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে একটি পলাতক দল।

সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন তিনি। সোমবার (৩ মার্চ) সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করেছে বিভিন্ন গণমাধ্যম।

আওয়ামী লীগ দেশকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে গেছে এমন মন্তব্য করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকার যখন গঠন হলো, আমার কোনো চিন্তা ছিল না যে, আমি হঠাৎ করে একটা সরকারের প্রধান হব। সেই দেশ, এমন দেশ, যেখানে সব তছনছ হয়ে গেছে। কোনো জিনিস আর ঠিকমতো কাজ করছে না। যা কিছু আছে ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে কাজ করতে হবে।

অধ্যাপক ইউনূসে বলেন, একটা পলাতক দল দেশ ছেড়ে চলে গেছে বা তাদের নেতৃত্ব চলে গেছে। তারা সর্বাত্মক চেষ্টা করছে এটাকে (দেশটাকে) আনসেটেল (অস্থিতিশীল) করার জন্য। এটা তো সবসময় থ্রেট আছেই। প্রতিক্ষনেই আছে, প্রতি জায়গাতেই আছে। কাজেই এটাতো সবসময় থাকবে।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রথমেই একটা সংশোধনী বলি সেটা হচ্ছে প্রেফতার আতঙ্ক – আমার কাছে কোনো আতঙ্ক ছিল না। একটা সম্ভাবনা ছিল যে, আমাকে নিয়ে যাবে। আই ওয়াজ টেকিং ইট ইজি যে নিলে নেবে, আমার তো করার কিছু নাই। যেহেতু আইন-কানুন নাই দেশে, কাজেই তারা যা ইচ্ছা তা করতে পারে (আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে)। এরমধ্যে দিয়ে জীবন চলছিল আমার। এরপর সরকার যখন গঠন হলো, আমার কোনো চিন্তা ছিল না, ভাবনা ছিল না যে, আমি হঠাৎ করে একটা সরকারের প্রধান হব, দায়িত্ব পাব এবং সেই দেশ এমন দেশ, যেখানে সব তছনছ হয়ে গেছে। কোনো জিনিস আর ঠিকমতো কাজ করছে না। যা কিছু আছে ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে কাজ করতে হবে।

কাজেই আমার প্রথম চেষ্টা ছিল সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে আসল চেহারাটা বের করে আনা। মানুষের দৈনন্দিন জীবন সহজ করে আনা। সেই চেষ্টাটার মধ্যে ছিলাম। তারপর আস্তে আস্তে ভবিষ্যতটা কী হবে, সেটার জন্য চিন্তা করা কোনদিকে আমরা অগ্রসর হব বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রথম চিন্তা আসলো যে একটা সংস্কার দরকার আমাদের। কারণ যে কারণে এসব ঘটনা ঘটেছে, ফ্যাসিবাদী সরকার চলতে পেরেছে। ১৬ বছর ধরে চলতে পেরেছে, আমরা কিছুই করতে পারি নাই। তিন-তিনটা নির্বাচন হয়ে গেল, ভোটারের কোনো দেখা নাই। এই যে অসংখ্য রকমের দুর্নীতি এবং ব্যর্থতা, মিসরুল ইত্যাদি সেখান থেকে আমরা কীভাবে টেনে বের করে আনবো। টেনে বের করে আনতে গেলে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারগুলো করতে হবে। সেজন্য প্রথমে আমরা ঠিক করলাম।

ড. ইউনূস বলেন, যে ধ্বংসাবশেষ থেকে এসেছিলাম, তার নতুন চেহারা আসছে। ভেসে উঠছে, আমরা অর্থনীতি সহজ করেছি। দেশ-বিদেশের আস্থা অর্জন করেছি। এটাতো পরিষ্কার- সারা দুনিয়ায় আমরা আস্থা স্থাপন করতে পেরেছি। এটা কেউ প্রশ্ন করতে পারবে না যে, আমি অমুক দেশের আস্থা অর্জন করতে পারিনি। যে দেশেই বলুন, তারা আমাদের উপর আস্থা স্থাপন করেছে। শুধু আস্থা স্থাপন করেছে না, বিপুলভাবে করেছে। তারা বলছে, আমরা অতীতে যা করি নাই তার চেয়ে বেশি করবো এখন, যেহেতু আমরা দেখছি যে সুন্দরভাবে সরকার চলছে এখন। সেজন্য তারা বলছে। কাজেই এটা একটা তো বড় প্রমাণ। যখনই আপনি দেশের সারিগুলা দেখবেন- প্রত্যেকটা দেশ নিজে এসে বলেছে, আমরা তোমাদের সমর্থন করছি। তোমাদের যা দরকার আমরা দেব। অবিশ্বাস্য রকমের সহায়তা দিয়েছে তারা।

ছাত্ররা একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেছে, এ নিয়ে তিনি বলেন, যে রাজনীতি করতে চায়, সে নিজেই ইস্তফা দিয়ে চলে গেছেন। তিনজন ছাত্র প্রতিনিধি ছিলেন সরকারের ভেতরে। যিনি রাজনীতি করতে মন স্থির করেছেন, তিনি ইস্তফা দিয়ে সরকার থেকে চলে গেছেন। উনি প্রাইভেট সিটিজেনশিপে রাজনীতি করবেন, কার বাধা দেয়ার কী আছে বলেন প্রধান উপদেষ্টা?

আওয়ামী লীগ কী নিষিদ্ধ হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। আমাদের এ দেশের ওপরে সমান অধিকার। আমাদেরকে এ দেশেই বাঁচতে হবে। এ দেশকেই বড় করতে হবে। কাজেই যে মত-দল করবে, তার মতো করে, সবকিছু করবে। এই দেশ থেকে কারও অধিকার কেড়ে নেয়ার কোনো উপায় নাই। কিন্তু যে অন্যায় করেছে, যার বিচার হওয়া উচিৎ, তার বিচার হতে হবে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

জমি নিয়ে সংঘর্ষ, তিন চাচাতো ভাইবোন নিহত

স্টাফ রিপোর্টার: কক্সবাজারের উখিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় এক নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— স্থানীয় মসজিদের খতিব ও ওই ওয়ার্ডের জামায়াত আমির নাজির হোসেনের ছেলে মাওলানা আবদুল্লাহ আল মামুন, প্রতিপক্ষের মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে আব্দুল মান্নান (৩৭) ও তার বোন শাহিনা বেগম (৪০)। নিহতরা সম্পর্কে আপন চাচাতো-জেঠাতো ভাই-বোন। স্থানীয় ইউপি সদস্য ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কুতুপালং পশ্চিম পাড়া গ্রামের সামান্য জায়গা নিয়ে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে রবিবার সকালে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ নিয়ে তাদের মাঝে সংঘর্ষ হয়। এ সময় হামলা-পাল্টা হামলা ও এলোপাতাড়ি কোপানোয় উভয়পক্ষের অনেকেই আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহতদের হাসপাতালে

আরও পড়ুন
language Change