তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ঝিনাইগাতীর মেধাবী ছাত্র হৃদয় চক্রবর্তী ৪৫ তম বিসিএস ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত কেশবপুর শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে শিশুর মৃত্যুতে ভাঙচুর খুলনায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নিয়োগে লঙ্কাকাণ্ড পরিচ্ছন্নতার ঝাড়ু হাতে নামবে সংসদ সদস্যরা ভক্তদের কাছে পিয়ার বার্তা: এই পথটাকে উপভোগ করুন লাইলাতুল কদরের রাতে ইবাদত, জিকির ও দোয়ার ফজিলত ঝগড়া এড়িয়ে গেলে কি সম্পর্ক সত্যিই সুখী থাকে দীঘিনালায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি রিপন আটক আগুনে ১২টি দোকান পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় দেড় কোটি টাকা খুলনার ডুমুরিয়াকে জিরো কমপ্লেইন থানায় রূপান্তরের উদ্যোগ সংসদ অধিবেশনে দর্শকসারিতে ড. ইউনূস ও তারেক পরিবারের সদস্যরা খুলনায় ব্যবসায়ী ও ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম মৌলভীবাজারে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন শেরপুরে পুলিশের অভিযানে ৮৬ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সিনার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন: নাহিদ ইসলাম সিরাজগঞ্জে শহীদ পুলিশ পরিবারের মাঝে আইজিপির ঈদ উপহার বিতরণ বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পাবে কোন দেশ ধুনটে ইউপি কার্যালয়েই বাদী ও নারীকে মারধরের অভিযোগ জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিপিসির নতুন সিদ্ধান্ত ত্যাগ, নির্যাতন সহ্য করেও বিএনপি'র রাজনৈতিতে হাফেজ আহমেদ ভুঁইয়া মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ যুদ্ধ বন্ধে যে তিন শর্ত দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে মির্জা আব্বাস জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল গোয়েন্দা প্রতিবেদন উপেক্ষা বিটিভির প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার দৌড়ে মনিরুল! কাজ শেষ না হতেই বিল পরিশোধ গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়জুলের আদালতের রায় না মেনে নদী দখল করে দেশবন্ধু সিমেন্ট ফ্যাক্টরির কার্যক্রম দেশে আবারও সংসদীয় রাজনীতির সূচনা হলো প্রধানমন্ত্রী ফের রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী হতে চান আওয়ামী দোসর উজ্জ্বল মল্লিক স্পিকারের চেয়ার শূন্য রেখেই বসলো সংসদের প্রথম অধিবেশন বিড়াল হত্যায় একজনের জেল মিয়া নুরুদ্দিন অপু মাননীয় হুইপের একান্ত সচিব নির্বাচিত হলেন জয়নাল আবেদীন হাসনাত আবদুল্লাহর লাইভে উন্নয়ন পরিকল্পনা রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন দেওয়াল চাপা পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবি অভিযানে ভারতীয় মাদকসহ আটক ১ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন কমিউনিটি এডুকেশন ওয়াচ গ্ৰুপের সদস্যদের কারিগরি ও কৌশলগত প্রশিক্ষণ যশোর অভিযান চালিয়ে ককটেলসহ আটক ১ খুলনায় ৫ হাজার ২৭৫ উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শহীদ নগরে পথচারীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে রামগড়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীর আর্তনাদে জেগে উঠছে কঠিন প্রশ্ন ইরানের ২ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া নকলায় রমজান উপলক্ষে ফুড প্যাকেট বিতরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা কোটি টাকা ঘুষ দাবি প্রসিকিউটরের, অডিও ফাঁস জুলাই আন্দোলনে ডিসি মাসুদের দায়িত্বশীল ভূমিকা ঈদের দিনে টিভিতে শাকিব খানেরই সাত সিনেমা

অপূর্বের অপূর্ব কেরামতি

পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ বানিজ্য সহ একাধিক নারীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ সহ স্ত্রী থেকে যৌতুক দাবী করে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠছে বরিশালে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারীর নামে।

তিনি নানান দুর্নীতি অনিয়ম করে নামে বেনামে গড়েছেন সম্পদের পাহড়। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা হিসেবে নিজ দপ্তরে সুপরিচিত তিনি, তিনি যেখানেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছেন সেখানেই দুর্নীতির পাশপাশি জড়িয়েছেন নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িয়েছেন, তার এহেন ব্যবহারের কারনে নারী কর্মীরা অফিসে আসতেও এতত্সত্ত্বেও বোধ করেন এসব ঘটনা দপ্তরের সবার জানা। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে অভিযোগের যেন শেষ নেই।

নারী কেলেঙ্কারির খবর তার প্রথম স্ত্রী পাওয়ার পরে তাকে বিভিন সময় নির্যাতন করতেন এবং বাবার বাড়ি থেকে যৌতুক দাবী করতেন। নির্যাতনের একপর্যায়ে অপূর্বর প্রথম স্ত্রী তার বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছেন, অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হলেও তার বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ নিচ্ছে না কোনো ধরনের ব্যবস্থা।
অভিযোগ আছে, উল্টো মামলা চলমান রয়েছে দাবি করে দিনের পর দিন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠছেন নারীলিপ্সু বলে সর্বজন পরিচিত এই কর্মকর্তা। আর ঊর্ধতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই তিনি ভবিষ্যতে আরো প্রভাবশালী হয়ে উঠবেন বলেও তার একাধিক সহকর্মীর কাছে দাবি করে থাকেন বলেও রয়েছে আলোচনা।

জানা গেছে, অপূর্ব অধিকারী বেশ কয়েক বছর ধরেই বরিশাল অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার আগে দীর্ঘ সময় ছিলেন রাজশাহীতে। দায়িত্ব পালনের শুরু থেকেই তার বিরুদ্ধে অনিয়ম. দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে থাকে। আগে যেই সকল দপ্তরে দায়িত্ব পালন করেছেন সেখানেও তার বিরুদ্ধে রয়েছে নানান অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগের পাশাপাশি নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ।
যেখানেই তিনি দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছেন সেখানেই কোনো না কোনো নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে স্থাপন করেছেন। বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে নিজের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করেছেন বলে আলোচনা রয়েছে। সর্বশেষ বরিশালের কর্মস্থলে এক নারী সঙ্গে ‘সু-সম্পর্ক’ নিয়ে খোদ তার সহকর্মীরাও বিব্রত এবং অস্বস্তিতে রয়েছেন। পাশপাশি অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ তো আছেই। তার স্ত্রীর কাছে বিয়ের দীর্ঘ সময় পর ৩০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেছেন বলেও রয়েছেন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, যার সত্যতা এরই মধ্যে প্রমাণিতও হয়েছে। এরই মধ্যে মামলা তুলে নিতে তার স্ত্রীকে একাধিকবার হুমকিও দিয়েছেন যা এখন তার কর্মস্থল ও পরিবারের সবাই জানেন। এই নিয়ে ওই নারী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও একাধিক স্বজন স্বীকার করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অপূর্ব অধিকারীর বিরুদ্ধে তার স্ত্রীর কাছে ৩০ লাখ টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগের সতত্য প্রমাণিত হয়েছে। তবে মামলাটি এখনো চলমান রয়েছে এবং সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। তবে তার স্ত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সামাজিক সম্মানের কথা বিবেচনা করে অনেক কিছুই বলতে পারছি না। কারন অপূর্ব সাহেব নানাভাবে আমাকে হয়রানি করার চেষ্টা করছেন। এটি এখন পর্যন্ত সবাই কমবেশি জানে। তবে অভিযোগ যেহেতু প্রমাণিত হয়েছে আমি এই ধরনের মানুষের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ি যথাযথ বিচার চাই। তার সঙ্গে আপোষের কোনো ধরনের প্রশ্নই আসে না। আর তার এত লোভ মেটানোও আমার ও আমার পরিবারের পক্ষে সম্ভব না।

দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানায়, অপূর্ব অধিকারীর আচরনে খোদ তার দপ্তরের কর্মকর্তারাই অতিষ্ট। তার বিরুদ্ধে দিনের পর দিন জমছে অভিযোগের পাহাড়। এই ধরনের নারীলিপ্সু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ি ব্যবস্থা না নেওয়া গেলে প্রাতষ্ঠানটির ভাবমূর্তি দিনদিন ক্ষুন্ন হবে। তিনি যেই সমস্ত দপ্তরে দায়িত্ব পালন করতে যাবেন সেখানে কাজ করতে নিরাপদবোধ করবেন না তার নারী সহকর্মীরা। তাই সার্বিক দিক বিবেচনায় এই বিতর্কিত কর্মকর্তার অপসারণ চান বলে জানান নাম প্রকাশ না করা একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। তবে তাদের প্রশ্ন এই ধরনের কর্মকর্তার প্রভাব খুটির জোর কোথায়! কোন ম্যাজিকে এই কর্মকর্তারা এখনো রয়েছেন বহাল তবিয়তে।

অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করা কর্মকর্তা রাজশাহীর বোয়ালিয়া মডেল থানার এসআই ইফতেখার মোহাম্মদ আল আমিন তার প্রতিবেদনে বাদীকে একজন সম্ভ্রান্ত পরিবারের কন্যা দাবি করে বলেন, ২০১৩ সালের ৫ জুলাই সনাতন হিন্দু ধর্মের বিধান মতে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় বাদীর পিতা অপূর্ব অধিকারীকে নগদ অর্থসহ ৩০ লাখ টাকা মূল্যমানের জিনিসপত্র প্রদান করেন। বিয়ের পর তিনি যৌতুকের দাবিতে বাদীর উপর মানসিক নির্যাতন করে আসছেন। এই নিয়ে একাধিক সালিশ বেঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টায় বোয়ালিয়া মডেল থানা এলাকায় বাদীনির বাবার বাড়িতে বাদীনির বাবা অপূর্ব অধিকারীকে তার কন্যার সঙ্গে সংসার করার জন্য অনুরোধ জানালে অপূর্ব অধিকারী জানান বিয়ের পণ হিসেবে তাকে ৩০ লাখ টাকা যৌতুক দিলে তিনি সংসার করবেন, তা না হলে সংসার করবেন না। ওই সময় উপস্থিত লোকজন তাকে সংসার করার জন্য বারবার অনুরোধ জানালেও তিনি রাজি হননি। তার ৩০ লাখ টাকা চাই ই চাই।

মামলার সার্বিক তদন্তে, ঘটনার পারিশাশ্বিকতায় ও সাক্ষ্য প্রমাণ পর্যালোচনায় জানা গেছে, অপূর্ব অধিকারী অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অসৎ উদ্দেশ্যে বাদিনীকে বিবাহ করে বাদিনীর কাছে যৌতুক দাবি করায় তার বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। সাক্ষীগণ বিজ্ঞ আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য প্রদান করে মামলার ঘটনা প্রমাণ করবেন। বাদিনীকে বিধি মোতাবেক তদন্তের ফলাফল জানানো হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন পুলিশ কর্মকর্তা ইফতেখার মোহাম্মদ আল আমিন।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারীর কাছে তার অনিয়ম, দুর্নীতি, নারী কেলেঙ্কারি ও স্ত্রীর করা যৌতুকের মামলার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে: তিনি একাধিকবার মোবাইল ফোন রিসিভ করে বারবার জানতে চান কে তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগগুলো এই সাংবাদিককে জানিয়েছেন। এরপর কোনো ধরনের মন্তব্য না করেই তিনি বারবারই মোবাইলের লাইন কেটে দেন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

কালিয়াকৈর সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে অপকর্মের প্রধান সহযোগী রাকিব

মোঃ রফিকুল ইসলাম, গাজীপুরঃ গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রারকামরুল হাসানের অফিস অনিয়মের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বলে বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। জমির দলিল আটকে রেখে ভুক্তভোগীদের চাপের মুখে ফেলে ঘুষ দাবি সাব-রেজিস্ট্রার, উমেদার ও নকলনবিশদের নিয়মিত আচরণে পরিণত হয়েছে। ঘুষ আদায়ের কৌশল হিসেবে সাব-রেজিস্ট্রারের রুটিনমাফিক কাজ নকলনবিশ, উম্মেদার ও পিওন দিয়েও করানো হচ্ছে। এই সুযোগে নকলনবিশ, উমেদার ও বিপুল অর্থের মালিক বনে যাচ্ছে। নিবন্ধন ম্যানুয়াল অনুযায়ী সাব রেজিস্ট্রাররা তাদের নিজেদের কাজ নকলনবিশ, উমেদার ও পিওনদের দিয়ে করাচ্ছেন। দলিল চেক করার কাজ সাব-রেজিস্ট্রারদের করার নিয়ম থাকলেও তা মানছেন না অনেকেই। অনুসন্ধানে ও সরেজমিন এসব তথ্য উঠে এসেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক দলিল লেখক ও ভুক্তভোগী জানান, সাব রেজিস্ট্রার কামরুল হাসানের সকল অবৈধ অর্থ লেনদেনে মোঃ রাকিব একমাত্র বিশ্বস্ত ব্যক্তি। তাই সাব রেজিস্ট্রারের পাশাপাশি

আরও পড়ুন
language Change