তারিখ লোড হচ্ছে...

স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: জিয়া ও খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা  তালতলীতে অবৈধ পিস্তল ও গুলিসহ আটক-০৫  বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ও সাধারণ জনগণের সমর্থন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ ফরাস উদ্দিন নাটোরে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কী হলো রাজস্ব সম্মেলনে, যেসব নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উত্তরা প্রেসক্লাব নির্বাচন ২০২৬, সভাপতি হলেন মাসুদ পারভেজ - সম্পাদক মাহতাব ফারাহী ড্রামে ফেলে নবজাতককে হত্যা, মায়ের বিরুদ্ধে মামলা সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর প্রাণহানি ৫ বছরের শিশুকে হত্যার পর ধর্ষণ করেন রবিউল কাশিয়ানীতে সরকারি পুকুরের গাছ বিক্রির অভিযোগ, সোহেলের বিরুদ্ধে যুবদল নেতা হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্বজনদের সংবাদ সম্মেলন লালবাগে কিল্লারমোড় বাজারের পেছনে ময়লার ভাগাড়, মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ভূমি অফিস জেলা প্রশাসকদের ১৪ নির্দেশনা কেশবপুরে বায়সা কালী মন্দিরে গ্রিল কেটে দুঃসাহসিক চুরি ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর চিন্তা টিকটকে টাকা পাঠানোর সুবিধা আসছে সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু পরিবর্তন হয় হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল চেয়ে রিট ইসলাম গ্রহণ করেছেন ব্রাজিল খেলয়ার রবার্তো কার্লোস বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়ল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কর্মকর্তাদের উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাতক্ষীরার পুলিশ লাইন্স, হাসপাতাল ও আবাসিক এলাকা থেকে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের দাবি খুলনা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য রফিকুল ইসলাম এর আম্মার মৃত্যুতে সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যে প্রক্রিয়ায় ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা নারী যাত্রীদের প্রশ্ন: কিসের গোলাপি বাস, কখন আসে, কোথায় যায় প্রধানমন্ত্রীর শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান বাংলাদেশ শিল্প উদ্যোক্তা এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিশেষ অভিযানে ৮ গ্রাম হেরোইন ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ‎ ৮ লাখের সরকারি বিল পেতেই ৩ লাখ টাকা দাবি! বানারীপাড়ায় শিক্ষক সমিতির নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযো... ভুয়া ওষুধের তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিককে পুঁতে ফেলার হুমকি স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন: আগামীকাল দেশব্যাপী স্বেচ্ছাসেবক দলের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল সিন্ডিকেটের নেপথ্যে ‘মিস্টার ৫%’: গণপূর্তের আবুল খায়েরের দুর্নীতি ও সম্পদের পাহাড় একটি প্ল্যাটফর্ম, একাধিক সেবা-রংপুর ডায়েরির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুলেই আস্থা বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল দুইশর আগেই অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করল বাংলাদেশ অপসাংবাদিকতার ভিড়ে বিবেকের সংকট: আমার অভিজ্ঞতার নির্মম সত্য আরাফাত রহমান কোকোর কবরে স্বেচ্ছাসেবক দলের শ্রদ্ধা ডিসি-এসপি পদায়নের নামে কোটি টাকার প্রতারণা, টার্গেট সরকারি কর্মকর্তারা ফেঁসে গেলেন প্রকৌশলী বদরুল আলম খান বিশেষ অভিযানে ৮ গ্রাম হেরোইন ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ‎ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পি এসের কক্ষে বসাকে কেন্দ্র করে পিয়ন সুমনকে শোকজ সুশৃঙ্খল সড়ক ও মোটরযান ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ... পাবনায় প্রতারণা মামলা: যশোরের মামুন হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা কুমিল্লা দাউদকান্দি থানার সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক, শ্রেষ্ঠ ওসি পলাশ বাড়ছে বৃষ্টির প্রবণতা, বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণের শঙ্কা বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার ॥
রাজধানীর মিরপুরের বেশ কয়েকটি চিহ্নিত আবাসিক হোটেলে প্রকাশ্য দিবালোকেই চলছে রমরমা দেহব্যবসাসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপ ।
এলাকাবাসীর দাবি, হোটেল রয়েল আবাসিক ও হোটেল বাগদাদ আবাসিকে একজন নারীর সাথে ৬০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা হারে ঘন্টা চুক্তিতে সময় কাটানোর সুযোগ করে দেন হোটেল কর্তৃপক্ষ। রঙ্গলীলায় পুরো রাত কাটাতে হলে গুনতে হয় কয়েক গুণ ভাড়া। এছাড়া শ্রেনীভেদে নারীদেরকে দিতে হয় আরো কয়েক হাজার টাকা। যার ভাগ পান হোটেল মালিকগণও। আর বেশি অর্থ উপার্জনের লোভই হোটেল মালিকদের এই জঘন্য কাজে লিপ্ত করেছে।
এলাকাবাসী আরো জানিয়েছেন, হোটেল বাগদাদ ও হোটেল রয়েল আবাসিকের মালিক স্থানীয় প্রভাবশালী সুরুজ মিয়া নামে এক ব্যাক্তির নেতৃত্বে দীর্ঘ দিন ধরেই একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলছে এসব অসামাজিক কার্যকলাপ।
অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, মিরপুর এক নম্বরের হোটেল বাগদাদ,হোটেল রয়েল আবাসিক,হোটেল ডায়মণ্ড,টাইম স্টার,গোল্ড স্টার,মামুন হোটেল,প্রিন্স হোটেল,শাপলা হোটেল,মিরপুর-১০ নম্বরের বৈশাখী হোটেল,গাবতলী বাস টার্মিনালসহ গোটা মিরপুরের প্রায় সবগুলিই আবাসিক হোটেলেই কমবেশি অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে প্রকাশ্য দিবালোকেই।
এলাকাবাসী আরো জানান, মাত্র বছর কয়েক আগেই এই সুরুজ মিয়া মিরপুরের ফুটপাতে দুটি ঝুড়িতে করে বিক্রি করতেন মরিচ। ফুটপাতে বসে খুচরা মরিচ ব্যবসার সুবাদে দু’একজন প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ফুটপাত ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে চাঁদা আদায় করে সংশ্লিষ্টদের নিকট পৌছে দেয়ার দায়িত্ব পান সুরুজ। বিনিময়ে তিনিও আদায়কৃত চাঁদার দু’চারশ টাকা ভাগ পেতেন। সেসময় মাজার শরীফের আশপাশসহ মিরপুর এক নম্বরের পুরো সড়কজুড়ে বসতো রাত্রীকালীন কাঁচাবাজারের বিশাল আড়ৎ। একজন খুচরা মরিচ ব্যবসায়ী হিসেবে সারারাত জেগে কাজ করায় এসব অসামাজিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণকারী চক্রের এক সক্রিয় সদস্যের সাথে পরিচয় হয় সুরুজ মিয়ার। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ধীরে ধীরে নিজেই পুরোপুরিভাবে জড়িয়ে পড়েন আবাসিক হোটেল সংশ্লিষ্ট দেহব্যবসায়। রাতের ঢাকায় রাজধানীর ওভারব্রীজগুলো কেন্দ্রীক যেসকল যৌনকর্মী নারীরা দেহব্যবসা করেন এবং এসকল যৌনকর্মী নারীদের ঘিরে যে ছিনতাইকারী সিন্ডিকেট রয়েছে-তাদের নিয়ন্ত্রনের বিরাট দায়িত্বেও নিয়োজিত এই সুরুজ মিয়া। শুরুতে হোটেল বাগদাদের একজন ব্যবসায়ীক পার্টনার হিসেবে দেহব্যবসা শুরু করলেও বর্তমানে তিনি মিরপুর,গাবতলীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১৭ টি আবাসিক হোটেলের দেহব্যবসা নিয়ন্ত্রন করেন।এলাকাবাসী আরো জানান, সম্প্রতি হযরত শাহ আলী (রঃ) মাজার শরীফের প্রধান প্রবেশপথের বিপরীতে একক মালিকানায় হোটেল রয়েল আবাসিক নামে একটি আবাসিক হোটেল পরিচালনা করছেন সুরুজ মিয়া। দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা প্রকাশ্য দিবালোকেই নারী পুরুষের ওঠানামার সিরিয়াল লেগেই থাকে। এছাড়াও হোটেল বাগদাদ হোটেল রয়েল আবাসিকে নানা অসামাজিক কার্যকলাপের পাশাপাশি চলছে রমরমা মাদক বানিজ্য। এমনকি গভীর রাতে বিশাল পরিসরে জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগও রয়েছে। নিয়মানুযাী হোটেলে যে কোনো বর্ডারের আগমন হলে তাদের সঠিক ঠিকানা যাচাই করে তাদের রেজিষ্টার খাতায় লিপিবদ্ধ করা ও ছবি তুলে রাখার কথা থাকলেও অভিযুক্ত হোটেল কর্তৃপক্ষ মানছেন না এই নিয়ম।
অনুসন্ধানে জানা গেছে,গভীর রাতে রাজধানীর কোথাও অবাধে চলাফেরা না করা গেলেও মিরপরের হযরত শাহ্ আলী (রঃ) মাজার শরীফ কেন্দ্রীক এলাকাজুড়ে দিনরাত অবাধে চলাফেরা করতে পারেন যে কেউ। বিভিন্ন জেলা থেকে রাজধানীতে পালিয়ে,ব্যাক্তিগত কাজ,অন্যান্য কারনসহ কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে আসা বিভিন্ন নারী-পুরুষ কোন আশ্রয় না পেলে এই মাজারে আশ্রয় নেন। আর এসব হোটেলের নিয়োজিত বিভিন্ন দালালেরা মাজার কেন্দ্রীক আশ্রয় নেয়া অসহায় নারীদেরকে টার্গেট করে মিষ্টি মিষ্টি কথার জালে ফাসিয়ে আশ্রয় দেয়ার অজুহাতে সুকৌশলে ফুসলিয়ে মাজারের সামনের হোটেল রয়েল আবাসিক, হোটেল বাগদাদ আবাসিকসহ আশপাশের বিভিন্ন হৌটেলে নিয়ে যায়।
এমনকি অসহায় আশ্রয়হীন মেয়েগুলোকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দেশের বিভিন্ন পতিতালয়ে পাচার করে দেয় এসব দালালেরা। এই কাজেও সক্রিয় ভাবে হোটেল মালিক-পরিচালকগণ তাদেরকে সহযোগিতা করে।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, হোটেল গুলোর মালিক-পরিচালকগণ প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ মুখ খোলার সাহস পাননা। তাছাড়া পুলিশের দুএকজন অসাধু কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের সাথেও তাদের সুম্পর্ক রয়েছে। ফলে এসকল অপকর্ম করতে তাদের তেমন কোন বেগ পেতে হয় না।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগ সত্য হলে এসব আবাসিক হোটেলগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় এনে যথাযোগ্য শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। এদিকে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় থেমে নেই মাদক ও রমরমা দেহব্যবসা। এই জমজমাট ব্যবসাটি চলছে মিরপুর দারুসসালাম থানাধীন এলাকায় ঢাকার গাবতলী আন্তর্জাতিক বাস টার্মিনালের সামনে অবস্থিত স্বাগতম নিউ আগমন যমুনা ও টায়ারপট্টি’র রজনীগন্ধ্যা বলাকা আবাসিক হোটেল সহ মোট বেশ কয়েকটি হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে চলে আসছে অনৈতিক দেহ ব্যবসা। এই আবাসিক হোটেল গুলো দেহ ব্যবসা পরিচালনা করেন লিভ মামুন। বিষয়টি নিশ্চিত হতে লিড মামুন বিষয়টির স্বীকারও করেন অনুসন্ধানী প্রতিবেদক কাছে। সরজমিনে জানতে পারে, দারুস সালাম থানা ও স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ি প্রশাসনকে ম্যানেজ করে লিড মামুনের নেতৃত্বে অবৈধ দেহ ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন।আর ওই হোটেলে উঠতি বয়সী ছেলে-মেয়েরাসহ বিভিন্ন শহর ও গ্রামঞ্চাল থেকে আগত যাত্রী ও মোটর শ্রমিকদের আনাগোনাই বেশি। এতে ধ্বংস হচ্ছে যুব সমাজ। হোটেলে এই ব্যবসার বিষয়টি স্বীকারও করেছেন হোটেলটির ম্যানেজার ও । অনেক কিছুই ম্যানেজ করে এ কাজ করা হয় বলে জানা যায়।
পরিচয় জানতে চাইলে নিজেকে কলেজ ছাত্রী বলে দাবি করেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব অবৈধ দেহ ব্যবসায় জড়িতরা বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও গ্রামঞ্চাল থেকে এসেছে তারা। এদের রয়েছে এক ধরনের দালাল চক্রের নেটওয়ার্ক। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন এলাকার পরিবেশ-পরিস্থিতি বুঝে এই অবৈধ ব্যবসা করে আসছে বলে জানা যায়।
সরেজমিনে গেলে হোটেল কর্তৃপক্ষ ওই অবৈধ কর্মকান্ডের তথ্য আনতে প্রতিবেদকের বাধা সৃষ্টি করে। আবাসিক হোটেলের নামে দিনের পর দিন চলছে এই রমরমা দেহ ব্যবসা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আবাসিক হোটেলে কর্মরত এক ব্যক্তি জানান, আমি এখানে চাকরি করি। হোটেলের মালিক পক্ষ বিভিন্ন বয়সের নারীদের নিয়ে এসে অসামাজিক কর্মকান্ডের ব্যবসা চালিয়ে আসছেন।
এই অবৈধ অসামাজিক ব্যবসার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে রাগান্বিত হয়ে স্বাগতম ও রজনীগন্ধ্যা হোটেলের ম্যানেজার ও মালিক হারুন হুমকি ধামকিও হুমকি দেন। তিনি উচ্চ স্বরে বলেন এ ব্যবসা ঢাকা শহরে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং দেহ ব্যবসা চলবে আপনার পারলে কিছু করার থাকলে কইরেন।মিরপুর এক নম্বরের বাগদাদ, হোটেল ডায়মণ্ড, হোটেল টাইম স্টার, হোটেল গোল্ড স্টার, হোটেল শাহ আলী, হোটেল প্রিন্স সহ গোটা মিরপুরের প্রায় সবগুলিই হোটেলেই কমবেশি অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে প্রশাসনের নাকের ডগাতেই। এই আবাসিক হোটেল গুলোতে একজন নারীর সাথে রাত কাটাতে হলেও গুনতে হয় কয়েক গুণ ভাড়া। বেশি অর্থ উপার্জনের লোভেই হোটেল মালিকদের এই জঘন্য কাজে লিপ্ত করেছে।
ঢাকার বেশীর ভাগ আবাসিক হোটেলগুলোর আয়ের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে নারীর দেহ ব্যবসা। একবাক্যে হোটেলগুলোকে বলা যায় মিনি পতীতালয়। হোটেল কর্তৃপক্ষ অনেকেই হুঙ্কার দিয়ে জানান, প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এসব ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। জানা যায়, দেহ ব্যবসার জন্য প্রতিমাসে প্রশাসনের কিছু অসৎ সদস্যদের বড় অংকে উৎকোচ দিয়েই নির্বিঘ্নে চলে এই অনৈতিক কার্যকলাপ।ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশী দেহ ব্যবসার প্রসার ঘটেছে গাবতলীতে। এদিকে গাবতলীর আবাসিক হোটেল মধুমতি, হোটেল চৌধুরী, হোটেল বলাকা, হোটেল রোজ হ্যাভেন , হোটেল নিউ আগমন, হোটেল যমুনা, হোটেল স্বাগতম, টায়ার পট্টি হোটেল রজনীগন্ধা ও বলাকা সহ এখানে দুই শিফটে মেয়েরা দেহ ব্যাবসা করছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খরিদদার আসছে। পতিতাদের নিয়ে রাত্রী যাপনের জন্যেও রয়েছে নিরাপদ ব্যবস্থা। এসব অবৈধ কারবারিদের সাথে সখ্যতা রয়েছে প্রশাসনের কর্মকর্তারা। ফলে এই বিষয়ে কেউ কোনো প্রতিবাদ করার সাহস পায় না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোটেলের কয়েকজন কর্মচারী জানান, এসব হোটেলে দেহ ব্যবসার পাশাপাশি মাদক বেচাকেনা, জুয়া খেলা, রাজধানীর সন্ত্রাসীদের বিশাল একটি গ্রুপের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে রফাদফার মত কাজও চলছে।
অন্যদিকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানাধীন বিভিন্ন আবাসিক হোটেলের নামে চলছে দেদারসে অসামাজিক কার্যকলাপ। প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। বাইরে বড় করে সাইনবোর্ডে লেখা “আবাসিক হোটেল” হলেও এর ভেতরের চিত্র একেবারেই ভিন্ন। যাত্রাবাড়ি ও সায়েদাবাদ ঢাকার অন্যতম প্রবেশদ্বার। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত লোকজন অস্থায়ীভাবে রাত্রিযাপনের জন্য এসব হোটেলে ওঠেন। অথচ বেশিরভাগ হোটেলেই নেই থাকার উপযোগী পরিবেশ। এর বদলে সেখানে চলছে মাদক সেবন, দেহ ব্যবসা এবং অন্যান্য অবৈধ কার্যকলাপ।

যাত্রাবাড়ির ‘আয়শা মনি’ হোটেলের মালিক মাদক ব্যবসায়ী তারেক ও তোফাজ্জেল। পাশেই ‘মেঘনা’ নামে একটি আবাসিক হোটেল রয়েছে যার মালিক শফিক ও খালেক। ‘হোটেল রোজ গার্ডেন’-এর মালিক জাকির, শপন এবং ম্যানেজার গাজী। ‘আবাসিক হোটেল তাজ’-এর মালিক জাহিদ ও জসিম। ‘আবাসিক হোটেল আল শাহিন’-এর মালিক জাহিদ কনক ও জসিম। ‘হোটেল আল হায়াত’-এর মালিক সবুজ ও ম্যানেজ্রা ইমরান ও আকাশ। জানা গেছে ইমরান সরাসরি মাদক বিক্রির সাথে জরিত। ‘হোটেল গ্রিন ভিউ’-এর মালিক মো. আলী ও সোহাগ। ‘হোটেল ঢাকা টাইমস’-এর মালিক আলম ও নুর ইসলাম।
অন্যদিকে, সায়েদাবাদের জাকির টাওয়ারে অবস্থিত ‘রোজ গার্ডেন হোটেল’-এর মালিক মো. জাকির ও স্বপন, যারা দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন।
হোটেল মালিকরা গর্ব করে বলেন, “পুলিশ তাদের কাজ করে, আর আমরা আমাদের কাজ করি। পুলিশ তো আমাদের নিয়ে সারাদিন ভাববে না, তাদের আরও কাজ আছে—যা আমরা ভালো করেই বুঝি। একদিকে ধরে নিয়ে যায়, আরেকদিকে আমরা আবার শুরু করি। এই ব্যবসা যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে, ভবিষ্যতেও হবে। স্থানীয়দের দাবি, যাত্রাবাড়ি ও সায়েদাবাদ থানার আশপাশে আবাসিক হোটেলের নামে পরিচালিত পতিতা ও মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।
তথ্য মিলেছে, যাত্রাবাড়ী থানার অন্তর্গত কুতুবখালীর তৎকালীন হোটেল গোল্ডেন থেকে হোটেল পপুলার বা তার আশেপাশে থাকা অন্তত কুড়িটি আবাসিক হোটেলের প্রায় প্রতিটিই একেকটি অপরাধ আখড়া। বেশ্যাবৃত্তির নিরাপদ আস্তানা।
একইভাবে যাত্রাবাড়ী ত্রিমুখী রাস্তার মোড়ে কাঁচাবাজারে ভিতরে রয়েছে পাইকারি বাজার, আর তারই উপরে চারতলা ভবনের টপ ফ্লোরে হোটেল পপুলারে (আবাসিক) রীতিমতো সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে চালিয়ে আসছেন সবধরনের অবৈধ কাজ। তথ্য মতে, এসব প্রতিষ্ঠানে হোটেলের নামে আসলে চলে দেহ ব্যবসা ও নিরাপদে ইয়াবা সেবন।কুতুবখালি এলাকা থেকে সায়দাবাদ জনপথ মোড় পর্যন্ত অন্তত ১০টিরও অধিক আবাসিক হোটেল রয়েছে, যেসব হোটেলগুলোতে চলছে অবাধে নারীদের দিয়ে অবৈধ দেহ ব্যবসা। হোটেল রয়েল, হোটেল ছায়ানীড়, হোটেল আনোয়ারা, হোটেল রংধনুসহ যাত্রাবাড়ী মোড়ের আশেপাশে প্রায় প্রতিটি হোটেলেই চলে অসামাজিক কার্যকলাপ কিন্তু দেখার যেনো কেউ নেই।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বিএনপি এবং জামায়াতে ভাগ হলো প্রশাসন ক্যাডারদের সংগঠন!

বিএনপি এবং জামায়াতে ভাগ হলো প্রশাসন ক্যাডারদের সংগঠন!

তিশা আক্তার॥ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিএএসএ) নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্য দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে সংগঠনটি দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিয়েছে, যার মূলে রয়েছে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাম্প্রতিক কিছু বিতর্কিত বদলি ও তা বাতিলের ঘটনা। বিবাদের সূত্রপাত ঘটে সংগঠনের বর্তমান সভাপতি ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব নজরুল ইসলামের পক্ষ থেকে আসা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে। তিনি দাবি করেন, গত রবিবার অনুষ্ঠিত সভায় সদস্যদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হলেও নতুন কমিটি গঠনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। অন্যদিকে, একই দিনে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলাকে সভাপতি এবং পরিকল্পনা কমিশনের অতিরিক্ত সচিব বাবুল মিঞাকে মহাসচিব করে ৯ সদস্যের একটি নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, নতুন কমিটির বিজ্ঞপ্তিটি সংগঠনের অফিশিয়াল প্যাডের

আরও পড়ুন
language Change