তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
আজহারির ভিসা বাতিল, অস্ট্রেলিয়া ত্যাগের নির্দেশ বিদেশগামী কর্মীদের জন্য সুখবর রাজ এগ্রো (রাজ সীডস) তরমুজের বীজ চাষ করে বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষক বাজিমাত! মুক্তিযোদ্ধার হাত-পা ভেঙে দিলেন ছাত্রলীগ নেতা সময় পেলে প্রিন্স নিয়ে ফাটিয়ে দিতাম: শাকিব ব্যাংক খাতে বিশৃঙ্খলা বাড়ার আশংকা আটকেপড়া বাংলাদেশি জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পার হওয়ার অনুম‌তি ইরানের দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়-বৃষ্টির আভাস আমিরাতে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি নিহত জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে রাজপথে থাকবে ছাত্রশিবির ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযানে নামছে ডিএমপি আজ যেসব এলাকায় ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না জ্বালানি সংকটের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ সখীপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু খুলনায় ইজিবাইকের ধাক্কায় খুবি ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে প্রকল্পের অর্থ গিলে খাচ্ছে ‘জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনকারী’ সিন্ডিকেট রেশমের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার-বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো: শরীফুল আলম জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সুখবর গণপূর্তের অজেয় সিন্ডিকেট প্রধান লতিফুল ইমামের পেছনে নামাজ পড়লে কি কোনো সুরা পড়তে হবে? শ্রীমঙ্গলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন এবং গুরুতর আহত এক বিরোধীদলীয় নেতার এপিএস হলেন মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় ৭ হাজার লিটার পেট্রোলসহ তেলবাহী ট্রাক জব্দ-আটক ৪ সাগরের তল পাওয়া গেলেও অতীত সরকারের দুর্নীতির সীমানা বের করা যায় না রোগীকে জাল সনদ প্রদান, চিকিৎসক কারাগারে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: ট্রাইব্যুনালে সাবেক ডিআইজি জলিল সাতক্ষীরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দালালচক্রের তাণ্ডব বিএনপির তিন নেতাকে সব দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার ডিসিসির সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ মুগ্ধের পিতার চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে পুলিশ কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা বাসাইলে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সখীপুরে ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ সিরাজগঞ্জে জ্বালানি সংগ্রহে ‘ফুয়েল কার্ড’ বাধ্যতামূলক শিখরের ‘ভায়রা’ দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী আইয়ুব শাস্তির বদলে পেলেন পুরস্কার স্বামীর গলাকাটা দেহের পাশে সন্তানদের নিয়ে রাত কাটালেন স্ত্রী কীভাবে হাম ছড়ায় এবং লক্ষণ কী? ফায়ার সার্ভিসে বিতর্কিত পদায়ন ও স্বাধীনতা দিবসের প্যারেড কেলেংকারি হিজবুল্লাহর সঙ্গে ভয়াবহ সংঘর্ষে ৪ ইসরায়েলি সেনা নিহত গোমস্তাপুরে ডিএনসির অভিযানে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২ অভিনেতা রাহুলের প্রয়াণে মুছে গেল সব তিক্ততা, যা বললেন অনন্যা গুহ সিরাজগঞ্জে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কটূক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ১০ বছরে পাচারের টাকায় ২৫টি পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব মোংলায় চিকিৎসকের ওপর হামলা ও ভাঙচুর মেসার্স এলেঙ্গা ফিলিং স্টেশনকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ হবে আজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস নিয়ে নতুন পরিকল্পনা মোংলায় ওয়াইল্ডটিমের উদ্যোগে বনজীবীদের মাঝে প্রশিক্ষণের আয়োজন ছয় মাসে সরকারের ব্যাংকঋণ অর্ধলক্ষ কোটি টাকা ছাড়াল দীঘিনালায় তেলের তীব্র সংকট

গণ অভ্যুত্থানে চোখ হারিয়েছেন ৩৯ জন

গণ অভ্যুত্থানে চোখ হারিয়েছেন ৩৯ জন
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্ট:

জুলাই গণ অভ্যুত্থানে চোখে আঘাতপ্রাপ্ত ১ হাজার ৭৪ জনকে চিকিৎসা দিয়েছে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটি জুলাই যোদ্ধাদের জন্য চীন নেপাল সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাজ্য থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এনে পরামর্শ নিয়েছে। পাশাপাশি গুরুতর অসুস্থদের বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। এভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে সেবা দেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছে ইনস্টিটিউটটি। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল স্থাপন’ নামের সমাপ্ত প্রকল্পের প্রভাব মূল্যায়ন করতে গিয়ে আলাদাভাবে এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জরুরি সংকট মোকাবিলায় সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে হাসপাতালটি। এ সময় চোখে মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত রোগীদের সুচিকিৎসার জন্য জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। যেসব রোগী এসেছেন, তাদের মধ্যে ২৭৮ জন ছিলেন কম আঘাতপ্রাপ্ত। তারা বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিয়ে ফিরে যান। এছাড়া মারাত্মকভাবে আহত ৭৯৬ জনকে (পুরুষ ৭৮১ এবং নারী ১৫ জন) ভর্তি করানো হয়েছিল। বিভিন্ন মেয়াদে চিকিৎসা নেওয়া জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৬৭৫ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসার জন্য ৯ জনকে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে ১২১ জন রোগী বিভিন্ন মাত্রার চোখের অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ৩৯ জনের চোখ সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়েছে। ৬৫ জনের চোখ সম্পূর্ণ ভালো হয়েছে। ৪৫০ জনের এক চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু রোগীর তৃতীয় পর্যায়ের অপারেশনও করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে জুলাই বিপ্লবের মতো সংকটকালীন চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় বেশকিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে। নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও হাসপাতালের পরিচালক চিকিৎসক টেকনোলজিস্ট, নার্স ও অন্যদের সমন্বিত আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং অত্যন্ত দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক নতুন ও পুরোনো রোগীর চাপের তুলনায় কম সংখ্যক চিকিৎসক, টেকনিশিয়ান ও নার্স নিয়ে হিমশিম অবস্থা তৈরি হয়। পাশাপাশি সীমিত যন্ত্রপাতি যানবাহন এবং আর্থিক সক্ষমতার মধ্যে এই চ্যালেঞ্জ আরও প্রকট আকার হয়ে ওঠে।

প্রতিবেদনে দেওয়া প্রস্তাবগুলো হলো বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও আন্দোলনে চোখে আঘাতপ্রাপ্ত সব রোগীকে বাকি জীবনের জন্য বিনামূল্যে সেবা দেওয়া নিশ্চিত করা। এছাড়া চিকিৎসা প্রত্যয়ন সনদ দেওয়া, যা এককালীন আর্থিক সাহায্যের চেয়ে কার্যকরী হতে পারে। চোখ হারানো রোগীদের আজীবন ভাতা দেওয়া। পাশাপাশি আংশিক দৃষ্টিশক্তি হারানোদের উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।

এদিকে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল ভবিষ্যতে এ ধরনের জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সক্ষমতা অর্জনে করণীয় সম্পর্কে ৮টি সুপারিশ দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। সেখানে বলা হয়েছে চিকিৎসা সরঞ্জামের উন্নতি মানবসম্পদ বৃদ্ধি, জরুরি সংকট ব্যবস্থাপনা ইউনিট গঠন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন। এছাড়া নিরবচ্ছিন্ন ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানো রোগীদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা চক্ষু প্রতিস্থাপন ও পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন এবং রোগীদের চিকিৎসা প্রত্যয়ন সনদ দেওয়ার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

সার্বিকভাবে হাসপাতালটির উন্নয়নে আরও ১৩টি সুপারিশ দিয়েছে আইএমইডি। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো-মূল ভবনে নকশা অনুযায়ী বেজমেন্ট ফ্লোরো স্টোর থাকার কথা থাকলেও সেখানে সব সময় পানি জমে ধাকছে। ফলে মালামাল যেমন রাখা যাচ্ছে না তেমনই গাড়ি পার্কিংও করা যাচ্ছে না। বৃষ্টি হলেই হাসপাতালের ভেতরে পানি ঢুকে যাচ্ছে। ফলে স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়। মূল ভবনের কিচেন রুমের এক্সহস্ট ফ্যান সঠিকভাবে স্থাপন করা হয়নি। এছাড়া ওয়াশিং ইউনিট ও কিচেনের সিভিল এবং ইলেকট্রিক কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে। ভবনের পঞ্চম তলায় জেনারেল ও মহিলা ওয়ার্ডের মধ্য দিয়ে পয়ঃনিষ্কাশনের পাইপ নেওয়া হয়েছে, যা থেকে ময়লা পানি চুইয়ে ওয়ার্ডের মেঝেতে পড়ে। ভূমি উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ থাকলেও হাসপাতালের আবাসিক ভবনের নিচে সেন্ডফিলিং করা হয়নি। আবাসিক ভবনগুলোয় পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই। হাসপাতালের ড্রেনেজ ও আবর্জনা ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত নিম্নমানের। এসব সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

শর্ত সাপেক্ষে ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

স্টাফ রিপোর্টারঃ  ডলারের দামের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও শিথিল করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে ডলারের দাম ব্যাংক গ্রাহক নির্ধারণ করবে। তবে এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে কেন্দ্রীয় ব্যাংক শর্ত আরোপ করেছে। এর মাধ্যমে ডলারের দামকে কিছু নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রেখে বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হলো। ফলে আইএমএফের অন্যতম একটি শর্ত পালন করা হলো। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে মঙ্গলবার রাতে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এতে বলা হয়েছে, এখন থেকে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের অনুমোদিত ব্যাংক শাখাগুলো (এডি ব্রাঞ্চ) তাদের গ্রাহকদের সঙ্গে নিজেরা আলোচনা করে ডলারের দাম নির্ধারণ করবে। আগামী ৫ জানুয়ারি হতে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের অনুমোদিত শাখাগুলো প্রতিদিন দুইবার বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচার

আরও পড়ুন
language Change