তারিখ লোড হচ্ছে...

সম্প্রচারে আসছে দেশের প্রথম হাইব্রিড টেলিভিশন ভিওডি বাংলা সিরাজগঞ্জে সার সংকট নিরসনে জেলা প্রশাসকের জরুরি সভা এমপি আয়নুল হকের গাড়িবহরে হামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার বেহেলী চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৩০০ টাকা আদায় ও চাল কম দেওয়ার অভিযোগ পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস বাস স্টপেজের দাবিতে মানববন্ধন দীঘিনালায় বন্যাকবলিত মানুষের পাশে জেলা বিএনপি ও জেলা পরিষদ ‎সুন্দরবনে আবারো বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর তান্ডব ট্রলারসহ জিম্মি ৫ রাঙামাটিতে ৮ বছরের শিশুধর্ষণ: আসামির যাবজ্জীবন দণ্ড শ্রীবরদীতে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় গণপূর্ত কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি-নিয়মিতকরণের দাবি সাতক্ষীরায় নারী ও শিশু ভুক্তভোগীদের সুরক্ষায় পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ নাটোরের সিংড়ায় অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার, ছিনতাইয়ের সন্দেহ মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তারে তরুণ প্রজন্ম ধ্বংসের পথে কেশবপুরে বাবার লাশ রেখে জমি বিরোধে দুই ভাইয়ের সংঘর্ষ, কুড়ালের কোপে আহতের অভিযোগ মির্জা ফখরুল ইসলামের আগে দেশে ১৮ জন রাষ্ট্রপতি, কে কতদিন দায়িত্বে ছিলেন সম্পাদক নাছির উদ্দিন পাটওয়ারীর সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল সিরাজগঞ্জে ৪ কোটি টাকার হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ২, ট্রাক জব্দ সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কল্যাণ সমিতির যুগ্ম সম্পাদক হলেন ফিরোজ আগামিতে মাস্টার্স পর্যন্ত মেয়দের বিনা বেতনে শিক্ষার পরিকল্পনা করছেন যোগ্য মায়ের যোগ্য উত্তরসূরী প্রধ... সাতক্ষীরায় ন্যাচারাল হেলথ সেন্টারের বিরুদ্ধে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ শান্তিগঞ্জে প্রাইভেটকার থেকে ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, চালক গ্রেফতার রাঙামাটিতে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী নির্যাতন: স্বামীর ৩ বছরের কারাদণ্ড, ২ লাখ টাকা জরিমানা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করতে হবে-সার্ক ও বিশ্বব্যাংকের কৃষি পরামর্শক ড. নওশের... ঢাকার ৫০ ট্রাফিক সিগনাল পয়েন্টে বসছে এআই ক্যামেরা যে কোনো শর্তে জামিন চেয়েও পাননি উইং কমান্ডার সাইফ লোডশেডিং-গ্যাস সংকটের পর এখন পানি আসছে না, কার কাছে বলব এই দুঃখ কেশবপুরে অসত্য তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামীর সাংবাদিক সম্মেলন চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে চালকল মালিকদের মানববন্ধন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বালুবাহী ট্রাকচাপায় স্কুলশিক্ষক নিহত বিডা-বেজা-পিপিপিএ একীভূত,নতুন দায়িত্বে চৌধুরী আশিক মাহমুদ যে ৫ ধরনের পরামর্শ এআইয়ের কাছে না চাওয়াই ভালো বাংলাদেশে প্রিমিয়ার লিগের উত্তাপ, দেখা যাবে পুরো মৌসুম ৬ বছর পর রোগী সেজে চিকিৎসক স্ত্রীর সামনে প্রবাসী স্বামী কারা নির্যাতিত বিএনপি নেতা তাজ উদ্দিন তাজুকে অব্যাহতি প্রদানের প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গলে বিক্ষোভ মিছিল সুপেয় পানির কষ্ট লাঘবে উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেয়া হবে প্রতিমন্ত্রী ভারতের কলকাতায় আগুনে নিহত সাতক্ষীরার আলিমুজ্জামানের লাশ ভোমরা স্থলবন্দর হয়ে নিজ বাড়িতে পৌঁছেছে বরগুনায় মাহফুজ চেয়ারম্যানের উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৯৬ বোতল মাদকদ্রব্য জব্দ লবণচরার জোড়া খুন: শীর্ষ সন্ত্রাসী সাইফিসহ ৩ জন গ্রেফতার  অস্ত্র উদ্ধার সুনামগঞ্জের লাউড়েরগর গ্রামে আসাদ মিয়ার ঘর থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল,ফোসকাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ নোয়াখালীতে ৩০০ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা লংগদুতে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে পুলিশের মাদকবিরোধী র‍্যালি  বিএনপি নেতা বুলবুল এর উদ্যোগে অসহায় পরিবারকে মানবিক সহায়তা ও টিনের ঘর উপহার কাশিয়ানীতে ধর্ষণচেষ্টার শিকার আপন দুই শিশু বোন ১৭ বছর সংবাদমাধ্যমের হাত বেঁধে রাখা হয়েছিল: তথ্যমন্ত্রী সিলেট বালাগঞ্জ বিএনপি’র নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের অভিযোগ, ক্ষুন্ন হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড পরিকল্প... হারানো ৫৩ মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিকদের হাতে হস্তান্তর সিরাজগঞ্জে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা খুলনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও জনসভা

শেরপুরে বন্যহাতির তাণ্ডবে তছনছ আমন ধান!

পাঠক সংখ্যা
638

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

শেরপুর গারো পাহাড় চষে বেড়াচ্ছে বন্যহাতির পাল! খেয়ে সাবার করছে কৃষকের ক্ষেতের কাঁচা-পাকা আমন ধান। মশাল জ্বালিয়ে রক্ষা করতে পারছেন না কৃষক ক্ষেতের ফসল।

ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ীর ৩ টি উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চলে এমন কোন রাত নেই যে, বন্যহাতি তান্ডব না চালাচ্ছে। আজ এই উপজেলা তো কাল অন্য উপজেলায় আমন ধানক্ষেতে তান্ডব চালিয়ে খেয়ে ও পায়ে মুড়িয়ে ধ্বংস করে চলেছে। অপরদিকে বনবিভাগ কেউ হাতির আক্রমণে মরলে ৩ লাখ, বাঁচলে ১ লাখ ও ফসলের ক্ষতি হলে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে। শেরপুরের গারো পাহাড়ি অঞ্চলে ১৯৯৫ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ৩০ বছর যাবত চলছে হাতি-মানুষের যুদ্ধ। প্রায় ৫০-৬০ কিলোমিটার এলাকায় বছরের পর বছর চলছে বন্য হাতির তান্ডব। বেঘোরে প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। ফি-বছর বন্য হাতি খেয়ে ও পায়ে পিষে সাবাড় করছে কোটি কোটি টাকার বিপুল পরিমাণ জমির ফসল। ধ্বংস করছে বসতবাড়ি। খেয়ে সাবাড় করছে বাড়ির গোলার ধান। বন্যহাতির পাল পাহাড়ি অঞ্চলের হতদরিদ্র মানুষের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করছে। ভেঙে তছনছ করে, মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিচ্ছে খেতের ফসল, বসতবাড়ি।

দীর্ঘ ৩০ বছর চলে আসছে এই অবস্থা। জানা যায়, এতে হাতির পায়ে পৃষ্ঠ হয়ে মারা গেছে ৫৮ জন পাহাড়ি মানুষ! আহত হয়েছে ৫ শতাধিক। পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন শতাধিক মানুষ।

হাতি ও মরেছে ৩২ টি! প্রসঙ্গত. প্রতিবছর ধান পাকার মৌসুমে ধান ও সবজি এবং আম-কাঁঠালের মৌসুমে আম-কাঁঠাল খাওয়ার নেশায় হাতির পাল নেমে আসে লোকালয়ে। চালায় তাণ্ডবলীলা। পাহাড়ী মানুষ ফসল ও বাড়ীঘর রক্ষার্থে হাতি তাড়াতে মরিয়া হয়ে উঠে। শুরু হয় হাতি-মানুষ যুদ্ধ! যুদ্ধে কখনো মানুষ প্রাণ হারায় কখনোবা হাতি! অপর দিকে বন্যহাতির তান্ডব থামাতে ইতোপূর্বে স্থাপন করা হয়েছে সৌরবিদ্যুৎচালিত তারের বেষ্টনী (ফেন্সিং), হাতির জন্য খাদ্যের বাগান তৈরিসহ হাতি ও মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়।

পাহাড়ি অঞ্চলে মাঝে-মধ্যে বন বিভাগ জনসচেতনামূলক সভাও করে। কিন্তু বন্যহাতির তান্ডব প্রতিরোধ করা যাচ্ছেনা। শেরপুরের সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে গারো পাহাড়ে হাতির আবাসস্থল। কিন্তু তৎকালীন অসাধু বন কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজশে নগত নারায়ণের বিনিময়েই দরিদ্র লোকজন দখলে নিয়েছে এবং বসতবাড়ি গড়ে তুলেছে।

 

তাদের সাথে টাকার বিনিময়ে অলিখিত চুক্তিতে বাড়িঘর নির্মাণ, গাছপালা নিধন ও পাহাড় কেটে বন্ধ করে দিয়েছে বন্যহাতি ও জীব-জন্তু, জানোয়ারের অবাধ বিচরণের ক্ষেত্র। এককালে পাহাড়ের চারপাশ ঘিরে ঝোপ-ঝাড়, ঘন-গহীন বন জঙ্গল সমৃদ্ধ ছিল। তখন শুধু হাতি নয় কোন বন্য জীব-জন্তু, জানোয়ারই লোকালয়ে আসেনি।

এখন পাহাড়ের সমতল ভূমিতে আবাদ করা আমন-বোরো, শাক-সবজি ও ফলমূলের খেতে নিয়মিতই নেমে আসছে হাতির পাল। সবই ধ্বংস করছে। খেয়ে সাবাড় করছে বাড়ির গোলার ধান। এজন্য অনেকেই আবাদ ছেড়ে দেয়ায় পতিত পড়ে রয়েছে বহু রেকর্ডিং আবাদি জমি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে।

হাতি ঝর্ণা, নদীর পাড় বেয়ে এবং ব্রিজের নিচ দিয়ে পাকা ফসলের মাঠে নেমে আসছে। কখনো বা ভারত থেকে তাড়া দিয়ে এ পাড়ে ঠেলে দেয়া হয় হাতির পাল। আশির দশক থেকে নির্বিচারে বৃক্ষ নিধনে পাহাড়ের প্রাকৃতিক ভারসাম্যও বিনষ্ট হয়। হারিয়ে যায় বন্যপ্রাণী। থাকে শুধু বন্যহাতির তান্ডব। বন বিভাগ ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ঝিনাইগাতীর তাওয়াকুচা থেকে ছোট গজনী, হালচাটি এলাকা পর্যন্ত স্থাপন করে ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ফেন্সিং। তাওয়াকুচা ও কর্ণঝোরা এলাকার ৫০ হেক্টর জমিতে করা হয় হাতির খাদ্যের বাগান। রাংটিয়া, গোপালপুর বিটে রোপণ করা হয় কাঁটাযুক্ত বেতগাছ গাছ। এতে ও কোন সুফল মেলেনি। সব কিছুই ভেস্তে গেছে।

এদিকে ক’দিন যেতে না যেতেই সোলার ফেন্সিং অকার্যকর হয়ে পড়ে। হাতির জন্য খাদ্যের বাগানও এখন নেই। ফলে হাতি খাদ্যের সন্ধাণে লোকালয়ে ঢ়ুকে চালাচ্ছে তান্ডব। হাতি ধান -কাঁঠালের প্রতি হাতি ব্যাপক দুর্বল। বন্যহাতি এক জায়গায় থাকতে পছন্দ করে না। আজ এখানেতো কালই অন্য খানে ছুটে যায়। এভাবেই চষে বেড়ায় গোটা গারো পাহাড়। প্রবীণ ব্যক্তিত্ব শতবর্ষী ডা. আব্দুল বারী, আলহাজ, সরোয়ারর্দী দুদু মন্ডল বলেন, একটি হাতির প্রতিদিন গড়ে ২০০ কেজি খাবার প্রয়োজন। পাহাড়ের ফলমূল, লতাগুল্ম, কলাগাছ ইত্যাদি হাতির প্রধান খাদ্য। কিন্তু পাহাড়ে এসব খাদ্যের অভাবে খাদ্যের সন্ধানে হাতির পাল লোকালয়ে নেমে আসছে। খেতের ফসল খেয়ে সাবাড় করছে। ভাংছে বাড়িঘর। খাচ্ছে গোলার ধান ও চালাচ্ছে তান্ডব। খেতের ফসল ও বাড়িঘর রক্ষার্থে লোকজন হাতি তাড়াতে গিয়ে বিঘোরে প্রাণ হারাচ্ছে। কিন্তু বন্ধ হচ্ছে না হাতির তান্ডব। রক্ষা পাচ্ছেনা পাহাড়ি হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী।

ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফরহাদ হোসেন সবুজ বাংলাদেশকে বলেন, পাহাড়ের মানুষ এমনিতেই দরিদ্র। তাদের কষ্টার্জিত ফসল হাতি খেয়ে সাবাড় করায় কৃষকরা কষ্টে আছে।

ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল আলম রাসেল  বলেন, সরকার ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী গারো পাহাড়ে হাতি চলাচলের জন্য অভয়াশ্রম করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এতে হাতির উপদ্রব কমে যাবে। তবে সতর্ক থাকতে হবে মানুষ ও যাতে না মরে, হাতিও যাতে না মরে সে জন্য।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

স্ত্রীর অপরাধে স্বামী ও শিশুকে থানায় আটকে রাখার অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে

রায়হান চৌধুরী, মুরাদনগর থেকে: স্ত্রীর অপরাধে নিরপরাধ স্বামী ও তার ৪ মাসের শিশু তোহাকে থানার হাজতে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে ওসি আজিজুল বারী ইবনে জলিলের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (৬ অক্টোবর, ২০২৩) দিবাগত রাতে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠেছে স্থানীয়দের মাঝে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা সদরের উত্তর পাড়া গ্রামের আব্দুল মোতালেব’,র স্ত্রী সুমি আক্তার (২৬) তার ভাই দেলোয়ার হোসেনের এনজিওর ঋণের টাকার জিম্মাদার হয়। পরে সেই ঋণের কিস্তির টাকা দিতে না পারায় জিম্মাদার সুমি আক্তারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয় সেই এনজিও কোম্পানি। এরই ধারাবাহিকতায় সুমি আক্তারের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট আসে মুরাদনগর থানায়। শুক্রবার বিকেলে মুরাদনগর থানার এসআই আলমগীর ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী সুমি আক্তারকে বাড়িতে না পেয়ে তার অসুস্থ স্বামীকে থানায় নিয়ে

আরও পড়ুন
language Change