তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক নেতাকে গুলি করে হত্যা দীঘিনালায় পরিবহনে বাড়তি ভাড়া, চাপে সাধারণ যাত্রী মহান স্বাধীনতা দিবসে সন্ত্রাসী হামলার শিকার ১০ বছরের ছাত্র শেরপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত শেরপুরে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত সিরাজগঞ্জে মহান স্বাধীনতা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা সিরাজগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত স্বাধীনতা দিবসে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাল সিআরএ ইসরায়েলের সেনা সদরে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী: আপনার সরকার কি গুপ্তদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে? টাঙ্গাইলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত ঈদের পর তেলের সংকট কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে লুটপাটের নায়ক ৫ কোটিতে সোহরাওয়ার্দীর পরিচালক সখিপুরে মোবাইল কোর্ট অভিযান আবারও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উধাও দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবি: নিহত বেড়ে ২৪ কয়রায় বাঘ-বিধবা ও অসহায়দের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জেলা জাসদের শ্রদ্ধা নিবেদন রামগড়ের কৃতি সন্তান সিআইডি প্রধান হিসেবে যোগদান কুখ্যাত ডাকাত আসাবুর বাহিনীর প্রধান সহযোগী অস্ত্রসহ আটক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িতে উড়ল জাতীয় পতাকা স্বাধীনতা দিবসের কুজকাওয়াজ শুরু দীঘিনালায় তীব্র তেল সংকটের মাঝে ব্যতিক্রম টাঙ্গাইলের ধনবাড়িতে ভাইঘাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চৈত্র মেলা অনুষ্ঠিত গোপালপুরে রেল দুর্ঘটনায় বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু গণহত্যা দিবসে মোংলা উপজেলা প্রশাসনের পুষ্পস্তবক অর্পণ শেরপুরের মেধাবী ছাত্র আইয়ুব নাঈম ৪৪ তম বিসিএস নন ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন রামগড় পশ্চিম বাগানটিলা জামে মসজিদ ও সমাজের বার্ষিক সাধারণ সভা খুলনায় লস্কর ইউনিয়নের বাইনতলা-খড়িয়া সড়ক যেন মরণফাঁদ গারো পাহাড়ে বন রক্ষায় মানববন্ধন কেশবপুরে ঈদের ছুটিতেও অব্যাহত ছিল পরিবার পরিকল্পনা সেবা ভিডিও কলে ব্ল্যাকমেইলারের হাতে জিম্মি রিক্সাচালকের পরিবার শ্রীমঙ্গল উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আকাশ গ্রেফতার কেশবপুরে ‘মদ্যপ অবস্থায়’ সংসদ সদস্যকে গালিগালাজ গণপূর্তে ছাত্রলীগ নেতা কাজী মাশফিক: ঠিকাদার সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক ও দুর্নীতির কেন্দ্রবিন্দু আওয়ামী দোসর নির্বাহী প্রকৌশলী এস. এম. ময়নুল হকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ দুর্নীতিবাজ আব্দুর রশিদ মিয়া হলেন এলজিইডি-এর প্রধান প্রকৌশলী ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাঁপছে সৌদি-কুয়েত-ইসরায়েল ভয়াল ২৫ মার্চ আজ, জাতীয় গণহত্যা দিবস এতিম শিশু ও প্রবীণদের জন্য প্রাণ-আরএফএলের বিশেষ ঈদ আয়োজন সংকেতেই আনা হয় বেনাপোল বন্দরে আটক হওয়া ৬ কোটি মূল্যের পণ্য পরিবার বিএনপি করে উত্তীর্ণ হয়েও চাকরিতে যোগ দিতে দেয়নি আব্দুল মান্নান মানবপাচারসহ ১১ মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ নাটোর জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক রহিম নেওয়াজ এর সম্বর্ধনা অনুষ্ঠিত জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি সরকার গ্রহণ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে গণপূর্তের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মতিউর রহমানের অনিয়ম নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল এক মানবিক শিক্ষকের জীবন বাঁচাতে সাহায্যের আকুল আবেদন

কাপাসিয়ায় বন কর্মকর্তাদের সহায়তায় কোটি টাকার গজারি বন উজাড়ের মচ্ছব

কাপাসিয়ায় বন কর্মকর্তাদের সহায়তায় কোটি টাকার গজারি বন উজাড়ের মচ্ছব
পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার :
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় গজারি বন উজাড়ের মচ্ছব চলছে। শ্রীপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা ও গোসিংগা বিট কর্মকর্তা সুযোগ দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। বিভাগীয় বন কর্মকর্তাও নীরব রয়েছেন।
উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের ভূলেশ্বর দরগার টেকের দক্ষিণে পারুর টেক নামক স্থান থেকে প্রায় দেড় মাস ধরে গাছ পাচার চলছে। ইতিমধ্যে আনুমানিক ৬০০ থেকে ৭০০ গাছ কাটা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, পারুর টেকের বিপুল পরিমাণ ভূমির মধ্যে একাংশের মালিক সাইজুদ্দিন বেপারী। এর উত্তর পাশে সংরক্ষিত গজারি বন ও পূর্ব পাশে সংরক্ষিত বনভূমি। ডিমারকেশন না থাকায় জোত বনের সাথে সংরক্ষিত বন মিশে একাকার। গাছ কমপক্ষে ১০ হাজার। দিগধা গ্রামের মৃত হাসেন আলীর ছেলে সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে এই বন কিনে ডিমারকেশন ও পারমিট ছাড়াই গাছ কেটে পাচার করা হচ্ছে।
দিনে গাছ কেটে গোসিংগা রোডের দেওনা গ্রামের বাবুল মোড়লের পোল্ট্রির পাশসহ একাধিক স্থানে নিয়ে মজুত করা হয়। পরে রাতে ট্রাকযোগে পাচার করা হয়। কিছুদিন আগে বাবুল মোড়লের পোল্ট্রির পাশে রাখা প্রায় ১০০ গাছের ছবি রেঞ্জ কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমানকে পাঠিয়ে ঘটনাটি জানালেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি। উল্টো গাছগুলো নিরাপদে পাচারের সুযোগ দেওয়া হয়।
এলাকাবাসী জানান, পারুর টেক ছাড়াও পারুর টেকের পূর্ব পাশের খলার টেক ও এর পূর্ব দিকের আজম আলীর টেক থেকে প্রায় ১ হাজার গজারি গাছ কেটে পাচার করা হয়েছে। কয়েক মাস আগে গাছগুলো প্রকাশ্যে কেটে নিলেও বিট অফিস কোন ব্যবস্থা নেয়নি। প্রতিবাদ করলে মিথ্যা বন মামলায় ফাঁসানো হয়। ওপরে তথ্য দিলেও রেঞ্জ কর্মকর্তা নয়ছয় বুঝিয়ে সব ধামাচাপা দিয়ে দেন।
পারুর টেকে গাছ কাটার খবর পেয়ে সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহে যান। এ সময় ঘটনাস্থল চেনার জন্য রাস্তা থেকে দেওনা গ্রামের স্বপন নামের একজনের সহযোগিতা নেওয়া হয়। পরে তিনি সিরাজুল ইসলামের গাছ পাচার সম্পর্কে ভিডিও বক্তব্য দেন। ভিডিওটি ফেসবুকে পোস্ট করলে দ্রুত ভাইরাল হয়। এতে সিরাজুল ইসলাম ও বিট কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান তার উপর ক্ষিপ্ত হন। তিনি এখন মামলা-হামলার আতংকে আছেন।
কাপাসিয়া ও শ্রীপুরের কয়েকজন কাঠ ব্যবসায়ী জানান, পারমিট ছাড়া জোতের গাছ কাটলে বিট অফিসে ট্রাকপ্রতি ১০ হাজার টাকা দিতে হয়। ডিমারকেশনের সমস্যা থাকলে ট্রাকপ্রতি ২০ হাজার টাকা ও জোত-খাস মিলিয়ে কাটলে চুক্তি করে কাটতে হয়। লেনদেন সরাসরি ও বিকাশে হয়। বিট কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান ও ফরেস্ট গার্ড মনিরের বিকাশ নম্বর তদন্ত করলে বিভিন্ন এলাকার দোকান থেকে পাঠানো লাখ লাখ টাকার প্রমাণ পাওয়া যাবে।
ব্যবসায়ীরা আরও জানান, পারুর টেকের গাছগুলোর বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা। বিট কর্মকর্তা ও রেঞ্জ কর্মকর্তা টাকার লোভে পড়ে গাছ পাচারের সুযোগ দিয়েছেন। ঘটনাটি প্রকাশ হওয়ার পর স্থানীয় এক অসাধু সার্ভেয়ার দিয়ে মাপজোখ করে গাছগুলো জোতের বলে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। যা সম্পূর্ণ বেআইনি।
এ ব্যাপারে গাছ পাচারকারী সিরাজুল ইসলাম ও গোসিংগা বিট কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন।
শ্রীপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান বলেন, সার্ভেয়ার দিয়ে মাপা হয়েছে। বন থেকে কিছু গাছ কাটা হয়েছে। এটাও জোত বলা হচ্ছে। যৌথ জরিপ করা হবে।
তবে বিটের একজন বলেছেন, জোতের সাথে বন থাকলে অবশ্যই যৌথ ডিমারকেশন করতে হবে। ওই বিষয়ে এসিল্যান্ড অফিসে ডিমারকেশনের আবেদনই করা হয়নি। তাহলে যৌথ জরিপ কিভাবে হবে? আর পারমিট ছাড়া জোত বনও কাটার সুযোগ নেই।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

আসল ওষুধের নামে নকল ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক ওষুধের ছড়াছরি

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ ওষুধ তৈরির কারখানা আছে। সেখানে তৈরি হয় করোনা, ক্যানসারসহ কঠিন সব রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ। স্ট্রিপে সিল পড়ে নামিদামি সব ব্র্যান্ডের। কিন্তু সব ওষুধই নকল। এর অন্তরালে কাজ করছে একাধিক চক্র। হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা, হুমকিতে ফেলছে জনস্বাস্থ্য। আর এসব ওষুধের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার মিটফোর্ড। নকল ওষুধ সেবন করে মানুষ সুস্থ না হয়ে আরও বেশি অসুস্থ হচ্ছে। মহামারির চেয়ে বেশি মারা যাচ্ছে নকল ও ভেজাল ওষুধ খেয়ে। আর আইসিইউ ও সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রোগীদের এসব ওষুধ দেওয়া হলে তাদের মৃত্যু শতভাগ নিশ্চিত বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নকল ও ভেজাল ওষুধ নিয়ন্ত্রণে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। তাদের মনিটরিং ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। নকল ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদনকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন তারা। ‘আসল ওষুধের

আরও পড়ুন
language Change