তারিখ লোড হচ্ছে...

তালতলীতে অবৈধ পিস্তল ও গুলিসহ আটক-০৫  বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ও সাধারণ জনগণের সমর্থন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ ফরাস উদ্দিন নাটোরে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কী হলো রাজস্ব সম্মেলনে, যেসব নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উত্তরা প্রেসক্লাব নির্বাচন ২০২৬, সভাপতি হলেন মাসুদ পারভেজ - সম্পাদক মাহতাব ফারাহী ড্রামে ফেলে নবজাতককে হত্যা, মায়ের বিরুদ্ধে মামলা সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর প্রাণহানি ৫ বছরের শিশুকে হত্যার পর ধর্ষণ করেন রবিউল কাশিয়ানীতে সরকারি পুকুরের গাছ বিক্রির অভিযোগ, সোহেলের বিরুদ্ধে যুবদল নেতা হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্বজনদের সংবাদ সম্মেলন লালবাগে কিল্লারমোড় বাজারের পেছনে ময়লার ভাগাড়, মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ভূমি অফিস জেলা প্রশাসকদের ১৪ নির্দেশনা কেশবপুরে বায়সা কালী মন্দিরে গ্রিল কেটে দুঃসাহসিক চুরি ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর চিন্তা টিকটকে টাকা পাঠানোর সুবিধা আসছে সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু পরিবর্তন হয় হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল চেয়ে রিট ইসলাম গ্রহণ করেছেন ব্রাজিল খেলয়ার রবার্তো কার্লোস বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়ল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কর্মকর্তাদের উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাতক্ষীরার পুলিশ লাইন্স, হাসপাতাল ও আবাসিক এলাকা থেকে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের দাবি খুলনা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য রফিকুল ইসলাম এর আম্মার মৃত্যুতে সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যে প্রক্রিয়ায় ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা নারী যাত্রীদের প্রশ্ন: কিসের গোলাপি বাস, কখন আসে, কোথায় যায় প্রধানমন্ত্রীর শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান বাংলাদেশ শিল্প উদ্যোক্তা এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিশেষ অভিযানে ৮ গ্রাম হেরোইন ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ‎ ৮ লাখের সরকারি বিল পেতেই ৩ লাখ টাকা দাবি! বানারীপাড়ায় শিক্ষক সমিতির নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযো... ভুয়া ওষুধের তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিককে পুঁতে ফেলার হুমকি স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন: আগামীকাল দেশব্যাপী স্বেচ্ছাসেবক দলের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল সিন্ডিকেটের নেপথ্যে ‘মিস্টার ৫%’: গণপূর্তের আবুল খায়েরের দুর্নীতি ও সম্পদের পাহাড় একটি প্ল্যাটফর্ম, একাধিক সেবা-রংপুর ডায়েরির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুলেই আস্থা বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল দুইশর আগেই অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করল বাংলাদেশ অপসাংবাদিকতার ভিড়ে বিবেকের সংকট: আমার অভিজ্ঞতার নির্মম সত্য আরাফাত রহমান কোকোর কবরে স্বেচ্ছাসেবক দলের শ্রদ্ধা ডিসি-এসপি পদায়নের নামে কোটি টাকার প্রতারণা, টার্গেট সরকারি কর্মকর্তারা ফেঁসে গেলেন প্রকৌশলী বদরুল আলম খান বিশেষ অভিযানে ৮ গ্রাম হেরোইন ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ‎ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পি এসের কক্ষে বসাকে কেন্দ্র করে পিয়ন সুমনকে শোকজ সুশৃঙ্খল সড়ক ও মোটরযান ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ... পাবনায় প্রতারণা মামলা: যশোরের মামুন হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা কুমিল্লা দাউদকান্দি থানার সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক, শ্রেষ্ঠ ওসি পলাশ বাড়ছে বৃষ্টির প্রবণতা, বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণের শঙ্কা বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ’র ঘনিষ্ঠ সহচর দুর্নীতিবাজ সাইদুর কি আইনের উর্ধ্বে?

দেশের নতুন রাজনীতি হবে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে

দেশের নতুন রাজনীতি হবে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে
পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতীতের বস্তাপচা সব রাজনীতিকে পায়ের তলে ফেলে দিতে চাই। এই রাজনীতি বাংলাদেশে অচল। তিনি বলেন, এখন বাংলাদেশে নতুন রাজনীতি করতে হবে, যেই রাজনীতি হবে দেশ জাতি স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের পক্ষে। আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে যুব র‍্যালি ম্যারাথন ‘রাজপথে বিজয়ে’ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের আজকের এই যুব ম্যারাথন এ কথা-ই দেশবাসী ও বিশ্ববাসীকে জানানোর জন্য যে অতীতের বস্তাপচা সব রাজনীতিকে পায়ের তলে ফেলে দিতে চাই। এই রাজনীতি বাংলাদেশে অচল। এই রাজনীতির পাহারাদারি যারা করবে তারা অচল মালে পরিণত হবে।

তিনি বলেন, এখন বাংলাদেশে নতুন রাজনীতি করতে হবে, যেই রাজনীতি হবে দেশ জাতি স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের পক্ষে।

যেই রাজনীতি হবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর পক্ষে। যেই রাজনীতি হবে দুর্নীতিবাজদের বিপক্ষে, যেই রাজনীতি হবে চাঁদাবাজদের বিপক্ষে, যেই রাজনীতি হবে দখলবাজদের বিপক্ষে, যেই রাজনীতি হবে মামলাবাজদের বিপক্ষে, যেই রাজনীতি হবে ধর্ষণকারীদের বিপক্ষে। আমরা শান্তির এক টুকরো বাংলাদেশ চাই। এমন বাংলাদেশ চাই, যেই বাংলাদেশের প্রাণ হবে যুবসমাজ।

আমরা আমাদের দলের বিজয় চাচ্ছি না, আমরা চাচ্ছি বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। এই বিজয়ই হবে আমাদের দলের বিজয়। এই বিজয়ের পথে যত বাধা আসবে, এই যুবকরা সেটা ভেঙে দিবে। কোন দেয়ালই আমরা টিকতে দিব না; কোন ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পাকিস্তান আমলের শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্য ক্ষেত্র বিশেষে অবিচার করার কারণে এদেশের মানুষ পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছিল।

৬৯-এর গণ-আন্দোলনের হাত ধরে ৭০ এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই নির্বাচনের পর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর একগুঁয়েমির কারণে জনগণের ভোটের ম্যান্ডেটে যারা নির্বাচিত হয়েছিলেন সেই নির্বাচিত দল এবং জনপ্রতিনিধিরা তাদের রাজনৈতিক অধিকার পাননি। সেদিন জনগণের ভোটের প্রতি সম্মান দেখাতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে একটি যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। এদেশের ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, জনতা এক কাতারে শামিল হয়ে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বুকভরা আশা আর চোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে, যে প্রিয় দেশটি সব ধরনের বৈষম্যের হাত থেকে মুক্তি পাবে, সামাজিক ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে, দেশ মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত হবে, জাতি হিসেবে গর্ব করে বুক ফুলিয়ে বিশ্বের বুকে আমরা চলাফেরা করতে পারব। যারা সেদিন নির্বাচিত হয়েছিলেন, তারা এমনটাই জাতিকে আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ, যেই দেশটি বিপুল সংখ্যক মূল্যবান জীবন, সম্পদ আর ইজ্জতের ত্যাগ কুরবানির বিনিময় অর্জিত হয়েছিল, শাসকগোষ্ঠী জনগণের সাথে কথা রাখেনি। সেদিন যারা লড়াই করেছিলেন, জীবন দিয়েছিলেন, আহত-পঙ্গু হয়েছিলেন, তাদের সকলের প্রতি আমরা গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। তারা জাতিকে ভুলে গিয়ে একটি পরিবার এবং সর্বোচ্চ একটা দলকেই তারা বাংলাদেশের মালিক এবং জমিদারে পরিণত করেছিলেন। বাকি সমস্ত মানুষকে তারা দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করেছিলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র খতম করে দিয়েছিলেন, মিডিয়ার স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলেন, মানুষের বাঁচার অধিকার তারা কেড়ে নিয়েছিলেন, ভোটের অধিকারও তারা কেড়ে নিয়েছিলেন। এক কথায় জনজীবনে মানুষ হিসেবে মানুষের যে সমস্ত মৌলিক মানবিক অধিকার আছে সবগুলো সেদিন দলিত মতিত হয়েছিল।

আওয়ামী লীগের শাসনামল প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, আমাদের পুলিশ ছিল, সেনাবাহিনী ছিল, আধাসামরিক বাহিনী ছিল, সাহায্যকারী আনসার ছিল। কিন্তু দল, গোষ্ঠী, পরিবারকে রক্ষা করার জন্য সেদিন একটি জল্লাদ বাহিনী গঠন করা হয়েছিল যার নাম ছিল রক্ষীবাহিনী। এই জল্লাদ বাহিনীর হাতে মানুষের জীবন সম্পদ এবং ইজ্জতকে অবলীলায় তুলে দেওয়া হয়েছিল। যখন যাকে ইচ্ছা তাকে খুন করা হয়েছে, এ মানুষগুলোর সামান্যতম বিচার পাওয়ার কোনো অধিকার সেদিন ছিল না। মা-বোনদের ইজ্জত লুণ্ঠন করা হয়েছে, সম্ভ্রমশীল পরিবারের লোকেরা তাদের মেয়েদেরকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছিল। ঘর থেকে মা-বোনরা বের হতে চাইতেন না, এরকম একটা বিভীষিকাময় অবস্থা তৈরি করা হয়েছিল। মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর ছেলেরা ব্যাংক ডাকাতিতে লিপ্ত হয়েছিল। বাংলাদেশের জনগণের জন্য বিশ্ব থেকে, এই বিধ্বস্ত অবস্থায় যুদ্ধ-বিধ্বস্ত একটি দেশের জন্য যে সমস্ত রিলিফ সামগ্রী এসেছিল, তা বাংলাদেশে আসার আগেই বিদেশের মাটিতে বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। ৭৪ এর দুর্ভিক্ষে লাখো লাখো মানুষ সারা বাংলায় হাটে, মাঠে, পথে, ঘাটে তাদের লাশ পড়ে থেকেছে। এই লাশ দাফন করার মতো কোন ব্যবস্থা সেদিন ভালোভাবে ছিল না। সেদিন আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম ঢাকার লাশগুলোর দাফনের ব্যবস্থা করেছিল। তারা সোনার বাংলা গড়ার ওয়াদা করে বাংলাকে শ্মশান বাংলায় পরিণত করেছিলেন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

সংকট কাটাতে বাকিতে এলপিজি আমদানির সুযোগ

সংকট কাটাতে বাকিতে এলপিজি আমদানির সুযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সংকট কাটাতে তা বাকিতে আমদানির সুযোগ দিয়েছে সরকার। এখন থেকে দেশীয় ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট, বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বায়ার্স বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটে এলপিজি আমদানি করা যাবে। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলেছে, ক্রেডিটে আমদানি করা এলপিজি শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করা হবে। এলপিজি সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। বাসাবাড়ি ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় রান্নাবান্না ব্যাহত হচ্ছে। এলপিজি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে আমদানি সহজ করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এলপিজি সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করে এবং পরে গার্হস্থ্য কাজে ব্যবহারের জন্য সিলিন্ডারে ভরা হয়। এলপিজি আমদানির পর সংরক্ষণ, সিলিন্ডারে ভরা এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে স্থানীয় আমদানিকারকদের অনেক সময় চলে যায়। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে, এলপিজি

আরও পড়ুন
language Change