তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ঈদ শান্তিপূর্ণ উদযাপনে মাঠে র‌্যাব-পুলিশ-বিজিবি ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ঝড়ে গাছচাপায় বৃদ্ধার মৃত্যু কালীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা: ঈদে যানজট নিয়ন্ত্রণ ঠেকাতে কড়া নির্দেশ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের সেরা কৃষি উদ্যোক্তা পুরস্কার পেলেন আব্দুল কাদির গুলিস্তানে হাতাহাতি করা ২ কনস্টেবল সাময়িক বরখাস্ত হামের রোগীদের দায়িত্বরত ডাক্তার ও নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল আজ থেকে প্রাথমিকে টানা ১৫ দিনের ছুটি ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে যাচ্ছেন যিনি ডিপিডিসির প্রকৌশলী মোহাম্মদ আতাউর কবির কাজে দুই লাখ টাকা ‘ঘুষ’ দাবী! না বুঝেই ব্রাজিল সাপোর্ট করি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ বাবার খনন করা খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১০ নজরুল আমাদের সকল মানুষের কবি: আব্দুস সালাম মার্টিনেজকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল আর্জেন্টিনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিজিবির অভিযান বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩ দ্রুত বিচার না হলে অপরাধ বাড়বে : ব্যারিস্টার খোকন পশুর হাটে দুম্বা, দাম হাঁকা হচ্ছে ৪-৫ লাখ এমডির সেল্টারে জিইএমকোতে ১৫ কোটি টাকার স্ক্র্যাপ ৩ কোটিতে বিক্রি রামিসা হত্যা: ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পাওয়া যাবে আজ নিজ মাঠে হারলো সদ্যপুস্করিনী যুব স্পোর্টিং ক্লাব সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে সংবাদ সম্মেলন নদীবন্দর এলাকায় বজ্রসহ ঝড়ের আভাস শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল সিরাজগঞ্জ সুন্দরবনে অভিযানে জলদস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা ২১ জেলে এবং অস্ত্র উদ্ধার ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা চীনে কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৮ ঈদযাত্রায় ট্রেনে সিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই ইলেকট্রিক গাড়ি প্রদর্শনী ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে সোয়া ৩ কোটি টাকার টোল আদায় ‎দীর্ঘ ৩৮ বছরের শিক্ষকতার অবসান নলডাঙ্গায় ঘোড়ার গাড়িতে শিক্ষকের রাজকীয় বিদায় ময়মনসিংহের পথে প্রধানমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ঈদযাত্রায় সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে থাকবে ৬০০ পুলিশ সদস্য রায়গঞ্জে বিটুমিনবাহী ট্রাক উল্টে নারীর মৃত্যু ১৬ মাসে ৫২২ শিশু হত্যা, নিরাপত্তাহীনতায় শৈশব জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাকে নৈতিক দায়িত্ব মনে করে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দৈনিক ইনকিলাবের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্য মোঃ মাহমুদুল হক রুবেলকে ফুলেল সংবর্ধনা তিন নায়িকায় সঙ্গে রোমান্সে মেতেছেন শাকিব ‎দেড়মাসেও সন্ধান মিলেনি ১৩ বছরের শিশু তাহমিদার হতাশায় ভুগছেন পরিবার ৮ম শ্রেণির অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিতের নির্দেশ রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গৃহশিক্ষিকা হত্যা মামলায় নারীসহ চারজন গ্রেফতার সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু ছোট-সুমন বাহিনীর আত্মসমর্পণ সোনামসজিদে বিজিবি’র অভিযান ১৮৫ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ উদ্ধার ঝিনাইগাতীতে পাহাড়ি ঢলে নদীর বাঁধ তলিয়ে বসতবাড়িতে পানি প্রবেশ করছে ৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশ

বিদ্যুৎ খাতে শেয়ারবাজারে ৫ কোম্পানির ভবিষ্যৎ অন্ধকার

বিদ্যুৎ খাতে শেয়ারবাজারে ৫ কোম্পানির ভবিষ্যৎ অন্ধকার
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানিগুলোর আর্থিক অবস্থা এখন চরম সংকটের মুখে। সরকারি ক্রয় চুক্তির (পিপিএ) মেয়াদ শেষ হওয়া, নতুন চুক্তির অনিশ্চয়তা, উৎপাদন বন্ধ এবং সম্পদের অতিমূল্যায়নের কারণে এসব কোম্পানির টিকে থাকা নিয়ে ঘোর সংশয় দেখা দিয়েছে।

সর্বশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত ১১টি বিদ্যুৎ কোম্পানির মধ্যে অন্তত পাঁচটির ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা বা ‘গোয়িং কনসার্ন’ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি জানিয়েছে, এই আর্থিক অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের আস্থায় ফাটল ধরাচ্ছে। তাই কোম্পানিগুলোকে সঠিক তথ্য প্রকাশ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় জোর দিতে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদী সরকারি চুক্তি ছাড়া এই খাতে বিনিয়োগ টেকসই হওয়া কঠিন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আল-আমিন ও সিপিডির ড. ফাহমিদা খাতুনের মতে, ফার্নেস অয়েলভিত্তিক প্ল্যান্টের উচ্চ ব্যয় এবং জ্বালানি সংকটের কারণে পিপিএ শেষ হওয়া কেন্দ্রগুলো চালু রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে, যা কোম্পানিগুলোকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আর্থিক অনিয়মের দিক থেকে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় আছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি। নিরীক্ষা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বৈদেশিক ঋণের বিপরীতে ৪ হাজার ৭১৫ কোটি টাকার বিনিময়জনিত ক্ষতি মূলধনে যুক্ত করা এবং ২৭ হাজার ৪৩৬ কোটি টাকার সম্পদের সঠিক পরীক্ষা না চালানোয় প্রকৃত আর্থিক চিত্র আড়াল হয়েছে। গত দুই অর্থবছর ধরে বড় অংকের লোকসানে থাকা কোম্পানিটি বর্তমানে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে। তবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভেন্ডর চুক্তির সমস্যা ও সুদ ব্যয়ের বিষয়গুলো বর্তমানে সমন্বয়ের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

অন্যদিকে, ডেসকো ৫৬০ কোটি টাকার পাওনা নিয়ে বিপাকে আছে, যার বড় অংশই আদায় অযোগ্য। বিহারি ক্যাম্পের ২৬৩ কোটি টাকার বকেয়া নিয়ে মামলা চলায় সেটির বিপরীতে পর্যাপ্ত প্রভিশন রাখা হয়নি। পাশাপাশি বাতিল হওয়া সাবস্টেশন প্রকল্প এখনো সম্পদ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

ক্রমাগত লোকসানের কারণে ডেসকো গত দুই অর্থবছর কোনো ডিভিডেন্ড দিতে পারেনি। কোম্পানি সচিব জানিয়েছেন, সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকা প্রকল্পগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হলে সেগুলো দীর্ঘ মেয়াদে সমন্বয় করা হবে।

বারাকা পাওয়ার এবং খুলনা পাওয়ারের অবস্থাও অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বারাকা পাওয়ার সহযোগী প্রতিষ্ঠানে ১৫৫ কোটি টাকার জামানতহীন ঋণ দিলেও তাদের ফেঞ্চুগঞ্জ কেন্দ্রটি চুক্তি শেষে বন্ধ হয়ে আছে।

খুলনা পাওয়ারের দুটি ইউনিটের পিপিএ শেষ হওয়ায় এবং পাঁচ বছর ধরে লোকসান গুণতে থাকায় এটিও ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নেমে গেছে। সম্পদের মূল্যহ্রাসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও কোম্পানিগুলো সঠিক মূল্যায়ন করছে না বলে নিরীক্ষায় উঠে এসেছে।

ডরিন পাওয়ারের তিনটি গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রের ভবিষ্যৎ আয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নিরীক্ষকেরা। গ্র্যাচুইটি ও দেনা-পাওনার হিসাব নিয়ে অস্পষ্টতা থাকায় কোম্পানিটির ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা এখন প্রশ্নের মুখে। বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুৎ খাতের এই কোম্পানিগুলোকে রক্ষা করতে হলে দ্রুত পিপিএ নবায়ন এবং বাজারমুখী টেকসই উদ্যোগ নেওয়া জরুরি, অন্যথায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

কমিশন আলাদা কোনো সত্তা নয়: আলী রীয়াজ

ডেস্ক রিপোর্ট: জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ বলেছেন, মৌলিক বিষয়ে সবার মতামতের মধ্য দিয়ে আমার এক জায়গায় যেতে পারি। কমিশন আলাদা কোনো সত্তা নয়। কমিশন ব্যর্থ হলে সবাই ব্যর্থ হবে। আমাদের ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সকালে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ধারাবাহিক সংলাপের স্বাগত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, সময় অনুযায়ী প্রত্যাশিত অগ্রগতি হচ্ছে না, অনিষ্পন্ন বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে সবাই মিলে জাতীয় সনদ তৈরির জায়গায় যেতে হবে। সময়ের স্বল্পতার বিষয়ে বিবেচনা করে অবস্থানগত পরিবর্তন করার আহ্বান জানান তিনি। আলী রীয়াজ বলেন, কয়েকদিনের আলোচনায় সিদ্ধান্ত নিয়ে কাঠামোগত বিষয়ে একমত হতে হবে। মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোকে দায় এবং দায়িত্ব অনুভব করতে হবে। মৌলিক বিষয়ে সবার মতামতের মধ্য দিয়ে আমরা এক জায়গায় যেতে পার

আরও পড়ুন
language Change