তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
গ্যাস সংকটে অচল চাটখিল, রাজপথে ভুক্তভোগীরা পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি পুনাক এর সভানেত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ জেলা পুলিশের বিশেষ কল্যাণ সভা নিখোঁজ রফিকুল ইসলামের সন্ধানে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন রোগীর চাপ বাড়ায় ২ টি পাক ফ্যান হস্তান্তর করেন নজেকশিস সুন্দরবনে মালা ফাঁদসহ হরিণ শিকারি আটক সিরাজগঞ্জে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়োজনে আয়নুল হককে সংবর্ধনা বিএনপি নেতার ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ মেয়েকে ধর্ষণ,গর্ভবতী ও গর্ভপাত করানো পিতা গ্রেফতার। ধনবাড়িতে বিজিডি চাল বিতরণ সম্পন্ন ট্যাংকলরির ধাক্কা: সিরাজগঞ্জে প্রাণ হারালেন পশু চিকিৎসক স্বাধীনতা দিবস ফুটভলি চ্যাম্পিয়নশীপের উদ্বোধন শেরপুরে কড়া নজরদারি: দায়িত্বে ১৬ প্লাটুন বিজিবি সিন্ডিকেটের কবলে প্লাস্টিক খাত, দিশেহারা ব্যবসায়ীরা কেরানীগঞ্জে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার ‎৫ বছরে এক টাকাও ভাড়া দেয়নি এডোটকো সরকার এত ভীত কেন, প্রশ্ন রুমিন ফারহানার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো গোপন চুক্তি নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপুল মাদকসহ আটক ১ খুলনায় ১০ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ‎মোংলায় কৃষিজমি ধ্বংসের প্রতিবাদে মানববন্ধন খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন মোঃ মাসুম বিল্লাহ তানিয়া বৃষ্টির স্মৃতিচারণ করে কী বললেন তানভীন সুইটি? বরিশালে আলোচনায় চার নারী নেত্রী মানব পাচার মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর পার্টনার যারা টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি কারায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জরিমানা ৩ মে থেকে সারা দেশে মিলবে হামের টিকা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী যে ৬ ধরনের খাবারে দ্রুত সেরে উঠবে হাম তেজগাঁও লিংক রোড অবরোধ কাসেম ও মুশফিকুর সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি সাউথইস্ট ব্যাংক যাত্রীদের কল্যাণের নামে নিজে টাকার পাহাড় গড়েছেন মোজাম্মেল বিএনপি সবসময় জনগণের ভোটের অধিকারে বিশ্বাসী: আবদুস সালাম আজ ইস্টার সানডে ইরানে নিখোঁজ থাকা ক্রুকে উদ্ধার করল মার্কিন স্পেশাল ফোর্স শুরু হচ্ছে জাতীয় সিরাত প্রতিযোগিতা হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধিতে জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক বিজয় মজুমদারের হামলা সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২ বনদস্যু আটক কেশবপুরে মৎস্য ঘেরে শিক্ষকের লাশ প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৫ হাজার রোগী রাজধানীতে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিট ৩০ উপজেলায় শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি ১৭ বছর উন্নয়নের বুলি, বাস্তবে হয়নি কাজ-প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম শেরপুরের মেধাবী ছাত্র আমিনুল ইসলাম বিসিএস ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত সয়াবিন তেলে সংকট, খোলা তেলের কেজি বেড়ে ২১০ টাকা রূপসা-মোংলা মহাসড়কে প্রাণ গেল নারীর দলীয় প্রধানের পদ ছাড়লেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি যৌতুক মামলায় পাথরঘাটার বাইনচটকি স্কুলের প্রধান শিক্ষক কারাগারে

বিদ্যুৎ খাতে শেয়ারবাজারে ৫ কোম্পানির ভবিষ্যৎ অন্ধকার

বিদ্যুৎ খাতে শেয়ারবাজারে ৫ কোম্পানির ভবিষ্যৎ অন্ধকার
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানিগুলোর আর্থিক অবস্থা এখন চরম সংকটের মুখে। সরকারি ক্রয় চুক্তির (পিপিএ) মেয়াদ শেষ হওয়া, নতুন চুক্তির অনিশ্চয়তা, উৎপাদন বন্ধ এবং সম্পদের অতিমূল্যায়নের কারণে এসব কোম্পানির টিকে থাকা নিয়ে ঘোর সংশয় দেখা দিয়েছে।

সর্বশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত ১১টি বিদ্যুৎ কোম্পানির মধ্যে অন্তত পাঁচটির ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা বা ‘গোয়িং কনসার্ন’ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি জানিয়েছে, এই আর্থিক অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের আস্থায় ফাটল ধরাচ্ছে। তাই কোম্পানিগুলোকে সঠিক তথ্য প্রকাশ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় জোর দিতে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদী সরকারি চুক্তি ছাড়া এই খাতে বিনিয়োগ টেকসই হওয়া কঠিন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আল-আমিন ও সিপিডির ড. ফাহমিদা খাতুনের মতে, ফার্নেস অয়েলভিত্তিক প্ল্যান্টের উচ্চ ব্যয় এবং জ্বালানি সংকটের কারণে পিপিএ শেষ হওয়া কেন্দ্রগুলো চালু রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে, যা কোম্পানিগুলোকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আর্থিক অনিয়মের দিক থেকে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় আছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি। নিরীক্ষা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বৈদেশিক ঋণের বিপরীতে ৪ হাজার ৭১৫ কোটি টাকার বিনিময়জনিত ক্ষতি মূলধনে যুক্ত করা এবং ২৭ হাজার ৪৩৬ কোটি টাকার সম্পদের সঠিক পরীক্ষা না চালানোয় প্রকৃত আর্থিক চিত্র আড়াল হয়েছে। গত দুই অর্থবছর ধরে বড় অংকের লোকসানে থাকা কোম্পানিটি বর্তমানে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে। তবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভেন্ডর চুক্তির সমস্যা ও সুদ ব্যয়ের বিষয়গুলো বর্তমানে সমন্বয়ের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

অন্যদিকে, ডেসকো ৫৬০ কোটি টাকার পাওনা নিয়ে বিপাকে আছে, যার বড় অংশই আদায় অযোগ্য। বিহারি ক্যাম্পের ২৬৩ কোটি টাকার বকেয়া নিয়ে মামলা চলায় সেটির বিপরীতে পর্যাপ্ত প্রভিশন রাখা হয়নি। পাশাপাশি বাতিল হওয়া সাবস্টেশন প্রকল্প এখনো সম্পদ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

ক্রমাগত লোকসানের কারণে ডেসকো গত দুই অর্থবছর কোনো ডিভিডেন্ড দিতে পারেনি। কোম্পানি সচিব জানিয়েছেন, সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকা প্রকল্পগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হলে সেগুলো দীর্ঘ মেয়াদে সমন্বয় করা হবে।

বারাকা পাওয়ার এবং খুলনা পাওয়ারের অবস্থাও অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বারাকা পাওয়ার সহযোগী প্রতিষ্ঠানে ১৫৫ কোটি টাকার জামানতহীন ঋণ দিলেও তাদের ফেঞ্চুগঞ্জ কেন্দ্রটি চুক্তি শেষে বন্ধ হয়ে আছে।

খুলনা পাওয়ারের দুটি ইউনিটের পিপিএ শেষ হওয়ায় এবং পাঁচ বছর ধরে লোকসান গুণতে থাকায় এটিও ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নেমে গেছে। সম্পদের মূল্যহ্রাসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও কোম্পানিগুলো সঠিক মূল্যায়ন করছে না বলে নিরীক্ষায় উঠে এসেছে।

ডরিন পাওয়ারের তিনটি গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রের ভবিষ্যৎ আয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নিরীক্ষকেরা। গ্র্যাচুইটি ও দেনা-পাওনার হিসাব নিয়ে অস্পষ্টতা থাকায় কোম্পানিটির ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা এখন প্রশ্নের মুখে। বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুৎ খাতের এই কোম্পানিগুলোকে রক্ষা করতে হলে দ্রুত পিপিএ নবায়ন এবং বাজারমুখী টেকসই উদ্যোগ নেওয়া জরুরি, অন্যথায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বেনাপোল পৌরসভার কার্যক্রম স্থগিত, সেবা না পেয়ে ক্ষুব্ধ পৌরবাসী

বেনাপোল পৌরসভার কার্যক্রম স্থগিত, সেবা না পেয়ে ক্ষুব্ধ পৌরবাসী

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোর জেলার প্রথম শ্রেণির পৌরসভা বেনাপোল সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুর থেকে কার্যক্রম স্থগিত করে সহকারী ভূমি কর্মকর্তার বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। এ সময় পৌরসভার প্রায় সব কর্মকর্তা ও কর্মচারী অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত থাকায় সেবা নিতে এসে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হন। দুপুরে পৌরসভা কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, একজন নারী রিসেপশনিস্ট ছাড়া আর কোনো কর্মকর্তা নেই। সেবা নিতে আসা মানুষ অপেক্ষা করেও সাড়া না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ফিরে যান। এক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এখন পৌরসভায় একজন কর্মকর্তাও নেই। এটা কি সরকারি ছুটি? আমরা সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছি।” এদিকে পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় কয়েকদিন ধরে পানিবন্দী অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। জন্মনিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স ও হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় ছাড়া দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন না থাকায় নাগরিকদের ক্ষোভ বাড়ছে। যদিও

আরও পড়ুন
language Change