তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
নাহিদ ইসলামকে অভিনন্দন বার্তা প্রধান উপদেষ্টার বিআরটিএ’র মাহবুবুর রহমান আজ কোটি টাকার মালিক ! এখনো ধরাছোয়ার বাহিরে উমেদার বাবু হাওলাদার জামায়াতপন্থিদের দাপট প্রশাসনে এবার দেশ গড়ার পালা বিজয়ের পর তারেক রহমানের ঐক্যের আহ্বান দুর্বলের ওপর আক্রমণ আমরা মেনে নেব না: তারেক রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরবাগডাঙ্গায় বোমা বিস্ফোরণ আবারও হ্যান্ডশেক বিতর্কে ভারত পাকিস্তান রামগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু পুরান ঢাকার গ্যাস সমস্যার সমাধানের অঙ্গীকার নবনির্বাচিত এমপি হামিদুর রহমানের ইবাদত ও নম্রতার গুরুত্ব: হাদিসের সতর্কবার্তা রুমিন ফারহানাকে অভিনন্দন জানালেন অপু বিশ্বাস রামগড়ে ওয়াদুদ ভূইয়া সমর্থক পরিষদের উদ্যোগে মোনাজাত ও মিষ্টি বিতরণ বিশ্বাসযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক’ নির্বাচন হয়েছে: ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে পরাজয়ের পরও উন্নয়নের অঙ্গীকার হারুনুর রশীদের চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি আসনেই জামায়াত প্রার্থীর বাজিমাত  নিজ দলের ৫ কর্মীকে পুলিশে দিলেন বিএমপি নবাগত এমপি আমিনুল হকেকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ বিজয়কে প্রতিরোধ করা হয়েছে শপথ ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই প্রেস সচিব খাগড়াছড়ি আসনে এমপি হলেন আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া তারেক রহমানকে ফোন করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর অভিযানে ফটিকছড়িতে বিদেশী অস্ত্র সহ হৃদয় কর্মকার গ্রেফতার শেরপুর-২ এ ধানের শীষের জয়, বাজিতে মিলল মহিষ ইতিহাসের প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন শেরপুর-১ আসনে জামায়াতের রাশেদ ও শেরপুর-২ আসনে বিএনপির ফাহিম বিজয়ী সিএইচটি সম্প্রীতি জোটেরর, তিন পার্বত্য জেলাসহ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অভিনন্দন তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমান থেকে শফিকুর, এবারের সংসদের অর্ধেকই নতুন মুখ চূড়ান্ত ফলে যত আসন পেল জামায়াত ১৮ তারিখ গঠিত হবে নতুন সরকার? ঢাকা-৮ আসনে সত্যের জয় পেলো মির্জা আব্বাস বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় কিশোরগঞ্জে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে কারাদণ্ড ও জরিমানা মুন্সীগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ আমি যাকে ভোট দিই, সেই জেতে: মিষ্টি জান্নাত সারা দেশের ভোটদানের চিত্র পর্যবেক্ষণ প্রধান উপদেষ্টার শেরপুরে চলছে ভোটগ্রহণ জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি শেরপুরে সিলসহ শতাধিক ব্যালট উদ্ধার জয়লাভ করলে আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে প্রাধান্য : তারেক রহমান পোলিং এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ তাসনিম জারার ভোট কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ভোটকেন্দ্রে বিএনপি নেতার মৃত্যু ঈদের মতো উৎসব চলছে : প্রধান উপদেষ্টা শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রিজাইডিং অফিসার সহ ২ জনের মৃত্যু ভান্ডারিয়ায় ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ রাজধানীতে নির্বাচন ঘিরে সেনাবাহিনীর তল্লাশি অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাব-৫ এর ক্যাম্প কমান্ডারের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন

বিআরটিএ’র মাহবুবুর রহমান আজ কোটি টাকার মালিক !

বিআরটিএ’র মাহবুবুর রহমান আজ কোটি টাকার মালিক !
পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক॥

বিআরটিএ সদর দপ্তরের অর্থ শাখার উপ-পরিচালক সরদার মাহবুবুর রহমান ঘুষ, দুর্নীতি ও টেন্ডারবাজির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করার কারনে দুর্নীতি দমন কমিশনে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছে।

বিআরটিএ সদর দপ্তরের অর্থ শাখার উপ-পরিচালক সরদার মাহাবুবুর রহমান ঘুষ গ্রহণ যেন নেশায় পরিণত হয়েছে । গোপালগঞ্জের পাশাপাশি জেলায় বাড়ি হওয়ার কারণে শুধু নামের উপরেই কেনাকাটায় অনিয়ম, টেন্ডারবাজিসহ বিভিন্ন কৌশলে অতিরিক্ত কমিশন নিয়ে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। গোপালগঞ্জের আমলা,নেতা ও সাংবাদিকদের নাম ভাঙ্গিয়ে এ যাবৎ কাল বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন বিআরটিএ সদর দপ্তরের এ কর্মকর্তা।
সরদার মাহাবুব ১৯৯২সালের ১৯ আগষ্ট মাসিক ১২০০/-টাকা বেসিকে ক্যাশিয়ার পদে বিআরটিএ সদর দপ্তরে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২৮ আগস্ট ২০০৩ সালে হিসাবরক্ষক এবং ২৪ মার্চ ২০১৪ তারিখে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসাবে পদোন্নতি পান।
২০২৩ সালের ২১শে সেপ্টেম্বর হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা থেকে অর্থ শাখার উপ-পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পাওয়ার পরে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা বেতন- স্কেল সব মিলিয়ে ৬০ টাকার ও কম একজন কর্মকর্তা শ্বশুরবাড়ি গোপালগঞ্জের প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম করে গড়ে তুলেছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়। যার মধ্যে মোহাম্মদপুর ঢাকা উদ্যানের ২নং রোডের ব্লক-এ, হাউজ নম্বর-১৯, এখানে ৬.৫ শতাংশ জমির উপর ৮ তলা ভবন এবং ছাদের উপরে একটি ফ্লাট নির্মাণ করেছেন ২০২১ সালে। এছাড়া ১৯/সি/২ উত্তর টোলারবাগ, মিরপুর এবং গোপালগঞ্জে রয়েছে ফ্লাট।গৃহিণী স্ত্রী রাশিদা খানম (মিন্নী)’ যে গাড়ি ব্যবহার করে তার (রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা -মেট্রো-গ-৩১-৪৩২৩) এবং তার নামে ২টি সিএনজি আছে । গোপালগঞ্জ সদর ও মিয়াপাড়ার একাধিক স্থানে স্ত্রীর নামে জমি ক্রয় করেছেন। গোপালগঞ্জ সদরে আবেদা মঞ্জিল নামে কয়েক কোটি টাকার আলিশান বাড়ি । সরকারি আইন অমান্য করে সরদার মাহাবুবুর রহমান ছেলের নামের সাথে মিল রেখে“মেসার্স মাহির এন্টারপ্রাইজ” নামে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান চালিয়ে যাচ্ছেন । তিনি ধানমন্ডি ৩ নম্বর রোডের ২৯/বি, যে ফ্লাটে থাকে তার মাসিক ভাড়া ৭০ হাজার টাকা। নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানার ডুমুরিয়া গ্রামে ও তার আশ-পাশের এলাকায় ক্রয় করেছেন অনেক ফসলি জমি । তার ছেলে এস.এম মাহির অর্ক এবং জমজ দুই মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস অর্থি এবং জান্নাতুল মাওয়া অর্নি নামকরা কলেজ অধ্যয়ন করে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিআরটিএ সদর দপ্তরের হিসাব শাখা ও বিআরটিএ’র ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানের অনেকেই  বলেন,সরদার মাহবুব ঘুষ গ্রহণে ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করেন। বিআরটিএ’র সাথে ভেন্ডর প্রতিষ্ঠান সিএনএস লিমিটেডের চারটি সার্ভিস চুক্তি রয়েছে, যেগুলোর বিল প্রতি মাসে পরিশোধ করতে হয় । সেগুলো হলো এমভিট্যাক্স, বিআরটিএ-আইএস, আর্কাইভিং এবং মোটরভিকেল (ইনসফেক্সন এই বানানটা সঠিক কিনা )সেন্টার (ভিআইসি) চুক্তি। যার মধ্যে এমভিট্যাক্সের বিল সবচেয়ে বেশি। এমভিট্যাক্সে প্রতি মাসে ২ কোটি টাকার ও বেশি বিল প্রদান করেন সিএনএসকে। হিসাব রক্ষণ কর্মকতা থাকাকালীন সরদার মাহবুবুর রহমান এমভিট্যাক্সের বিল ছাড় বাবদ মাসিক ১% হারে ২ লাখ টাকার উপরে ঘুষ নিতেন। উপ-পরিচালক (অর্থ) হিসেবে পদোন্নতির সাথে তার ঘুষের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে দ্বিগুণ হওয়ার কারণে এখন ২% হারে ঘুষ গ্রহণ করেন। সিএনএস লিমিটেড গত ডিসেম্বরে এমভিট্যাক্সের ৬ কোটি টাকার ও বেশি বিল সাবমিট করেছে, যে বিল ছাড় বাবদ ইতোমধ্যে সিএনএস তাকে ৬ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েছে আর কমিশনের বাকী ৬ লাখ টাকা এখনও দেয়া হয় নাই। এছাড়া এমভিট্যাক্স চুক্তির বিল থেকে প্রতি মাসে সিএনএস লিমিটেড এই চুক্তির( ডেক্স) অফিসার অর্থাৎ যার মাধ্যমে কন্ট্রাক্ট ম্যানেজমেন্ট এবং বিল আপ হয়, বিআরটিএ সদর দপ্তরের সহকারী প্রোগ্রামার মোঃ শাহাজান কবিরকে ১% হার ঘুষ প্রদান করে। শাহাজান কবিরের ৬ লক্ষ টাকা ইতোমধ্যে সিএনএস লিমিটেডকে পরিশোধ করা হয়েছে। একইভাবে সরদার মাহাবুবকে প্রতি মাসে আর্কাইভিং-এর বিলের জন্য ১ লাখ টাকা, ভিআইসির জন্য ১ লাখ টাকা, বিআরটিএ-আইএস এর জন্য ৫০
হাজার টাকা ঘুষ দেন সিএনএস লি.। সিএনএস লিমিটেডের পক্ষে মাসিক ঘুষ দেয়ার কাজ করে সিএনএসের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা মতিউর রহমান। মোঃ মতিউর রহমান বিআরটিএ সদর দপ্তরে আইএস চুক্তির আওতায় টিম লিডার হিসেবে মাসিক ১ লাখ টাকা বেতনে চাকরি করে যার প্রধান কাজ সিএনএস লিমিটেডের এই ৪ টি চুক্তির বিল প্রতিমাসে ছাড়ানো। আবার মাদ্রাজ প্রিন্টার্স প্রাইভেট লিমিটেডের (এমএসপিপিএল) সাথে বিআরটিএ’র ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত চুক্তি রয়েছে। প্রত্যেকটি বিল পরিশোধের সময় টাকার পরিমাণের উপর নির্ভর করে এমএসপিপিএল ১ থেকে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দেন সরদার মাহাবুবকে। সর্বশেষ কয়েকটি বিল বাবদ এমএসপিএল যে ৮ কোটি টাকা বিল নিয়েছে যেখান থেকে সরদার মাহাবুবকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছে এমএসপিএল। দাবিকৃত অর্থ সরদার মাহাবুবকে দিতে দেরি হলে তিনিও বিভিন্ন অজুহাতে বিল প্রদান করতে বিলম্ব করেন। তবে ডিআরসি এবং নম্বর প্লেটের চুক্তি বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড (বিএমটিএফ) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিষ্ঠান হওয়ায় সেখান থেকে কোন ঘুষ নিতে পারে না সরদার মাহাবুব
এই কর্মকর্তার বিষয়ে আরও জানা যায়, বিআরটিএ সদর কার্যালয়ের জন্য খোলাবাজার থেকে পন্য ক্রয় করা হলে ১৫% হারে তাকে ঘুষের টাকা প্রদান না করলে বিভিন্ন অজুহাতে সেই বিল আটকে দেয়। আরএফকিউ’এর মাধ্যমে ক্রয় করা হলে নুন্যতম বিশ হাজার টাকা তাকে দিতে হয়। ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে কোন পন্য ক্রয় হলে ক্রয় মূল্যের ৫-৬% হারে তাকে ঘুষ দিতে হয়। ঘুষের সব অর্থই তিনি এজি অফিসের কথা বলে নেন। এজি অফিস থেকে ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানসমুহের বিলের চেক নিজের কাছে এনে রাখে এবং তার দাবিকৃত অর্থ প্রদানের পর সেই চেক সংশ্লিষ্ঠ ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করে।
অন্যদিকে মাদ্রাজ প্রিন্টার্স প্রাইভেট লিমিটেডের (এমএসপিপিএল) সাথে বিআরটিএ’র ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত চুক্তি রয়েছে। প্রত্যেকটি বিল পরিশোধের সময় টাকার পরিমাণের উপর নির্ভর করে এমএসপিপিএল ১-৪ লাখ টাকা ঘুষ দেয় সরদার মাহাবুবকে। সর্বশেষ কয়েকটি বিল বাবদ এমএসপিএল যে আট কোটি টাকা বিল নিয়েছে যেখান থেকে সরদার মাহাবুবকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছে এমএসপিএল। দাবিকৃত অর্থ সরদার মাহাবুবকে দিতে দেরি হলে তিনিও বিভিন্ন অজুহাতে বিল প্রদান করতে বিলম্ব করেন। তবে ডিআরসি এবং নম্বর প্লেটের চুক্তি বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড (বিএমটিএফ) অর্থাৎ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এখান থেকে কোন ঘুষ নিতে পারে না সরদার মাহাবুব।
এছাড়া বিআরটিএ সদর দপ্তরে কোন কর্মচারী নিয়োগ পেলে, সরদার মাহাবুবকে ঘুষ না দিলে সহসা তাদের বেতন হয় না। বিআরটিএ সদর কার্যালয়ের একাধিক ড্রাইভারের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের ওভারটাইমের টাকার একটা নির্দিষ্ট অংশ সরদার মাহাবুবকে না দিলে, নানা কারণ দেখিয়ে তাদের ওভারটাইমের টাকা দিতে বিলম্ব করে এমনকি কেটেও রাখে। বিআরটিএতে এগুলো ওপেন সিক্রেট। বিআরটিএ’র বিভিন্ন বিভাগীয়, মেট্রো এবং সার্কেল অফিসের খরচের বাজেট বরাদ্দ সদর কার্যালয়ের অর্থ শাখার মাধ্যমে হয়ে থাকে। যে সব অফিস থেকে তাকে অর্থ দেওয়া হয়, সেই সব অফিসকে সে বেশি বাজেট বরাদ্দ দেয়ার চেষ্টা করেন এবং অন্যান্য অফিসে অনেক কম। এই বিষয়ে ২০২৩ সালের প্রথম দিকে বিআরটিএ’র মাসিক সমন্বয় সভায় বিআরটিএ’র বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক প্রশ্ন উত্থাপন করলে বিআরটিএ’র তখনকার চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার সরদার মাহাবুবকে তিরস্কার করে। সাবেক চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার তাকে অর্থমন্ত্রী বলে ডাকতো।
অভিযোগ রয়েছে, বিআরটিএ’র লিফটের ভেন্ডর “কনসেপ্ট এলিভেটরস ও ইঞ্জিনিয়ারিং”-এর বিল আটকে রেখে তাদের দিয়ে সরদার মাহাবুব তার ঢাকা উদ্যানের বাড়ির লিফটের কাজ করিয়ে নেয়। একইভাবে বিআরটিএ’র এসির ভেন্ডর অলোকের ইঞ্জিনিয়ারিংস লিমিটেডের বিল আটকে রেখে, তাদের সার্ভিস ম্যান দিয়ে বাসার এসি সার্ভিসিং করায়। বাংলাদেশের সকল জেলায় বিআরটিএ’র নিজস্ব অফিস কাম ট্রেনিং সেন্টার এবং ভিআইসি স্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান। এই কাজে এখন পর্যন্ত যে সকল জেলায় জমি অধিগ্রহন করা হয়েছে, সেসব জমি অধিগ্রহনের অর্থ ছাড় দিতেও তাদের কাছ থেকে ঘুষ দাবি করে এবং আদায় করে। সম্প্রতি বিআরটিএ ভবন এবং ডাটা সেন্টারের ইলেকট্রিক লাইন স্থাপন, বেইজমেন্ট-এ টাইলস স্থাপনসহ ভবনের সার্ভিসিং এর কাজ পিডব্লিউডি’র মাধ্যমে তিন কোটি টাকার উপরে কাজ করানো হয়েছে। কিন্তু সরদার মাহবুব পিডব্লিউডি’র মাধ্যমে কাজ করানোর ঘোর বিরোধী ছিলো। কারণ পিডব্লিউডি কাজ করলে এজি অফিসের কথা বলে সরদার মাহবুব কোন ঘুষ নিতে পারে না।
সরদার মাহাবুবুর রহমানের বাড়ি নড়াইল জেলায় হওয়া সত্ত্বেও শ্বশুরবাড়ী গোপালগঞ্জের মিয়াপাড়ায় হওয়ায় সকলের কাছে গোপালগঞ্জের পরিচয় দিতেন। কিন্তু ৫ আগষ্টে স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর জন্মস্থান নড়াইলের পরিচয় দিচ্ছেন । গোপালগঞ্জের সাবেক পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার আজিজুর রহমান তার আপন বড় ভায়রা এমনকি ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানের সাথেও সরদার মাহাবুবের সখ্যতা ছিল। হাবিবুর রহমানের সঙ্গে তোলা ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যবহার করে ক্ষমতার জাহির এবং অপব্যবহার করতো। সরদার মাহবুবুর রহমানের নামে একাধিকবার দুদকে মামলা হলেও গোপালগঞ্জ বাড়ি এবং সাংবাদিক ও পুলিশ ও দুদকের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে রক্ষা পান।
বিআরটিএ সদর দপ্তরের অর্থ শাখার উপ পরিচালক সরদার মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম করে কিভাবে এত অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন,এসবের বিষয়ে মন্তব্য জানতে সদর দপ্তরের উপ -পরিচালক সরদার মাহবুর রহমানের অফিসে গেলে প্রথম দিন নামাজ পড়ার কথা বলে দেড় ঘন্টা পরেও তার কক্ষে আসে নাই।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বায়েজিদে মাদক নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে দেখে নেয়া হুমকি দেন মাদক কারবারিরা

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ মাদক বিক্রিতে জড়িতদের কাছ থেকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ বিভিন্ন ক্ষতি করবে বলে হুমকি পাওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) যাহার নং ১৬৫৮ দায়ের করেছেন চট্টগ্রামের সাংবাদিক মোঃ জুবায়ের। তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় কর্মরত আছেন। শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকাল ৪:১০ ঘটিকার সময় বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন আরফিন নগর ওয়ালটন শো-রুম এর সামনে এ হুমকি প্রদান করা হয়। হুমকির স্বীকার সাংবাদিক মোঃ জুবায়ের বলেন,মাদক ব্যবসায়ী মুক্তা ও তার স্বামী হযরত আলী দু’জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ও অবৈধ মাদক কারবারিদের গডফাদার। তাঁরা পেশিশক্তি খাটিয়ে দীর্ঘদিন বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। মাদক ব্যবসা করে আসছেন সিসি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে এমন তথ্যবহুল সংবাদের জেরে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ বিভিন্ন ক্ষতি করবে বলে হুমকি প্রদান করেন মুক্তা ও

আরও পড়ুন
language Change