তারিখ লোড হচ্ছে...

পূবাইলে সাংবাদিকের পৈত্রিক জমি আওয়ামীলীগ নেতার দখলে নেয়ার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের অস্বাভাবিক সম্পদের পাহাড় পপুলার লাইফের গ্রাহকরা দাবির টাকা পাচ্ছে না ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের ফের সংঘর্ষ, পুলিশ মোতায়েন ‎ঢাকা জেলা সিএনজি মেট্রো করার মিথ‍্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা দুর্নীতি সিলেট রেঞ্জের মধ্যে শ্রেষ্ট অফিসার হিসেবে সম্মাননাপত্র গ্রহন করেন দিরাই থানার ওসি মোঃ আমিনুল ইসলাম বাড়ির পাশেই পৌরসভার ময়লার স্তূপ, মানবেতর জীবন ব্র্যাক আবাসনের বাসিন্দাদের আইনি ব্যবস্থার হুশিয়ারিতে উল্টো গণক্ষোভ মুন্সিগঞ্জে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর সহযোগিতায় কাজ শেষ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ রাজউকের মোবাইল কোর্ট নিয়ে প্রশ্ন: অথরাইজড অফিসার সাইদা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়সারা অভিযান ও অনিয়মের ... কেশবপুরে প্রধান শিক্ষকের বদলির দাবিতে মানববন্ধন রামগড়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর আটক দুপুরে প্রথম বৈঠকে বসছে সংবিধান সংশোধন কমিটি গলাচিপায় র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উদযাপন নদী খননের নামে ১৩৪ কোটি আত্মসাৎ, তবুও বহাল তবিয়তে বিআইডব্লিউটিএ’র সাইদুর রহমান রাশিয়া-ইউক্রেনে ভয়াবহ পাল্টাপাল্টি হামলা, প্রাণ গেল ২২ জনের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সে আগুন মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করলে কী হয়? বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম সেপ্টেম্বরে ১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইফ সাপোর্টে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প কদমতলী থানা অধীনস্থ রায়েরবাগে ১২ বছরের মাদ্রাসা ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু ‎ নোয়াখালীতে পুকুর থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে নাসীরুদ্দীন ও সার্জিসের কটুক্তির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জের বিক্ষ... এমপি মিলনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: দীর্ঘদিন পর চালু হলো কালীগঞ্জ-গুলিস্তান KTL বাস সার্ভিস রামুতে নূর ডেন্টাল পয়েন্ট নিয়ে প্রশ্ন,বিএসসি (ডেন্টাল) ডিগ্রি দিয়ে রুট ক্যানাল-সার্জারির অভিযোগ ব্রেন টিউমার সারেনি ইলিয়াস কাঞ্চনের, তবুও কেন দেশে ফেরা হাইকোর্টে জামিন পেলেন অভিনেতা জাহের আলভীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ: আলোচনায় সহকারী পরিচালক ডা. শফিউল আজম রাজউকের নির্দেশ অমান্য করে নির্মাণে আল-আকসা-৩ ভবন কর্তৃপক্ষ নলডাঙ্গায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা সদর এসিল্যান্ড অফিসে সেবার মান বৃদ্ধি-খুশি সেবা প্রত্যাশিরা বৃষ্টির পানি আর চোখের জল-একই ঘরে অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির জীবনযুদ্ধ মোংলায় প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষর জাল করে তদবির বাণিজ্য, গ্রেফতার ১ পানছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে জনকল্যাণমূলক সামগ্রী বিতরণ সুন্দরবন রক্ষায় ৪ হাজার কোটি টাকা দেবে জাতিসংঘ নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন জোরদারে আইওএমের আরও সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ আবারও আলোচনায় চট্টগ্রামের এস এম মিজানুল্লাহ সমরকন্দী ওরফে চশমা মিজান দুদক কমিশনার হতে শতকোটি টাকার লবিং: সাবেক কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পুর্ব সুন্দরবনে বন বিভাগের অভিযানে শুটকি তৈরির আস্তানা ধংস আটক হয়নি কেউ নিরাপত্তাহীনতায় সিরাজগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও তাঁর পরিবার সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলা ২০২৬ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সাংবাদিক নিবন্ধনের আগে সংবাদমাধ্যমের জবাবদিহি নিশ্চিত হোক ১৩ মাসের ডেলিভারি: প্রতিশ্রুতি নয়, প্রমাণ চান সংশ্লিষ্টরা পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন ডিএজি-এএজিদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ৮৬ রানের লক্ষ্য দিয়েও চ্যাম্পিয়ন প্রাথমিক শিক্ষকদের যোগদানের তারিখ জানাল মন্ত্রণালয় পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৩ ডিএমপির বিশেষ অভিযানে, গুলশান ও যাত্রাবাড়ীতে গ্রেফতার ৩৭

পপুলার লাইফের গ্রাহকরা দাবির টাকা পাচ্ছে না

পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

দেশের বীমা খাতের দীর্ঘদিনের সমস্যা গ্রাহকদের বীমা দাবি সময়মতো পরিশোধ না করা। নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও আর্থিক কেলেঙ্কারির কারণে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের বীমা দাবি মেটাতে ব্যর্থ হচ্ছে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসিও। এমনকি গ্রাহকদের ডিপোজিট পেনশন স্কিমের (ডিপিএস) মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও জমানো টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে কোম্পানিটির বিরুদ্ধে।
শত শত ভুক্তভোগী গ্রাহক তাদের জমানো টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় দিনের পর দিন পপুলার লাইফের বিভিন্ন অফিসে ঘুরেও কোনো সুরাহা পাচ্ছেন না। গ্রাহকরা বলছেন, টাকা রিফান্ড পাওয়ার দাবিতে কোম্পানির দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোনো ফল পাইনি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে শুধু আশ্বাসই মিলছে, কোনো টাকা পাওয়া যাচ্ছে না। জমানো টাকা ফেরতের দাবিতে আদালতের দ্বারস্থও হয়েছেন পপুলার লাইফের অনেক গ্রাহক।
খাতসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষে জীবন বীমা কোম্পানিগুলোর কাছে প্রায় ১২ লাখ গ্রাহকের ৪ হাজার ৪০৩ কোটি টাকার বেশি বীমা দাবি বকেয়া ছিল। বীমা খাতের জন্য এটি একটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রতি বছর বকেয়া দাবির পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কোম্পানির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি ৮৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা গ্রস প্রিমিয়াম অর্জন করেছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা ব্যয় ছিল ৩৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা। এ সময় অনুমোদিত সর্বোচ্চ ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমা ছিল ৪০ কোটি ৪২ লাখ টাকা, আর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা।
কোম্পানিটির প্রথম প্রান্তিক শেষে মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯১৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। একই সময়ে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫১৭ কোটি ৬ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ থেকে আয় হয়েছে ১২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এছাড়া ক্লোজিং লাইফ ফান্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৭৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে কোম্পানির মোট বীমা দাবির পরিমাণ ছিল ৮০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৭৭ কোটি ২৪ লাখ টাকার দাবি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে, অনিষ্পত্তিকৃত দাবির পরিমাণ রয়েছে ৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা।
২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিদেশে অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ ওঠে পপুলার লাইফের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান শুরু করলে তার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কোম্পানির কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।
পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বি এম ইউসুফ আলীসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে বাড়ি, ডিপার্টমেন্টাল স্টোরসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলা এবং সম্পদ বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
আর্থিক দুর্নীতি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে আদালত পপুলার লাইফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বি এম ইউসুফ আলী, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) বি এম শওকত আলী ও মোস্তফা হেলাল কবির এবং জ্যেষ্ঠ উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমগীর ফিরোজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষ কর্মকর্তাদের একক আধিপত্য ও খামখেয়ালিপূর্ণ সিদ্ধান্তের কারণে প্রতিষ্ঠানটির তহবিল এবং সাধারণ বীমা গ্রাহকদের জমা দেওয়া প্রিমিয়ামের অর্থে ব্যাপক অনিয়ম ও নয়ছয় হয়েছে। এছাড়া, মেয়াদ পূর্তির পরও অনেক গ্রাহক তাদের প্রাপ্য অর্থ এবং বীমার সুবিধা নির্ধারিত সময়ে ফেরত পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
পপুলার লাইফের এক গ্রাহক বলেন, পলিসির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও টাকা পাচ্ছি না। জীবনের শেষ সময়ে কাজে দিবে এমন আশায় বীমা করেছিলাম কিন্তু তুলতে না পারায় চরম আর্থিক সংকটে আছি। বীমা প্রতি একদম আস্থা হারিয়ে ফেলেছি।
গ্রাহকের বীমা দাবি পরিশোধের বিষয়ে পপুলার লাইফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বি এম ইউসুফ আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তার ফোনে খুদে বার্তা পাঠালেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) মুখপাত্র সাইফুন্নাহার সুমি বলেন, বীমা গ্রাহকের দাবি পরিশোধ নিশ্চিত করতে আমরা সাতটি কোম্পানিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যবেক্ষণের আওতায় এনেছি। এসব কোম্পানির কাছে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা দাবি রয়েছে। এসব দাবি দ্রুত পরিশোধের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে তাৎক্ষণিক কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কোম্পানিগুলোকে বলা হয়েছে, বিধিবদ্ধ সঞ্চয় ব্যতীত তাদের যেসব বিনিয়োগ ও সঞ্চয় রয়েছে, সেগুলো এনক্যাশ করে সেই অর্থ দিয়ে অবিলম্বে গ্রাহকের দাবি পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি, প্রতিটি কোম্পানির মালিকানাধীন জমি ও ভবনের সম্পদের মূল্য দ্রুত নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় বিক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে এবং সেখান থেকে প্রাপ্ত অর্থও দাবি পরিশোধে ব্যবহার করতে হবে। এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সাইফুন্নাহার সুমি বলেন, এছাড়া আগস্ট মাসের মধ্যেই কোম্পানিগুলোকে জানাতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে তারা কত টাকা দাবি পরিশোধ করতে সক্ষম হবে। একই সঙ্গে তাদের যেসব সাবসিডিয়ারি কোম্পানি রয়েছে কিংবা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে শেয়ার ও বিনিয়োগ রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে এনক্যাশ করে সেই অর্থও গ্রাহকের দাবি পরিশোধে ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আইডিআরএ মুখপাত্র বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যেই সব কোম্পানিকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ দাবি পরিশোধ নিশ্চিত করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এরপরও কোনো কোম্পানি নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শহিদুল ইসলাম জাহীদ বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে গ্রাহকদের বৈধ বীমা দাবি পরিশোধ না করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বীমা দাবি নিষ্পত্তি করা শুধু বীমা কোম্পানিগুলোর নৈতিক দায়িত্ব নয়, এটি তাদের আইনগত বাধ্যবাধকতারও অংশ। তাই যেসব প্রতিষ্ঠান নিয়মিতভাবে এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সরকারের দ্রুত, কার্যকর এবং দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

পোশাকশিল্পের সংকট কাটাতে আর্থিক সহায়তা চাইল বিজিএমইএ

পোশাকশিল্পের সংকট কাটাতে আর্থিক সহায়তা চাইল বিজিএমইএ

ডেস্ক রিপোর্টঃ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ নানা প্রতিকূলতার কারণে এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে দেশের তৈরি পোশাক খাত। ক্রমবর্ধমান উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও রপ্তানি কমে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে এ খাতের প্রায় ৪০০ কারখানা। সেইসঙ্গে বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে আরও অনেক কারখানা। তীব্র সংকটময় এই পরিস্থিতি ব্যবসায়ীদের একার পক্ষে সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ জন্য সরকারের কাছ থেকে আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি বিজিএমইএ।সম্প্রতি এ ইস্যুতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছে সংগঠনটির একটি প্রতিনিধিদল। মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সেই বৈঠকে পোশাক শিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি তুলে ধরে রপ্তানি সচল রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে নীতিগত ও জরুরি আর্থিক সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছেন বিজিএমইএ

আরও পড়ুন
language Change