1. md.zihadrana@gmail.com : admin :
বেশি বাড়াবাড়ি করলে সাংবাদিক ফিরোজ'কে ধর্ষণের মামলা দিবো-মাছ সাদ্দাম - দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ

১৯শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । ভোর ৫:৪৬ ।। গভঃ রেজিঃ নং- ডিএ-৬৩৪৬ ।।

সংবাদ শিরোনামঃ
স্বতন্ত্র সাংসদ ওয়াহেদের বেপরোয়া আট খলিফা চৌদ্দগ্রামে পুকুরের মালিকানা নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামলা ঋণ খেলাপী রতন চন্দ্রকে কালবের পরিচালক পদ থেকে অপসারন দাবি নীরব ঘাতক নীরব লালমাই অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি নিউজ করতে গিয়ে হুমকি, থানায় জিডি বিশ্বনাথের পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে সাত কাউন্সিলরের পাহাড়সম অভিযোগ বিশ্বনাথে ১১ চেয়ারম্যান প্রার্থী’সহ ২০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল মুখে ভারতীয় পণ্য বয়কট, অথচ ভারতেই বাংলাদেশি পর্যটকের হিড়িক শার্শায় সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের উপর হামলা গণপূর্ত অধিদপ্তরের মহা দূর্নীতিবাজ ডিপ্লোমা মাহাবুব আবার ঢাকা মেট্রো ডিভিশনে!
বেশি বাড়াবাড়ি করলে সাংবাদিক ফিরোজ’কে ধর্ষণের মামলা দিবো-মাছ সাদ্দাম

বেশি বাড়াবাড়ি করলে সাংবাদিক ফিরোজ’কে ধর্ষণের মামলা দিবো-মাছ সাদ্দাম

 

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।

সাংবাদিক ফিরোজ’কে ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানোর হুমকি সাংবাদিক সংগঠনের উদ্বেগ
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সংবাদপ্রকাশের জের ধরে সাংবাদিক ফিরোজ’কে ধর্ষন মামলায় ফাঁসানো হুমকি মাছ সাদ্দামের।
বন্দরনগরী চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকার শেরশাহ্ বাংলাবাজারের চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে স্থানীয় পত্রিকা “দৈনিক চট্টগ্রামের পাতার সহ-সম্পাদক মোঃ ফিরোজ খান” কে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে সাদ্দাম ওরফে “মাছ সাদ্দাম” এর বিরুদ্ধে। যার একটি অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পরেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

গুরুত্বপূর্ণ লিংকরোডের রাস্তা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ শেরশাহ্ বাংলাবাজারের চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ঢালাওভাবে সংবাদ প্রকাশ হলে অবৈধ বাজারটির সিন্ডিকেটের মূল হোতা চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাং লিডার সাদ্দাম ওরফে “মাছ সাদ্দাম” এর নেতৃত্বে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই মানববন্ধন করেন বাজারটির চাঁদা উত্তোলনকারী সংগঠনের সদস্যরা।

সংবাদগুলো দ্বায়িত্ব প্রাপ্তদের নজরে আসায় সড়কটিতে যানচলাচলের উপযোগী করতে থানা পুলিশের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমান ম্যাজিস্ট্রেট বাজারটি উচ্ছেদ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পত্রিকার প্রতিবেদনকারী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক ও বিরূপ মন্তব্য করতে থাকে চাঁদাবাজরা। এতে স্থানীয় সাংবাদিক ফিরোজ খান’কে ইঙ্গিত করে কয়েকদিন আগে “বেশি বাড়াবাড়ি করলে ধর্ষণ মামলায় দিবো” বলে চাঁদাবাজ সাদ্দাম ওরফে “মাছ সাদ্দাম ” এর পক্ষ থেকে হুমকি প্রদান করা হয়।
পরবর্তীতে নিজের নিরাপত্তায় সেই চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাং লিডার সাদ্দামের বিরুদ্ধে গত ২৬ ডিসেম্বর রাতে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন সাংবাদিক ফিরোজ খান। যার জিডি নং – ১৮০৩।

সাংবাদিক ফিরোজ খান বলেন, বাংলাবাজারের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় অনেক আগে থেকেই আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এর আগে চাঁদাবাজরা সকলে একত্রিত হয়ে আমাকে ফাঁসানোর জন্য একটি মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করেছে।
এই বাংলাবাজারের চলমান অপকর্মের বিষয়ে আবারো সাংবাদপত্রে আলোচনা শুরু হলে চাঁদাবাজরা আমাকে টার্গেট করে আবারো মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো পাঁয়তারা শুরু করেছে। প্রকাশ্যে আমাকে ধর্ষন মামলায় ফাঁসানো হবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি ইতিমধ্যে থানায় নিজের নিরাপত্তার জন্য সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি।

এ বিষয়ে চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাং লিডার সাদ্দাম এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে কিছু বলতে চাননি। প্রতিবেদকে সরাসরি দেখা করার জন্য বলেন তিনি।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস জাহান এবিষয়ে দ্রুত তদন্তের জন্য একজনকে দ্বায়িত্ব দিয়েছেন বলে তদন্ত পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা হবে বলে জানান।

এদিকে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে স্থানীয় পত্রিকা “দৈনিক চট্টগ্রামের পাতার সহ-সম্পাদক মোঃ ফিরোজ খান” কে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার প্রকাশ্যে হুমকির বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটি, বঙ্গবন্ধু সাংবাদিক সোসাইটিসহ সাংবাদিক সংগঠন সমূহ। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে সরাসরি মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার প্রকাশ্যে হুমকিটি সাংবাদিকতা পেশার উপরই হুমকি বলে মন্তব্য করেন সাংবাদিক নেতারা। তারা বলেন, প্রশাসন কি ব্যবস্থা নেয় তা নজরে রেখে প্রয়োজনপ আমাদের কর্মসূচি পালন করবো।
তথ্যমতে, বাংলাবাজার থেকে চাঁদা উত্তোলনসহ নানান অপরাধ অপকর্মে সরাসরি সম্প্রিক্ততার কারনে সাদ্সামের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বাংলাবাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কল্যান সমবায় সমিতি সমিতির আড়ালে পুরো সড়ক দখল করে বসানো হয়েছে ভ্যান গাড়ির ভাসমান অবৈধ বাজার। আর এ অবৈধ ভাসমান বাজার থেকে মাসে চাঁদা তোলা হয় সাড়ে চার লাখ টাকা। প্রতিটি ভ্যান বসানোর শুরুতে নেয়া হয় পাঁচ থেকে ১০ হাজার টাকা। এছাড়া ভ্যানে সংযোগ দেয়া বিদ্যুতের বাল্বপ্রতি দৈনিক বিল নেয়া হয় ২০ টাকা। বাজারে ৫ শতাধিক বাল্ব রয়েছে। সেই হিসাবে মাসে ৩ লক্ষাধিক টাকার চাঁদা তোলা হয় বিদ্যুৎ খাতে। যার সাথে প্রত্যেক্ষও পরোক্ষভাবে জড়িত চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাং লিডার সাদ্দাম ওরপে মাছ সাদ্দাম।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2021
ভাষা পরিবর্তন করুন »