তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে গণপূর্তের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মতিউর রহমানের অনিয়ম নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল এক মানবিক শিক্ষকের জীবন বাঁচাতে সাহায্যের আকুল আবেদন বাংলাদেশ কৃষি উদ্যোক্তা ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন সুন্দরবনে জলদস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা ৬ জেলে উদ্ধার দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে শহীদ জিয়ার আদর্শের বাস্তবায়ন চায় জনগণ যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় কোটি টাকা উপর টোল আদায় মায়ের স্মৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় মনোয়ার হাসান জীবনের ইফতার মাহফিল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন বিডিজেএ'র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা নূরে মদিনা মসজিদে সাউথ লন্ডন ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান বটিয়াঘাটায় উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল রোগীদের চিকিৎসায অর্থসহ ঈদসামগ্রী বিতরণ করলেন হাজী সারওয়ার জাহান মাষ্টার দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ১৩৮ টুকরা অবৈধ কাঠ জব্দ করনেশন রোড ব্যবসায়ী মালিক সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল আইনজীবী হিসেবে সাংবাদিক এসএম বিপ্লব হোসেনের পথচলা শুরু সাফল্যের শিখরে রামগড়ের কৃতি সন্তান সিআইডি প্রধান শেরপুরের নকলায় ১২ ভিক্ষুককে ভেড়া উপহার নিজ মাথায় মাটি টেনে খাল পুঃন খননের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর পাইকগাছায় উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ স্টিকার লাগিয়ে দাম জালিয়াতি: খিলগাঁওয়ের ‘কান্ট্রি বয় লাইফস্টাইল’-এ ভোক্তা ঠকানোর মহোৎসব! ফায়ার সার্ভিসে দুর্নীতির ছায়া: ডিজির খামখেয়ালি সিন্ডিকেট প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ ছুটির প্রথমদিনে কমলাপুর স্টেশনে উপচে পড়া ভিড় ‎নিউ কলোনি জামে মসজিদে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বিক্রিত জমিতে ঘর নির্মাণ, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দুর্নীতিমুক্ত শেরপুর জেলা পরিষদ গঠন করতে চাই ঝিনাইগাতীতে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি হাজার মাসের চেয়েও সেরা রাত: আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর মৌলভীবাজারের কাটাগাং খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন মোংলার চিলা বৈদ্যমারীতে যুবকের আত্মহনন দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা অপরিসীম খুলনায় যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা পুলিশ সুপারের ছবি ব্যবহার করে ঈদের চাঁদা আদায় র‍্যাবের ডিজি হলেন হাবীব, এসবিপ্রধান নুরুল আমিন, সিআইডিপ্রধান মোসলেহ খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ কুয়াকাটায় সরকারি খাস জমির গাছ কেটে বিক্রি বরগুনায় বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও ইফতার পার্টি হামলার পর দুবাই বিমানবন্দরে ফ্লাইট বন্ধ ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় কঠোর নির্দেশনা খেপুপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অশ্লীল ছবি ভাইরাল খুলনায় অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ রাজউকে ঘুষ-দুর্নীতি-অনিয়ম সিরিজ জয়ের পর বড় সুখবর পেল বাংলাদেশ সুন্দরবন অগ্নিনির্বাপণ রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা শুটিংয়ে জেরিনকে অন্তর্বাস পরতে বাধ্য করা হয়েছিল এবার চীনের দ্বারস্থ হলেন ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীর পিএস পরিচয় দেওয়া প্রতারক আটক খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে দিনাজপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত শ্রীমঙ্গলে জমি দখলের চেষ্টা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

বান্দরবানের সেরা ১০টি দর্শনীয় স্থান

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:

শীতকাল মানেই ভ্রমণের মৌসুম। যে সময়ে নেই ভয়াবহ গরমে ক্লান্ত হবার ভয়, নেই বৃষ্টিতে কর্দমাক্ত সড়কের ঝামেলা। ক্রমাগত উষ্ণ হতে থাকা বাংলাদেশ, শীতকালে তার চিরাচরিত নয়নাভিরাম সৌন্দর্য ফিরে পায়। সেই সৌন্দর্যের মোহে আবিষ্ট হয়ে দীর্ঘ শিশির ভেজাপথ হেঁটে গেলেও ভর করবে না কোনো ক্লান্তি। তাই নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির সময়টিতে দেশজুড়ে পড়ে যায় বনভোজনের ধুম।

আর ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানের জেলা হিসেবে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পর্যটকদের কাছে খুবই জনপ্রিয় একটি জেলা। বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানগুলোর জেলা হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এই পাহাড়ি জেলাটি। এখানকার প্রাকৃতিক ঐশ্বর্যের মধ্যে সবচেয়ে পর্যটকদের কাছে বেশি নজর কাঁড়ে উচু নিচু সবুজে ঢাকা দেশের সর্বউচ্চ পাহাড় কেওকারাডং, তাজিংডং, বিজয় তাজিংডংসহ জেলার উন্মত্ত জলপ্রপাত এবং জেলায় বসবাসরত ক্ষুদ্র-নৃ গোষ্ঠীর বাঙ্গালীসহ ১২টি সম্প্রদায়ের মানুষগুলো।

 

বান্দরবান জেলার সেরা ১০ দর্শনীয় পর্যটন স্পট সম্পর্কে—

 

নীলগিরি পর্যটন স্পট: বাংলাদেশের দেশের সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০০০ফুট উপরে অবস্থিত বান্দরবানের আকর্শণীয় পর্যটন স্পট নীলগিরি এটি দেশের অন্যতম একটি উঁচুপর্বত শৃঙ্গ। নীলগিরির পুরো এলাকাটি মেঘে ঢেকে থাকার কারণে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা নীলগিরিকে মেঘের রাজ্য বলে থাকেন। নীলগিরির সূর্যোদয়ের মুহূর্তটি আশ্চর্যজনক এবং কুয়াশাচ্ছন্ন সব মৌসুমেই এখানে শীতকালের মত লাগে। এই পর্য টন স্পটটি যেকোনো পর্যটককে চমকে দিতে পারে। এখানে মনোরম হেলিপ্যাড নীলগিরির সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গাগুলোর একটি। পর্যটন এলাকাটির রক্ষণাবেক্ষণে নিযুক্ত আছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

চিম্বুক পাহাড়: বান্দরবান জেলা শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি পর্যটন কেন্দ্র। এটি বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম পর্বত শৃঙ্গ। চান্দের গাড়ি দিয়ে চিম্বুক ভ্রমণের সময় এর চারপাশের নয়নাভিরাম প্রকৃতির দৃশ্য দেখা পর্যটকদের মন ভরে যায়। এখানে আসা দর্শনার্থীরা যখন এই জায়গা থেকে নিচের দিকে তাকায়। এই স্পটটে নিছে মেঘের ভেলা দেখে অবাক হতেই হয় দর্শনার্থীদের। এখানে বান্দরবান শহর থেকে পৌঁছাতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। সে ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে বিকাল ৫টার পর চিম্বুক-থানচি রুটে কোনো যাত্রীবাহী যানবাহন চলবে না। তাই চিম্বুক পাহাড়ে যেতে হলে সেই সময়ের আগেই যেতে হবে। সাধারণত পর্যটকরা চিম্বুক, নীলগিরি, মিলনছড়ি, এবং শৈলপ্রপাত ঝর্ণা একসঙ্গে দেখার জন্য গাড়ি ভাড়া করে থাকেন।

নীলাচল পর্যটন স্পট: এই নীলাচল পর্যটন স্পটটি বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে টাইগারপাড়ায় অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০০০ফুট ওপরে এর অবস্থান। ঘুরে দেখা যাবে নীলাচলের বাইরের দিকটা ছিন্নভিন্ন পাহাড় দ্বারা সজ্জিত হলেও ভেতরটা খুবই প্রশান্ত। কোথাও বিস্তীর্ণ দিগন্তের ঢালে ঘোরাঘুরির আঁকা বাঁকা রাস্তা, পাহাড়ের পাদদেশে পাহাড়ি সম্প্রদায়গুলোর পাড়া, আর তার সঙ্গে রূপালী ঝর্ণা-ঝিরিতে যেন শিল্পীর আঁকা ছবি। মেঘহীন আকাশে এই নীলাচল থেকেই কক্সবাজার সমুদ্র বা চট্রগ্রামের আনোয়ার পারকি সমুদ্র সৈকতের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন পর্যটকরা। শহর ছেড়ে বান্দরবান-চট্রগ্রাম সড়কের প্রায় তিন কিলোমিটার হেঁটে বা গাড়িতে বাঁ দিকের ছোট্ট সড়কটিই নীলাচলের প্রবেশ পথ। এই পথে প্রায় দুই কিলোমিটার পাহাড়ে উঠতে হবে তবোই মিলবে বান্দরবান জেলা প্রশাসন পরিচালিত নীলাচল পর্যটন কেন্দ্র।

শৈলপ্রপাত ঝর্ণা: বান্দরবান সদর উপজেলার মিলনছড়ি এলাকার এ জলপ্রপাতটি জেলা শহর থেকে মাত্র ৫ মাইল দূরে অবস্থিত। এই জলপ্রপাতটির পানি অত্যন্ত ঠাণ্ডা ও স্বচ্ছ এখানে প্রচুর পাথরও দেখা যায়। ঝর্ণাটি স্থানীয় ফারুক পাড়াবাসীদের জন্য বিশুদ্ধ পানির একটি বড় উৎস। জলপ্রপাতের বাইরে একটি ছোট বাজারও রয়েছে যেখানে পর্যটকরা তাঁত পণ্য এবং স্থানীয় খাদ্য সামগ্রী কিনতে পারেন। এখান থেকে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সংগ্রামী জীবন গভীরভাবে অবলোকন করা যায়। বান্দরবানের অন্যতম আকর্ষণ চিম্বুক পাহাড় ও নীলগিরির পথের মাঝেই পড়ে শৈলপ্রপাত। তাই নীলগিরি ভ্রমণের গাড়ি মাঝ পথে থামিয়ে এই ঝর্ণা দেখে নেয়া যায়।

বগালেক: জেলার বিস্ময়কর এই নীল পানির লেকটির সৌন্দর্য দেখতে প্রতি বছর প্রচুর পর্যটক এখানে আসেন। শীতের মৌসুমে পর্যটকরা ক্যাম্প ফায়ার করতে পারেন, যা নিঃসন্দেহে একটি দারুণ স্মৃতি। বান্দরবান থেকে রুমা বাজারের দূরত্ব ৪৮ কিলোমিটার। আর রুমা বাজার থেকে বগালেক পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটারের পথ। এক সময় বর্ষাকালে বগালেক পর্যটন স্পটটিতে যাওয়া বেশ কষ্টকর হয়েও একন আর সমস্যা হয় না। একন সড়ক যোগাযোগ আগের তুলনায় অনেকটাই পরিবর্তন হয়ে গেছে।

স্বর্ণ মন্দির: এই বৌদ্ধ মন্দিরটির আসল নাম বুদ্ধ ধাতু জাদি, যেটি বান্দরবানের সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহের মধ্যে একটি। মায়ানমারের কারিগরদের দারা তৈরি এ মন্দিরটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ মন্দির। এই মন্দিরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬০০ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। এই স্বর্ণ মন্দিরে যেতে হলে অবশ্যই সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে যেতে হবে। আর সকালে যেতে না চাইলে দুপুর পৌনে ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে যেতে হবে। ২০ টাকা প্রবেশ ফি দিয়ে মন্দিরটিতে প্রবেশ করে দর্শনার্থীরা এর স্থাপত্য এবং চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন।

তিন্দু: তিন্দুর পাশ দিয়ে পাহাড়ি নদী সাঙ্গু বয়ে যাওয়ার কারণে মেঘ, নদী, জলপ্রপাত, রহস্য, রোমাঞ্চ সবই এখানে পাওয়া যায়। তাই তিন্দু অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় ভ্রমণকারীদের জন্য অন্যতম প্রিয় আকর্ষণ। বান্দরবান থেকে থানচি উপজেলার দূরত্ব প্রায় ৭৯ কিলোমিটার। এই দীর্ঘ পথে চারপাশের সুন্দর প্রকৃতি দেখতে দেখতে চোখ ও মন দুটোই সতেজ হয়ে যায়। থানচি ঘাট থেকে ছোট ইঞ্জিনের নৌকা ভাড়া করে প্রায় দুই ঘণ্টায় থানচি থেকে তিন্দু পৌঁছানো যায়। এ সময় যাত্রাপথে সাঙ্গু নদীর মনোমুগ্ধকর রূপের অভিজ্ঞতা নেয়া যায়।

কেওক্রাডং: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় তিন হাজার ১৭২ ফুট উঁচু এই পর্বতটি রুমা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ছোট ও বড় পাহাড় পর্বতের সমন্বয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই দুর্গম এলাকা। কেওক্রাডং বাংলাদেশ ও মায়ানমার সীমান্তে অবস্থিত। সবুজ পাহাড়ের অপরূপ সৌন্দর্য, শীতল ঝর্ণা, আঁকাবাঁকা পথ, পাহাড়ি রাস্তার ধারে, পাহাড়ের চূড়ায় মেঘের লুকোচুরির খেলা। এই সব কিছু মিলে মনে নেশা ধরিয়ে দিবে। রুমা থেকে কেওক্রাডং যাওয়ার পথে মাঝে মুনলাই বম পাড়া নামে একটি সুন্দর গ্রাম রয়েছে। এই সড়কে বগালেকের পরে দার্জিলিং পাড়া নামে আরোএকটি বম নৃ গোষ্ঠীদের গ্রাম আছে যেটি দেখার মত সুন্দর। অনেক পর্যটকই যাত্রা বিরতি দিয়ে এই অপূর্ব গ্রামটিতে বিশ্রাম নেন।

জাদিপাই জলপ্রপাত: কেওক্রাডং পাহাড় থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটারের পথ জাদিপাই জলপ্রপাত। তিন হাজার ৬৫ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত বান্দরবানের সর্বোচ্চ গ্রাম পাশিংপাড়া অতিক্রম করে জাদিপাইপাড়ার পথে উঠে গেছে খাড়া রাস্তা। পাশিংপাড়ার উপর থেকে জাদিপাই পাড়ার দিকে তাকালে মনে হবে সবুজের কোলে ঘুমিয়ে থাকা ছোট্ট গ্রাম। বর্ষায় এই রাস্তাটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। তাই বর্ষা-পরবর্তী মৌসুমে এখানে বেড়াতে আসাটা উত্তম। জাদিপাই ঝর্ণায় যেতে হলে যেতে হবে বান্দরবানের রুমা উপজেলা থেকে বগালেকে এবং তারপর কেওক্রাডং পাহাড়ের চূড়ায়। কেওক্রাডং পাহাড় থেকে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের দূরত্বে থাকা পাশিংপাড়ার খাড়া পথ ধরে ৪০ মিনিট হাঁটলেই জাদিপাই জলপ্রপাত পৌঁছানো যায়।

নাফাখুম: নাফাখুমের খুমের মানে হচ্ছে জলপ্রপাত আর এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাতগুলোর একটি। স্থানীয় লোকজন এটিকে রেমাক্রি জলপ্রপাত বলে থাকে। এখানে একবার ভ্রমণ করলে ভ্রমণকারীরা বারবার আসতে চায়। লোকেরা একে বাংলাদেশের নায়াগ্রা জলপ্রপাত বলে ব্যাখ্যা করে। সাঙ্গু নদী থেকে নৌকা নিয়ে রেমোক্রি হয়ে নাফাখুমে যেতে হয়। এই যাত্রা পথে তিন্দু, রাজাপাথর এবং পদ্মঝিরিও দেখে নেয়া যায়। বর্ষাকালে নদীতে পানির প্রবাহের অনেক চাপ থাকায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে নাফাখুম যাওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি পাওয়া যায় না। অন্যদিকে শীতের মৌসুমে পানির স্তর অনেক নিচে থাকায় নৌকা নিয়ে যাওয়া যায় না। তদনুসারে, নাফাখুম ভ্রমণের সর্বোত্তম সময় বর্ষাকালের পরে এবং শীত মৌসুম শুরু হওয়ার আগে।

ঢাকা থেকে বান্দরবানের দর্শনীয় স্থানগুলোতে যাওয়ার উপায়:

 

প্রথমেই বান্দরবান যাওয়ার জন্য ঢাকা থেকে সরাসরি শুধু মাত্র বাস আছে। তবে চট্টগ্রামে সরাসরি যাওয়ার ক্ষেত্রে বিমান, ট্রেন, বাস, তিনটির যে কোনটি ব্যবহার করা যেতে পারে। অতঃপর চট্টগ্রাম থেকে লোকাল বাসে করে বান্দরবান। এছাড়া, দর্শনীয় জায়গাগুলো ভ্রমণের জন্য আছে লোকাল বাস, সিএনজি চালিত অটোরিকশা, জিপ এবং চান্দের গাড়ি। তিন জনের টিম হলে সাধারণত সবাই বড় গ্রুপগুলোর সঙ্গে এক সাথে হয়ে চান্দের গাড়িতে ভ্রমণ করে। এই গাড়িগুলো সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পাওয়া যায়। এই জায়গাগুলো ভ্রমণের একটি প্রয়োজনীয় ব্যাপার হচ্ছে- এই জায়গাগুলোতে গাইড অবশ্যই নিতে হয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিদেশি পর্যটকদের জেলা বা উপজেলা প্রশাসন থেকে ভ্রমণের অনুমতি নিতে হয়। গাইডরা ভ্রমণের যানবাহন ঠিক করা থেকে শুরু করে এই অনুমতি নেওয়ার যাবতীয় কাজ সমাধান করে দেয়।

এছাড়াও বান্দরবানের সেরা এই ১০টি দর্শনীয় স্থানসমূহ ভ্রমণে যে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে সেটি হচ্ছে- সেনাবাহিনীর চেকপোষ্টে চেকিংয়ের সুবিধার্থে সঙ্গে সব ধরনের পরিচয়পত্র থাকা বাঞ্ছনীয়। গাইড নেওয়ার সময় অবশ্যই সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত গাইড সমিতি থেকে গাইড ভাড়া করা উচিত। বিকাল ৪টার পর আর্মি ক্যাম্প থেকে আর অনুমতি মেলে না। একই সঙ্গে যানবাহন পাওয়ারও কোনো উপায় থাকে না। তাই পুরো যাত্রাটি অনেক সতর্কতার সঙ্গে পরিকল্পনা করা উচিত। বর্ষাকালে বান্দরবানকে অধিক সুন্দর দেখালেও এই সময় জায়গাগুলোর বিপজ্জনক অবস্থার কথাও মাথায় রাখতে হবে বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ঘুতে আসা পর্যটকদের।

 

সবা:স:জু-২১৩/২৪

 

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ইআবি’র অধীনে সারাদেশে ফাজিল (অনার্স) পরীক্ষা শুরু

ইআবি’র অধীনে সারাদেশে ফাজিল (অনার্স) পরীক্ষা শুরু

ডেস্ক রিপোর্টঃ ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সারা দেশের মাদ্রাসাগুলোর চার বছর মেয়াদি ফাজিল স্নাতক (অনার্স) ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষা আজ শনিবার থেকে শুরু হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ আলী বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি জানান, এ বছর সারা দেশের মোট ৯২টি কেন্দ্রে আল কোরয়ান এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আল হাদিস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ, দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আরবি ভাষা ও সাহিত্য, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, আল ফিকাহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে চার বর্ষে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। পরীক্ষায় কোনো ধরনের অসদুপায় অবলম্বন করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শামসুল আলম বলেন, সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোনো রকম অনিয়ম যাতে না হয় সে বিষয়ে আমরা বিভিন্ন কেন্দ্রের

আরও পড়ুন
language Change