তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
হজযাত্রীদের সেবায় অনিয়ম করলে গুনতে হবে জরিমানা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর দিল সরকার দুই কলেজ শিক্ষকের নামে পাঠানো হলো কাফনের কাপড় আমরা আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি : নাহিদ ইসলাম যেসব বিষয়ের গুরুত্বে দেওয়া হবে বিএনপির মনোনয়ন পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ডিএমপির কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জামিন পেলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন প্রথম পর্যায়ে কারা পাবেন কৃষক কার্ড, মিলবে কী কী সুবিধা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ১৪ মে ঘোষণা ইসির শপথ নিলেন নতুন ২ এমপি বেড়াতে গিয়ে জিতলেন ১২ কোটি টাকার লটারি ঢাকায় তাপমাত্রা বাড়ার আভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর শেয়ারবাজারে ৩০ মিনিটে ১৭২ কোটি টাকা লেনদেন পাহাড়ে কিংবা সমতলে, প্রত্যেকের সমান অধিকার: প্রধানমন্ত্রী নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্যকে শপথ পাঠ করাবেন স্পিকার সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন নিলেন শফিউল বাবুর সহধর্মিনী হাসিনাকে কেন দিল্লিতে আশ্রয় দিয়ে রাখা হয়েছে বিকেলে শুরু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা চিটাগং শপিং কমপ্লেক্সের আগুন নিয়ন্ত্রণে গোপনে ইরানে অস্ত্র পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন এনসিপির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের মারামারি ঢাকাসহ সারা দেশে বাড়বে গরম চট্টগ্রামে শপিং কমপ্লেক্সে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারীর মৃত্যুতে নিন্দা অনিয়মের অভিযোগ এনে শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থীর ভোট বর্জন পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী পেট্রোল-অকটেনে কতদিন চলবে, জানাল জ্বালানি বিভাগ জনস্বাস্থ্যের প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে নতুন বিতর্ক, এনএসআই রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাস কতদিন, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী সারা দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঝিনাইগাতীতে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ ইরানের সঙ্গে ১০ দফা চুক্তির খবরকে ভুয়া বলে উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন সিন্দুকছড়িতে সাড়ে ৮ কেজি গাঁজাসহ এক যুবক আটক প্লাস্টিক হেলমেট ভাঙা কর্মসূচী”ট্রাফিক গুলশান ডিভিশন আয়োজনে বলিউডের প্রস্তাব পেয়েও কেন ফিরিয়েছিলেন অভিনেত্রী বিপাশা চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রশাসকের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য স্কাউট র‍্যালি অনুষ্ঠিত আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা মোংলায় তিন ব্যবসায়ীকে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ব্যাংকিং নাকি ভয়ের সংস্কৃতি ইবিএলে এমডির স্বৈরতন্ত্র পল্টনে সাংবাদিকের অফিসে হামলা, চাঁদাবাজি ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ বিমানের টয়লেটে ১৮ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার সদরে আসাদুজ্জামানের উন্নয়ন এখন কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ আজ সরাসরি সম্প্রচার হবে আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ভোলা পুলিশের অপরাধ ও আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় চুপ থাকুন, না হলে সমস্যায় পড়বেন: হাসনাত আবদুল্লাহ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু সখীপুর প্রশাসনের আয়োজনেজাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা

দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন পাসপোর্ট ও বিআরটিএ

পাঠক সংখ্যা
638

           স্টাফ রিপোর্টার:

 গত এক বছরে খানা জরিপ করে দেশের সেবা খাতের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। জরিপে পাসপোর্ট অফিস, বিআরটিএ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি। জরিপে সর্বোচ্চ ঘুষ লেনদেনের দিক থেকে বিচারিক সেবা, ভূমি ও ব্যাংকিং খাতের নাম প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে টিআইবির ধানমন্ডির কার্যালয়ে ‘সেবা খাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ ২০২৩’ প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে সাংবাদিক সম্মেলনে এসব প্রতিবেদন আকারে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। দেশের ১৭টি সেবা খাতের ওপর জরিপ চালিয়ে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এ ছাড়া অন্যান্য খাতের মধ্যে এমএফএস, ওয়াসা ও অনলাইন শপিংয়েও জরিপ চালায় সংস্থাটি।

টিআইবির প্রতিবেদনে পাসপোর্ট, বিআরটিএ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাকে সবসময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত খাত হিসেবে উঠে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির খানা জরিপে একই সঙ্গে সর্বোচ্চ পরিমাণ ঘুষ গ্রহণের দিক থেকে বিচারিক সেবা, ভূমি ও ব্যাংকিং খাতে সর্বোচ্চ গড় ঘুষ গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

সাংবাদিক সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, খানা জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৪ (এপ্রিল) পর্যন্ত সেবা খাতে জাতীয় পর্যায়ে মোট ঘুষের ন্যূনতম প্রাক্কলিত পরিমাণ ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ২৫২ কোটি টাকা। এই সময়ে সার্বিকভাবে দুর্নীতির শিকার ৭০ দশমিক ৯ শতাংশ এবং ঘুষের শিকার ৫০ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবার বা খানা।

এ ছাড়া সেবা পেতে পরিবার বা খানা প্রতি সর্বনি¤œ ৫ হাজার ৬৮০ ঘুষ দিতে হয়েছে। গড় ঘুষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বিচারিক সেবায় এই খাতে একটি সেবা পেতে গড়ে গুনতে হয়েছে ৩০ হাজার ৯৭২ টাকা, প্রতিটি ভূমি সেবার জন্য গড়ে গুনতে হয়েছে ১৭ হাজার ৪৭১ ও ব্যাংকিং খাতে ৭ হাজার ৩৬৩ টাকা। সেবা পেতে ৭০ শতাংশ ৯ শতাংশ পরিবার দুর্নীতির শিকার হয়েছে। আর ৫০ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবার ঘুষের শিকার হয়েছে। সর্বোচ্চ দুর্নীতি ও ঘুষের হার পাসপোর্ট, বিআরটিএ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থায়।

২০২৩ সালে জাতীয়ভাবে প্রাক্কলিত ঘুষের পরিমাণ ১০ হাজার ৯০২ কোটি টাকা, যা ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের বাজেটের ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ ও জিডিপির ০ দশমিক ২২ শতাংশ। এই পরিমাণ অর্থ দেশের মানুষ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা পেতে ঘুষ দিয়েছে। এই সময়ে ভূমি সেবা পেতে ঘুষ দিয়েছে ২ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা, বিচারিক সেবা পেতে ২ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সেবা পেতে ১ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা ও পাসপোর্টে ১ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিচারিক সেবা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থায় দুর্নীতি ও ঘুষের উচ্চ হার অব্যাহত, যা সাধারণ জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বড় বাধা; অন্যদিকে ভূমি সেবা, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং বিআরটিএর মতো সেবায় উচ্চ দুর্নীতি ও ঘুষ বিদ্যমান, যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ সেবা প্রাপ্তির অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করছে।

প্রতিবেদনে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত ও ঘুষ গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে বিআরটিএ, ভূমি, পাসপোর্ট, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, বিচারিক প্রক্রিয়ার নাম উঠে এসেছে।

এই সময়ে বিআরটিএতে সেবা নিতে গিয়ে দুর্নীতির শিকার হয়েছেন ৮৬ শতাংশ, আর প্রতিষ্ঠানটিতে ঘুষ দিতে হয়েছে ৭১ শতাংশ সেবাগ্রহীতাকে। পাসপোর্ট সেবা নিতে গিয়ে দুর্নীতির শিকার হয়েছেন ৮৬ শতাংশ সেবাগ্রহীতা, ঘুষ দিতে হয়েছে ৭৪ দশমিক ৮ শতাংশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সেবা নিতে গিয়ে দুর্নীতির শিকার হয়েছেন ৭৪ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ, আর ৫৮ দশমিক ৩ শতাংশ সেবা গ্রহীতাদের ঘুষ দিতে হয়েছে। বিচারিক সেবা নিতে গিয়ে দুর্নীতির শিকার ৬২ দশমিক ৩ শতাংশ, ঘুষের শিকার ৩৪ দশমিক ১ শতাংশ। এ ছাড়া ভূমিসেবা নিতে গিয়ে দুর্নীতি শিকার ৫১ শতাংশ, ঘুষ দিতে হয়েছে ৩২ দশমিক ৩ শতাংশ।

টিআইবির খানা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ১৭ খাতে সেবা নিতে গিয়ে গড়ে ৭০ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ দুর্নীতি শিকার হয়েছেন এবং ঘুষ দেওয়ার হার গড়ে ৫০ দশমিক ৮ শতাংশ।

সরকারি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে দুর্নীতির শিকার হয়েছেন ৪৯ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ। স্থানীয় সরকার সংক্রান্ত সেবায় এই হার ৪৪ দশমিক ২ শতাংশ, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনে ৪১ শতাংশ, গ্যাস খাতে ৩৭ দশমিক ৭ শতাংশ এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ সহায়তায় ৩১ দশমিক ৪ শতাংশ।

সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সেবায় দুর্নীতি শিকার ২৬ শতাংশ, বিদ্যুৎ খাতে ২৬ দশমিক ৪ শতাংশ, কৃষি খাতে ২৪ দশমিক ৫ শতাংশ, কর ও শুল্কে ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ, বিমায় ১৬ দশমিক ২ শতাংশ এবং ব্যাংকিং খাতে ৯ শতাংশ।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণে কাজ করা এনজিওগুলোতে দুর্নীতির শিকার ৬ দশমিক ৫ শতাংশ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, যেমন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), ওয়াসা, এবং অনলাইন শপিংয়ে এই হার ১১ দশমিক ১ শতাংশ।

সেবা খাতে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাসহ জরিপে ফলাফলের ভিত্তিতে টিআইবি সরকারের কাছে ৯ দফা সুপারিশ করেছে। সেবাগ্রহণ প্রক্রিয়া ডিজিটাইলজডসহ সরকারি কর্মকর্তা–কর্মাচারীদের আচরণ সম্পদ বিবরণী দাখিল বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ৮ বিভাগের ১৫ হাজার ৫১৫টি পরিবারের তথ্য এই জরিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ১৩ মে থেকে ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট পর্যন্ত জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে।

সবা:স:জু- ১৬৪/২৪

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

পাহাড়ে কিংবা সমতলে, প্রত্যেকের সমান অধিকার প্রধানমন্ত্রী

পাহাড়ে কিংবা সমতলে, প্রত্যেকের সমান অধিকার: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্টারঃ পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সামাজিক উৎসব ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে পাহাড়ি-সমতলের সব মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর কৃষ্টি ও সংস্কৃতি বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ভৌগোলিক অবস্থান নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের সংবিধানপ্রদত্ত মৌলিক অধিকার রক্ষা ও সুরক্ষায় সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে নজির রয়েছে, তা বিশ্বদরবারে দেশের মর্যাদাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তারেক রহমান বলেন, আমাদের দেশের বিভিন্ন ছোট ছোট জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রদায়সহ সব নাগরিকের সমান অগ্রগতি, বিকাশ, নিরাপত্তা ও সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পাহাড়ে কিংবা সমতলে বসবাসকারী, একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের সমান অধিকার। শনিবার (১১ এপ্রিল) বনানীতে এক অনুষ্ঠানে পার্বত্য এলাকায় বসবাসরত বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর জনসাধারণকে বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান

আরও পড়ুন
language Change