তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
এতিম শিশু ও প্রবীণদের জন্য প্রাণ-আরএফএলের বিশেষ ঈদ আয়োজন সংকেতেই আনা হয় বেনাপোল বন্দরে আটক হওয়া ৬ কোটি মূল্যের পণ্য পরিবার বিএনপি করে উত্তীর্ণ হয়েও চাকরিতে যোগ দিতে দেয়নি আব্দুল মান্নান মানবপাচারসহ ১১ মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ নাটোর জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক রহিম নেওয়াজ এর সম্বর্ধনা অনুষ্ঠিত জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি সরকার গ্রহণ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে গণপূর্তের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মতিউর রহমানের অনিয়ম নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল এক মানবিক শিক্ষকের জীবন বাঁচাতে সাহায্যের আকুল আবেদন বাংলাদেশ কৃষি উদ্যোক্তা ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন সুন্দরবনে জলদস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা ৬ জেলে উদ্ধার দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে শহীদ জিয়ার আদর্শের বাস্তবায়ন চায় জনগণ যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় কোটি টাকা উপর টোল আদায় মায়ের স্মৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় মনোয়ার হাসান জীবনের ইফতার মাহফিল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন বিডিজেএ'র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা নূরে মদিনা মসজিদে সাউথ লন্ডন ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান বটিয়াঘাটায় উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল রোগীদের চিকিৎসায অর্থসহ ঈদসামগ্রী বিতরণ করলেন হাজী সারওয়ার জাহান মাষ্টার দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ১৩৮ টুকরা অবৈধ কাঠ জব্দ করনেশন রোড ব্যবসায়ী মালিক সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল আইনজীবী হিসেবে সাংবাদিক এসএম বিপ্লব হোসেনের পথচলা শুরু সাফল্যের শিখরে রামগড়ের কৃতি সন্তান সিআইডি প্রধান শেরপুরের নকলায় ১২ ভিক্ষুককে ভেড়া উপহার নিজ মাথায় মাটি টেনে খাল পুঃন খননের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর পাইকগাছায় উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ স্টিকার লাগিয়ে দাম জালিয়াতি: খিলগাঁওয়ের ‘কান্ট্রি বয় লাইফস্টাইল’-এ ভোক্তা ঠকানোর মহোৎসব! ফায়ার সার্ভিসে দুর্নীতির ছায়া: ডিজির খামখেয়ালি সিন্ডিকেট প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ ছুটির প্রথমদিনে কমলাপুর স্টেশনে উপচে পড়া ভিড় ‎নিউ কলোনি জামে মসজিদে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বিক্রিত জমিতে ঘর নির্মাণ, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দুর্নীতিমুক্ত শেরপুর জেলা পরিষদ গঠন করতে চাই ঝিনাইগাতীতে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি হাজার মাসের চেয়েও সেরা রাত: আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর মৌলভীবাজারের কাটাগাং খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন মোংলার চিলা বৈদ্যমারীতে যুবকের আত্মহনন দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা অপরিসীম খুলনায় যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা পুলিশ সুপারের ছবি ব্যবহার করে ঈদের চাঁদা আদায় র‍্যাবের ডিজি হলেন হাবীব, এসবিপ্রধান নুরুল আমিন, সিআইডিপ্রধান মোসলেহ খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ কুয়াকাটায় সরকারি খাস জমির গাছ কেটে বিক্রি বরগুনায় বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও ইফতার পার্টি হামলার পর দুবাই বিমানবন্দরে ফ্লাইট বন্ধ ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় কঠোর নির্দেশনা খেপুপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অশ্লীল ছবি ভাইরাল খুলনায় অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ রাজউকে ঘুষ-দুর্নীতি-অনিয়ম সিরিজ জয়ের পর বড় সুখবর পেল বাংলাদেশ সুন্দরবন অগ্নিনির্বাপণ রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা

একজন রাজনীতিকের গল্প

পাঠক সংখ্যা
638

আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। ভোলার কৃতি সন্তান। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। মনিরুজ্জামান একাধারে একজন জনবান্ধব রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং তুখোড় মানবতাবাদী মানুষ; সেই সাথে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আনুগত্যশীল আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী। আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ছাত্র অবস্থাতেই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। তার মধ্যে যে রাজনৈতিক দূরদর্শীতা আছে তা তৎকালীন সিনিয়র রাজনীতিবিদদের নজর এড়ায়নি। সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ এর হাতকে শক্তিশালী করতে নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে সুনাম অর্জন করেছেন মনিরুজ্জামান। নিজের জীবনের কথা না ভেবে তোফায়েল আহমেদ এর ভ্যান গার্ড হিসেবে নিরলস কাজ করে ভোলাকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে রুপান্তরিত করেছেন। এখনো দলের নেতাকর্মীদের যে-কোনো বিপদে সবার আগে পাশে থাকেন মনিরুজ্জামান। ভোলা পৌরসভায় দায়িত্বে থেকে পুরো পৌরসভাকে আধুনিকতায় নতুন রূপ দিয়েছেন। পুরো শহর উন্নয়নের রোল মডেলে রুপান্তরিত হয়েছে। এ যেনো ‘মরা খালে পানি’। সৌন্দর্যবর্ধনের এক অন্যান্য শহর ‘ভোলা’ হয়েছে মনিরুজ্জামানের হাত ধরে।

ভোলার সাধারণ মানুষের ভাষ্য, দুর্দিনের মনিরুজ্জামান দলের নিবেদিত প্রাণ। দলের জন্য মামলা হামলা খেয়েও যে দলের হাল ছাড়েননি তাঁকে দল মূল্যায়ন করাটা গুরুত্বপূর্ণ। যেই ব্যক্তি একা নয়; তাঁর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা হয়েও ক্ষমতাসীন দলের নির্যাতনে পঙ্গু ছিল, সেই ব্যক্তিকে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা তোফায়েল আহমেদ ও বঙ্গবন্ধুর কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যোগ্য স্থানে বসাবেন।

৪ দলীয় জোট সরকারের আমলে প্রায় অর্ধশতাধিক বলা চলে, ভোলা জেলার সর্বাধিক মামলার বোঝা মাথায় নিয়ে ঢাকায় আশ্রয় নেন। বাধ্য হয়ে ঢাকায় আশ্রয় নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি তাঁর। তৎকালীন ক্ষমতাসীন ৪ দলীয় জোট সরকারের আমলে ছেলেকে না পেয়ে বাবাকে ধরে নিয়ে নির্যাতন চালানো হয়। এ ঘটনা ২০০২ সালে অপারেশন ক্লীনহার্টের সময়। সে সময় আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের শ্রদ্ধেয় বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানকে নির্যাতন করে সরকার। আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার কারণে এসব করা হয়। এক যুগেরও বেশি সময় পঙ্গুত্ব অবস্থায় অনেক যন্ত্রণার শিকার হয়ে জীবন যাপন করে গত ২০২১ সালের ১৮ জুলাই মাসে মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মনিরুজ্জামানের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান মৃত্যু বরণ করেন।

কর্মী বান্ধব ও দলের দুর্দিনের নিবেদিত প্রাণ মনিরুজ্জামান হামলা, মামলা উপেক্ষা করে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন বলেই তার কাঁধে দায়িত্ব আসে জেলা ছাত্রলীগের। মেধা, প্রজ্ঞা এবং রাজনৈতিক দূরদর্শীতা দিয়ে তিনি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত ভোলা জেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ওই সময়টাকে ভোলা জেলা ছাত্রলীগের স্বর্ণযুগ বলে অভিহিত করে অনেকেই। এরপর ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি জেলা আওয়ামী যুবলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন বারে বার। পৌর মেয়র হিসেবেও বার বার নির্বাচিত হয়ে পৌরবাসীর সেবা করে যাচ্ছেন নিষ্ঠার সাথে। ছাত্রজীবন শেষ করে আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে দূরে সরে যাননি। তিনি যোগ দেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগে। সেখানেও তিনি চলে আসেন আলোর টাইম লাইটে। তিনি ১৯৯৮ সাল থেকে শুরু করে ২০০৩ সাল পর্যন্ত যুবলীগের জেলা কান্ডারির ভূমিকায় ছিলেন। তিনি যুবলীগের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ভোলা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটির আহবায়ক এবং একইসাথে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব করেন।

২০১১ সালে পুনরায় আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জেলা যুবলীগের দায়িত্বে আসেন। এবার তাকে জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দলের প্রতি গভীর আনুগত্য এবং নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য ২০১৫ সালে তাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভোলা জেলা শাখা কমিটির সদস্য করা হয়। ২০১৬ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ভোলা জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান।

এদিকে বিগত চার দলীয় জোটের আমলে আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু জটিল মামলা হয়। তিনি এসব কঠিন মামলা মোকাবেলা করেছেন দৃঢ়তার সাথে। কঠিন কঠিন মামলা দেওয়া হলেও তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার আনুগত্য থেকে একচুলও পিছপা হননি। ২০০১ সালে তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলা দেয় তৎকালীন ক্ষমতাসীন ৪ দলের নেতাকর্মীরা।২০০৩ সালেও তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলাগুলো হলো— জি.আর ১৪৮/২০০১, ২২৬/২০০১, ২৭৬/২০০১, ২৭৭/ ২০০১, ২৮১/২০০১, ৩১৭/২০০১, ৩৯০/২০০১, এবং ১৫/২০০৩।

আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, ২০০৩ সালে বিএনপির গিয়াস উদ্দিন আল- মামুন এবং তার বড়ভাই তৎকালীন সময়ের ভোলা-২ আসনের এমপি হাফিজ ইব্রাহীম ও তার ক্যাডার বাহিনী দৈনিকবাংলা মোড়ে ভোলার বোরহান উদ্দিন কায়কোবাদ নামের জনৈক ব্যক্তিকে হত্যা করে। অসৎ উদ্দেশ্যে সেই মামলায় তাকে এক নম্বর আসামী করা হয়। এসময় তিনি পার্শ্ববর্তী বন্ধুপ্রতীম দেশ ভারতের পূর্বাঞ্চলে আগরতলায় আশ্রয় নেন। ১৬ মাস নির্বাসনে থাকার পর তিনি ঢাকাতে এসে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যালের বিচারক সায়েক নূর উদ্দিনের কোর্টে হাজির হন। মামলা নম্বর ৩৭/২০০৩। পরবর্তীতে হাইকোর্টের মাধ্যমে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। বাদী পক্ষ ব্যাকেট করলে তিনি কোয়াশমেন্ট করেন। কিছুদিন পর আবার ব্যাকেট করে। তখন তিনি আগর তলা থেকে দেশে এসে হাজিরা দিয়ে চলে যেতেন। সেই সময় তিনি এবং তার পরিবারের লোকজন কেউ বাসায় অবস্থান করতে পারতেন না। তার পর আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর সাক্ষীর মাধ্যমে ওই মামলাসহ অন্যান্য মামলা থেকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে খালাস পান। বর্তমানে মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে কোন মামলা নাই।

২০১০ সাল থেকে শুরু করে পর পর তিন বার কৃতিত্বের সাথে ভোলার পৌর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

সর্বশেষ মহামারী করোনার শুরুতে বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম তিনি ভোলায় নিজ খরচে মধ্যবিত্ত পরিবার ও হতদরিদ্র পরিবারের লোকজনকে খাদ্য বিতরণ করেন। পুরো করোনা জুড়ে তাঁর এ কর্মসূচি অব্যাহত ছিল। এছাড়াও কাঁচাবাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় বাজারগুলোর উন্মুক্ত ও টোল ফ্রি করে দেন ভোলার এ নেতা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

নিয়োগ ছাড়াই যমুনা লাইফে বহাল তবিয়তে কামরুল

  নিজস্ব প্রতিবেদক: যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পদে কামরুল হাসান খন্দকারের নিয়োগ নবায়নের আবেদন না-মঞ্জুর করার পরও তিনি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এতে বীমা কোম্পানিটির ব্যবসা পরিচালনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অযোগ্য হওয়ার পরও কামরুল হাসান খন্দকারের নিয়োগ নবায়নের আবেদন করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অবিবেচনা প্রসূত। এতে বীমা খাত নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক বার্তা যাচ্ছে। জানা গেছে, কামরুল হাসান খন্দকারের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের সমতাকরণ ও বৈধতার প্রত্যয়নপত্র দাখিল না করা এবং দাখিল করা শিক্ষাসনদ ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় গত ১৯ মার্চ বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) এই নিয়োগ না-মঞ্জুর করে। কর্তৃপক্ষের পরিচালক (উপসচিব) আহম্মদ এহসান উল হান্নান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যানকে পাঠানো হয়েছে। কোম্পানি

আরও পড়ুন
language Change