তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ভোলা পুলিশের বিশেষ কল্যাণ সভায় ডিআইজি ভোলাহাটে বিনামূল্যে সার-বীজ বিতরণ উদ্বোধন রংপুরে বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হবে মোংলায় আর্থস্কাউট স্কুল ক্যাম্পেইনে বক্তারা শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন, কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে ভোটগ্রহণের সরঞ্জামাদি নেত্রকোনায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু পাটোয়ারী বাবুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালে আগুন ঝিনাইগাতীতে বিরল লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করল বন বিভাগ সিন্দুকছড়ি জোনে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার অগ্রণীতে ‘বাশার' মামলার আসামি তবু এমডি পদের দৌড়ে এগিয়ে? যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় তেলের দাম কত নামলো হাজির হননি নোরা ফাতেহি, সঞ্জয় দত্তকে তলব বেড়েই চলেছে হামের দাপট, ময়মনসিংহ হাসপাতালে একদিনে ভর্তি ২২ শিশু দুদকের জালে দুদক কমিশনার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন বিমান বাহিনী প্রধান অবশেষে হরমুজ প্রণালি খুলে দিচ্ছে ইরান রূপগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর 'খারা মোশাররফ'র নেতৃত্বে হামলা: ১৮ লাখ টাকার সরঞ্জাম লুট ঝিনাইগাতীতে খেলার মাঠের দাবিতে তরুণদের জোরালো দাবি কেশবপুরে ভেজাল বিরোধী অভিযান শেরপুরে ভুয়া প্রতিবেদন দাখিলের কারিগর ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা শেরপুরের নকলায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ব্লাড গ্রুপিং সম্পন্ন আমতলীতে বাসচাপায় খাদেম নিহত চাঁপাইনবাবগঞ্জে উদ্ধারকৃত ১৪ মোবাইল ফোন হস্তান্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ২জন গ্রেফতার যুবদল নেতার অর্থায়নে কাঠের পুল মেরামত জরিমানার পরও নির্দেশনা অমান্য প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্য অব্যাহত শ্রীমঙ্গল হাসপাতাল থেকে উদ্ধার হলো কালনাগিনী সাপ বরগুনায় পালিত হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের জমকালো শোভাযাত্রা খোকন হত্যার প্রতিবাদে রাস্তায় এলাকাবাসী, মানববন্ধন ট্রাম্পকে পাল্টা হুমকি দিল ইরান শিরীন শারমিনকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে ফের নেইমারের অস্ত্রোপচার ডিআইজিসহ ৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি দুপুরে আদালতে তোলা হবে শিরীন শারমিনকে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন কোয়েল মল্লিক ইরান উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিলেন ট্রাম্প চাঁদপুরে হামের উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু আজ থেকে দিনে দুইবেলা সংসদ অধিবেশন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী গ্রেফতার গ্যাস সংকটে অচল চাটখিল, রাজপথে ভুক্তভোগীরা পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি পুনাক এর সভানেত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ জেলা পুলিশের বিশেষ কল্যাণ সভা নিখোঁজ রফিকুল ইসলামের সন্ধানে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন রোগীর চাপ বাড়ায় ২ টি পাক ফ্যান হস্তান্তর করেন নজেকশিস সুন্দরবনে মালা ফাঁদসহ হরিণ শিকারি আটক সিরাজগঞ্জে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়োজনে আয়নুল হককে সংবর্ধনা বিএনপি নেতার ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

সিরিয়ার বেহাল অর্থনীতি কী ঘুরে দাঁড়াবে?

পাঠক সংখ্যা
638

সবুজ বাংলাদেশ ডেস্ক: 

প্রায় ১৪ বছর ধরে গৃহযুদ্ধের ফলে সিরিয়ার অর্থনীতির অবস্থা এখন বেহাল দশা। দেশটিকে আর্থিক দিক থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তাদের পুরো বিশ্বের সাহায্য ও সহযোগিতা দরকার। ২০১১ সালে সিরিয়ার অর্থনীতির পরিমাণ ছিল ছয় হাজার ৭৫০ কোটি ডলার। ওই বছরই বাশার আল আসাদের বিরুদ্ধে প্রবল বিক্ষোভ শুরু হয়। তখনই বিদ্রোহীরা তৎপরতা বাড়ায়। পুরোদস্তুর গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। বিশ্বের ১৯৬টি দেশের মধ্যে অর্থনীতির নিরিখে সিরিয়া ছিল ৬৮তম স্থানে। প্যারাগুয়ে ও স্লোভেনিয়ার সঙ্গে তুলনীয় ছিল তাদের জিডিপি-র পরিমাণ।

কিন্তু গতবছর সিরিয়ার অবস্থান ছিল ১২৯তম স্থানে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের মতে, তাদের অর্থনীতি এখন ৯০০ কোটি ডলারের। এখন চাদ, ফিলিস্তিনের সঙ্গে তাদের তুলনা চলে।

প্রায় ১৪ বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধ, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, দেশ থেকে ৪৮ লাখ মানুষের চলে যাওয়ার ফলে তারা এখন মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গরীব দেশ বলে পরিচিত। জাতিসংঘের শাখা সংগঠন ওসিএইচএ-র মতে, সিরিয়ার ৭০ লাখ মানুষ এখন গৃহহীন।

দেশটিতে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ফলে দেশের পরিকাঠামোর অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। বিদ্যুৎ, পরিবহন, স্বাস্থ্যব্যবস্থা বেহাল। সেইসঙ্গে প্রচুর শহরে ধ্বংসের চিহ্ন ছড়িয়ে আছে। এই সংঘাতের ফলে সিরিয়ার পাউন্ডের মূল্য কমেছে। তার ফলে সিরিয়ার মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও পাল্লা দিয়ে কমেছে।

গতবছর সিরিয়ায় মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ ছিল মারাত্মক। গত জুনে সিরিয়ান সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ(এসসিপিআর) জানিয়েছে, তার আগের বছরের তুলনায় কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স ছিল দ্বিগুণ।

তাদের রিপোর্ট বলছে, সিরিয়ার অর্ধেক মানুষ তাদের জীবনধারণের জন্য ন্যূনতম জিনিসও কিনতে পারছে না।

সিরিয়ার অর্থনীতির দুই স্তম্ভ হলো, তেল ও কৃষি। যুদ্ধের ফলে তাতে ধাক্কা লাগে। ২০১০ সালে তেল রপ্তানি করে সরকারের রাজস্বের এক চতুর্থাংশ অর্থ আসত। কৃষি থেকেও সমপরিমাণ অর্থ আসত। কিন্তু আসাদের কাছ থেকে বিদ্রোহীরা, আইএস এবং কুর্দিশ বাহিনী তেলের খনির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার ফলে সরকারও বিদেশে তেল রপ্তানি করতে পারে না। আসাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকায় তেলের উৎপাদন ২০ হাজার ব্যারেলে নেমে আসে। সিরিয়া পুরোপুরি ইরান থেকে আমদানি করা জিনিসের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।

কত তাড়াতাড়ি হাল ফিরবে?

এই প্রশ্নের জবাব নির্ভর করছে, সিরিয়ায় কারা এবার ক্ষমতায় থাকবে, তার উপর। তাদের শহরগুলিকে গড়ে তুলতে হবে, পরিকাঠামো ঠিক করতে হবে, কৃষি এবং তেলের ক্ষেত্রকে ঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।

কিছু সিরিয়া বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, ২০১১ সালের জিডিপি-তে পৌঁছাতে অন্তত ১০ বছর সময় লাগবে। তবে এরপর যদি রাজনৈতিক অস্তিরতা দেখা দেয়, তাহলে সিরিয়ার অবস্থা আরো খারাপ হবে বলে তাদের আশঙ্কা।

সাবেক আল কায়দার সঙ্গে যুক্ত হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস)-এর নেতৃত্বে দামেস্ক দখল করেছে বিদ্রোহীরা। তারা এখন নতুন সরকার গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে সিরিয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। এই সংগঠনকে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র জঙ্গি সংগঠন বলে ঘোষণা করেছে।

পশ্চিমা ও আরব দেশগুলি মনে করছে, এইচটিএসের সিরিয়া শাসনের অর্থ হলো, আসাদকে সরিয়ে কট্টরপন্থি শাসনের সূচনা হওয়া।

আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের প্রবীণ বিশ্লেষক ডিল্যানি সাইমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘সিরিয়ার উপর খুবই কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা আছে। সেই দেশ যখন দাঁড়াতে চাইছে, তখন এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকার অর্থ, তাদের পায়ের তলা থেকে মাটি সরিয়ে দেওয়া।

এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকলে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা সিরিয়াকে সাহায্য করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন না।

গত রোববার রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের যতটা সম্ভব সাহায্য করতে পারে। আসাদের শাসন থেকে স্বাধীন, সার্বভৌম শাসনে যাওয়ার জন্য আমেরিকা তাদের সাহায্য করবে।

কিন্তু প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, সিরিয়ায় ওয়াশিংটনের জড়িয়ে পড়া উচিত নয়। বার্তাসংস্থা এপি সোমবার জানিয়েছে, বাইডেন প্রশাসন এইচটিএসকে জঙ্গি সংগঠনের তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া যায় কিনা, তা নিয়ে আলোচনা করেছে।

ইইউ-র মুখপাত্র ব্রাসেলসে সোমবার বলেছেন, এইচটিএস কী বলছে, সেটা বড় কথা নয়, তারা কী করছে, সেটাই ইইউ-র কাছে বড় বিষয়।

এখন কী হতে পারে?

এইচটিএস নেতা মোহামেদ আল-জোলানি সোমবার আসাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে কথা বলেছেন। সোমবার দেশজুড়ে কারফিউ জারি করায় দোকানপাট বন্ধ ছিল।

রয়টার্স জানিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে সিরিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংক ও দুইটি বাণিজ্যিক ব্যাংক খুলবে। কর্মীদের অফিসে আসতে বলা হয়েছে। সিরিয়ার বর্তমান মুদ্রাই বহাল থাকবে। দেশটির তেল মন্ত্রণালয় তাদের সব কর্মীকে কাজে যোগ দিতে বলেছে। বলা হয়েছে, তাদের সুরক্ষা দেওয়া হবে।

জাতিসংঘের ত্রাণ বিষয়ক প্রধান টম ফ্লেচার রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, তারা মানুষের পাশে থাকবেন। রিসেপশন সেন্টারে খাবার, জল, জ্বালানি, টেন্ট, কম্বল দেওয়া হবে।

 

সবা:স:জু-২৮৪/২৪

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রিজাইডিং অফিসার সহ ২ জনের মৃত্যু

শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রিজাইডিং অফিসার সহ ২ জনের মৃত্যু

মিজানুর রহমানঃ শেরপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করতে আসার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় এক সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারসহ ২ জন নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর-জামালপুর আঞ্চলিক সড়কের চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের শিমুলতলী এলাকায় একটি মিনি ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে রোকনুজ্জান রুকন (৩২) শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এনভায়রনমেন্ট টেকনোলজি বিভাগের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর ও অপরজন মাহফুজা খাতুন (২০)। সে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার কাতলামারি গ্রামের নিরবের স্ত্রী। নিহত রুকনুজজামান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। তার বাড়ি জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলায়।দুর্ঘটনায় আহত পাঁচজনকে উদ্ধার করে শেরপুর সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রোকনুজ্জান

আরও পড়ুন
language Change