তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
চাঁদা না পেয়ে ‘হামলা নাটক’ উদ্ধারকারীকে প্রধান আসামি করে মামলা! ভিড়ের সুযোগে অসদাচরণ ও ভুল বোঝাবুঝি সিন্দুকছড়ি জোনের তত্ত্বাবধানে স্কুল ছাত্রীদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে অনু্ষ্ঠিত উত্তাল উত্তরণ ও নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ বিচারের আগে আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না পবিত্র রমজান উপলক্ষে ইফতার সামগ্রী বিতরণ শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ কলেজের তিন শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত নকল প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না সাউথ লন্ডন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে উপহার বিতরণ রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম চড়া প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু রাজনৈতিক প্রভাবের ছায়ায় গ্রাম পুলিশ নিয়োগ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী চাঁপাইনবাবঞ্জে কালেক্টর গ্রিন ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব তেঁতুলিয়াতে গড়ে উঠেছে টিউলিপ গ্রাম সবচেয়ে বেশি মন্ত্রী পেল যে বিভাগ শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা নায়িকাদের চেয়ে নায়কদের সঙ্গেই স্বচ্ছন্দ জন আব্রাহাম জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা সৈকতে ভেসে এলো তরুণ-তরুণীর মরদেহ রোজায় যেসব বিষয় মেনে চলবেন হরমুজ প্রণালির কিছু অংশ বন্ধ করল ইরান ঝাড়ু হাতে রাস্তা পরিষ্কারে জামায়াত আমির আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু কবে হচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন? শেরপুরের ঝিনাইগাতী দুধনই তালতলা নাইট ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত!  শহীদ দিবস উপলক্ষে ঝিনাইগাতীতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন নবনির্বাচিত এমপি হামিদুর রহমান দীঘিনালা জোনে ‘দি বেবী টাইগার্স’-এর ৬৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন খুনের অভিযোগ পাকিস্তানি ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে বিজিবির অভিযানে অবৈধ সিরাপসহ আটক ১ মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাননি বিএনপির যে জ্যেষ্ঠ নেতারা ৩৭ দেশে যেতে পারবেন ভিসা ছাড়াই বাংলাদেশিরা সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে রামগড়ে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজনে রমজান উপলক্ষে মতবিনিময় সভা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন তারেক রহমান মেট্রোরেল চলাচলে নতুন নির্দেশনা অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহন: ৫ জনকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড মন্ত্রিসভায় ডাক পেলেন যারা নতুন মন্ত্রিসভার শপথ : ২৫ পূর্ণ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী শপথ নিলেন এনসিপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান স্টার আইকন লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পেলেন মৌমিতা তন্বী ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা শুরু করলো নতুন সরকার সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান শপথ অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা ও জাইমা শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট পিরোজপুরে বিএনপির আহ্বায়কের ওপর হামলা বরগুনার সংরক্ষিত মহিলা আসনে আলোচনার শীর্ষে আসমা আজিজ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন জাহাঙ্গীর শিকদার

ফুটপাতে চাঁদাবাজি চলছেই

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥
রাজধানীর ফুটপাতগুলোতে চাঁদাবাজি ক্রমেই বাড়ছে। আর এই চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে প্রায়শই ঘটছে সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের মতো মর্মান্তিক ঘটনা। তথাপি ফুটপাথ থেকে দোকানপাট তুলতে এবং চাঁদাবাজি বন্ধ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না সিটি করপোরেশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানীর ফুটপাতগুলো থেকে বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা চাঁদা আদায় হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফুটপাথের এক দোকানদারের অভিযোগ, এই চাঁদাবাজির ভাগ-বাটোয়ারায় রাজনৈতিক প্রভাবশালী নেতাদের সাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্পৃক্ততা রয়েছে। তারা সরাসরি চাঁদা না নিলেও কৌশলে হাজার কোটি টাকা যাচ্ছে তাদের কাছে। আর এই অর্থ খোদ ব্যবসায়ী সমিতির মাধ্যমে ওইসব প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কতিপয় সদস্যের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এ কারণে সম্প্রতি নিউমার্কেট এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হলেও, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ২০১৬ সালে ‘দ্য স্টেট অব সিটিজ ২০১৬ : ট্রাফিক কনজেশন ইন ঢাকা সিটি-গভর্ন্যান্স পারসপেক্টিভ’ শিরোনামে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ফুটপাতের হকারদের কাছ থেকে বছরে ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা চাঁদা আদায় হয়, যা ওই সময়ে দুই সিটি করপোরেশনের মোট বাজেটের চেয়ে বেশি ছিল। আর প্রতিদিন চাঁদা আদায় হয় ৬০ কোটি টাকারও বেশি। ওই গবেষণায় বলা হয়, ঢাকায় তখন মোট হকারের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ। আর প্রতি হকারের কাছ থেকে গড়ে তখন প্রতিদিন ১৯২ টাকা চাঁদা আদায় করা হতো। ওই গবেষক দলের প্রধান ছিলেন ড. মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ। তিনি এখন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির গ্লোবাল স্টাডিজ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। তিনি জানান, হকারদের সংখ্যা তারা সংবাদমাধ্যম থেকে নিয়ে পরে যাচাই করে নিশ্চিত হয়েছেন। আর চাঁদার পরিমাণ জেনেছেন সরেজমিন কাজ করে। হকারদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করেছেন তারা।

তিনি আরো বলেন, ‘নতুন করে কোনো গবেষণা না হলেও পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, এখন হকার বেড়েছে। চাঁদার আকারও বেড়েছে। আর আগের অবস্থাই বহাল আছে। পুলিশ, রাজনৈতিক নেতা ও লাইনম্যানরাই এখনো ফুটপাথের চাঁদা নিয়ন্ত্রণ করে।’

অন্যদিকে নিউমার্কেট এলাকার চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘পুলিশের চাঁদাবাজির তথ্য সঠিক নয়। যারা এমন অভিযোগ করেছেন, তারা মিথ্যা বলেছেন। সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত হলে আধা ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীর সব ফুটপাথ সরানো সম্ভব।

হকার লীগের সভাপতি , এখন ঢাকা শহরে সাড়ে তিন লাখ হকার আছেন। তাদের কাছ থেকে সর্বনিম্ন প্রতিদিন ২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ এক হাাজার টাকা নেওয়া হয়। এটা এলাকা ও আকারের ওপর নির্ভর করে। গড়ে কমপক্ষে ৩০০ টাকা চাঁদা আদায় হয় প্রতিদিন প্রতিজন হকারের কাছ থেকে। আর ঈদের আগের এক মাস এই রেট বেড়ে যায়। তার হিসাব সঠিক ধরে নিলে ঢাকায় প্রতিদিন এখন হকারদের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়া হয় ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বছরে তিন হাজার ৭৮০ কোটি টাকা।

তিনি আরো জানান, ঢাকার নিউমার্কেট ও আশপাশের এলাকায় মোট পাঁচ হাজার হকার আছে। এখান থেকে প্রতিদিন চাঁদা আসে কমপক্ষে ১৫ লাখ টাকা। তাই এখানে একদিন দোকান বা ফুটপাথ বন্ধ থাকলে যারা এই চাঁদা নেন তাদের বিরাট ক্ষতি।

জানা গেছে, একজন লাইনম্যানের অধীনে একটি করে ‘ফুট’ থাকে। একটি ফুটে সার্বোচ্চ ৩০০ হকার বসতে পারেন। তাদের একটি করে চৌকির জায়গা (দুই হাত বাই চার হাত) বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে ফুটপাত ছাড়াও সরসরি রাস্তায়ও হকারদের বসতে দেওয়া হয়। আর আছে ভ্রাম্যমাণ বরাদ্দ।

হকার নেতা আবুল কাসেম বলেন, কতিপয় পুলিশ এটার মূল নিয়ন্ত্রক। তাই এটা বন্ধ করা সহজ নয়। ফুটপাত থাকলে চাঁদাবাজিও থাকবে।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য চেষ্টা করেও ডিএমপির রমনা জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার সাজ্জাদ হোসেনকে পাওয়া যায়নি।

তবে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) মো. কামরুজ্জামান বলেন, ফুটপাত থেকে চাঁদা তোলা বা যে কোনো রকম চাঁদাবাজি স্পষ্টতই একটি দুর্নীতি এবং গর্হিত অপরাধ। এ ধরনের কোনো অপরাধের প্রমাণ পেলেই আমরা ব্যবস্থা নেই। এখানে কোনো ছাড় দেওয়ার অবকাশ নেই।

তিনি আরো জানান, যারা অভিাযোগ করেন তারা যদি প্রমাণ ও তথ্য উপাত্তসহ অভিযোগ করেন তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দোষ প্রমাণ হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়া চলমান আছে।

ফুটপাতে চাঁদার অভিযোগ এবং উচ্ছেদ অভিযান সম্পর্কে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. রাসেল সাবরিন জানান, ফুটপাতে অবৈধ দখল এবং উচ্ছেদ নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি স্থানীয়দেরকেও এগিয়ে আসতে হবে। ফুটপাতে অবৈধ দোকান উচ্ছেদে সবার দায়বদ্ধতা রয়েছে। সিটি কর্পোরেশন একা তো পারবে না। আমরা সকালে অভিযান পরিচালনা করলেও বিকেলেই নতুন করে এসব দোকান গড়ে ওঠে। আমাদের মাত্র দুইজন নির্বাহী মাজিস্ট্রেট থাকায় চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত অভিযান পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না। বিভিন্ন খাল উদ্ধার এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতেই বেশির ভাগ সময় যাচ্ছে আমাদের কর্মকর্তাদের। এ ক্ষেত্রে আমাদের জনবল সংকট রয়েছে। প্রতিবন্ধকতা অনেক রয়েছে তবুও আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

অভিযান পরিচালনার পরেও নতুন করে কিভাবে এসব দোকান পুনরায় বসছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের কাছে চিহ্নিত কোনো চাঁদাবাজ বা অবৈধ স্থাপনা পুনরায় কারা বসাচ্ছেন এমন তথ্য নেই। তবে আমরা আমাদের জায়গা থেকে কাজ করে যাচ্ছি। রমজান মাসে সাধারণত উচ্ছেদ অভিযান কম বের হয় তবুও আমরা নিয়মিত নানা জায়গায় অভিযোগ পরিচালনা করছি।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান জানান, আমরা একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছি কিন্তু ফলাফল দাঁড়িয়েছে সকালে উচ্ছেদ করলেও বিকেলে তারা বসেছে আবার বিকেলে উচ্ছেদ করলে রাতেই ফুটপাত দখলে চলে যায়। সামগ্রিক এই সমস্যা সমাধানে স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা এবং সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা এবং সদিচ্ছা প্রয়োজন বলে জানান তিনি। তবে আশার কথা হলো, এ জাতীয় সমস্যা নিরসনে আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি।

পুলিশি জটিলতা এবং ভয়ভীতির কারণে অনেক হকারই মুখ খুলতে পারেন না বা উপর মহলে অভিযোগ জানাতে পারেন না, সে ক্ষেত্রে কি করণীয় এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, আমাদের কোনো স্তরে এ জাতীয় সমস্যা হলে তারা সরাসরি সংশ্লিষ্ট থানায় অথবা জরুরি সেবায় কল করেও সহায়তা নিতে পারেন। তা ছাড়া আমাদের সব কর্মকর্তার চেইন অব কমান্ড মেইনটেইন করতে হয়, এ ক্ষেত্রে এ জাতীয় সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তাছাড়া এ ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনা এড়াতে মাঠ পর্যায়েও আমাদের টিম কাজ করছে।’

 

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

প্রতিষেধকের অভাবে সেলিম মাদবরের মৃত্যু

আজিজুর রহমান বাবু, শরীয়তপুর প্রতিনিধি: রাসেল ভাইপার একটি বিষধর সাপ। যার কামড়ে সুচিকিৎসা না পেলে রোগীর মৃত্যু অবধারিত। এই সাপের কামড়ের পরবর্তী ১০০ মিনিটের মধ্যে ” এন্টি ভেনাম ” ইনজেকশনটি প্রয়োগ করলে রোগীর জীবন রক্ষা সম্ভব হতে পারে। এখন কথা হচ্ছে – এই ইনজেকশনটি নেই কেন ? এমন গুরুত্বপূর্ণ ইনজেকশনের ঘাটতি কেন হবে ? কারা নজরদারি করবেন ? তাঁদের কী কোন দায় নেই ? যদিও সরকারী হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে পাওয়ার কথা ছিল কিন্তু শরীয়তপুর জেলার কোথাও এন্টিভেনাম ইনজেকশনটি পাওয়া গেলো না । যে পরিবার থেকে তাঁদের প্রিয় মানুষটি এভাবে চলে যায়, একমাত্র তাঁরা ই উপলব্ধি করতে পারবেন… শূন্যতা কী? সারাজীবনের অর্জিত সম্পদ শেষ বয়সে স্ত্রী পুত্র কন্যা নিয়ে উপভোগ করবেন, কত সাধ আহলাদ ছিল মনে – সব যেনো

আরও পড়ুন
language Change