তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
কেশবপুর প্রেসক্লাবে ক্রীড়া প্রতিযোগিদের পুরস্কার বিতরণ ধর্ষণ-হত্যার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠল চাটখিল বরগুনা জেলায় পরিষদ প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি নিষিদ্ধ সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগ নেতা মুহাম্মদ এয়াকুবের দাম্ভিকতা আদালতের হাজতখানায় স্ত্রীসহ আসামি সোহেল রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন বিস্ফোরক ও ভাঙচুর মামলায় আওয়ামী লীগের ২ নেতা কারাগারে রামগড়ে ওপেন হাউজ ডে পালিত শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী উপজেলাবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা মেজর মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান ঈদ উপলক্ষে রাজধানী ছাড়ছে ঘরমুখো মানুষ দেশের উৎপাদিত গরু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানোর লক্ষ্য: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষে নিহত ৫ চায়না বিএনপিতে হাইব্রিড অনুপ্রবেশ আতঙ্ক ‎ইউপি চেয়ারম‍্যান যেনো দুর্নীতির কারখানা দেশের রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট ঈদ শান্তিপূর্ণ উদযাপনে মাঠে র‌্যাব-পুলিশ-বিজিবি ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ঝড়ে গাছচাপায় বৃদ্ধার মৃত্যু কালীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা: ঈদে যানজট নিয়ন্ত্রণ ঠেকাতে কড়া নির্দেশ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের সেরা কৃষি উদ্যোক্তা পুরস্কার পেলেন আব্দুল কাদির গুলিস্তানে হাতাহাতি করা ২ কনস্টেবল সাময়িক বরখাস্ত হামের রোগীদের দায়িত্বরত ডাক্তার ও নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল আজ থেকে প্রাথমিকে টানা ১৫ দিনের ছুটি ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে যাচ্ছেন যিনি ডিপিডিসির প্রকৌশলী মোহাম্মদ আতাউর কবির কাজে দুই লাখ টাকা ‘ঘুষ’ দাবী! না বুঝেই ব্রাজিল সাপোর্ট করি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ বাবার খনন করা খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১০ নজরুল আমাদের সকল মানুষের কবি: আব্দুস সালাম মার্টিনেজকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল আর্জেন্টিনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিজিবির অভিযান বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩ দ্রুত বিচার না হলে অপরাধ বাড়বে : ব্যারিস্টার খোকন পশুর হাটে দুম্বা, দাম হাঁকা হচ্ছে ৪-৫ লাখ এমডির সেল্টারে জিইএমকোতে ১৫ কোটি টাকার স্ক্র্যাপ ৩ কোটিতে বিক্রি রামিসা হত্যা: ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পাওয়া যাবে আজ নিজ মাঠে হারলো সদ্যপুস্করিনী যুব স্পোর্টিং ক্লাব সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে সংবাদ সম্মেলন নদীবন্দর এলাকায় বজ্রসহ ঝড়ের আভাস শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল সিরাজগঞ্জ সুন্দরবনে অভিযানে জলদস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা ২১ জেলে এবং অস্ত্র উদ্ধার ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা চীনে কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৮ ঈদযাত্রায় ট্রেনে সিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই ইলেকট্রিক গাড়ি প্রদর্শনী ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে সোয়া ৩ কোটি টাকার টোল আদায় ‎দীর্ঘ ৩৮ বছরের শিক্ষকতার অবসান নলডাঙ্গায় ঘোড়ার গাড়িতে শিক্ষকের রাজকীয় বিদায়

ফুটপাতে চাঁদাবাজি চলছেই

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥
রাজধানীর ফুটপাতগুলোতে চাঁদাবাজি ক্রমেই বাড়ছে। আর এই চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে প্রায়শই ঘটছে সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের মতো মর্মান্তিক ঘটনা। তথাপি ফুটপাথ থেকে দোকানপাট তুলতে এবং চাঁদাবাজি বন্ধ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না সিটি করপোরেশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানীর ফুটপাতগুলো থেকে বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা চাঁদা আদায় হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফুটপাথের এক দোকানদারের অভিযোগ, এই চাঁদাবাজির ভাগ-বাটোয়ারায় রাজনৈতিক প্রভাবশালী নেতাদের সাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্পৃক্ততা রয়েছে। তারা সরাসরি চাঁদা না নিলেও কৌশলে হাজার কোটি টাকা যাচ্ছে তাদের কাছে। আর এই অর্থ খোদ ব্যবসায়ী সমিতির মাধ্যমে ওইসব প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কতিপয় সদস্যের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এ কারণে সম্প্রতি নিউমার্কেট এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হলেও, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ২০১৬ সালে ‘দ্য স্টেট অব সিটিজ ২০১৬ : ট্রাফিক কনজেশন ইন ঢাকা সিটি-গভর্ন্যান্স পারসপেক্টিভ’ শিরোনামে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ফুটপাতের হকারদের কাছ থেকে বছরে ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা চাঁদা আদায় হয়, যা ওই সময়ে দুই সিটি করপোরেশনের মোট বাজেটের চেয়ে বেশি ছিল। আর প্রতিদিন চাঁদা আদায় হয় ৬০ কোটি টাকারও বেশি। ওই গবেষণায় বলা হয়, ঢাকায় তখন মোট হকারের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ। আর প্রতি হকারের কাছ থেকে গড়ে তখন প্রতিদিন ১৯২ টাকা চাঁদা আদায় করা হতো। ওই গবেষক দলের প্রধান ছিলেন ড. মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ। তিনি এখন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির গ্লোবাল স্টাডিজ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। তিনি জানান, হকারদের সংখ্যা তারা সংবাদমাধ্যম থেকে নিয়ে পরে যাচাই করে নিশ্চিত হয়েছেন। আর চাঁদার পরিমাণ জেনেছেন সরেজমিন কাজ করে। হকারদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করেছেন তারা।

তিনি আরো বলেন, ‘নতুন করে কোনো গবেষণা না হলেও পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, এখন হকার বেড়েছে। চাঁদার আকারও বেড়েছে। আর আগের অবস্থাই বহাল আছে। পুলিশ, রাজনৈতিক নেতা ও লাইনম্যানরাই এখনো ফুটপাথের চাঁদা নিয়ন্ত্রণ করে।’

অন্যদিকে নিউমার্কেট এলাকার চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘পুলিশের চাঁদাবাজির তথ্য সঠিক নয়। যারা এমন অভিযোগ করেছেন, তারা মিথ্যা বলেছেন। সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত হলে আধা ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীর সব ফুটপাথ সরানো সম্ভব।

হকার লীগের সভাপতি , এখন ঢাকা শহরে সাড়ে তিন লাখ হকার আছেন। তাদের কাছ থেকে সর্বনিম্ন প্রতিদিন ২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ এক হাাজার টাকা নেওয়া হয়। এটা এলাকা ও আকারের ওপর নির্ভর করে। গড়ে কমপক্ষে ৩০০ টাকা চাঁদা আদায় হয় প্রতিদিন প্রতিজন হকারের কাছ থেকে। আর ঈদের আগের এক মাস এই রেট বেড়ে যায়। তার হিসাব সঠিক ধরে নিলে ঢাকায় প্রতিদিন এখন হকারদের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়া হয় ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বছরে তিন হাজার ৭৮০ কোটি টাকা।

তিনি আরো জানান, ঢাকার নিউমার্কেট ও আশপাশের এলাকায় মোট পাঁচ হাজার হকার আছে। এখান থেকে প্রতিদিন চাঁদা আসে কমপক্ষে ১৫ লাখ টাকা। তাই এখানে একদিন দোকান বা ফুটপাথ বন্ধ থাকলে যারা এই চাঁদা নেন তাদের বিরাট ক্ষতি।

জানা গেছে, একজন লাইনম্যানের অধীনে একটি করে ‘ফুট’ থাকে। একটি ফুটে সার্বোচ্চ ৩০০ হকার বসতে পারেন। তাদের একটি করে চৌকির জায়গা (দুই হাত বাই চার হাত) বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে ফুটপাত ছাড়াও সরসরি রাস্তায়ও হকারদের বসতে দেওয়া হয়। আর আছে ভ্রাম্যমাণ বরাদ্দ।

হকার নেতা আবুল কাসেম বলেন, কতিপয় পুলিশ এটার মূল নিয়ন্ত্রক। তাই এটা বন্ধ করা সহজ নয়। ফুটপাত থাকলে চাঁদাবাজিও থাকবে।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য চেষ্টা করেও ডিএমপির রমনা জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার সাজ্জাদ হোসেনকে পাওয়া যায়নি।

তবে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) মো. কামরুজ্জামান বলেন, ফুটপাত থেকে চাঁদা তোলা বা যে কোনো রকম চাঁদাবাজি স্পষ্টতই একটি দুর্নীতি এবং গর্হিত অপরাধ। এ ধরনের কোনো অপরাধের প্রমাণ পেলেই আমরা ব্যবস্থা নেই। এখানে কোনো ছাড় দেওয়ার অবকাশ নেই।

তিনি আরো জানান, যারা অভিাযোগ করেন তারা যদি প্রমাণ ও তথ্য উপাত্তসহ অভিযোগ করেন তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দোষ প্রমাণ হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়া চলমান আছে।

ফুটপাতে চাঁদার অভিযোগ এবং উচ্ছেদ অভিযান সম্পর্কে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. রাসেল সাবরিন জানান, ফুটপাতে অবৈধ দখল এবং উচ্ছেদ নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি স্থানীয়দেরকেও এগিয়ে আসতে হবে। ফুটপাতে অবৈধ দোকান উচ্ছেদে সবার দায়বদ্ধতা রয়েছে। সিটি কর্পোরেশন একা তো পারবে না। আমরা সকালে অভিযান পরিচালনা করলেও বিকেলেই নতুন করে এসব দোকান গড়ে ওঠে। আমাদের মাত্র দুইজন নির্বাহী মাজিস্ট্রেট থাকায় চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত অভিযান পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না। বিভিন্ন খাল উদ্ধার এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতেই বেশির ভাগ সময় যাচ্ছে আমাদের কর্মকর্তাদের। এ ক্ষেত্রে আমাদের জনবল সংকট রয়েছে। প্রতিবন্ধকতা অনেক রয়েছে তবুও আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

অভিযান পরিচালনার পরেও নতুন করে কিভাবে এসব দোকান পুনরায় বসছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের কাছে চিহ্নিত কোনো চাঁদাবাজ বা অবৈধ স্থাপনা পুনরায় কারা বসাচ্ছেন এমন তথ্য নেই। তবে আমরা আমাদের জায়গা থেকে কাজ করে যাচ্ছি। রমজান মাসে সাধারণত উচ্ছেদ অভিযান কম বের হয় তবুও আমরা নিয়মিত নানা জায়গায় অভিযোগ পরিচালনা করছি।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান জানান, আমরা একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছি কিন্তু ফলাফল দাঁড়িয়েছে সকালে উচ্ছেদ করলেও বিকেলে তারা বসেছে আবার বিকেলে উচ্ছেদ করলে রাতেই ফুটপাত দখলে চলে যায়। সামগ্রিক এই সমস্যা সমাধানে স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা এবং সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা এবং সদিচ্ছা প্রয়োজন বলে জানান তিনি। তবে আশার কথা হলো, এ জাতীয় সমস্যা নিরসনে আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি।

পুলিশি জটিলতা এবং ভয়ভীতির কারণে অনেক হকারই মুখ খুলতে পারেন না বা উপর মহলে অভিযোগ জানাতে পারেন না, সে ক্ষেত্রে কি করণীয় এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, আমাদের কোনো স্তরে এ জাতীয় সমস্যা হলে তারা সরাসরি সংশ্লিষ্ট থানায় অথবা জরুরি সেবায় কল করেও সহায়তা নিতে পারেন। তা ছাড়া আমাদের সব কর্মকর্তার চেইন অব কমান্ড মেইনটেইন করতে হয়, এ ক্ষেত্রে এ জাতীয় সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তাছাড়া এ ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনা এড়াতে মাঠ পর্যায়েও আমাদের টিম কাজ করছে।’

 

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

‍”খেলা শুরু করছো তোমরা, শেষ করবো আমরা”

স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা থেকে গ্রেফতার হওয়া চট্টগ্রামের আলোচিত ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদ হোসেনকে নিয়ে তার স্ত্রী তামান্না শারমিনের দেওয়া এক ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ৫৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে তামান্নাকে আত্মবিশ্বাসী ও উৎফুল্ল ভঙ্গিতে বলতে শোনা যায়, “কাড়ি কাড়ি, বান্ডিল বান্ডিল টাকা ছেড়ে আমার জামাইকে নিয়ে আসবো।” এছাড়া, প্রতিপক্ষ গ্রুপকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “খেলা শুরু করছো তোমরা, শেষ করবো আমরা।” ভিডিওতে ব্রাউন চুল ও লাল রঙের জামা পরা তামান্নাকে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখা গেছে। ভিডিওর শেষ পর্যায়ে তিনি সাজ্জাদের মুক্তির জন্য সমর্থকদের দোয়া চেয়ে বলেন, “আমার জামাই গতকাল (শনিবার) রাতে অ্যারেস্ট হইছে, এ নিয়ে এত হইহুল্লোড় করার কিছু নাই। মামলা যখন আছে, অ্যারেস্ট হবেই। এগুলা নিয়ে টেনশন করে, দুঃখ প্রকাশ করে, কান্নাকাটি করার কিছু নাই।” তিনি আরও বলেন, “আপনারা যারা ভাবতেছেন,

আরও পড়ুন
language Change