তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
মন্ত্রিসভা বৈঠকে স্বচ্ছতা ও জনসেবা নিশ্চিতে কঠোর নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর হত্যাচেষ্টা মামলায় বৈষম্যবিরোধী নেতা রিয়াদ রিমান্ডে ফুরিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মিসাইল, ইরানে কতদিন যুদ্ধ চালাতে পারবে অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায় মাওলানা ফয়জুল হাসান ময়লার বিল বেঁধে দিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এক অটোরিকশায় ফিরল একটি পরিবারের সচ্ছলতা রায়গঞ্জে পুকুর দখল নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ২ কুমিল্লার জাঙ্গালীয়ার পিডিবির ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ দুর্নীতির অভিযোগ রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল কুয়াকাটায় গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার চাঁপাইনবাবগঞ্জ কামিল মাদ্রাসার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় পণ্য জব্দ! খাগড়াছড়িতে খুচরা সার বিক্রেতাদের স্মারকলিপি প্রদান পটুয়াখালীতে যৌথ অভিযানে নকল সিগারেট জব্দ টানা ১২ দিন ছুটি পেতে পারেন সরকারি চাকরিজীবীরা মৎস্য অধিদপ্তরের জলবায়ু প্রকল্পে হরিলুট: পিডি জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়! ‘তাজুল সাম্রাজ্য’: কোটি টাকার রাজস্ব গিলে খাওয়ার রোমহর্ষক ফিরিস্তি মন্ত্রিপরিষদে সভা অনুষ্ঠিত ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অর্থ সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিশেষ অভিযানে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার মৌলভীবাজারে বিশেষ অভিযানে ভারতীয় জিরা ও ট্রাক জব্দ নকলায় নবনির্বাচিত এমপিকে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা ডাকাতি মামলার আসামির পক্ষ নিল যমুনা ওয়েলের জিএম এইচ আর ও বাঘাবাড়ি ডিপো ইনচার্জ সহকারী প্রকৌশলীর দিকে সড়কে জনদুর্ভোগের অভিযোগ বনলতা ল্যান্ডমার্কে অন্ধকারের জাল: শেয়ার দখল, কোটি টাকার লেনদেন ও ‘হুমকির রাজনীতি লোটাস কামালের ব্যবসায়িক পার্টনার নোমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা শ্রমমন্ত্রী দায়িত্বে অবহেলা করলে ছাড় নয়: ধর্মমন্ত্রী সব কিছু ঠিকঠাক মনে হচ্ছিল না : সুনেরাহ মশার কয়েল থেকে ঘরে আগুন, দগ্ধ হয়ে নারীর মৃত্যু ১৩ বছর পর ফাইনালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ বৃষ্টি নিয়ে যে বার্তা দিলো আবহাওয়া অফিস রমজানে শয়তান বন্দি, তবু গোনাহ কেন? অটিজম নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বিপাকে তিশা সৌদি আরবে সিআইএর স্টেশনে হামলা ৬ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক অভিযানে মাদকসহ আটক ৫ রামগড়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় করেন বিভাগীয় কমিশনার চাঁপাইনবাবগঞ্জে সকল মানুষকে নিয়ে কাজ করতে চাই-নূরুল ইসলাম বুলবুল মানবিক সহায়তায় সিন্দুকছড়ি জোন অফিসে উপস্থিতি নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের নতুন নির্দেশনা স্বর্ণের দামে এলো বড় সুখবর আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব সাংবাদিক দিদারুল আলমের মায়ের জানাজা আজ বাদ জোহর আটকা পড়া প্রবাসীদের আনতে দুবাই যাচ্ছে বিশেষ ফ্লাইট দেশজুড়ে অবৈধ আবাসন প্রকল্পের ছড়াছড়ি ফের রং বদলাতে চান তারেক রহমানের মামলার বাদী আমিন আহমেদ পাথরঘাটায় জবাই করা হরিণসহ শিকারি আটক অতীতের কোন সরকার গণমাধ্যমকে শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তুলেনি : বিএমএসএফ ঝিনাইগাতীতে অদম্য নারী পুরস্কার পেল নাসরিন বেগম শ্রীমঙ্গলে জগদ্বন্ধু আশ্রম পরিদর্শনে ভারতের সহকারী হাইকমিশনার

প্রধানমন্ত্রী পদ ও সরকারের মেয়াদ নিয়ে বিএনপির আপত্তি

পাঠক সংখ্যা
638

রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সংস্কারের উদ্যোগ নেয় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। কিন্তু এই উদ্যোগের মাঝপথে এসে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতবিরোধ দেখা যাচ্ছে কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে।

বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী পদে একই ব্যক্তির দুই বারের বেশি না আসা, প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধানের পদে একইসঙ্গে না থাকা, সরকারের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে চার বছরে কমিয়ে আনার মতো প্রধান কয়েকটি সংস্কার প্রস্তাবনার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে বিএনপি।

গত রোববার (২৩ মার্চ) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে জমা দেয়া প্রতিবেদনে এই বিষয়গুলোয় আপত্তির কথা জানায় দলটি।

মূলত বিএনপির ওই প্রস্তাব ঘিরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনীতির মাঠে এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা দেখা যায় বলে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বিএনপির যুক্তি হলো, একটানা দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী পদে কোনো এক ব্যক্তির না থাকার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তবে তিনি দুই মেয়াদের পর বাকি জীবনে আর কখনো এই পদে আসতে পারবেন না–– এরকম বিধান করা ঠিক হবে না।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের সংবিধানে সুনির্দিষ্ট করে প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ না থাকার কারণে টানা চার মেয়াদ ক্ষমতা আঁকড়ে ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ক্ষমতায় থেকে তিনি দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে নানা প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন, অন্যদিকে নিজের ক্ষমতাকেই পাকাপোক্ত করেছেন।

যে কারণে বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদের বিষয়টি আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যে কেউ ক্ষমতায় গিয়ে স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. আব্দুল আলীম বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘কোনো সময়সীমা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদের শাসন আটকানো না গেলে একদিকে যেমন স্বৈরাচারী সিস্টেম বদল করা যাবে না, অন্যদিকে রাজনীতিতে নেতৃত্বের বিকাশও ঘটবে না।’

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর সংস্কার কমিশনগুলো এইসব প্রস্তাব চূড়ান্ত করে বলে জানানো হয়।এখন বিএনপির আপত্তির কারণে এক ব্যক্তির দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী পদে থাকা ও চার বছর মেয়াদের সরকারের মতো বিষয়গুলো সংস্কারে আটকে যেতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যদিও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ‘এটা আমাদের দলগত সিদ্ধান্ত। তবে আমরা সব সময় উইন্ডো ওপেন রেখেছি যে আমরা আলাপ-আলোচনার মধ্যে দিয়ে যৌক্তিকভাবে যে কোনো কিছুই আমরা মেনে নেবো।’

এই সংস্কারের পেছনে যুক্তি কী?
বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সংস্কারে উদ্যোগ এর আগেও নেওয়া হয়েছিল ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে।

তবে পরের বছর ডিসেম্বরে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনা সরকার গঠন করার পরই আদালতের রায়ের মাধ্যমে বাতিল করা হয় নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা।

এরপর দলীয় সরকারের অধীনে তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। প্রতিবারই ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ, আর প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা সরকারে থাকা অবস্থায় প্রায় তিন দশকে বাংলাদেশে একের পর এক বিতর্কিত নির্বাচন আয়োজন করা হয়।

গত বছরের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত সংস্কার কমিশনগুলো রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে নানা পরামর্শও নেয়।

পরে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন, বিচার বিভাগ ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশ স্প্রেডশিটে ছক আকারে দিয়ে দলগুলোর মতামত চেয়েছিল জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

এর মধ্যে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব ছিল এক ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি কখনো প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না।

বর্তমানে বাংলাদেশের সংবিধানে প্রধানমন্ত্রী পদের কোনো সুনির্দিষ্ট মেয়াদ নেই। সেই সঙ্গে একটানা কতদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে সে বিষয়টিও বেঁধে দেয়া নাই বাংলাদেশের সংবিধানে।

ফলে শেখ হাসিনা টানা ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকার পর তাকে স্বৈরাচার তকমা নিয়ে ক্ষমতাচ্যুত হতে হয় পদ থেকে।

বিএনপি গত রোববার সংস্কার কমিশনের কাছে যে প্রস্তাব করেছে সেখানে তারা নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী পদ ও সরকারের মেয়াদ নিয়ে বিএনপির আপত্তি কেন?

তবে বিএনপি একটানা দুই মেয়াদের বেশি ক্ষমতায় থাকার বিষয়েও আপত্তি জানিয়েছে ঐকমত্য সংস্কার কমিশনের কাছে।

কেন সংস্কার কমিশন প্রধানমন্ত্রী পদে দুই মেয়াদে বেঁধে দিতে চাইছেন তার একটি যুক্তিও বিবিসি বাংলাকে তুলে ধরেন সংস্কার কমিশনের সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. আব্দুল আলীম।

‘নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানো কিংবা ক্ষমতা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থায় গণতন্ত্র ফেরানোর জন্যই অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের পরামর্শে দুই মেয়াদ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার বিষয়টি যুক্ত করেছে সংস্কার কমিশন।’

দুই মেয়াদে বিএনপির আপত্তি কেন?
ঐকমত্য কমিশনের কাছে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতায় ভারসাম্য আনা, উপরাষ্ট্রপতি ও উপপ্রধানমন্ত্রী পদ সৃজনসহ ৬২টি সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে বিএনপি।

ওই সুপারিশ জমা দেয়ার পর বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, তারা চান যে টানা তিন মেয়াদ কেউ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। তবে এক মেয়াদ বাদ দিয়ে আবারও প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হওয়া যাবে।

বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদের ক্ষেত্রেও দুই মেয়াদ সময় বেঁধে দেয়া আছে। শুধু প্রধানমন্ত্রী পদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ বলা বলা নাই।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘আমাদের প্রস্তাবনা পরপর দুই বার যদি কেউ প্রধানমন্ত্রী হন তাহলে তাকে একবার গ্যাপ (বিরতি) দিতে হবে। তারপর আবার প্রধানমন্ত্রী হতে বাধা নেই।’

‘এটাকে অনেকে মনে করতে পারে আমরা লাইফ টাইমে দুইবারের কথা বলেছি। বিষয়টা তেমন না। তার মানে পরপর তিনবার কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না,’ যোগ করেন তিনি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ অবশ্য মনে করেন কোনো দলের মধ্যে যদি অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চা বজায় থাকে অন্যদিকে শতভাগ নিরপেক্ষ ভোটে যদি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তাহলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে সংস্কার কমিশন বিবেচনা করতে পারে।

নির্বাচন ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মুনিরা খান বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘টানা দুই মেয়াদে একটা প্রধানমন্ত্রী থাকা উচিত না। কিন্তু পরবর্তীকালে সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে যদি কোনো নেতার দল ক্ষমতায় আসে সেই দলের মধ্যে যদি সুষ্ঠু গণতন্ত্র চর্চা থাকে এবং তিনি যদি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে জয়লাভ করেন, তার পদে বসার অধিকার থাকা উচিত।’

যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী পদে এক ব্যক্তি দুই বারের বেশি থাকতে পারেন না।

একই সঙ্গে কেউ প্রধানমন্ত্রী, রাজনৈতিক দলের প্রধান ও সংসদ নেতা হতে পারবেন না বলে সংস্কার কমিশন যে প্রস্তাব দিয়েছে, সে বিষয়েও ভিন্নমত জানিয়েছে বিএনপি। এটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয় বলে মত তাদের।

সরকারের মেয়াদকাল নিয়েও আপত্তি
এক ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ বন্ধ ছাড়া সংস্কার কমিশন যে সুপারিশ প্রস্তুত করেছে সেখানে তারা প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে চার বছর করারও প্রস্তাব করেছে।

বিএনপি ঐকমত্য কমিশনে যে প্রস্তাব জমা দিয়েছে, তাতে তারা সরকার কিংবা প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ নিয়ে দলের পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে চার বছর করারও বিরোধিতা করেছে।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্যের যে প্রস্তাব সেই প্রক্রিয়াতেও সায় নেই দলটির।

কিন্তু বিএনপি কেন সরকারের চার বছর মেয়াদ নিয়ে আপত্তি তুলেছে সেই প্রশ্নও ছিল দলটির নেতাদের কাছে।

জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে যে পাঁচ বছর মেয়াদের বিষয়টি আছে সেটাই স্ট্যান্ডার্ড, আমরা ওভার নাইট পরিবর্তন করে ফেলতে পারবো না।’

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, সরকারের মেয়াদ যদি এক বছর কমানো হয় তাতে দেখা যাবে যে অনেক সরকারই সফলতার সঙ্গে প্রকল্প গ্রহণ, বাস্তবায়ন ও সরকার পরিচালনা করতে পারবে না। কারণ এমন অনেক পরিকল্পনা রয়েছে যেটা বাস্তবায়নের জন্য চার বছর যথেষ্ট সময় পাবে না।

তবে সংস্কার কমিশনের যুক্তি, পাঁচ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। কখনো যদি কোনো সরকার ব্যর্থতার প্রমাণ দেয় তখন সেই সরকারের মেয়াদ শেষ কিংবা তার পতনের জন্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে অপেক্ষা করতে হয়।

ড. আব্দুল আলীম বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘চার বছর যথেষ্ট সময়। সে যদি চায় চার বছরে অনেক কিছু করতে পারে। তাতে অন্য দল বিরক্ত হয় না। সব কিছু বিবেচনায় থেকে আমরা এই ধরনের প্রস্তাব করেছি।’

আর বিশ্লেষক মুনিরা খান বলেন, ‘পাঁচ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। কোনো দল একটানা পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকলে স্বৈরাচারের বীজও বপনের সুযোগ থাকে।’

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ চার নেতা গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের চার নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমত আরা হ্যাপি, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আজিম মো. মাহবুব আলম, কোতোয়ালি থানা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাগর ও মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক তানজিম রহমান আকাশ দেওয়ান। ডিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ধানমন্ডি এলাকা থেকে ইসমত আরাকে গ্রেপ্তার করে ডিবির ওয়ারী বিভাগের একটি দল। অন্যদিকে ডিবির লালবাগ বিভাগের একটি দল রাত ১০টার দিকে কোতোয়ালি এলাকা থেকে মাহবুব আলমকে গ্রেপ্তার করে। এর ঘণ্টাখানেক পর ইসলামপুর এলাকা থেকে সাইফুল

আরও পড়ুন
language Change