তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
প্রকৌশলী মিস্ত্রির লুটপাটে ফোকলা হচ্ছে গণপূর্ত ঢাকায় গেড়ে বসেছেন গণপূর্তের ৬০ প্রকৌশলী রাজধানীর জিম সেন্টার গুলোতে অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনা ৩০ বাংলাদেশিকে রুশ সেনাবাহিনীর কাছে বিক্রির অভিযোগ ২০২৬ বিশ্বকাপে দেখা যাবে একাধিক নতুন নিয়ম কালীগঞ্জে সরকারি ধান সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ দুর্ভোগের চরম সীমায় দক্ষিণ আমিরপুরবাসী মার্কিন প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে যুদ্ধবিরতির পথে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ মায়ের মরদেহে পচন, খোঁজ নেয়নি বুয়েট শিক্ষক ও যুগ্মসচিব সন্তানেরা মালয়েশিয়া দিয়ে শুরু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে ভোট আজ ভক্তদের কথা চিন্তা করেই ছবিটা করেছি সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাধা মোকাবিলায় জিরো টলারেন্স নীতিতে সরকার: তথ্যমন্ত্রী চামড়া সংরক্ষণে সচেতনতার অভাবে ন্যায্য দাম পাননি : বাণিজ্যমন্ত্রী ৩ মাস জন্য সুন্দরবনে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা, খোলা থাকবে করমজল কলাবাগানে ছোট ভাইয়ের আঘাতে বড় ভাই নিহত পদত্যাগ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী  এক সাংসদের জন্য দুই ঘন্টা ফেরী বন্ধ, যাত্রীদের ভোগান্তি ইসলামী ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ আজ শুরু হচ্ছে রামিসা হত্যার বিচার কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সংবাদ সম্মেলনের সময় পরিবর্তন ঈদের ছুটি শেষে রাজধানী মুখী মানুষের ঢল যাত্রা শুরু বাংলাদেশ ইনোভেশন পার্টির বুড়িচংয়ে শিক্ষা ফাউন্ডেশন-বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এর বৃত্তি সনদ প্রদান অনুষ্ঠিত বিসিকে প্রকল্প পরিচালক হাফিজুর রহমান এর অসংতিপূর্ণ টেন্ডার কার্যক্রম! স্বস্তি নিয়ে ঢাকায় ফিরছে মানুষ বিআইডব্লিউটিএ নিয়োগে পরীক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগ দেশটা সবার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাও প্রত্যেকের দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে ইয়াসিন-ফারুক সাম্রাজ্য! উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ভি পি ইকবাল রামগঞ্জে ডিএসএ ইউনাইটেড একাডেমির অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন সাবেক স্বামীর সন্তান অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে চাটখিলে নারী আটক জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর উত্তর আহবায়ক কমিটির অনুমোদন ​ফেসবুকে মন্তব্য কেন্দ্র করে প্রবাসীর বাড়িতে ছাত্রদলের হামলা, পাল্টা মামলায় বাড়ছে আতঙ্ক চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির পৃথক অভিযানে বিপুল মাদকদ্রব্য জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযান চোরাই মোবাইল জব্দ সুন্দরবনে আত্মসমর্পণ করা সুমন বাহিনীর সদস্য অস্ত্রসহ গ্রেফতার ঈদুল আযহা: খাগড়াছড়িতে র‍্যাব-৭-এর নিরাপত্তা জোরদার ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪: অনিয়মের ‘হর্তাকর্তা’ ইকবাল ও নুরুল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মেয়েকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, সাবেক ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার কেশবপুর প্রেসক্লাবে ক্রীড়া প্রতিযোগিদের পুরস্কার বিতরণ ধর্ষণ-হত্যার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠল চাটখিল বরগুনা জেলায় পরিষদ প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি নিষিদ্ধ সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগ নেতা মুহাম্মদ এয়াকুবের দাম্ভিকতা আদালতের হাজতখানায় স্ত্রীসহ আসামি সোহেল রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন বিস্ফোরক ও ভাঙচুর মামলায় আওয়ামী লীগের ২ নেতা কারাগারে রামগড়ে ওপেন হাউজ ডে পালিত শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী উপজেলাবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা মেজর মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান ঈদ উপলক্ষে রাজধানী ছাড়ছে ঘরমুখো মানুষ

দেশজুড়ে অবৈধ আবাসন প্রকল্পের ছড়াছড়ি

দেশজুড়ে অবৈধ আবাসন প্রকল্পের ছড়াছড়ি
পাঠক সংখ্যা
638


মেহাম্মদ মাসুদ॥
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের শিথিলতার সুযোগ নিয়ে রাজধানীসহ সারাদেশে অবৈধভাবে প্রায় দেড় হাজার বেসরকারি আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠেছে। নদী, জলাশয়, আবাদি জমি, বনভূমি, প্লাবনভূমি ও খাস জমি দখল করার পর বালু-মাটি ভরাট করে গড়ে তোলা হয়েছে এসব প্রকল্প।

তবে শেষপর্যন্ত সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তর প্রায় ১০ হাজার একর জমি অবৈধভাবে দখল এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লংঘন করে গড়ে তোলা এসব প্রকল্প চিহ্নিত করেছে।

পরিবেশ অধিদপ্তর এখন এসব অবৈধ প্রকল্পগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং ইতোমধ্যেই কয়েকটি ভেঙে দিয়েছে।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো অনুমোদন ছাড়াই নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জের নলপাথর এলাকায় প্রবাসী পল্লী গ্রুপের আবাসন প্রকল্প, স্বদেশ প্রোপাটিজের স্বর্নালী আবাসন প্রকল্প ও পূর্বাচল আমেরিকান সিটির মতো কিছু বেসরকারি আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠেছে।

রাজধানীর উপকণ্ঠে সরকারের সবচেয়ে বড় আবাসিক প্রকল্প পূর্বাচল নতুন শহরের কাছেই এসব অবৈধ প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, শীতলক্ষ্যা নদীর সাথে যুক্ত বিভিন্ন খাল ভরাট করে প্রকল্পগুলি তৈরি করা হয়েছে। অথচ এই এলাকা রাজধানীর ‘ফ্লাড ফ্লো-জোন’ বা বন্যার পানি নিঃসরণের প্লাবনভূমি হিসেবে নির্ধারিত।

বালু ভরাট করে এ এলাকার খাস জমি ও জলাশয় দখল করার অভিযোগও রয়েছে আলোচিত প্রকল্পগুলির কর্তাদের বিরুদ্ধে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (মনিটরিং এন্ড এনফোর্সমেন্ট) বলেন, ‘গত ২০ বছরে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প কেন্দ্র করে এরকম শতাধিক বেসরকারি ভূইফোঁড় আবাসিক প্রকল্প গড়ে উঠেছে। এগুলোর বেশিরভাগ খাস জমি, জলাশয়, বনভূমি, আবাদি জমি এবং প্লাবনভূমি দখল করে নির্মাণ করা হয়, যা পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫ অনুযায়ী অবৈধ।

‘রাজধানীর চারপাশে এরকম আরও ৪০০ অবৈধ আবাসিক প্রকল্প গড়ে উঠেছে। যাদের বেশিরভাগের অবস্থান রাজধানীর মোহ্ম্মদপুরের বসিলা, আমিনবাজার, কেরানীগঞ্জ, মাওয়া, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, সাভার ও আশুলিয়া ইত্যাদি এলাকায়।

তিনি জানান, ‘পরিবেশ অধিদপ্তর রাজধানীর আশপাশের এলাকায় এরকম প্রায় ৫০০ প্রকল্পের তালিকা করেছে। ইতোমধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের কয়েকজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে বেশ কয়েকটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তারা সরেজমিন তদন্ত করছেন। তাদের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের সূত্রগুলি জানিয়েছে, তদন্ত কমিটি এরমধ্যেই প্রায় ৫০টি প্রকল্প তদন্ত করেছে।

রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান বলেন, আবাসন প্রকল্পের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র প্রয়োজন হয়। তাই এসব অবৈধ প্রকল্প বন্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরকে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে হবে।

রাজউকের আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, প্রায় ২০০ প্রকল্প অনুমোদনের জন্য আবেদনপত্র জমা আছে সংস্থাটির কাছে। তবে যথাযথ কাগজপত্র না থাকায় এখন পর্যন্ত তাদেরকে অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

কর্মকর্তারা বলছেন, আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালা, ২০০৪ (সংশোধিত ২০১২ ও ২০১৫) ভঙ্গ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই আবাসন কোম্পানিগুলো তাদের প্রকল্প গড়ে তুলেছে।

রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাজধানীর আশেপাশের এলাকায় অধিকাংশ বেসরকারি আবাসন প্রকল্প রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই গড়ে তোলা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে এরকম অনেকগুলো প্রজেক্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নাম না প্রকাশের শর্তে রাজউকের একজন কর্মকর্তা জানান, ২০০৪ সালের পর রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) কোনো বেসরকারি প্লট প্রকল্প অনুমোদন করেনি।

তিনি বলেন, ওয়েলকেয়ার সিটি, মাসকো গ্রুপের ছায়াকুঞ্জ আবাসিক এলাকা, নর্থ টাউন আবাসিক প্রকল্প এবং উত্তরা প্রবর্তন সিটি এবং রুপগঞ্জে মালুম সিটিসহ প্রায় ২০টি প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে রাজউক।

তবে সূত্রমতে, ব্যবস্থা নেওয়ার পরেও এসব প্রকল্প তাদের প্লট বিক্রির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এপ্রসঙ্গে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লানার্সের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ঢাকার আশপাশে যারা কৃষিজমি ভরাট করে অবৈধ আবাসন প্রকল্প তৈরি করছে তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। ফলে ভূমিদস্যুরা মানুষের সাথে প্রতারণার সুযোগ পাচ্ছে।’

তিনি বলেন, এতে আবাদি জমি ধ্বংস, বনাঞ্চল উজার, প্লাবনভূমি এবং নদী-জলাশয় ভরাটের ফলে প্রকৃতিক পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে।

নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, ‘আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী, রাজধানীর যেকোনো প্রকল্পের জন্য রাজউকের অনুমোদন নিতে হবে। রাজউকের ডিটেইল্ড এরিয়া প্লান- ড্যাপ এর বর্তমান সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে এসব প্রকল্প বাতিল হয়ে যাবে।’

এসব ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরকে জোরোলো ভূমিকা নিতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ‘তবে পরিবেশ অধিদপ্তরে জনবলের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। সারাদেশে পরিবেশগত নানা ইস্যুতে অভিযান পরিচলনার জন্য অধিদপ্তরে মাত্র ১৩ জন ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছে, যা রীতিমতো হাস্যকর।’

ঢাকার বাইরে হাজারো অবৈধ প্রকল্প:

পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি সুত্র জানিয়েছে, রাজধাধানী ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকা ছাড়াও বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরের উপকণ্ঠে এরকম গড়ে ওঠা আরও প্রায় ১,০০০ অবৈধ আবাসন প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়েছে। এরমধ্যে চট্টগ্রামের রয়েছে প্রায় ২৫০টি, রাজশাহী বিভাগে ১৫০টি, খুলনা বিভাগে ১০০টি, রংপুরে ৫০টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৮০টি, বরিশালে ৮০টি এবং সিলেটে ২৫০টি।

পরিবশে অধিদপ্তর বলছে, রাজউক ছাড়াও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নিজ নিজ এলাকায় প্রকল্প অনুমোদন করতে পারে। কক্সবাজার ও কুয়াকাটায় আলাদা কর্তৃপক্ষ করা হয়েছে, যাদের কাছ থেকে প্রকল্পের অনুমোদন নেওয়া যায়। এছাড়া জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে বিভিন্ন জেলা শহরে আবাসন প্রকল্প করার ব্যবস্থা রয়েছে।

তবে তার আগে কোনো প্রকল্পকে পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ছাড়পত্র নিতে হবে। ঢাকার বাইরে চিহ্নিত করা কোনো প্রকল্পই এমন অনুমোদন পায়নি। রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (বিহ্যাব) এর বর্তমান সদস্য ১২০০টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে প্রায় ১৫০ প্রতিষ্ঠানের আবাসন প্রকল্প করার অনুমোদন রয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের একাধিক প্রকল্প রয়েছে।

রিহ্যাব সভাপতি বলেন, ‘যারা নিয়ম না মেনে প্রকল্প করবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই উচিত। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রতি বলেন, ‘অনুমোদন ছাড়া এরকম কোনো প্রকল্প হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।’

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

মিডল্যান্ড ব্যাংকের শেয়ার কারসাজি

মিডল্যান্ড ব্যাংকের শেয়ার কারসাজি

ডেস্ক রিপোর্টঃ বিএসইসির তথ্যানুসারে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মিডল্যান্ড ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন-সংক্রান্ত কার্যক্রম তদন্ত করে। তদন্তে দেখা যায়, ওই বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি লেনদেনের শুরুতে ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ১২ টাকা ৪০ পয়সা, যা ২৩ সেপ্টেম্বর লেনদেন শেষে বেড়ে দাঁড়ায় ২৭ টাকা ৬০ পয়সায়। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ১৫ টাকা ২০ পয়সা বা ১২২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, উল্লিখিত সময়ে কুয়েস্ট এশিয়া ওভারসিজ, প্রতিষ্ঠানটির মালিক আনিছুল ইসলাম ও তার স্ত্রী নাহার-ই-জান্নাত মিডল্যান্ড ব্যাংকের শেয়ার লেনদেনে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিলেন। তাদের অতিরিক্ত লেনদেনের কারণে কৃত্রিম চাহিদা তৈরি হয় ও শেয়ারদর বাড়তে থাকে, যা সিকিউরিটিজ আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কুয়েস্ট এশিয়া ওভারসিজকে ৩ কোটি ৭০ লাখ, আনিছুল ইসলামকে ৮০ লাখ

আরও পড়ুন
language Change