তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
কানাডায় ঢাকা ওয়াসার এমডির স্ত্রীর নামে বাড়ি হুড়োহুড়ি করে দুবাই ছাড়ছেন ধনীরা দুদক কমিশন কি বিদায় নিচ্ছে? কণ্ঠস্বর ভেঙে যাওয়া বা গলা ব্যথা কখন তা ক্যান্সারের সংকেত বাড়তে পারে ঈদের ছুটি সব ধরনের ভিসার মেয়াদ এক মাস বাড়ালো কাতার সরকারি মহিলা কলেজ-এর আয়োজনে ইফতার অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে মোবাইল কোর্টের অভিযান সীমান্তে ডিএনসির অভিযানে ইয়াবাসহ নারী আটক ০১ পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে জাতীয়তাবাদী তৃণমুল দলের ফুলের শুভেচ্ছা গণভোট অধ্যাদেশ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেনো অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল নকলা পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে এমপি ফাহিম চৌধুরীর মতবিনিময় সভা অর্থমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল আমতলীতে বিএনপি কার্যালয়ে ব্যানার টানিয়ে দখলচেষ্টা ভাঙারির দোকানে মিললো ৮ হাজার নতুন পাঠ্যবই যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ ইরান সরকারের হাতে নয়, বিপ্লবী গার্ডের কাছে জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত আটককৃত চাঁদাবাজকে ছেড়ে দিলো পুলিশ শেরপুরে ডায়াবেটিক সমিতির আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় ১০ গরু জব্দ দুর্গম পাহাড়ে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে এম নাসের রহমান এমপি বরগুনায় পৌর মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছাত্রদলের সভাপতি সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি: গণধোলাই, আটক ১ সীমান্তে ডিএনসি’র অভিযানে হেরোইনসহ আটক ১ কাতারে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি ভোটের ফলাফল নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে বিএনপির ৪ প্রার্থী ইকরার আত্মহত্যার পর আলভীকে নিয়ে ধোঁয়াশা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কে কার মুখোমুখি রাজধানীতে ট্রাকচাপায় কিশোরের মৃত্যু বাংলাদেশসহ কিছু দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে নতুন বার্তা নারীদের জন্য বিশেষ বাস চালু করতে চায় সরকার প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ এই দিনে উড়েছিল স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকা আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি মখদুমীসহ সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার দাবি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ মার্চেই কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস, তাপমাত্রা উঠতে পারে ৩৯ ডিগ্রি পর্যন্ত অনৈতিক প্রস্তাবে অতিষ্ঠ হয়ে রুমমেটকে ৭ টুকরা পুলিশের লোমহর্ষক বর্ণনা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কাজ ৫ মার্চের মধ্যে শেষ হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রবাসীদের নিরাপত্তার বিষয়ে খোঁজখবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী গোমতীর নদীর অবৈধ মাটি নিয়ে প্রশ্ন: তোপের মুখে সাংবাদিকরা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ইরান খেলবে না বিশ্বকাপ রাজপথে হঠাৎ বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিলো জামায়াত নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত অর্থমন্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি মর্গে ইকরার মরদেহ, তবে কোথায় আছেন আলভী ও তার পরিবার? কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে পুলিশি পাহারায় থাকা ব্যবসায়ীর বাসায় মুহুর্মুহু গুলি ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশ কেশবপুরে সাবেক মেয়রের বাসায় দুর্বৃত্তদের হানা পারিবারিক কলহে বাবার ঘরে আগুন

সরকারি খাল দখল করে ‍কুতুবুদ্দিন একাই গড়েছেন একাধিক ভবন

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টারঃ

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে এক সময় ১৪ টি খাল থাকলেও এখন যেন তা গল্প। ডেভেলপার কোম্পানী ও ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগের দোষররা মিলে গত ১৭ বছরে গিলে ফেলেছে মোহাম্মদপুরের খালগুলো। সরকারি খাল দখল করে গড়ে উঠছে একাধিক বহুতল ভবন এর মধ্যে কুতুবুদ্দিন নামে একজন একাই গড়ে তুলেছেন একাধিক ভবন।

মোহাম্মদপুরের শাহজালাল হাউজিং এর একটি রোডেই এই কুতুবুদ্দিন সরকারি খালের যায়গায় রাজউকের অনুমোদন নিয়ে একটি ১২ তলা ও দুইটি ১০ তলা ভবন নির্মান করেছেন। ভবন তিনটির বিষয়ে অনুসন্ধান করে জানা গেছে এটি ঢাকা জেলার কাটাসুর মৌজার ০১ নং খাস খতিয়ানের (বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক) সিএস দাগ নং ৭০৩ এ অবস্থিত।

ভবন মালিক কুতুবুদ্দিনের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানাগেছে তিনি পেশায় শিক্ষক। শিক্ষকতা করে তিনি গড়ে তুলেছেন একাধিক ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল। আমাদের দেশের শিক্ষকদের যেখানে বেতনের টাকায় সংসার চালাতে হিমসিম খেতে হয় সেখানে তিনি কিভাবে এত সম্পদের মালিক হলেন ? তার অর্থের উৎস কি?

মোঃ কুতুবুদ্দিনের কাছে মুঠোফোনে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবগুলো ভবন আমার একার নয়, একটি মাত্র আমার। আমার জানামতে আমি কোন সরকারি জমি দখল করিনি।

সরকারি খাল দখল করে ভরাট পরবর্তী রাজউক অনুমোদন না নিয়ে বহুতল ভবন নির্মানের বিষয়ে রাজউক পরিচালক (জোন-৫) মোঃ হামিদুল ইসলাম বলেন, মোহাম্মদপুরে বর্তমানে অবৈধ ভবন উচ্ছেদ অভিযান চলছে। পর্যায়ক্রমে সকল অবৈধ ভবনের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন সরকারি জমি ও খাল উদ্ধারে আমাদের অভিযান চলমান আছে। আপনারা দেখেছেন পূর্বেও মোহাম্মদপুরে আমরা অভিযান পরিচালনা করে খাল উদ্ধার করেছি। আপনাদের দেয়া তথ্য নোট করলাম, সরকারি খাল অবশ্যই উদ্ধার করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে আমরা কাজ করছি।

 

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী গাজী রাকিবুর রহমান এর কাছে সরকারি খাল দখলের বিষয়ে আইনগত ব্যাখ্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখল বা কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক পাঁচ লাখ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার বিধান রয়েছে। ভবন নির্মাণের অনুমোদন গ্রহণ না করা মূলত ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২ এর ৩ (১) ধারা ও ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ১৯৯৬ এর ৩ উপবিধির লঙ্ঘন। অনুমোদনের বাইরে ভবন করলে নির্মাণ আইন, ১৯৫২ এর ১২ ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তির সাত বছর পর্যন্ত কারাদন্ড হতে পারে। এই আইনটি মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর তফসিলভুক্ত হওয়ায় মোবাইল কোর্টেও এই আইনের অধীনে অপরাধ বিচার্য হবে।

তিনি আরও বলেন, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২১ এর ২২ ধারায় বলা হয়েছে যদি কোনো ব্যক্তি, সরকারি খাসজমি বা অন্য কোনো সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন ভূমি বেআইনিভাবে দখল করেন বা উহাতে অবৈধ অবকাঠামো নির্মাণ করেন, তাহা হইলে তাহার অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক দুই বৎসরের কারাদন্ড, বা অনধিক চার লক্ষ টাকা অর্থদন্ড, বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন। ইহা জামিন অযোগ্য অপরাধও বটে।

তিনি বলেন মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরের পৌর এলাকাসহ দেশের সকল পৌর এলাকার খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান, উদ্যান এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০ সনের ৩৬ নং আইন, ৮(১) কোন ব্যক্তি এই আইনের কোন বিধান লঙ্ঘন করিলে অনধিক ৫ বছরের কারাদন্ডের বিধান রয়েছে (২) ধারা ৫ এর বিধান অনুযায়ী খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান, উদ্যান এবং প্রাকৃতিক জলাধার হিসাবে চিহ্নিত জায়গার শ্রেণী পরিবর্তন করা যাইবে না বা উক্তরূপ জায়গা অন্য কোনভাবে ব্যবহার করা যাইবে না বা অনুরূপ ব্যবহারের জন্য ভাড়া, ইজারা বা অন্য কোনভাবে হস্তান্তর করা যাইবে না।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

আনসার বাহিনীর জন্য কেনা হবে ১৭ হাজার শটগান

ডেস্ক রিপোর্ট: অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড.সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন,নির্বাচনের আগে আনসারদের জন্য ১৭ হাজার শটগান কেনা হবে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে তিনি জানান। অর্থ উপদেষ্টা বলেন,আনসারদের অস্ত্রগুলো অনেক পুরোনো হয়ে গেছে। তাই এই সিদ্ধান্ত। এ ছাড়া আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তার জন্য ৪০ হাজার বডি অন ক্যামেরা কেনা হচ্ছে না। কোন কোন কেন্দ্রে বডি অন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে ড.সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন,যেসব কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ,শুধু সেখানেই দেওয়া হবে। স্বচ্ছতার সঙ্গে কেনা হবে এগুলো। ইসি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আলোচনা করে এসব ঠিক করা হবে।তিনি বলেন, চাহিদা থাকায় এক কোটি ই-পাসপোর্টের বই কেনার জন্য বরাদ্দের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া টিকার সংকটের বিষয়টি বিবেচনা করে ইপিআই টিকা কেনা হবে। আসন্ন রোজায় পণ্যের

আরও পড়ুন
language Change