তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
বরগুনায় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নৌ বাহিনী প্রধানের মতবিনিময় নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই মির্জা ফখরুল রোহিঙ্গারা ক্যাম্প থেকে ভোটের দিন বের হতে পারবে না ইসি স্বাধীনতা যুদ্ধে ভূমিকার জন্য জামায়াতকে ক্ষমা চাইতে বললেন সালাহউদ্দিন ৩ লাখ ৮০ হাজার প্রবাসীর ভোট এলো দেশে ৮ ফেব্রুয়ারি নয়াপল্টনে তারেক রহমানের শেষ নির্বাচনী জনসভা ন্যূনতম সদস্য রেখে সর্বোচ্চ সেনা মাঠে লক্ষ্য ভোটারদের আস্থা ৬ কোটি ৪৪ লাখ রুপিতে লাহোর কালান্দার্সে মোস্তাফিজ ফের মা হচ্ছেন বুবলী! যে কারণে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন শ্রদ্ধা কাপুর আশুলিয়ায় ৬ লাশ পোড়ানো মামলায় সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বেহেশত দোজখ দিতে পারব না বিএনপি চায় জনগণের মুখে হাসি ফুটুক বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক পোশাকশিল্পের সংকট কাটাতে আর্থিক সহায়তা চাইল বিজিএমইএ বিদেশি পিস্তল ও গোলাবারুদসহ দুই যুবক আটক ঢাকায় পুুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি নির্বাচনে ভোটাররা মার্কা দেখে নয়, প্রার্থী দেখে ভোট দেবেন : রুমিন ফারহানা ছুটির দিনে মেট্রোরেল চলবে কি না জানাল কর্তৃপক্ষ নির্বাচন শেষে দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তর করবে অন্তর্বর্তী সরকার বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম আশুলিয়ায় ৬ লাশ পোড়ানো মামলার রায় আজ গুম বন্ধ হলেও চলছে গণগ্রেফতার ও জামিন না দেওয়ার চর্চা সাতরাস্তা মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত করার অঙ্গীকার হামিদুর রহমান হামিদের জাপানে অস্বাভাবিক তুষারপাত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০ ইনকিলাব মঞ্চ জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে পুতিনের কাছে খামেনির ব্যক্তিগত বার্তা বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম দারুণ মন্তব্য করলেন শাকিব খানকে নিয়ে সিয়াম নাহিদের রিট খারিজ বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই ছাগলকাণ্ডের মতিউর ও তার পরিবারের সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ আবহাওয়া নিয়ে যে বার্তা দিল অধিদপ্তর আনুষ্ঠানিক অভিযোগে মুখোমুখি কামরুল মেনন শবেবরাতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল মুস্তাফিজ বিতর্কে বিসিসিআইকে দায়ী করলেন আইসিসির সাবেক কর্মকর্তা শবে বরাতের করণীয়-বর্জনীয় কী? ভারতের পণ্যে শুল্ক ছাড় দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বাজারে আসছে নতুন ১০ টাকা আসল নকল যাচাই করবেন যেভাবে নাটোরে অস্ত্র তৈরির কারখানা, আগ্নেয়াস্ত্রসহ যুবক আটক প্রাইভেটকারের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু শিশুদের পাশে ডা. জুবাইদা রহমান ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ শবে বরাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ প্রার্থনা প্রধান উপদেষ্টার ১৯৭১ সালেই প্রমাণ হয়েছে মা-বোনদের জন্য এদের দরদ নেই কুমিল্লা নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত কোথায় কি হয়ে যায়, সব দোষ মির্জা আব্বাসের? রামগড়ে নুর ইসলাম শামীমের গণসংযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক নির্বাচনে অপতৎপরতা কঠোর হস্তে দমন করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার প্লট দুর্নীতি মামলায়, হাসিনা-টিউলিপ ও আজমিনা-ববির কারাদণ্ড

দাম্পত্য জীবন সুন্দর রাখার সহজ উপায়

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:

ব্যস্ত জীবনে ক্রমাগত নানা কাজের চাপ এখন স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে, যার প্রভাব পড়ে সম্পর্কে। স্বামী এবং স্ত্রী- একের জন্য অন্যের সময় খুব বেশি থাকে না। একই বাড়িতে থেকেও খুব বেশি কথা হয় না। বড় কোনো দ্বন্দ্ব ছাড়াই একে অন্যের সঙ্গ অপছন্দ করতে শুরু করে। এগুলো ধীরে ধীরে ঘটে বলে পরিবর্তনটা সহজে চোখে পড়ে না। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক সুন্দর রাখার জন্য চেষ্টা থাকতে হবে দুইজনেরই।

রাতে কিছুটা সময় কথা বলুন

রাতের খাবারের পর নিজেদের মধ্যে অন্তত মিনিট দশেক কথা বলুন। আপনার দিনটি কেমন গেল, আগামীকাল কী করতে যাচ্ছেন- এ ধরনের সাধারণ কথাবার্তা। এই ছোট ছোট কথোপকথন সত্যিই বিশ্বাস এবং ঘনিষ্ঠতা তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে।

সুন্দর সকাল

প্রতিটি সকাল সুন্দর করার চেষ্টা করুন। সেজন্য আপনাকে খুব বেশি কিছু করতে হবে না। খুব ভোরে উঠে তার জন্য এককাপ চা তৈরি করতে পারেন। পাশাপাশি বসে সকালের নাস্তা খেতে পারেন। তার কাজ, অ্যাপয়েন্টমেন্ট, বা কারও সঙ্গে পরিকল্পনা আছে কি না তা জেনে নিতে পারেন। মনে রাখবেন, আপনার সঙ্গী আপনারই জীবনের অংশ। তাই তার সঙ্গে সংযুক্ত থাকা জরুরি।

‌‘শুভ সকাল’ এবং ‘গুড বাই’ এড়িয়ে যাবেন না

‘শুভ সকাল’ বা একটি উষ্ণ ‘বাই, টেক কেয়ার’ ছোট মনে হতে পারে, কিন্তু উদ্দেশ্য নিয়ে বলা হলে এগুলো অনেক অর্থ বহন করে। এই সহজ শুভেচ্ছাগুলো আপনার সম্পর্কের মধ্যে আরও বেশি ভালোবাসা যোগ করবে, আপনার উভয়কেই মনে করিয়ে দেবে যে আপনি মূল্যবান- এমনকী ব্যস্ত দিনগুলোতেও।

প্রতিদিন একটি ইতিবাচক মুহূর্ত ভাগ করে নিন

পরস্পরের মধ্যে দিনের একটি ভাল জিনিস ভাগ করে নেওয়ার অভ্যাস করুন। এটা ছোট কিছু হতে পারে- এক কাপ চা, একটি সুন্দর কথা অথবা কোনো কাজ শেষ করা। এটি সংযুক্ত থাকার এবং একসঙ্গে ইতিবাচকভাবে দিনটি শেষ করার একটি সহজ উপায়।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

দীর্ঘদিন পর গাজায় হাজারো ফিলিস্তিনির একসঙ্গে জুমার নামাজ আদায়

ডেস্ক রিপোর্ট : দীর্ঘ যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবারের মতো গাজার মসজিদগুলোতে একসঙ্গে ধ্বনিত হলো আজানের সুর, এবং ক্ষতবিক্ষত, ধ্বংসস্তূপে ঘেরা শহর জুড়ে হাজারো ফিলিস্তিনি  শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জুমার নামাজে অংশ নিয়েছেন।গাজা উপত্যকার ধ্বংসপ্রাপ্ত ও অর্ধভাঙা অসংখ্য মসজিদে শুক্রবার দুপুরে একসঙ্গে তাকবির ধ্বনী (আল্লাহু আকবার) ভেসে আসে। গাজা নগরীর ঐতিহাসিক সাইয়্যেদ হাসেম মসজিদে নামাজ পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দা গালিদ আল নিমরা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন,  দুই বছরের বিচ্ছিন্নতার পর একসঙ্গে নামাজ পড়ার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরের আলবানী মসজিদের ভগ্নাবশেষেও শুক্রবার শত শত ফিলিস্তিনি নামাজ পড়েন। দেওয়াল ভেঙে পড়া, ছাদ ধসে যাওয়া সেই মসজিদে এক ইমাম লাউডস্পিকারে খুতবা দেন, আর উপস্থিতরা চোখ মুছে দোয়ায় মগ্ন হন। ২২ বছর বয়সী সালিম আল-ফাররা বলেন,  আমরা আশা করি  গাজার সবকিছু

আরও পড়ুন
language Change