তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
শ্রীমঙ্গলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলতাফকে দল থেকে অব্যাহতি জ্বালানি সংকটে খুলনার ১০ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৬টিই বন্ধ সিরাজগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে চলছে মেধা ও যোগ্যতার যাচাই খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক আব্দুল আলিম অসুস্থ জিয়া শিশু কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ঘোষণা অবহেলিতদের পাশে দাঁড়াতে চান বিএনপি নেতা রাশেদুল হাসান রঞ্জন দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর সহায়তা বদলাচ্ছে অসহায়দের জীবন শেরপুরে মা-বাবার ভালোবাসা পেতে ৬৬ লাখ টাকা কবিরাজকে তুলে দেয় মেয়ে মানিকছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্পেইন ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সঙ্কটে দিশেহারা কৃষক পৌরসভায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলতাফের কাছে জিম্মি চার গ্রামের মানুষ দেশে সরকারি চাকরিতে শূন্যপদ ৪ লাখ ৬৮ হাজার খালি পেটে রসুন খাওয়ার উপকারীতা মোহাম্মদপুরে ৪ দিনের ব্যবধানে আরও এক খুন তেজগাঁও কলেজ সাংবাদিক সমিতির নেতৃত্বে যুবরাজ-বুশরা টেক্সটাইল মিলের ইনচার্জ বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ এসএসসি পরীক্ষায় থাকছে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ এম এম হক আইডিয়াল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রথম দিন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন আজ আলোচনা করবে লেবানন ও ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা পদক হস্তান্তর করবেন আজ ভোলাহাট প্রেসক্লাবের বনভোজন আয়োজনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত শেরপুর সীমান্তঘেঁষা গারো পাহাড় ধ্বংসের পথে গণপূর্তের ইএম শাখা সার্কেল ৪: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তৈমুর আলমের দূর্নীতির কীর্তি! ৫ লাখ কর্মচারী নিয়োগ দেবে সরকার ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’ বছরে দুবার ফলন ও রপ্তানির স্বপ্নে বিভোর পলাশ ডিএনসির অভিযান ৮০ লিটার চোলাইমদ ও ১৪০০ লিটার ওয়াশসহ নারী গ্রেফতার রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স দখলে নিয়েছে খিলগাঁও সাব-রেজিষ্টার মাইকেল মহিউদ্দিন দাকোপে কোটি টাকার পিচঢালা রাস্তা এখন মরণফাঁদ চাটখিলে শতবর্ষী ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ খুলনায় বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ রূপসায় যুবককে গুলি করে হত্যার চেষ্টা দৈনিক চাঁপাই দর্পণ-এর যুগপূর্তি ও ই-পেপার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত ​সোনামসজিদ সীমান্তে মাদকসহ আটক ১ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় ওয়ার্ড ভিত্তিক প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত সমুদ্রপথে ইরানের বাণিজ্য বন্ধেরে দাবি জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যাগ নেওয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী বিএনপির টিকিট চান ১২০০ জন পহেলা বৈশাখে চন্দ্রিমা ফিটনেস ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা বৈশাখী শোভাযাত্রায় নতুন বছরকে বরণ রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বৈশাখী শোভাযাত্রা টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে সিজারিয়ান অপারেশনে পর মৃত্যু কর্মকর্তাদের বাড়ি-গাড়িসহ ৯ খাতে ব্যয় কমালো সরকার দুই মামলায় জামিনের পর হত্যা মামলায় গ্রেফতার মন্ত্রী নুরুজ্জামান ইরানে নৌ অবরোধের হুমকি, যুক্তরাষ্ট্রকে যে বার্তা দিলো চীন ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে সাবেক পুলিশ সদস্য নিহত শেরপুরের শিক্ষার্থীদের সিলিং ফ্যান বিতরণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা

মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক এর লোপাট কাহিনী!

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। নিরাপদ পানি সরবরাহের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য উন্নয়ণের দায়িত্ব অর্পন করে ১৯৩৬ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই)। পরবর্তীতে ১৯৪৫ সালে এর সাথে যুক্ত করা হয় স্যানিটেশন সেবা প্রদানের দায়িত্ব। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের অব্যহিত পরে সরকার প্রথমেই ধ্বংসপ্রাপ্ত পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন পদ্ধতি গুলোর পুনর্বাসনের গুরুত্বারোপ এবং তৎপরবর্তীতে নতুন অবকাঠামো স্থাপন শুরু করে ডিপিএইচই’র মাধ্যমে। একই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে ওয়াসার আওতাধীন এলাকা ব্যতীত (ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, খুলনা ) সমগ্রদেশের নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যাবস্থা নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব এ অধিদপ্তরের উপর ন্যাস্ত। জনসাধারনের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখে। জনগণের নিকট নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা পৌছানোর লক্ষ্যে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এরই ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন কভারেজের দিক দিয়ে সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় অন্যতম শীর্ষ স্থান দখল করে আছে। পল্লী এলাকার বিভিন্ন ধরনের নিরাপদ পানির উৎস (টিউবওয়েল) ও স্যানিটারী লেট্রিন স্থাপনাগুলোর রক্ষণাবেক্ষন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এর প্রধান দায়িত্ব। তাছাড়া অত্র অধিদপ্তর পল¬ী পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন অবকাঠামো নির্মানোত্তোর রক্ষণাবেক্ষণে ইউনিয়ন পরিষদকে ডঅঞঝঅঘ কমিটির মাধ্যমে কারিগরী সহায়তা প্রদান, স্বাস্থ্য পরিচর্যা জোরদারকরণ এবং পারিপার্শ্বিক পরিবেশের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে থাকে। দ্রত নগরায়নের ফলে পৌর পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন চহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ চাহিদা পুরণে অত্র দপ্তর পৌরসভা সমূহের পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন অবকাঠামো নির্মাণ সহ কারিগরী সহায়তার আওতায় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে সহায়তা করছে। এছাড়া বন্যা , সাইক্লোন, মহামারী ইত্যাদির কারনে সৃষ্ট জরুরী পরিস্থিতিতে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা সচল রাখার লক্ষ্যে হাজার হাজার কোটি টাকা বাজেটে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে। কিন্ত্র এই গওরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কিছু দুর্নীতিবাজ ও অসত প্রকৌশলীর অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে সরকার কাংখিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারছেন। কাজ না করেই অথবা দায়সারা গোছের কাজ করে ঠিকাদারদের সাথে উন্নয়ন বরাদ্দের সিংহভাগ টাকা লোপাট করা হচ্ছে। এতকরে সরকারের কাংখিত লক্ষ্য অর্জিত হচ্ছে না।
এমন একজন দুর্নীতবাজ প্রকৌশলী হলেন স্বৈরাচার শেখ হাসিনার আমলে পদন্নোতি পেয়ে ৫ বছর মাগুরা জনস্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্ব পালনকারী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক। আওয়ামী আমলে মাগুরার গডফাদার এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের মেঝভাই সাচ্চুর মাধ্যমে ভুয়া বিল ভাউচারে লোপাট করেছেন কোটি কোটি টাকা। ৫ আগষ্ট ২০২৪ ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার স্বৈরাচারি শাসনামলের পতন হলেও সরকারী সেবামূলক অনেক প্রতিষ্ঠানেই এখনোই বহাল তবিয়তে চাকুরী করছেন আওয়ামী সুবিধাভোগী কর্মকর্তারা। এমনই একজন আওয়ামী সুবিধাবাদী কর্মকর্তা মাগুরা জনস্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশল আবু বকর সিদ্দিক। তার অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে সংবাদপত্রে অনেক রিপোর্ট প্রকাশ হলেও তার বিরুদ্ধে নেওয়া হয়নি কোন বিভাগীয় ব্যবস্থা। এমন কি মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল াবভাগে দায়িত্বের ৩ বছর অতিক্রান্ত হলেও তাকে বিধি মোতাবেক অন্য জেলায় বদলী করা হয়নি।
তার সম্পর্কে খোজখবর নিতে গিয়ে ডজনখানেক অভিযোগ পাওয়াগেছে। এক. তিনি পাশ^বর্তী বিভিন্ন জেলা ধেকে ঠিকাদারী লাইসেন্স সংগ্রহ করে লাইসেন্স মালিকদের সিল স্বাক্ষর জাল করে নিজেই ঠিকাদারী ব্যবসা করেন। ২. তিনি স্টোরের পুরাতন মালামাল চুরি হয়ে গেলেও কোন ব্যবস্থা নেন নি। ৩. তিনি সাংবাদিকরা মৌখিকভাবে তথ্য চাইলে দেন না। বলেন তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেন। ৪, তিনি ঠিকাদারদের কার্যাদেশ প্রদান ও তাদের ওয়ার্কিং কাজের বিল পরিশোধে নানা প্রকার তালবাহানা করেন। ৫% ঘুস না দিলে তিনি কোন চেকে স্বাক্ষর করেন না। ৫. তিনি নিজ অফিসের কর্মচারিদের দিয়ে ঠিকাদারী ব্যবসা করান। ৬. তিনি উন্নয়ন প্রকল্প সঠিকভাবে সুপারভিশন করেন না। ৭. তিনি তার নিজ এলাকার একটি ঠিকাদার সিন্ডিকেট গঠন করে গোটা ৫ বছর দুহাতে সরকারী অর্থ লোপাট করে আসছেন। ৮. তিনি একজন সহকারী প্রকৌশলী হলেও আওয়ামী লীগ আমলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো: তাজুল ইসলামের সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে তুলে মাগুরা জেলা জনস্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্বে আসীন হন। ৯. গত ৫ বছর মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে দ’ুহাতে টাকা লুটে বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। ১০. সম্প্রতি ২৪ কোটি টাকার কাজ টেন্ডার কারসাজি করে আওয়ামীমনা ঠিকাদারদের প্রদান করেছেন। মনে প্রাণে তিনি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রান ডোনার এবং শুভাকাংখী। ১১. তিনি মাগুরা জেলার ৪ টি উপজেলায় প্রাইমারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিপটিউবয়েল স্থাপনে ব্যাপক দুর্নীতি করেছেন। সিডিউল মোতাবেক কোন কাজই করেন নি। কার্যাদেপ্রাপ্ত ঠিকাদারদের কাজ ক্রয় করে নিয়ে সাব টেন্ডার হিসাবে নিজ অফিসের কর্মচারিদের মাধ্যমে করাচ্ছেন এবং বিল তুলে ভাগ করে নিচ্ছেন। ১২. বিগত আওয়ামী শাসনামলে তিনি মাগুরার সাবেক এমপি মাফিয়াডন সাইফুজ্জামান শিখরের বাড়ীতে নিয়মিত হাজিরা দিতেন। এবং তার মেঝভাই সাচ্চুর মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের সমস্ত কাজে ঠিকাদার নিয়োগ করতেন। এ ছাড়া ভুয়া বিল ভাউচারে কমপক্ষে ৫০ কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন। ১৩. তিনি ঢাকা এবং রাজশাহীতে প্রচুর সম্পদ নামে-বেনামে ক্রয় করেছেন। এসব সম্পদ ক্রয়ে তিনি আয়কর বিভাগকে সমুদয় তথ্য প্রদান করেন নি। গত ৫ বছরের ওয়ার্ক ফাইলগুলো দুদকের মাধ্যমে নীরক্ষিা করলেই তার বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা লোপাটের প্রমাণ মিলবে বলে দাবী করেছেন মাগুরা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতা।
উল্লেখিত অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে দুদকের মাধ্যমে তদন্ত করার জন্য এবং তাকে মাগুরা থেকে বদলী করার জন্য দাবী তুলেছেন সচেতন মাগুরাবাসী। এ বিষয়ে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, এসব মিথ্যা-অপপ্রচার এবং আমার চাকুরীর ক্ষতি করার চেষ্টা। আমি সততার সাথেই দায়িত্ব পালন করছি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

আজ শেষ হচ্ছে বাণিজ্য মেলা

অনলাইন ডেস্কঃ ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ২৭তম আসরের পর্দা নামছে আজ মঙ্গলবার। গত ১ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাসব্যাপী এ মেলা উদ্বোধন করেন। দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকার পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত মেলার ২৫তম দিনে ব্যবসায়ীরা এক সপ্তাহ সময় বাড়ানোর দাবি জানালেও তা বাড়ায়নি কর্তৃপক্ষ। এবারের বাণিজ্যমেলায় ১০টি দেশের ১৭টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিল। মেলায় বিদেশী প্রতিষ্ঠানের জন্য ১৭টি প্যাভিলিয়ন, মিনি প্যাভিলিয়ন ও স্টল রয়েছে। এছাড়া দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য দু’টি হলের বাইরে মিলে মোট ৩৩১টি স্টল, প্যাভিলিয়ন ও মিনি প্যাভিলিয়ন রয়েছে। মেলা চলেছে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। ইতিমধ্যে বাণিজ্য মেলার আসর সমাপ্ত করার সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। মেলার প্যাভিলিয়নগুলোয় সোমবার দুপুর পর্যন্ত দর্শনার্থী ও ক্রেতাসমাগম ছিল কম। তবে বিকেল থেকে তা বাড়তে শুরু করে। ক্রেতা-দর্শনার্থী

আরও পড়ুন
language Change