তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সাতক্ষীরায় গণঅধিকার পরিষদের নেতা কর্মী জামায়াতে যোগদান ক্ষমতার মালিক জনগণ : তারেক রহমান ইমারত পরিদর্শক উজ্জ্বল এর দূর্নীতির লাগাম টেনে ধরবে কে? নবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে শিক্ষার্থীদের মেধা বৃত্তি প্রদান রামগড়ে অবৈধ ভারতীয় মোটরসাইকেল জব্দ আপাতত আলোর মুখ দেখছে না কুমিল্লা বিভাগ শেরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদক ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড তিন বছরের শিশুকে হত্যার অভিযোগ সাতক্ষীরায় ৮ প্রতীকে লড়বেন ২০ প্রার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার ষড়যন্ত্রে ট্রাভেল এজেন্সি মাফিয়া নুরুল ইসলাম ১৬ বছর জনগণের সম্পদ লুটে বিদেশে পাচার করা হয়েছে: তারেক রহমান রাজধানীতে কিন্ডারগার্টেনে শিশুকে নির্যাতন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ পুলিশের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ দুই সংসদীয় আসনে ধানের শীষের প্রচারণার টিম প্রধানের দায়িত্ব পেলেন গিয়াস উদ্দীন মামুন দুলাল খান–ইব্রাহিম মুসার প্রতারণায় সর্বস্বান্ত সাধারণ মানুষ ওরিয়ন গ্রুপের প্রতিষ্ঠানে অর্ধশত কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুলের ঘুষ দুর্নীতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদকের রমরমা বাণিজ্য এম হাফিজ উদ্দিন খানের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক প্রকাশ পাথরঘাটায় মাদ্রাসায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণায় বাধা তালতলীতে বড় ভাইকে পিটিয়ে গুরুতর জখম চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩ টি আসনে প্রতীক বরাদ্দ খাগড়াছড়ি আসনে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন শেরপুরের তিন আসনে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন নবাবগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গণভোট-২৬ উপলক্ষে অভিভাবক সমাবেশ নালিতাবাড়ীতে যুবকের আত্মহত্যা হবিগঞ্জ ঐক্য উন্নয়ন সংস্থার অভিষেক অনুষ্ঠান চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের আহ্বান জানিয়ে মতবিনিময় সভা জায়েদের দাওয়াতে অস্ট্রেলিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শাবনূর মিলন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করল পিবিআই ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন ও ছুটি নির্ধারণ আরও বাড়লো বিশ্ববাজারে সোনার দাম মাঠের হিরো থেকে রাজপথের নেতা: ঢাকা-১৬ আসনে আমিনুল হক বাংলাদেশ দলকে ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করার দাবি নারী কর্মীদের ওপর হামলায় রাজধানীতে জামায়াতের বিক্ষোভ বিআরটিএ’র দুর্নীতিবাজ এডি জিয়া বহাল তবিয়তে সাতক্ষীরায় পুলিশ পরিচয়ে কোটি টাকা ডাকাতি হাদির স্ত্রীর ফেসবুক পোস্ট খাগড়াছড়িতে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার বিকেল ৫টা থেকে প্রবাসীদের ভোটদান শুরু জয়-পলকের বিচার শুরু দীঘিনালায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক ২২ বছর পর সিলেট যাচ্ছেন তারেক রহমান আজ প্রতীক বরাদ্দ, কাল থেকে প্রচারণা শুরু নারায়ণগঞ্জে কারখানায় ভয়াবহ আগুন কুমিল্লায় সরে দাঁড়ালেন ১০ জন শিগগিরই সর্বোচ্চ সীমা ছাড়াতে পারে তাপমাত্রা রাজধানীতে দুই বাসের চাপায় পথচারী নিহত দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন এনসিপি নেত্রী

মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর যেন টাকা বানানোর মেশিন-সকালে ঘুষ দিলে বিকালে পোস্টিং!

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর যেন টাকা বানানোর মেশিনে পরিণত হয়েছে। চলছে বদলি ও প্রশিক্ষণের নামে রমরমা বাণিজ্য। সকালে টাকা দিলে বিকালেই মেলে পোস্টিং। অবশ্য এর জন্য দিতে হয় আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা ঘুষ। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের সাবেক এক মহাপরিচালকের সময় গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর—এই তিন মাসেই প্রায় ৪ হাজার নার্স বিভিন্ন হাসপাতালে বদলি হয়েছেন।

নজিরবিহীন ও অস্বাভাবিক এই বদলি শেষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্থগিত করে। এর আগেই সিন্ডিকেট কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। বদলি করা হয়েছিল এমন কয়েক জন নার্সের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পুরো প্রক্রিয়াটিই নিয়ন্ত্রণ করেছে একটি ‘সিন্ডিকেট’। তার অন্যতম হোতা জামাল উদ্দিন, পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার আত্মীয়। কোনো বদলি ঘুষ ছাড়া সম্ভব হয় না। অনেক মেয়ে প্রয়োজনে বদলির আবেদন করেছেন। মাসের পর মাস করেন অপেক্ষা। বদলির বিষয়ে অধিদপ্তরে খোঁজ নিতে গেলে মিলেছে দুর্ব্যবহার ও হয়রানি। এমনও হয়েছে আনসার গেট থেকে তাদের তাড়িয়ে দিয়েছে।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের এমন আচরণে নার্সরা ক্ষুব্ধ। ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, প্রতিটি বদলিতে দালালের শরণাপন্ন হতে বাধ্য করা হতো। তাদের দিতে হয়েছে আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা। প্রতিবাদ করলেই পদেপদে হয়রানি করা হয়।

এসব বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধানের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দুর্নীতি-অনিয়মের তথ্য যাতে ফাঁস না হয় সেজন্য দুই জন সিনিয়র স্টাফ নার্সকে নিজ খরচে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার জন্য শিক্ষা ছুটি দিয়ে লন্ডনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, এই ব্যয়বহুল প্রশিক্ষণের টাকা কোথায় পেলেন তারা। একসময় যাদের সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হতো।

ঐ দুই জনের একজন হলেন এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পিএ। যিনি জাতীয় হূদেরাগ ইনস্টিটিউট থেকে এসেছেন। অন্যজন এসেছেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে। তারা দুই জনই সিন্ডিকেটের সদস্য। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে এরা টাকা পাঠিয়ে দিয়ে সংকেত দিত। তখন নিচ থেকে ফাইল দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে চলে যেত।

আরেক জন আছেন ময়মনসিংহ নার্সিং কলেজের ইনস্ট্রাক্টর (নিজ বেতন)। তাকে সংযুক্তি দেওয়া হয় অধিদপ্তরে। এর বাইরেও তাকে সংযুক্তি দেওয়া হয় মুগদার নিয়েনারে। তিনি সব প্রশিক্ষণ এবং নার্সিং কলেজ ও ইনস্টিটিউটের অবকাঠামো নির্মাণকাজ করতেন। তিনি জামাল নিয়ন্ত্রিত সিন্ডিকেটের হোতা। এই সিন্ডিকেটের বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় নেটওয়ার্ক রয়েছে। নার্সরা নেটওয়ার্কের বাইরে গিয়ে বদলি হতে পারে না। তাই বাধ্য হয়ে এই নেটওয়ার্কে আসতে হতো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিক্ষা ছুটি দিয়ে ঐ দুই সিনিয়র স্টাফ নার্সকে বিদেশে পাঠানো হয়েছে মূলত অবৈধ উপায়ে অর্জন করা কোটি কোটি টাকা পাচারের উদ্দেশ্যে। অপর দিকে সিন্ডিকেটের লেনদেনর তথ্য যেন ফাঁস না হয়। তাদের মাধ্যমে মূলত বদলি বাণিজ্যের লেনদেন হতো। ‘শিক্ষা ছুটিতে যাওয়া’ দুই জনের একজন চাকরিতে যোগদান করেন ২০১৬ সালে, আরেক জন ২০১৮ সালে।

এই দুই জনকে গ্রেফতার করলে সব তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে জানান নার্স নেতারা। তারা প্রশ্ন রাখেন, সিনিয়র স্টাফ নার্স হয়ে তারা এত টাকা পেলেন কোথায়?

অধিদপ্তরের আরেক জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চলতেন একজন নার্স নেতার কথায়। উনি যখন অধিদপ্তরে যোগদান করেন কিছু জানতেন না। এই সুযোগে ঐ নার্স তাকে ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। একসময় জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা ঐ নার্স নেতা বর্তমান সরকারের আমলেও দোর্দণ্ড প্রতাপে চলছেন। ইতিমধ্যে তিনি চলে গেছেন অবসরে।

অধিদপ্তর হওয়ার আগে যখন পরিদপ্তর ছিল তখন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে চলেছে প্রতিষ্ঠানটি । তখনো কিছু সমস্যা ছিল। তার কারণ ছিল মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তা। তারা কিছু সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতেন, যা নার্সদের পেশার পরিপন্থি। উচ্চতর ডিগ্রিধারী নার্স ও সিনিয়র স্টাফ নার্সদের এক কাতারে মিলিয়ে ফেলতেন তারা। অথচ বিশ্বের অনেকে দেশে উচ্চতর ডিগ্রিধারী নার্সরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে নার্সিং সেক্টরকে এগিয়ে নিচ্ছেন। দেশ-বিদেশ থেকে উচ্চতর ডিগ্রিধারী প্রায় ১ হাজার নার্স বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর এন্ট্রি পয়েন্টে দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা এবং নার্সিং পরিদপ্তরকে অধিদপ্তর করেন। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নার্সিং পেশাকে নিয়ে যেতেই তিনি এই সংস্কার করেছিলেন। কিন্তু এটা চিকিত্সা বিজ্ঞানের একটি সাব-স্পেশালাইজড বিভাগ হলেও নন মেডিক্যাল পার্সন দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করায় একটা হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তারা শুধু নিয়োগ বদলি নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। অথচ সারা পৃথিবীতে সাব-স্পেশালাইজড বিভাগগুলো এই বিভাগের অভিজ্ঞদের দিয়েই পরিচালিত হয়। চিকিত্সা বিজ্ঞানের সকল সংগঠনগুলো একই ধরনের অভিযোগ করে আসছিল।

তবে সত্ মানুষও দায়িত্ব পালন করেছেন নার্সিং অধিদপ্তরে। মহাপরিচালকের দায়িত্ব নিয়ে এমন একজন অতিরিক্ত সচিব এসেছিলেন মাত্র কয়েক মাসের জন্য। মন্ত্রণালয় থেকে তাকে আবার দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে নানা বাধা পাওয়ায় তিনি ঐ পদে আর ফিরতে রাজি হননি। সততার কারণে তার পদোন্নতিও হয়নি। তিনি কোন দল করেন না, নিরপেক্ষ ও সত্ মানুষ হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা অবসরে গেছেন। তাকে বিদায় জানানোর জন্য নার্সদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে বড় গিফট তাকে দেওয়া হয়। এর বিনিময়ে একজন নার্সিং কলেজের প্রিন্সিপাল হয়েছেন। নার্সিং কাউন্সিল আছে ঠিকই, কিন্তু কাজের কাজ করেন না। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তারাও প্রশিক্ষণের নামে বাণিজ্য চালিয়ে আসছেন। নার্সিং অধিদপ্তরের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণের নামে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ আসছে। সত্যিকারের প্রশিক্ষণ তো হয়ই না। দুদকের সাবেক এক চেয়ারম্যান প্রায়ই বলতেন, সচিবালয়ে দুর্নীতি বন্ধ না হলে তার অধীনস্থ দপ্তর-পরিদপ্তর দুর্নীতিমুক্ত হবে না।

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার আশীর্বাদে নার্স বদলি বাণিজ্য করে মো. জামাল উদ্দিন কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, এক সময় তিনি ছিলেন নিম্নবিত্ত। এখন তিনি গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কুষ্টিয়া সদরের ইন্দিরা মোড়ে স্ত্রী শাকিরুন নেসার নামে কিনেছেন জমি। কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার কমলাপুরের নিজ গ্রাম দুধকুমড়ায় প্রায় মোটা অঙ্কের টাকায় তৈরি করেছেন আলিশান বাড়ি। এর পাশেই ‘বিশ্বাসবাড়ী’ নামে আরেকটি বাড়ি নির্মাণও করছেন জামাল বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসী।

এ ব্যাপারে মো. জামাল উদ্দিন বলেন। তিনি বলেন, আমি কোন সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত না। আমি প্রতিহিংসার শিকার। দুদকের অনুসন্ধানে ব্যাংক থেকে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের যে তথ্য আসছে—এ প্রসঙ্গে জামাল বলেন, আমি ব্যবসা করি এবং ব্যাংকের সঙ্গে লেদদেন করতে হয়।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আজ

মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেয়ার সময় শেষ হচ্ছে আজই। ৩০০ আসনের বিপরীতে এরইমধ্যে ৩ হাজার ১১৪টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন প্রার্থীরা। ‎সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন প্রার্থীরা। মনোনয়নপত্র জমা দিতে কোনোভাবে ৫ জনের বেশি ব্যক্তি উপস্থিত হলে কিংবা মিছিল ও শোডাউন করলে আচরণবিধি ভঙ্গ হবে বলেও সর্তক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) দলীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে দলীয় প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকা অথবা সাবেক সংসদ সদস্য হতে হবে। এরপর ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে যাচাই-বাছাই। ২১ তারিখ প্রতীক বরাদ্দের পরই প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে পারবেন।

আরও পড়ুন
language Change