তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রিজাইডিং অফিসার সহ ২ জনের মৃত্যু ভান্ডারিয়ায় ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ রাজধানীতে নির্বাচন ঘিরে সেনাবাহিনীর তল্লাশি অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাব-৫ এর ক্যাম্প কমান্ডারের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন উপদেষ্টারা কে কোথায় ভোট দেবেন? রাজশাহীতে মধ্যরাতে একাধিক বোমা উদ্ধার নির্বাচনে নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখের বেশি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অস্ত্রসহ আটক বিমানবন্দরে বিপুল টাকাসহ জেলা জামায়াতের আমির আটক ঢাকার নদী বাঁচাতে ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক রাজবাড়ীতে ড্রোনের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র মনিটরিং করা হবে ভোটকেন্দ্রগুলোতে কখন পৌঁছাবে ব্যালট, জানাল ইসি পদোন্নতির জন্য পরীক্ষা দিতে হচ্ছে দুদক কর্মকর্তাদের জয়ের প্রত্যাশায় বিএনপি আজ থেকে চারদিন সরকারি ছুটি বিজিবি'র অভিযানে বিদেশী পিস্তল ও ম্যাগজিন , গুলি জব্দ নিশ্চিত পরাজয়ের মুখে সারাদেশে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে জামায়াত: মাহদী আমিন সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা শাকিব শুভ হাজির হতে পারছেন না ভোটকেন্দ্রে অসুস্থ হয়ে আদালত ছাড়লেন পরীমনি, পেছাল জেরা পুলিশ নামাচ্ছে বিশ্বকাপে নিরাপত্তায় রোবট কুকুর পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি নেত্রকোনায় পাঁচ ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাটের দলিল হস্তান্তর করলেন প্রধান উপদেষ্টা দুর্নীতির সূচকে বাংলাদেশের আরও অবনতি জামায়াত আমিরের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সাক্ষাৎ নির্বাচনে যে ফল থাইল্যান্ডের কেউ কল্পনাও করেনি ভোট কেন্দ্রের শৃঙ্খলা-রক্ষার্থে কর্মকর্তা দের মাঝে মেগাফোন বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে যৌথ বাহিনীর মহড়া অনুষ্ঠিত বিএনপি জনগণের আস্থা অর্জন করেছে - হারুনুর রশীদ জাতীয় প্রেস ক্লাবের টয়লেট থেকে সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার টানা ছুটিতে হঠাৎ টাকার দরকার হলে সামাল দেবেন যেভাবে পুড়িয়ে দেওয়া হলো মধ্যরাতে ভিপি নুরের অস্থায়ী নির্বাচনি কার্যালয় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি ভোটারদের যেসব বিষয় আগে থেকেই জানা জরুরি রাজপথের লড়াকু সৈনিক থেকে‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী: এস এম জাহাঙ্গীরের উত্থান ও ত্যাগের গল্প নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে প্রত্যাশা ইইউর পর্যবেক্ষক প্রধানের ভ্রমণকালে রোজা রাখার বিধান এখন থেকে ডিসেম্বরে ১৫ দিন ছুটিতে থাকবে অধস্তন আদালত জনগণের আস্থা আবারও বিএনপির ওপর থাকবে : আমীর খসরু একটি নির্বাচনী ছক, গোয়েন্দা সংস্থার জিডি ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকরা মোবাইল নিতে পারবে : ইসি সানাউল্লাহ ফাইনালে আড়াই কোটি টাকার টুর্নামেন্ট সরে দাঁড়াচ্ছেন কোণঠাসা জাপা’র প্রার্থীরা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের প্রার্থী নুরে আলম হামিদী একটি দল বর্তমানে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছেন - মনি গণঅভ্যুত্থানের পর একশ্রেণি নেমেছিল চাঁদাবাজি ও ষ্টেশন দখলে জামায়াত ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও লুটপাট করব না করতেও দেবোনা দীঘিনালা উপজেলায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার চূড়ান্ত প্রস্তুতি ধানের শীষের পক্ষে ওয়াদুদ সমর্থক পরিষদের গণসংযোগ ও প্রচারণা

মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর যেন টাকা বানানোর মেশিন-সকালে ঘুষ দিলে বিকালে পোস্টিং!

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর যেন টাকা বানানোর মেশিনে পরিণত হয়েছে। চলছে বদলি ও প্রশিক্ষণের নামে রমরমা বাণিজ্য। সকালে টাকা দিলে বিকালেই মেলে পোস্টিং। অবশ্য এর জন্য দিতে হয় আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা ঘুষ। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের সাবেক এক মহাপরিচালকের সময় গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর—এই তিন মাসেই প্রায় ৪ হাজার নার্স বিভিন্ন হাসপাতালে বদলি হয়েছেন।

নজিরবিহীন ও অস্বাভাবিক এই বদলি শেষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্থগিত করে। এর আগেই সিন্ডিকেট কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। বদলি করা হয়েছিল এমন কয়েক জন নার্সের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পুরো প্রক্রিয়াটিই নিয়ন্ত্রণ করেছে একটি ‘সিন্ডিকেট’। তার অন্যতম হোতা জামাল উদ্দিন, পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার আত্মীয়। কোনো বদলি ঘুষ ছাড়া সম্ভব হয় না। অনেক মেয়ে প্রয়োজনে বদলির আবেদন করেছেন। মাসের পর মাস করেন অপেক্ষা। বদলির বিষয়ে অধিদপ্তরে খোঁজ নিতে গেলে মিলেছে দুর্ব্যবহার ও হয়রানি। এমনও হয়েছে আনসার গেট থেকে তাদের তাড়িয়ে দিয়েছে।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের এমন আচরণে নার্সরা ক্ষুব্ধ। ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, প্রতিটি বদলিতে দালালের শরণাপন্ন হতে বাধ্য করা হতো। তাদের দিতে হয়েছে আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা। প্রতিবাদ করলেই পদেপদে হয়রানি করা হয়।

এসব বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধানের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দুর্নীতি-অনিয়মের তথ্য যাতে ফাঁস না হয় সেজন্য দুই জন সিনিয়র স্টাফ নার্সকে নিজ খরচে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার জন্য শিক্ষা ছুটি দিয়ে লন্ডনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, এই ব্যয়বহুল প্রশিক্ষণের টাকা কোথায় পেলেন তারা। একসময় যাদের সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হতো।

ঐ দুই জনের একজন হলেন এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পিএ। যিনি জাতীয় হূদেরাগ ইনস্টিটিউট থেকে এসেছেন। অন্যজন এসেছেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে। তারা দুই জনই সিন্ডিকেটের সদস্য। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে এরা টাকা পাঠিয়ে দিয়ে সংকেত দিত। তখন নিচ থেকে ফাইল দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে চলে যেত।

আরেক জন আছেন ময়মনসিংহ নার্সিং কলেজের ইনস্ট্রাক্টর (নিজ বেতন)। তাকে সংযুক্তি দেওয়া হয় অধিদপ্তরে। এর বাইরেও তাকে সংযুক্তি দেওয়া হয় মুগদার নিয়েনারে। তিনি সব প্রশিক্ষণ এবং নার্সিং কলেজ ও ইনস্টিটিউটের অবকাঠামো নির্মাণকাজ করতেন। তিনি জামাল নিয়ন্ত্রিত সিন্ডিকেটের হোতা। এই সিন্ডিকেটের বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় নেটওয়ার্ক রয়েছে। নার্সরা নেটওয়ার্কের বাইরে গিয়ে বদলি হতে পারে না। তাই বাধ্য হয়ে এই নেটওয়ার্কে আসতে হতো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিক্ষা ছুটি দিয়ে ঐ দুই সিনিয়র স্টাফ নার্সকে বিদেশে পাঠানো হয়েছে মূলত অবৈধ উপায়ে অর্জন করা কোটি কোটি টাকা পাচারের উদ্দেশ্যে। অপর দিকে সিন্ডিকেটের লেনদেনর তথ্য যেন ফাঁস না হয়। তাদের মাধ্যমে মূলত বদলি বাণিজ্যের লেনদেন হতো। ‘শিক্ষা ছুটিতে যাওয়া’ দুই জনের একজন চাকরিতে যোগদান করেন ২০১৬ সালে, আরেক জন ২০১৮ সালে।

এই দুই জনকে গ্রেফতার করলে সব তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে জানান নার্স নেতারা। তারা প্রশ্ন রাখেন, সিনিয়র স্টাফ নার্স হয়ে তারা এত টাকা পেলেন কোথায়?

অধিদপ্তরের আরেক জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চলতেন একজন নার্স নেতার কথায়। উনি যখন অধিদপ্তরে যোগদান করেন কিছু জানতেন না। এই সুযোগে ঐ নার্স তাকে ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। একসময় জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা ঐ নার্স নেতা বর্তমান সরকারের আমলেও দোর্দণ্ড প্রতাপে চলছেন। ইতিমধ্যে তিনি চলে গেছেন অবসরে।

অধিদপ্তর হওয়ার আগে যখন পরিদপ্তর ছিল তখন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে চলেছে প্রতিষ্ঠানটি । তখনো কিছু সমস্যা ছিল। তার কারণ ছিল মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তা। তারা কিছু সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতেন, যা নার্সদের পেশার পরিপন্থি। উচ্চতর ডিগ্রিধারী নার্স ও সিনিয়র স্টাফ নার্সদের এক কাতারে মিলিয়ে ফেলতেন তারা। অথচ বিশ্বের অনেকে দেশে উচ্চতর ডিগ্রিধারী নার্সরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে নার্সিং সেক্টরকে এগিয়ে নিচ্ছেন। দেশ-বিদেশ থেকে উচ্চতর ডিগ্রিধারী প্রায় ১ হাজার নার্স বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর এন্ট্রি পয়েন্টে দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা এবং নার্সিং পরিদপ্তরকে অধিদপ্তর করেন। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নার্সিং পেশাকে নিয়ে যেতেই তিনি এই সংস্কার করেছিলেন। কিন্তু এটা চিকিত্সা বিজ্ঞানের একটি সাব-স্পেশালাইজড বিভাগ হলেও নন মেডিক্যাল পার্সন দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করায় একটা হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তারা শুধু নিয়োগ বদলি নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। অথচ সারা পৃথিবীতে সাব-স্পেশালাইজড বিভাগগুলো এই বিভাগের অভিজ্ঞদের দিয়েই পরিচালিত হয়। চিকিত্সা বিজ্ঞানের সকল সংগঠনগুলো একই ধরনের অভিযোগ করে আসছিল।

তবে সত্ মানুষও দায়িত্ব পালন করেছেন নার্সিং অধিদপ্তরে। মহাপরিচালকের দায়িত্ব নিয়ে এমন একজন অতিরিক্ত সচিব এসেছিলেন মাত্র কয়েক মাসের জন্য। মন্ত্রণালয় থেকে তাকে আবার দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে নানা বাধা পাওয়ায় তিনি ঐ পদে আর ফিরতে রাজি হননি। সততার কারণে তার পদোন্নতিও হয়নি। তিনি কোন দল করেন না, নিরপেক্ষ ও সত্ মানুষ হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা অবসরে গেছেন। তাকে বিদায় জানানোর জন্য নার্সদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে বড় গিফট তাকে দেওয়া হয়। এর বিনিময়ে একজন নার্সিং কলেজের প্রিন্সিপাল হয়েছেন। নার্সিং কাউন্সিল আছে ঠিকই, কিন্তু কাজের কাজ করেন না। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তারাও প্রশিক্ষণের নামে বাণিজ্য চালিয়ে আসছেন। নার্সিং অধিদপ্তরের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণের নামে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ আসছে। সত্যিকারের প্রশিক্ষণ তো হয়ই না। দুদকের সাবেক এক চেয়ারম্যান প্রায়ই বলতেন, সচিবালয়ে দুর্নীতি বন্ধ না হলে তার অধীনস্থ দপ্তর-পরিদপ্তর দুর্নীতিমুক্ত হবে না।

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার আশীর্বাদে নার্স বদলি বাণিজ্য করে মো. জামাল উদ্দিন কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, এক সময় তিনি ছিলেন নিম্নবিত্ত। এখন তিনি গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কুষ্টিয়া সদরের ইন্দিরা মোড়ে স্ত্রী শাকিরুন নেসার নামে কিনেছেন জমি। কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার কমলাপুরের নিজ গ্রাম দুধকুমড়ায় প্রায় মোটা অঙ্কের টাকায় তৈরি করেছেন আলিশান বাড়ি। এর পাশেই ‘বিশ্বাসবাড়ী’ নামে আরেকটি বাড়ি নির্মাণও করছেন জামাল বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসী।

এ ব্যাপারে মো. জামাল উদ্দিন বলেন। তিনি বলেন, আমি কোন সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত না। আমি প্রতিহিংসার শিকার। দুদকের অনুসন্ধানে ব্যাংক থেকে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের যে তথ্য আসছে—এ প্রসঙ্গে জামাল বলেন, আমি ব্যবসা করি এবং ব্যাংকের সঙ্গে লেদদেন করতে হয়।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

২ মাস পর খুলল বনানী-কাকলী ক্রসিং

স্টাফ রিপোর্টার: প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর যানজট নিরসনের জন্য রাজধানীর বনানী-কাকলী ক্রসিং খুলে দেওয়া হয়েছে। ডিএমপির গুলশান ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বনানী কবরস্থানের সামনের ক্রসিং খুলে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে বনানী ২৭ নম্বর রোড দিয়ে কবরস্থান ক্রসিং পার হয়ে এয়ারপোর্টে যাওয়া যাবে। তবে ২৭ নম্বর রোড ওয়ান ওয়ে (একমুখী) করা হয়েছে। এতে বলা হয়, কামাল আতাতুর্ক রোড থেকে ২৭ নম্বর হয়ে এয়ারপোর্ট রোডে গাড়ি যেতে পারবে। তবে এয়ারপোর্ট রোড থেকে বনানী ২৭ নম্বর রোডে ঢুকতে পারবে না। এছাড়াও বনানী রোড নং ১, ৪, ১৬, ১৮, ২০, ২২, ২২ (ব্লক কে), ২৪, ২৬, ২৮ থেকে ২৭ নম্বর হয়ে শুধু এয়ারপোর্ট রোডে যাওয়া যাবে। বনানী রোড নম্বর ১, ৪, ১৬,

আরও পড়ুন
language Change