তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
পাহাড়ের পরিবেশ রক্ষার্থে প্রতিবাদ সমাবেশ হোটেলে তরুণ-তরুণীকে হত্যা: সিনেমাকেও হার মানানো ঘটনা তারেক রহমানকে ঝুলিয়ে নির্যাতন: অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য শিশু ধর্ষণ মামলায় সেই মাদরাসা শিক্ষক রিমান্ডে ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৯ বিজিবির অভিযান ৭টি ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ ঝালকাঠির হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের মহাপরিকল্পনা নলডাঙ্গায় ছড়িয়ে পড়ছে বিষাক্ত উদ্ভিদ পার্থেনিয়াম নাটোরে বজ্রপাতে ১ জনের মৃত্যু কেশবপুর নারী খামারীদের দক্ষতা ও উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কেশবপুরে বাড়েছে ডায়রিয়া রোগী সংখ্যা ফ্যাসিবাদের দোসর সংসদ ভবনে কি করে? গণপূর্তের প্রকৌশলী নাহিদ এর খুঁটির জোর কোথায়? এনজিও কর্মীর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ পর্নোগ্রাফি মামলায় আটক ২ চ্যানেল ওয়ান ও মাইটিভির সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসীদের হামলায় ভোলাহাটে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত নিজস্ব অর্থায়নে নৌ অ্যাম্বুলেন্স উদ্বোধন করলেন এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল কলেজ ছাত্রীকে নিয়ে শিক্ষক উধাও টাঙ্গাইলের ৩০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার শীর্ষ নেতার সম্পদের উৎস নিয়ে ছাত্রদল নেতার প্রশ্ন নানক-তাপসের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ আজ আবারও গভর্নরের মুখোমুখি বিজয় থালাপতি প্রথম ধাপে পে স্কেলর সুখবর পাচ্ছেন যারা রাষ্ট্রের বড় সম্পদ জনগণের বিশ্বাস: প্রধানমন্ত্রী ট্রাকের ধাক্কায় সড়কে ব্যবসায়ীর মৃত্যু আজ থেকে উৎপাদনে ফিরছে ইস্টার্ন রিফাইনারি শেরপুর হাতির ভয়ে কাঁচা ধান কাটছেন কৃষকেরা সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সভা বটিয়াঘাটায় বিদ্যালয় সংস্কারে শুভঙ্করের ফাঁকি গ্রামের সঙ্গে কেউ বিয়ের সম্পর্ক করতে চায় না বলে অভিযোগ এলজিআইডি অফিসে কর্মকর্তা অনুপস্থিত, সেবায় স্থবিরতা জেলা প্রশাসনের অনুমতিতে বাজারে এলো সুমিষ্ট আম বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পরে প্রাণ হারালেন স্কুল শিক্ষিকা, আহত ২ ৮ দিনেও মেলেনি খোঁজ, নিখোঁজ মাসুমকে ফিরিয়ে দিতে আহ্বান পরিবারের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, দুর্ভোগে যাত্রীরা কুরবানির পশুর হাটে চাঁদাবাজি চলবে না: প্রতিমন্ত্রীর যমুনা অয়েলের বাঘাবাড়ি ডিপো ইনচার্জ সাদেকীনের নেতৃত্বে অনিয়মই যেখানে নিয়ম কালিহাতীতে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে বালুখেকোদের দৌরাত্ম্য শেরপুরে কৃষ্ণচূড়া ফুলে সেজেছে গ্রীষ্মের প্রকৃতি নারায়ণগঞ্জে অভিযানে হামলা, র‍্যাবের ৩ সদস্যকে কুপিয়ে জখম কেশবপুরে পুলিশের অভিযানে ১৭ আসামি গ্রেফতার টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে অষ্টম স্থানে বাংলাদেশ শেরপুরে সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবিতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবক, ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেও গুলি বিদ্যুৎ নিয়ে যে সুখবর দিল পিডিবি সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা বকেয়া পরিশোধ ছাড়াই ঋণ পারবেন চামড়া ব্যবসায়ীরা বুধবার দেশে ফিরতে পারে বৃষ্টির মরদেহ আবারও ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের রিমান্ডে চীনা নাগরিক পরিচয়ে বিয়ে করতে টাঙ্গাইলে ২ যুবক পরিচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, অন্তঃসত্ত্বা ১২ বছরের শিশু পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় যেই আসুক বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না বৃষ্টির দিনে মন ভালো করার উপায়

আওয়ামী সুবিধাভুগি ৪ কারা কর্মকর্তার কাছে জিম্মি কারা অধিদপ্তর!

পাঠক সংখ্যা
638

বিশেষ প্রতিনিধি:

আওয়ামীলীগ আমলে সবচেয়ে বেশি সুযোগ সুবিধা ভোগ করে এখন বোল পাল্টিয়ে জুলাই আগষ্ট আন্দোলন পরবর্তী সময়ে ভাল ভাল পোস্টিং ভাগিয়ে নিয়েছে ৪ কারা কর্মকর্তা ।
এদের সবারই রয়েছে নানা দুর্নীতির ইতিহাস। কেউ কেউ দুর্নীতির বরপুত্র হিসেবেও পরিচিত।

এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত ঢাকা বিভাগের ডিআইজি প্রিজন্স মোঃ জাহাঙ্গীর কবির। তিনি আওয়ামীলীগ আমলে কারা অধিদপ্তরের সবচেয়ে লোভনীয় পোস্টিং গুলো বাগিয়ে নেন।
২০০৯ সালে জাহাঙ্গীর কবির ছিলেন সহকারী কারা মহাপরিদর্শক(এআইজি)। সেখান থেকে ২০১০/১১ সালে সিনিয়র জেল সুপার এর দায়িত্ব পান। তখন তার চাকরির বয়স মাত্র ২/৩ বছর।
সিনিয়র জেল সুপার (চলতি দায়িত্ব) জাহাঙ্গীর কবির এর যাত্রা শুরু কাশিমপুর কারাগার ১ দিয়ে। তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয় নাই তাকে।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ২,
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার,
কাশিমপুর কারাগার ২,
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার,
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বদলী হন তিনি।
সকল সিনিয়র জেল সুপারদের ডিঙিয়ে জাহাঙ্গীরকে দেশের সবচেয়ে বড় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার করা হয়। নিজেকে জাহাঙ্গীর গোপালগঞ্জের জামাই পরিচয় দিতেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী মাহমুদ হাসান বাবুল, এপিএস সাইফুজ্জামান শিখরের মাধ্যমে পোস্টিং বাগিয়ে নিতেন জাহাঙ্গীর।
এ কাজে সহযোগিতা করতেন তৎকালীন আইজি প্রিজন্স আশরাফুল ইসলাম খান ও সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন। মোটা অংকের মাসোয়ারা দিতেন জাহাঙ্গীর।
যে কারণে তাকে ৩ বছর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে সিনিয়র জেল সুপার পদে রাখা হয়।
সকল নিয়োগ কমিটিতেও জায়গা করে নিতেন তিনি। তারপর ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগার সিনিয়র জেল সুপার ও নবসৃষ্ট ময়মনসিংহ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত ডিআইজি প্রিজন্স করা হয় তাকে।
প্রায় ৫ বছর দুটি পদে আসীন থেকে দাবড়িয়ে বেড়িয়েছেন তিনি। কারাগারে তাকে দুর্নীতির বরপুত্র হিসেবে ডাকা হয়। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানিগঞ্জে) জেলার মাহবুব এর পর কারা বিভাগের সবচেয়ে দুর্নীতিবাজ কারা কর্মকর্তা হিসেবে দেখা হয় এই জাহাঙ্গীর কবিরকে।
তার আমলে কাশিমপুর কারাগার ২ থেকে ভারতে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করা হয় টপটেরর বিকাশকে।
তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মখা আলমগীরের খুব কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এই জাহাঙ্গীর কবির ও জেলার সুভাষ কুমার ঘোষ।
সুভাষ ঘোষকে ৫ আগষ্টের পর বাধ্যতামুলক অবসর দেয়া হলেও জাহাঙ্গীর কবির থেকে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
সাবেক বিতর্কিত সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ এর ভাই শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফকে সাজা মওকুফ করার জন্য প্রতিদিন ফাইল নিয়ে কারা অধিদপ্তরে আসা যাওয়া করতেন জাহাঙ্গীর কবির। জাহাঙ্গীর কবির, জেলার মাহবুব ও তৎকালীন আইজি প্রিজন্স সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন মিলে জোসেফকে কারাগার থেকে বের করে দেয়ার বিষয়ে সকল কাজ সমাধা করেন।
তারপর ২০২০/২১ সালে পুরুষ্কার স্বরুপ জাহাঙ্গীর কবিরকে ডিআইজি প্রিজন্স পদে পদোন্নতি দিয়ে স্থায়ী করা হয়।
তারপর বরিশাল বিভাগ থেকে হঠাৎ ৫ আগষ্টের পর ঢাকা বিভাগের ডিআইজি প্রিজন্স পদে বদলি হয়ে আসেন। নিজেকে বিএনপি পন্থী উল্লেখ করে কৌশলে সে এই পদ দখল করে নেন। তার রয়েছে অঢেল সম্পদ ও নগদ টাকা। টাকার কাছে সবকিছু হারমানে।
এখন শোনা যায় তিনি ছায়া আইজি প্রিজন্স হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
আইজি প্রিজন্সকে জিম্মি করে পছন্দের কর্মকর্তাদের ভাল ভাল জায়গায় পোস্টিং করিয়ে নিচ্ছেন। আর অপছন্দের অফিসারদের নানাভাবে হয়রানি করা ও চাকুরিচ্যুতির চেষ্টা করছেন।
টাকা না দিলে জাহাঙ্গীর কবির এর হাত থেকে কেউ বাঁচতে পারেন না। শুধু তাই নয়,ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, (কেরানীগঞ্জে) আটক আওয়ামী লীগের বড়বড় নেতাদের কারাগারে জামাই আদরে রাখতে ও বাহির হাসপাতালে ভর্তি করে এবং অবৈধ মোবাইল সরবরাহ করার জন্য রয়েছে জাহাঙ্গীরের একটি সিন্ডিকেট।
তাকে সহযোগিতা করে কারা অধিদপ্তরের এআইজি আবু তালেব ও এআইজি জান্নাতুল ফরহাদ।
তার হয়ে কাজ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার একে এম মাসুম। তারা নিজেদেরকে বিএনপিপন্থী জেল অফিসার হিসেবে পরিচয় দিয়ে কারা মহাপরিদর্শককে জিম্মি করে রেখেছেন।

জাহাঙ্গীর কবির ঢাকা জেলের সিনিয়র জেল সুপার হিসেবে যোগদান করেন পুরাতন ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন ঢাকা জেলে। সেখানে তার জেলার হিসেবে দায়িত্ব পালন আরেক কুখ্যাত আওয়ামীপান্ডা জেলার নেছার আলম। গত ৫ আগষ্টের পর তাকেও বর্তমান সরকার বাধ্যতামূলক অবসর দিয়ে বাড়ি পাঠিয়েছেন। ২০১৫/১৬ সালে ঢাকা জেলের ইটপাথরও টাকা দাবি করতো গরীব অসহায় অভাবী বন্দীদের কাছে। জন প্রতি ২৫০০ থেকে ২৫০০০ এমন কি লাখ টাকাও দিতে হতো জাহাঙ্গীর কবির ও নেছার আলমকে। তারা দুজন মিলে চিফ রাইটার মেশকাত চৌধুরী ও চিফ রাইটার ফারুক ওরফে সাদাচুল ওয়ালা ফারুক এর কাছে ২ কোটি টাকা দিয়ে গরুর হাট কেনাবেচার মতো কারাগার বিক্রি করে দিতো।
গরীব অসহায় অভাবী বন্দীদের মা বোনের চোখের জলে বুক ভেসে যেতো কিন্তু জাহাঙ্গীর কবির এর ও নেছার আলমের অন্তর কাপতো না। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে ঢাকা জেল পুরাতন ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হলে কসাই খ্যাত মাহবুব জেলার হিসেবে পুনরায় চট্টগ্রাম কারাগার থেকে এসে ঢাকা কারাগারে যোগদান করেন। এ ভাবে ৩ বছর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে সিনিয়র জেল সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আওয়ামী লীগের আস্থাভাজন জেল অফিসার হিসেবে জাহাঙ্গীর কবির সাকা চৌধুরী ও জামাতে ইসলামীর বড়বড় নেতাদের ফাঁসি কার্যকর করে তা দম্ভ অহমিকা ভরে প্রচার করতেন।
গণভবনে তার নিয়মিত যাতায়াত ছিল।ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ আমলে সর্বোচ্চ সুবিধাভোগী এই জাহাঙ্গীর কবির এখন বিএনপির বড় নেতা পরিচয় দিয়ে বিএনপির বড়বড় নেতাদের বাসায় দৌড়ে বেড়াচ্ছেন তার অপকর্ম ঢাকার জন্য। একাধিক সুত্রে জানা যায়, অত্যন্ত গরীব ঘরের সন্তান জাহাঙ্গীর কবির এর রয়েছে সম্পদের পাহাড়।
দুদকে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে।কথিত আছে বেগম খালেদা জিয়া সাব জেল হিসেবে ঢাকা জেলের মহিলা ওয়ার্ডে থাকাকালীন কিছু দিন দায়িত্ব পালন করার সময় তিনি পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এখন তিনি বিএনপিপন্থী হিসেবে পরিচয় দেন।
অথচ সে কখনও ছাত্রদল করেন নাই। বরং ছাত্রলীগ সভাপতি রিপনকে বন্ধু ও সহযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে ফেসবুকে লেখালেখি করেন এই আওয়ামী দালাল। এখন তিনি ছায়া আইজি প্রিজন্স!

৫ আগষ্টের পরপর আরো দুজন জেল সুপার সুকৌশলে কারা অধিদপ্তরের ঢুকে পড়েন। একজন আবু তালেব ও অপরজন জান্নাতুল ফরহাদ। আর একজন জুনিয়র জেলার ঠাকুরগাঁও পরিচয় দিয়ে ঢাকা জেলের জেলার পদে বদলি হয়ে এসে যোগদান করেন। তার নাম এ কে এম মাসুম।

আবু তালেব তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ২০০০ সালে ডেপুটি জেলার হিসেবে যোগদান করেন। তার বাড়ি নড়াইল জেলায়। সেই সময় শেখ হেলালের সুপারিশে তিনি ডেপুটি জেলার পদে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০০৩ সালে লালবাগের আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক এমপি হাজী সেলিমকে কারাগারের ভিতরে মোবাইল সরবরাহের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত হয়ে দিনাজপুর কারাগারে সংযুক্ত হন। হাজী সেলিমকে ঢাকা জেলে অবৈধ মোবাইল ফোন সরবরাহের ঘটনায় রুজু করা বিভাগীয় মামলায় তার বেতন বৃদ্ধি তিন বছরের জন্য স্থগিত করা হয়।
তার এই রেকর্ড চাকরি বহিতে লিপিবদ্ধ থাকার কথা। যদি তিনি তা গায়েব করে না দিয়ে থাকেন।
তিনি একজন চরম বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। আওয়ামী লীগ আমলে তিনি সাতক্ষীরা কারাগারে ৪ বছর, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ৫ বছর জেলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বাড়ি নড়াইল হওয়া সত্তেও আবু তালেব শেখ হেলাল ও গোপালগঞ্জ আওয়ামীলীগ নেতাদের সহযোগিতায় দশ বছর যাবত যশোর ও সাতক্ষীরায় চাকরি করেন।
পরে আওয়ামী লীগের আমলেই জেল সুপার পদে পদোন্নতি পান।

আবু তালেব একজন ধুরন্ধর মিথ্যাশ্রয়ী ও চরম লোভী কারা কর্মকর্তা। গত ৫ আগষ্টের পর কারা অধিদপ্তরে এআইজি এডমিন হিসেবে দায়িত্ব ভাগিয়ে নিয়েছেন। যোগদানের পরপরই ঢাকা জেল, (কেরানীগঞ্জ) থেকে শুরু করে কাশিমপুর কারাগার, নারায়ণগঞ্জ গাজীপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লাসহ দেশের বড় কারাগারে তার পছন্দের সুবেদার, সার্জেন্ট, ডেপুটি জেলার, জেলার ও জেল সুপার পদায়ন শুরু করেন।
কারা মহাপরিদর্শক নবাগত হওয়ায় সেই সময় যা ইচ্ছে তা করে গেছেন বদলির ক্ষেত্রে। কারারক্ষী থেকে সিনিয়র জেল সুপার পর্যন্ত লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে বদলি করেন এই আবু তালেব।

কারা অধিদপ্তরে কর্মরত সকল কারারক্ষী বদলি করে তার আশেপাশে তার পছন্দের কারারক্ষী ও কর্মকর্তা কর্মচারী বদলি করে নিয়ে আসেন। যেন তার দুর্নীতি ও অপকর্ম নিয়ে কেউ মুখ না খুলে। পুরনো সবাইকে ঢাকার বাহিরে বদলি করে দেন আবু তালেব ও জান্নাতুল ফরহাদ মিলে।
আইজি প্রিজন্স কিছু বুঝে উঠার আগেই তারা মাঠ গুছিয়ে ফেলেন।

কারারক্ষীদের বিভাগ পরিবর্তন প্রতিটি বদলি থেকে ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত নিয়েছে দুর্নীতিবাজ তালেব। সুবেদারদের কাছ থেকে নিয়েছেন ৪/ ৫ লাখ টাকা করে। এর মধ্যে যারা পরিবার পরিজন রেখে কারা অধিদপ্তর থেকে বাহিরে চলে গিয়েছিলেন তালেবের কারণেই।
তাদেরকে আবারও টাকার বিনিময়ে কারা অধিদপ্তরে ফিরিয়ে এনেছেন। এভাবে কারা অধিদপ্তরের সকল ক্ষমতা ভোগ করছেন আবু তালেব, ফরহাদ ও ডিআইজি প্রিজন্স জাহাঙ্গীর কবির।

কারা বিভাগের সিনিয়র জেল সুপার পদোন্নতি নিয়ে ৩ টি গ্রুপের মধ্যে সিনিয়রিটি নিয়ে আদালতে মামলা মোকদ্দমা চলমান ছিল।নুরুন্নবী ভার্সেস আঃ জলিল গ্রুপ।
আঃ জলিল ভার্সেস আমিরুল গ্রুপ। গত কিছু দিন আগে সবার মামলা মোকদ্দমা উঠিয়ে নিয়ে আবু তালেব ও জাহাঙ্গীর কবির এর গভীর ষড়যন্ত্রে সিনিয়র জেল সুপার পদোন্নতি দিয়ে অনেককেই বঞ্চিত করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনের জাল পেতে তাদের বাদ দিয়ে দেয়া হয়। এদের মধ্যে রয়েছে প্রশান্ত কুমার বণিক, রত্না রায় ও জাহানারা বেগম। তবে এই পদোন্নতি দিয়ে কাশিমপুর কারাগার ও চট্টগ্রাম কারাগার, রাজশাহী কারাগারে পদায়ন করে আবু তালেব কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন যা কারা মহাপরিদর্শক ধরতে পারে নাই।
এই তিনজনকে ২ দফা পদোন্নতি বঞ্চিত করা হয়েছে।

কিছু দিন আগে নিরাপত্তা সদস্য নিয়োগ দিয়ে আবু তালেব হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি টাকা। সেই জন্য কমিটিতে তাকে রাখা নাহলেও তার পছন্দের ডিআইজি ও সিনিয়র জেল সুপারকে কৌশলে কমিটির সদস্য করেন আবু তালেব।
গোয়েন্দা ইউনিট এর সদস্য হওয়ার জন্য সবাই আবু তালেবকে টাকা দিয়েছেন। আর আবু তালেব তা গোপনে কমিটির সদস্যদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছেন।

সবাই জানে আবু তালেব এর সাথে কৌশল করে কারা মহাপরিদর্শক ও অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক পেরে উঠছেন না। তালেব অফিস টাইম এর পর রাত ১২ টা ১ টা পর্যন্ত বিভিন্ন প্রভাবশালীদের বাসায় বাসায় ঘুরে বেড়ান। (চলব)

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বিশ্ববিদ্যালয় এতিমখানা নয়: রিজভী

বিশ্ববিদ্যালয় এতিমখানা নয়: রিজভী

ডেস্ক রিপোর্ট: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় এতিমখানা নয় যে, ১০০ খাট সহায়তা দিয়ে ফলাও করে প্রচারণা চালাবে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ: নাগরিক ও জাতিবাদী জাতীয়তাবাদের সংকট’ শীর্ষক বইয়ের ওপর আলোচনা সভায় এই কথা বলেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইস্যুতে রিজভী বলেন, ‘যিনি ডাকসুর ভিপি নির্বাচিত, তাকে কি ম্যাজিস্ট্রিসি পাওয়ার দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার দোকানগুলোতে জরিমানা আদায়ের অধিকার কি তার রয়েছে। এরপরও কিন্তু তিনি জরিমানা আদায় করেছেন। সেই টাকা যাচ্ছে জামায়াতের বায়তুলমালে। এটার কি কোনো আইনগত ভিত্তি রয়েছে। অভিযোগ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, বরাবরই আমরা দেখছি এদের কর্মকাণ্ড হচ্ছে রাষ্ট্রের মধ্যে আরেকটা রাষ্ট্র করা। আবার হলগুলোতে লোহার খাট দিয়েছে। এটা কি রাজনৈতিক কোনো সংগঠন কিংবা বা ডাকসুর দায়িত্ব। সর্বোচ্চ

আরও পড়ুন
language Change