তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
শ্রমিকদের বেতন পরিশোধে বিশেষ ঋণ দেবে ব্যাংক রাজনগরে যুবক খুনের ঘটনায় গ্রেফতার-৩ দেশে ফিরেছেন জাহের আলভীর সেই প্রেমিকা অভিনেত্রী তিথি অনিয়ম দুর্নীতির তালিকায় মৌলভীবাজারের ৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শেরপুরে ১৮ মাস রাস্তার কাজ বন্ধ থাকায় জনদূর্ভোগ চরমে দলীয় কার্যালয়ে আগুন, প্রতিবাদে নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ ৪৬ বছর পর এশিয়ান কাপ খেলছে বাংলাদেশ কানাডায় ঢাকা ওয়াসার এমডির স্ত্রীর নামে বাড়ি হুড়োহুড়ি করে দুবাই ছাড়ছেন ধনীরা দুদক কমিশন কি বিদায় নিচ্ছে? কণ্ঠস্বর ভেঙে যাওয়া বা গলা ব্যথা কখন তা ক্যান্সারের সংকেত বাড়তে পারে ঈদের ছুটি সব ধরনের ভিসার মেয়াদ এক মাস বাড়ালো কাতার সরকারি মহিলা কলেজ-এর আয়োজনে ইফতার অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে মোবাইল কোর্টের অভিযান সীমান্তে ডিএনসির অভিযানে ইয়াবাসহ নারী আটক ০১ পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে জাতীয়তাবাদী তৃণমুল দলের ফুলের শুভেচ্ছা গণভোট অধ্যাদেশ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেনো অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল নকলা পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে এমপি ফাহিম চৌধুরীর মতবিনিময় সভা অর্থমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল আমতলীতে বিএনপি কার্যালয়ে ব্যানার টানিয়ে দখলচেষ্টা ভাঙারির দোকানে মিললো ৮ হাজার নতুন পাঠ্যবই যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ ইরান সরকারের হাতে নয়, বিপ্লবী গার্ডের কাছে জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত আটককৃত চাঁদাবাজকে ছেড়ে দিলো পুলিশ শেরপুরে ডায়াবেটিক সমিতির আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় ১০ গরু জব্দ দুর্গম পাহাড়ে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে এম নাসের রহমান এমপি বরগুনায় পৌর মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছাত্রদলের সভাপতি সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি: গণধোলাই, আটক ১ সীমান্তে ডিএনসি’র অভিযানে হেরোইনসহ আটক ১ কাতারে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি ভোটের ফলাফল নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে বিএনপির ৪ প্রার্থী ইকরার আত্মহত্যার পর আলভীকে নিয়ে ধোঁয়াশা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কে কার মুখোমুখি রাজধানীতে ট্রাকচাপায় কিশোরের মৃত্যু বাংলাদেশসহ কিছু দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে নতুন বার্তা নারীদের জন্য বিশেষ বাস চালু করতে চায় সরকার প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ এই দিনে উড়েছিল স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকা আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি মখদুমীসহ সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার দাবি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ মার্চেই কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস, তাপমাত্রা উঠতে পারে ৩৯ ডিগ্রি পর্যন্ত অনৈতিক প্রস্তাবে অতিষ্ঠ হয়ে রুমমেটকে ৭ টুকরা পুলিশের লোমহর্ষক বর্ণনা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কাজ ৫ মার্চের মধ্যে শেষ হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রবাসীদের নিরাপত্তার বিষয়ে খোঁজখবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী গোমতীর নদীর অবৈধ মাটি নিয়ে প্রশ্ন: তোপের মুখে সাংবাদিকরা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ইরান খেলবে না বিশ্বকাপ

রাজউকের শাহ আলমের কাছে জিম্মি ভবন মালিকরা

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥
রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান রাজউকের ৬/২ নম্বর জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমারত পরিদর্শক শাহ আলমের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ঘুষ বাণিজ্য, প্রতারণা, হয়রানি ও নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের মাত্রা ও বিস্তৃতি এতটাই গভীর যে, এটি নিছক একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিচ্ছিন্ন কর্মকাণ্ড নয়—বরং রাজউকের অভ্যন্তরে গড়ে ওঠা একটি সংঘবদ্ধ দুর্নীতির চক্রের স্পষ্ট প্রতিফলন।

ঢাকায় সরকার অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ করেও মালিকরা আজ নিরাপদ নন। নকশা হুবহু অনুসরণ করেও রিপোর্ট আটকে রাখা, নানা টেকনিক্যাল অজুহাতে হয়রানি চালানো এবং অব্যাহত ঘুষ দাবির মাধ্যমে পরিদর্শক শাহ আলম ভবন মালিকদের নিত্যদিনের দুর্ভোগে ঠেলে দিয়েছেন। অসংখ্য অভিযোগের মধ্যে এক ভুক্তভোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান—নির্দিষ্ট নিয়মে কাজ করেও বারবার প্রতিবেদন আটকে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে শেষ পর্যন্ত তাকে “বিশেষ খরচ” পরিশোধে বাধ্য করা হয়।

এখানেই শেষ নয়। একাধিক অভিযোগে উঠে এসেছে, ঘুষ গ্রহণের সময় শাহ আলম প্রকাশ্যেই বলেন—“আমি একা খাই না, উপরে দিতেও হয়।” এমন স্বীকারোক্তিমূলক উক্তিই ইঙ্গিত দেয়, এই ঘুষ বাণিজ্য কোনো একক কর্মচারীর চাতুর্য নয়—বরং রাজউকের ভেতরে গেঁথে বসা দুর্নীতির একটি সুসংগঠিত চেইন-সিস্টেম। আরও চমকে দেওয়ার মতো তথ্য হলো—ঘুষ নেওয়ার সময় শাহ আলম কখনো কখনো ভবন মালিকদের কাছে ‘রশিদ’ পর্যন্ত প্রদান করেছেন। এটি স্পষ্ট করে দেয় যে, দুর্নীতিকে তিনি কেবল রেওয়াজ নয়, বরং এক প্রাতিষ্ঠানিক বাণিজ্যিক প্রক্রিয়া হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

তীব্র গণঅসন্তোষ ও গণমাধ্যমে বিষয়টি উঠে আসার পর রাজউক কর্তৃপক্ষ ‘আন্তঃবিভাগীয় তদন্ত কমিটি’ গঠন করতে বাধ্য হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটি শাহ আলমের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলোর প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে। একাধিক ক্ষেত্রে ভিডিওচিত্রসহ অন্যান্য আলামতের ভিত্তিতে প্রমাণ মিলেছে যে, শাহ আলম বিভিন্ন ভবন মালিকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন এবং তা রাজউকের অভ্যন্তরীণ কিছু প্রভাবশালী কর্মকর্তার কাছে নিয়মিত হস্তান্তর করেছেন।

তদন্তে উঠে এসেছে, ৬/২ নম্বর জোনে পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে ভবনপ্রতি ২০ হাজার থেকে শুরু করে কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায়ের নজির রয়েছে। শুধু শাহ আলম নয়, তদন্তে আরও কিছু কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার তথ্যও উঠে এসেছে, যা রাজউকের গাঢ় কালো দুর্নীতিচক্রের নির্মম বাস্তবতা তুলে ধরে।

চলবে…৷

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

মদিনা সনদ ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা

অনলাইন ডেস্কঃ মদিনা রাষ্ট্রকে সুখ, শান্তি ও নিরাপদ রাখার জন্য মহানবী (সা.) সব ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের সমন্বয়ে একটি ঐতিহাসিক সনদ রচনা করেছিলেন। ওই সনদে যে ‘উম্মাহ’ কথাটি বলা হয়েছে তা ছিল সব ধর্ম-বর্ণের সমন্বয়ে রচিত উম্মাহ।  মদিনা সনদের ২৬ অনুচ্ছেদে মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘বনু আউফের ইহুদিরা মুমিনদের সঙ্গে একই উম্মাহ। ইহুদিদের জন্য তাদের ধর্ম আর মুসলমানদের জন্য তাদের ধর্ম, তাদের মাওয়ালি বা আশ্রিত এবং তারা নিজেরাও। অবশ্য যে অন্যায় বা অপরাধ করবে সে নিজের এবং তার পরিবার-পরিজনেরই ক্ষতি করবে।’ ধর্মীয় ও গোত্রীয় এই বিভাজন ও বিরোধের অভিশাপ থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল ও নিরাপদ রাখার জন্য কোরআনের নির্দেশনা হলো—‘তোমাদের ধর্ম তোমাদের জন্য এবং আমার ধর্ম আমার।’(সুরা : আল-কাফিরুন, আয়াত : ৭) মদিনা সনদের মাধ্যমে মহানবী (সা.) সেই আদর্শ মুসলিম

আরও পড়ুন
language Change