তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
বাংলাদেশে ডেনিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে চলছে মেট্রোনেট চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আনোয়ারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড় দাদিকে কুপিয়ে হত্যা আটক নাতি রাজনৈতিক কারণে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার: আইনমন্ত্রী টিটন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন সংরক্ষিত নারী আসনে বৈধ গেজেট প্রকাশ আজ আবারও একসঙ্গে নাগার্জুন-টাবু ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চালু নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থীর উদ্যোগে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান শনির আখড়ায় সাংবাদিক এস. এম. কামাল পারভেজ ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকি রাজনীতি শেখার পরামর্শ দিলেন সেতুমন্ত্রীর পুলিশের লুট হওয়া পিস্তল মিলল ঝোপে ঝিনাইগাতীতে কাঁকরোল চাষে বাম্পার ফলনের আশাবাদী কৃষক সিরিজ নির্ধারণ ম্যাচে কেমন হবে বাংলাদেশের একাদশ মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনায় বন্যা শুরু মৌলিক সুবিধা দেশের সব অংশেই গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের হামলা নিহত ৮ বিনিয়োগকারীদের নগদ লভ্যাংশ দেবে ঢাকা ব্যাংক বজ্রপাতে প্রাণ গেল যুবকের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণে উদ্যোগ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেরপুর সীমান্তে বন্যহাতির আতঙ্কে আধাপাকা ধান কাটছে কৃষক দুই স্কুলে বজ্রপাতে শিক্ষকসহ আহত ১৬ চিলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিবের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনকে ঘিরে অপপ্রচার চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত ক্লিন সিটি গাড়ার নতুন পদক্ষেপ জানালেন প্রধানমন্ত্রী ছোট ভাইয়ের ছুরিআঘাতে আহত বড় ভাইয়ের মৃত্যু ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা পিএসএলের প্লে অফ শুরু আজ অশালীন দৃশ্য থাকায় গান নিয়ে বিতর্ক পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু শ্রীলঙ্কায় ১১০ কেজি গাঁজাসহ ২২ বৌদ্ধ গ্রেফতার ঈদে টানা ৭ দিন সরকারি ছুটি বর্ণাঢ্য উৎসবমুখর পরিবেশে মির্জাগঞ্জে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিত্র বদলে দিলেন ডাঃ মো: শাহিন বৃষ্টিতে ভিজছেন পরীমনি, ভিডিও ভাইরাল মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টসহ আটক ১৪ কেশবপুরে মেয়ের হাতে প্রাণ গেল মায়ের হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু শিশুর প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবার নতুন ওসি'র সাথে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রেস ক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত খুলনা প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনায় মফস্বল প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিতে মুখোমুখি পিএসজি-বায়ার্ন তথ্যমন্ত্রীর সাথে সোমালিয়ার দারু সালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মিজানের সৌজন্য সাক্ষাৎ শিক্ষার্থীসহ কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া কড়া নিষেধ করছে যুক্তরাজ্য শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা আটক বাবা জামানতের টাকা ফেরতের দাবিতে আন্দোলনে নামছেন এশিয়ান টিভির প্রতিনিধিরা

রিকসা চালক পিতার ছোট ছেলে সমন্বয়ক রিয়াদের তেলেসমাতি

সমন্বয়ক রিয়াদের তেলেসমাতি
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজধানীর গুলশানে গত শনিবার সন্ধ্যায় সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্যের কাছে চাঁদাবাজিকালে চারজনের সঙ্গে হাতেনাতে আটক হন সমন্বয়ক আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদ। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের পর সংশ্লিষ্ট সংগঠনের পদ থেকে তাঁকে বহিষ্কারও করা হয়েছে। তাঁর চাঁদাবাজির ঘটনা প্রকাশ পেলে এলাকাতেও আলোচনা শুরু হয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রিয়াদের মূল বাড়ি নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নবীপুর বাজারের দক্ষিণ পাশে।

রিয়াদের বাবা আট বছর আগে রিকশা চালিয়ে সংসার চালাতেন। এখন দিনমজুর। রিয়াদও চলতেন আর্থিক কষ্টে। তবে গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর বছর না যেতেই তাঁর গ্রামের বাড়িতে উঠতে শুরু করে পাকা দালান। হঠাৎ এমন পরিবর্তনে বিস্মিত এলাকাবাসী। জানা যায়, রিয়াদের দাদা ওয়ালীউল্যাহ ছিলেন রিকশাচালক। দাদার মতো তাঁর বাবা আবু রায়হানও রিকশাচালক ছিলেন আট বছর আগে। তবে বেশ কিছুদিন ধরে কাজ করছেন দিনমজুর হিসেবে।

গত বছরের ৫ আগস্টের আগে দিনমজুর হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করতেন তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্য। বাবা কঠোর পরিশ্রম করে ছেলেকে পড়াশোনা করিয়েছেন। স্বপ্ন ছিল ছেলে একদিন বড় চাকরি করে সংসারের হাল ধরবেন। রিয়াদের মা নাজমুন নাহার একজন গৃহিণী। তিনি একসময় সংসার চালাতে অন্যের বাড়িতে কাজ করতেন। দারিদ্র্য অনটন লেগেই থাকত তাঁদের পরিবারে। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট রিয়াদ। বড় ভাই চট্টগ্রাম ফিশারিজ কম্পানিতে চাকরি করেন।

সহপাঠীরা জানিয়েছেন, স্থানীয় নবীপুর হাই স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন রিয়াদ। পরে ভর্তি হন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সরকারি মুজিব মহাবিদ্যালয়ে। সেখানে গিয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। সাবেক সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার হাতে ফুল দিয়ে ছাত্রলীগে যোগ দিয়েছিলেন। পরে সেখান থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ঢাকায় গিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এক পর্যায়ে কোটাবিরোধী আন্দোলনে যোগ দেন। হয়ে ওঠেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা। ধীরে ধীরে চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েন।

রিয়াদের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় পাল্টে গেছে আগের পরিবেশ। নেই আগের ভাঙাচোরা ঘরদোর। আগের ঘরের পাশে নির্মিত হচ্ছে পাকা ঘর। পাকা ঘর নির্মাণ করার পাশাপাশি রিয়াদ কিনেছেন দামি গাড়িও। ছেলে সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজি করেছেন রিয়াদের মা-বাবা তা কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছেন না। রিয়াদের মা সামসুন্নাহার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন আমরা না খেয়ে ওকে শহরে পাঠাইছি। ছেলেটা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ত ভালোই ছিল। টিভিতে দেখি আমার ছেলেকে পুলিশে ধরেছে।

রিয়াদের পাশের বাড়ির এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন রিকশা চালানোর মাধ্যমে যে পরিবার চলত দিন এনে দিন খেতে হতো সেখানে ৫ আগস্টের পর রিয়াদের বিলাসী জীবনযাপন ছাদ ঢালাই করে পাকা বাড়ি নির্মাণ করা দেখে আমরা অবাক হয়েছি।

রিয়াদ ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক। গত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর সমন্বয়ক পরিচয়ে হয়ে ওঠেন চাঁদাবাজ। সমন্বয়কের মুখোশ পরে কিভাবে গ্রামের এক হতদরিদ্র রিকশাওয়ালা পরিবারের ছেলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন এবং বিলাসী জীবন যাপন করে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন গ্রামবাসী। নবীপুর হাই স্কুলের সাবেক সভাপতি শিহাব উদ্দিন বলেন আমার স্কুলের এই ছাত্রকে সবাই দান-খয়রাত করে পড়াত, কারণ তার দরিদ্র রিকশাচালক বাবার পক্ষে পড়ালেখার খরচ বহন করা সম্ভব হতো না। সে কিভাবে এত ভয়ংকর চাঁদাবাজ হয়ে উঠল তা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়।

সাধারণ পরিবার থেকে শহরে উঠে আসা সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজি করে অঢেল সম্পত্তির মালিক বনে যাওয়া এমন আরো রিয়াদ সমাজের আড়ালে লুকিয়ে আছে কি না প্রশাসনকে তা খুঁজে বের করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে আটক রিয়াদের ছবির ফ্রেমে আছেন কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতা। ফেসবুকে রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে নিজের শক্তির জানান দিতেন তিনি। তাঁর ছবির ফ্রেমে বাদ যাননি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারাও। একাধিক উপদেষ্টার সঙ্গে ছবি পাওয়া গেছে তাঁর ফেসবুকে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

অভ্যুত্থানের চেষ্টা, সেনাবাহিনীর শীর্ষ ৫ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের অপেক্ষা

স্টাফ রিপোর্টার: সেনাবাহিনীর শীর্ষ পাঁচজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা শেখ হাসিনার পদত্যাগের সাম্প্রতিক ঘটনায় সেনাপ্রধানকে সহযোগিতা করেননি এবং সেনাপ্রধানকে চাপ দিয়ে সামরিক আইন জারি করার চেষ্টা করেন। তাদেরকে এখন সামরিক আদালত বা কোর্ট-মার্শালের আওতায় গ্রেপ্তারের অপেক্ষায় আছেন সংশ্লিষ্টরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট সূত্র  এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন— লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুজিব, মেজর জেনারেল জিয়া (এনটিএমসি মহাপরিচালক), এনএসআই মহাপরিচালক, সেনাসদরের কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) এবং এসএসএফ মহাপরিচালক। সামরিক আদালত বা কোর্ট-মার্শাল হলো সেনাবাহিনীতে সৈনিক ও কর্মকর্তাদের চাকরির শৃংখলাভঙ্গজনিত অপরাধের বিচার করার জন্য সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত একটি আদালত

আরও পড়ুন
language Change