তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সাংবাদিক তরিক শিবলীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট: ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামিরা অনিয়মের প্রমাণ থাকলেও বহাল তবিয়তে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের এমডি দৈনিক সময় বার্তার ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ঈদের ছুটি বাতিল করল এনবিআর, নতুন নির্দেশনা কালীগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত ঝিনাইগাতীতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং ৪৭টি মাথার খু'লি ও ক'ঙ্কাল সহ ৪ জনকে আ'ট'ক করেছে পুলিশ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ অনুদান ঘোষণা ট্রাম্পকে ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে বললেন পুতিন আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম সাইবার বুলিং ও হত্যার হুমকিতে থানায় তিথির জিডি সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য : প্রধানমন্ত্রী নতুন নেতা নির্বাচন নি‌য়ে যে বার্তা দিল ইরা‌নের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেশবপুরে ভেজাল বিরোধী অভিযানে ব্যবসায়ীকে জরিমানা আমরা আমাদের কথা রেখেছি-এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল খুলনায় এসেছে ৪ হাজার ১৫৮টি ফ্যামিলি কার্ড নতুন বাংলাদেশ এগিয়ে নিয়ে যাব:- নাহিদ ইসলাম গলায় ফাঁস দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা কর্মীর মৃত্যু অতিরিক্ত দামে পেট্রোল বিক্রি: ৫ হাজার টাকা জরিমানা বটিয়াঘাটায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া গলাচিপায় মিথ্যা মামলা ও জানমালের ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ফ্যামিলি কার্ডের টাকা পেয়ে আনন্দে আত্মহারা কড়াইল বস্তিবাসী সিরাজগঞ্জে রেলওয়ের অভিযানে ৬০টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ লঞ্চের কেবিনে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ যশোর ভেজাল দুধ উৎপাদন চক্রের ৬ সদস্যকে আটক সৌদিতে নিতেন ইয়াবা, আনতেন সোনা জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন ৮৭ জন কুয়াকাটার হোটেলে নেতার ভিডিও ভাইরাল  ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী এখন ৩৭ হাজার ৫৬৪ নারী পাচ্ছেন ফ্যামিলি কার্ড রেইনবো নেশন ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাক আহ্বায়ক জনস্বাস্থ্যের 'মরনব্যাধি’ আউয়াল! ঈদের সরকারি ছুটি পাচ্ছেন না যারা হৃদয়ে শ্রীমঙ্গলের উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ বিজিবি'র অভিযানে বিপুল ভারতীয় ট্যাপেন্টান্ডল ট্যাবলেট জব্দ কেশবপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৩ ব্যবসায়ীকে জরিমানা পৌরবাসীর সেবা করার দৃপ্ত প্রত্যয়ে মেয়র পদপ্রার্থী মুন্সী জাহেদ আলম সিরাজগঞ্জে জাতীয়তাবাদী শক্তির এক অতন্দ্র প্রহরী মির্জা মোস্তফা জামান সখীপুরে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে মিলল পাথরের প্রাচীন মূর্তি ইরানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগে ‘সন্তুষ্ট নন’ ট্রাম্প র‍্যাব-৬ এর অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আদর্শের লড়াইয়ে অবিচল এক তৃণমূলের কাণ্ডারি মির্জা মোস্তফা জামান হঠাৎ রেগে গেলেন পরী সাতক্ষীরায় বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে লাখ টাকা ছিনতাই সলিমপুরে যৌথবাহিনীর অভিযান র‌্যাব অভিযানে হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে আজ থেকে বন্ধ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় জাসদের উদ্যোগে প্রয়াত নেতাকর্মীদের স্মরণে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল ওসমান হাদির খুনিদের দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু

হু হু করে বাড়ছে পদ্মার পানি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

হু হু করে বাড়ছে পদ্মার পানি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজশাহীতে পদ্মার পানি বেড়েই চলেছে। টানা ভারি বর্ষণ ও উজানের ঢলে জুলাই থেকে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত ছিল। তবে আগস্টের প্রথম সপ্তাহে হঠাৎ অস্বাভাবিক হারে পানি বাড়তে শুরু করেছে। এতে পদ্মাতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১০০ পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে। এ ছাড়া পদ্মা নদীর চরও ডুবে গেছে। চর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে অনেকে রাজশাহী শহরের দিকে আসছেন।

রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত মাসের শেষ দিকে রাজশাহীতে পদ্মায় পানি বাড়তে শুরু করে। রোববার (১০ আগস্ট) সকাল ৬টায় পদ্মা নদীর পানির উচ্চতা ছিল ১৭ দশমিক ১৩ মিটার। সোমবার (১১ আগস্ট) সকাল ছয়টায় তা বেড়ে ১৭ দশমিক ৩২ মিটার এবং মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) ১৭ দশমিক ৪৩ মিটার হয়েছে। রাজশাহীতে পদ্মার পানির বিপৎসীমা ১৮ দশমিক শূন্য ৫ মিটার।

প্রতিদিন সকাল ৬টা, ৯টা, দুপুর ১২টা, বেলা ৩টা ও সন্ধ্যা ৬টায় পানির উচ্চতা মাপা হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজ রিডার এনামুল হক বলেন, আজ সকাল ৬টায় ১৭ দশমিক ৪৩ মিটার পানির উচ্চতা মাপা হয়েছে। বিপৎসীমা ১৮ দশমিক শূন্য ৫ মিটার। পদ্মার পানি বেড়ে রাজশাহী শহরের তালাইমারী, কাজলা, পঞ্চবটি, পাঠানপাড়া, লালনশাহ মঞ্চ, শ্রীরামপুরসহ বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার অনেক বাসিন্দা বাড়ি ছেড়েছেন। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি তালাইমারী ও পঞ্চবটি এলাকায়।

রাজশাহীর মিরা খাতুন নামের একজন বলেন, রাত দুইটার দিকে ঘরে পানি আসে। রাত থেকে ঘুম হয়নি। সকাল থেকে জিনিসপত্র সরাচ্ছেন। লাইলি বেগম নামে এক নারী পদ্মার বাঁধের ধারে দুই দিন ধরে অবস্থান করছেন। তিনি বলেন, তাঁর বাড়ি নিচু হওয়ায় দুই দিন আগে বাড়ি ছেড়েছেন। এলাকায় সাপের ভয়ও রয়েছে। গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পানি এবার হয়েছে। পানি বাড়ার কারণে জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার চর আষাড়িয়াদহ, পবার চরখিদিরপুর ও বাঘার চকরাজাপুর চরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পদ্মার দুই পাড়ে দেখা দিয়েছে ভাঙনও। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে চকরাজাপুরে। অনেক বাড়ি ইতোমধ্যে সরিয়ে নিতে হয়েছে। নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে কবরও। চর খিদিরপুরের বাসিন্দা আবদুল হাকিম বলেন, চর প্রায় ডুবে গেছে। বেশিরভাগ মানুষ ওইপারে চলে গেছে। গবাদিপশুও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। চর থেকে মানুষ নৌকায় মালপত্র নিয়ে চলে যাচ্ছে। কেউ আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে, কেউ ভাড়া বাসায় উঠছে।

বাঘার চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আনোয়ার হোসেন শিকদার বলেন, নদীপাড়ের অনেক ঘরবাড়ি সরিয়ে নিতে হয়েছে। আত্মীয়-স্বজনদের কবর নদীতে ভেঙে নেমে যাচ্ছে। চকরাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান বলেন, প্রতিবছর ভাঙনের কারণে আমার স্কুল তিনবার স্থানান্তর করা হয়েছে। এবারও আতঙ্কে আছি। রাজশাহীতে পদ্মাপাড়ের জনপ্রিয় বিনোদন স্থান ‘টি-বাঁধ’ এলাকায় পানি বিপৎসীমায় পৌঁছানোয় পানি উন্নয়ন বোর্ড গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। দোকানপাট সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।

রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, ভারতে প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে এবং ফারাক্কার বেশির ভাগ কপাট খোলা থাকায় পদ্মার পানি বেড়েছে। জনসাধারণের নিরাপত্তার জন্য টি-বাঁধ এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড ও টুরিস্ট পুলিশ। অনেকেই দেয়ালের পাশ দিয়ে ঢুকছে, যা আরও কড়াকড়ি করা হবে।

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

কয়েকজন উপদেষ্টাকে বিশ্বাস করা ভুল ছিল: নাহিদ

কয়েকজন উপদেষ্টাকে বিশ্বাস করা ভুল ছিল: নাহিদ

ডেস্ক রিপোর্ট: কয়েকজন উপদেষ্টাকে বিশ্বাস করা সবচেয়ে বড় ভুল ছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলাম জানান, উপদেষ্টা পরিষদের অনেককেই বিশ্বাস করাটা ছিল অনেক বড় ভুল। তাদের প্রতি আস্থা রেখে প্রতারিত হতে হয়েছে। সেইসব উপদেষ্টাদের নাম প্রকাশের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর ড. ইউনূসের সরকারে যোগ দেন ছাত্র প্রতিনিধিরা। পরে এক জন পদত্যাগ করে হাল ধরেন তরুণদের দল এনসিপির। এখনও উপদেষ্টা পরিষদে আছেন দুই জন। ছাত্রদের উপদেষ্টার আসনে বসাটা কি ভুল ছিল, সেই প্রশ্ন ছিল এনসিপির আহ্বায়ক ও সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের কাছে। তিনি বলেন, ছাত্ররা উপদেষ্টা না হলে সরকার তিন মাসও টিকতো না। তিনি আরও জানান, উপদেষ্টাদের অনেকে সেফ এক্সিট নিয়ে

আরও পড়ুন
language Change