তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা কেশবপুরে সাজাপ্রাপ্ত আসামি পুলিশের হাতে ফের আটক অসহায় এক পরিবারের পাশে দাঁড়ালো ‘সাউথ লন্ডন ফাউন্ডেশন ১২ কেজি এলপিজির দাম একলাফে বাড়ল ৩৮৭ টাকা মোংলায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন কমফোর্ট হাউজিংয়ের ভবনে অনুমোদনবিহীন অতিরিক্ত ফ্ল্যাট নির্মাণ শেরপুরে তেল নিতে ব্যস্ত ট্যাগ অফিসার, ভোগান্তিতে বাইকাররা এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা আপনার কিডনি নীরবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে না তো লক্ষ্মীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার ৫ উপায় ৯ম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি এনসিপির ফটোশুটের নামে শ্লীলতাহানি গায়ক জাহিদ অন্তু কারাগারে ২ সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে থানায় পাঠালেন এসিল্যান্ড পহেলা বৈশাখ ঘিরে জাসাসের ব্যাপক প্রস্তুতি পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে মোটরসাইকেলের ট্যাংক খুলে হাজির চালক রাত ৮টার মধ্যে দোকান-শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রে সিনেমার টিজার প্রকাশ করে বিতর্কে রণবীর রেলের সাগর চুরির কারিগর ফকির মো. মহিউদ্দীন! একইদিনে তিনটি অপমৃত্যুর ১৫ এপ্রিলের পর পোল্যান্ডের ভিসার আবেদন নেবে না সুইডিশ দূতাবাস বনদস্যু দমনে জোরালো অভিযানের ঘোষণা প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের ইরান যুদ্ধ নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প কেশবপুরে ঘরের গ্রিল কেটে শিক্ষকের বাসায় চুরি আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কাছে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা লালবাগে নারীসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ঝিনাইগাতীতে পানি নিষ্কাশন বন্ধ, চরম দুর্ভোগে গ্রামবাসী আমতলীতে জমি বিরোধে বৃদ্ধা নিহত, অভিযুক্তরা পলাতক অনিয়ম ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: চাটখিলে দুই হাসপাতালকে অর্থদণ্ড শেরপুরে টাঙ্কে ভরা অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার শ্রীমঙ্গলের কিশোর হত্যা মামলায় দুই আসামি গ্রেফতার কয়রায় পৈতৃক সম্পত্তি দখলের অপচেষ্টা ও হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন সুন্দরবনে আজ থেকে শুরু হলো মৌয়ালরা টাঙ্গাইলে অনুমোদনহীন ৪ ইট ভাটায় সাড়ে ১২ লাখ টাকা জরিমানা কেশবপুরে কৃষকের মাঝে বীজ বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী পথসভা ও লিফলেট বিতরণ বটিয়াঘাটায় অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত চায়ের দোকান চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুলের চুরি হওয়া ৩টি টিভি উদ্ধার, গ্রেফতার ২ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে  বিএসটিআই কর্মকর্তারা সিরাজগঞ্জে ফিটনেসবিহীন ও অননুমোদিত যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ভোলাহাটে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে কফি চাষে আশার আলো দেখাচ্ছেন উদ্যোক্তা রংপুরে জাল ব্যান্ডরোল উদ্ধারের ঘটনায় ২ জনের ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড সুন্দরবনের ডাকাত জোনাব বাহিনীর হাতে জিম্মি থাকা ১ জেলে উদ্ধার পাইকার সংকটে তরমুজ বাজার, চাষির চোখে লোকসানের শঙ্কা ইউকে চিং নামে পাড়ার নাম করণের দাবি সিএইচটির দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়িতে তেল সংকটে পাম্পে দীর্ঘ লাইন উন্নয়নের মানচিত্রে যেন এক ‘বিচ্ছিন্ন দ্বীপ’ আজহারির ভিসা বাতিল, অস্ট্রেলিয়া ত্যাগের নির্দেশ

ব্ল্যাকমেইল নারী নির্যাতনসহ তৌহিদ আফ্রিদির কুকীর্তি ফাঁস

ব্ল্যাকমেইল নারী নির্যাতনসহ তৌহিদ আফ্রিদির কুকীর্তি ফাঁস
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্ট:

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবা নাসির উদ্দিন সাথীর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হয়েছে। প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল এবং নারী নির্যাতনসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য প্রকাশ করেছে অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান ‘ক্রাইম এডিশন’। সেখানে ইউটিউবার ও ব্লগারদের আওয়ামী লীগের পক্ষে জোর করে কাজ করানোসহ তৌহিদ আফ্রিদির নানা কুর্কীতির তথ্য উঠে এসেছে।

৩০ জুলাই ২০২৪ অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ। ছাত্র-জনতার ওপর চলে অবর্ণনীয় গণহত্যা। সেই গণহত্যায় সবচেয়ে বেশি আক্রমণাত্মক ছিল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বিশেষত ডিবি প্রধান হারুনুর রশিদ ছিলেন সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। আন্দোলনের মূল নেতৃত্বে থাকা ছয় সমন্বয়ককে আটকের পর আন্দোলন এক প্রকার স্তব্ধ হয়ে পড়ে। ঠিক তখনই যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন তার ইউটিউব চ্যানেলে ডিবি প্রধান হারুনুর রশিদের এক নারীর সঙ্গে করা আপত্তিকর একটি ভিডিও আপলোড করেন। ওই ভিডিও প্রকাশের পর হারুন ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অভিযান বন্ধ করে নিজের উলঙ্গ ভিডিও সরানোর অভিযানে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

ওই দিন বিকেলেই হারুনুর রশিদ ইউটিউবার তৌহিদ আফ্রিদিকে তার কার্যালয়ে আসতে বলেন। যেভাবেই হোক সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ওই ভিডিও সরাতে আফ্রিদিকে অনুরোধ করেন। হারুনের ভিডিও সরাতে আফ্রিদি বাসা থেকে তুলে আনেন সোশ্যাল মিডিয়া এক্সপার্ট মোহাম্মদ জুবায়েরকে। জুবায়ের জানান, রাতভর তাকে ডিবি কার্যালয়ে আটকে রেখে বিভিন্ন পেজ থেকে হারুনের ভিডিও সরাতে বাধ্য করা হয়। তৌহিদ আফ্রিদিকে শুধু একজন ইউটিউবার মনে করলে ভুল হবে। বরং তিনি ছিলেন অনলাইন মাফিয়া। তার নিয়ন্ত্রণেই চলতে হতো সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয় সব কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের। কথামতো না চললেই শুরু হতো নির্যাতন।

আফ্রিদির কথা না শুনে উপায়ও ছিল না। কারণ, ডিবি, সিআইডি, এটিইউ কিংবা সিটিটিসির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার ছিল ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। যে কারণে সোশ্যাল মিডিয়া সংশ্লিষ্ট যেকোনো কাজে এসব গোয়েন্দা সংস্থা আফ্রিদিকে ব্যবহার করত। ৩০ জুলাই রাতে হারুনুর রশিদের ভিডিও প্রকাশের পর আব্দুল্লাহ আল ইমরান নামে আরেকজনকে তুলে আনা হয়। তাকেও জোরপূর্বক ওই ভিডিও সরানোর কাজে বাধ্য করা হয়।

তৌহিদ আফ্রিদির নির্যাতনের শিকার হন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর স্বপন আহমেদ। স্বপনের মূল ‘অপরাধ’ ছিল তিনি আলেমদের পক্ষে এবং ভারতের বিপক্ষে কনটেন্ট তৈরি করতেন। এ কারণে আফ্রিদি তাকে এ ধরনের কনটেন্ট বানাতে নিষেধ করেন। কিন্তু স্বপন আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করতে রাজি না হওয়ায় তাকে আদালতের বারান্দায় পর্যন্ত যেতে হয়েছে। হাসি-খুশির আবরণে ভয়ঙ্কর এক অন্ধকার জগৎ গড়ে তুলেছিলেন আফ্রিদি। সেই রহস্যময় জগতের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে আছে মানুষের দীর্ঘশ্বাস।প্রতিবেদনে আফ্রিদির একটি আস্তানা দেখানো হয়। বলা হয়, নতুন কোনো কনটেন্ট ক্রিয়েটর আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করতে রাজি হলে সেখানে তাকে বরণ করা হতো। তবে ওই আস্তানায় যখন কাউকে শাস্তি দেওয়া হতো, সেই ভিডিও ধারণ করা প্রায় অসম্ভব ছিল।

তৌহিদ আফ্রিদির নির্মম নির্যাতনের শিকার ব্লগারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভুগেছেন সায়েম। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পাশে একটি ভবনে নিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। সায়েমকে ৩০ থেকে ৩৫টি থাপ্পড় মারা হয়। সরকারি বাহিনীর কর্মকর্তাদের সামনেই আফ্রিদি তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে হত্যা করার হুমকি দেন। প্রতিবেদনে আফ্রিদির নির্যাতনের প্রত্যক্ষদর্শী একজন সেই ভয়াবহ দিনের কথা তুলে ধরেন। ভুক্তভোগী জানান যেভাবেই হোক একটা ভিডিও করাবে। যদি কোনো ভিডিও ব্ল্যাকমেইলের জন্য যথেষ্ট না হয়, তখন কী করবে? একটা মেয়ে দিয়ে দেবে। কারণ ওই জিনিস মানুষকে সমাজে কলঙ্কিত করে। কোনোদিন যদি ভুক্তভোগী আফ্রিদির বিপক্ষে যায়, তখন ওই ভিডিও দিয়ে তাকে ফাঁদে ফেলে ধ্বংস করে দেয়।

জুলাই আন্দোলন চলাকালে আফ্রিদি দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের হুমকি দিয়ে সরকারের পক্ষে কাজে লাগানোর চেষ্টা চালিয়েছেন। তাছাড়া, আফ্রিদির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার অভিযোগও উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী জানান, দীর্ঘদিন সম্পর্কে থাকার পর আফ্রিদি হঠাৎ করেই তাকে ছুড়ে ফেলে দেয়। পরে তাকে ডিবি অফিসে ডেকে গায়েব করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। ফলে সংসার করার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় তার। ওই নারী আরো বলেন আমার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করলে উল্টো আফ্রিদি আমাকে হুমকি দেয়, মুনিয়ার মতো আমাকেও পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। আমি জানতে পারি, তার একাধিক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। এমনকি মুনিয়া নামের একটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি নিয়ে আমি প্রতিবাদ করলে সে আমাকে খুব বাজেভাবে রিঅ্যাক্ট করে। সরাসরি না বললেও ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দেয়, মুনিয়ার মতো আমারও পরিণতি হবে। ওই নারীর অভিযোগের সূত্র ধরে কিছু ফোন রেকর্ড হাতে আসে। যেখানে মুনিয়ার বাসায় আফ্রিদির যাতায়াত এবং ঘনিষ্ঠতার প্রমাণ মেলে। মুনিয়ার সঙ্গে আফ্রিদির সম্পর্ক এবং আরেক প্রেমিকার সাক্ষ্য মিলিয়ে দেখলে হত্যাকাণ্ডের রহস্য ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে।

আফ্রিদির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত দুটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে যাত্রাবাড়ী থানার মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে জুলাই আন্দোলনে আসাদুল হক বাবু নামের এক বিক্ষোভকারীকে হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তিনি জড়িত। আরেকটি মামলা হয়েছে বাড্ডা থানায়। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই মধ্য বাড্ডা ফ্লাইওভারের নিচে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায় আফ্রিদি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

পরকীয়া প্রেমের আড়ালে ভেজাল মদ ও ইয়াবা ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকার মালিক

পরকীয়া প্রেমের আড়ালে ভেজাল মদ ও ইয়াবা ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকার মালিক

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম মহানগরের ফিশারীঘাট এলাকা দীর্ঘদিন ধরে মাদক, ভেজাল মদ এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই অপরাধ সাম্রাজ্যের মূল নিয়ন্ত্রক দুইজন ব্যক্তি— কুখ্যাত সন্ত্রাসী সাগর দাশ এবং মাদক সম্রাট মৃত অনুপ বিশ্বাসের স্ত্রী রমা বিশ্বাস। সাগর দাশের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা, বিপুল সম্পদের মালিকানার অভিযোগ, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার এবং স্থানীয় যুবসমাজকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দেওয়ার মতো ভয়াবহ অপরাধের তথ্য।ফিশারীঘাটের বাসিন্দাদের কাছে সাগর দাশ অপরিচিত নাম নয়। কৈশোর থেকেই ক্যাডার রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়ে এলাকায় প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন তিনি। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী ক্যাডার হিসেবে পরিচিত সাগরের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক চাঁদাবাজি, মাদক পাচারের মামলা।তৎকালীন সময়ে র‍্যাবের তালিকাভুক্ত আসামিও ছিলেন তিনি। বিভিন্ন সময়ে র‍্যাব ও পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মুক্তি পান। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, ইয়াবা,

আরও পড়ুন
language Change