তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সীমান্তে ডিএনসির অভিযানে ইয়াবাসহ নারী আটক ০১ পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে জাতীয়তাবাদী তৃণমুল দলের ফুলের শুভেচ্ছা গণভোট অধ্যাদেশ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেনো অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল নকলা পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে এমপি ফাহিম চৌধুরীর মতবিনিময় সভা অর্থমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল আমতলীতে বিএনপি কার্যালয়ে ব্যানার টানিয়ে দখলচেষ্টা ভাঙারির দোকানে মিললো ৮ হাজার নতুন পাঠ্যবই যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ ইরান সরকারের হাতে নয়, বিপ্লবী গার্ডের কাছে জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত আটককৃত চাঁদাবাজকে ছেড়ে দিলো পুলিশ শেরপুরে ডায়াবেটিক সমিতির আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় ১০ গরু জব্দ দুর্গম পাহাড়ে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে এম নাসের রহমান এমপি বরগুনায় পৌর মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছাত্রদলের সভাপতি সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি: গণধোলাই, আটক ১ সীমান্তে ডিএনসি’র অভিযানে হেরোইনসহ আটক ১ কাতারে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি ভোটের ফলাফল নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে বিএনপির ৪ প্রার্থী ইকরার আত্মহত্যার পর আলভীকে নিয়ে ধোঁয়াশা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কে কার মুখোমুখি রাজধানীতে ট্রাকচাপায় কিশোরের মৃত্যু বাংলাদেশসহ কিছু দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে নতুন বার্তা নারীদের জন্য বিশেষ বাস চালু করতে চায় সরকার প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ এই দিনে উড়েছিল স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকা আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি মখদুমীসহ সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার দাবি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ মার্চেই কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস, তাপমাত্রা উঠতে পারে ৩৯ ডিগ্রি পর্যন্ত অনৈতিক প্রস্তাবে অতিষ্ঠ হয়ে রুমমেটকে ৭ টুকরা পুলিশের লোমহর্ষক বর্ণনা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কাজ ৫ মার্চের মধ্যে শেষ হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রবাসীদের নিরাপত্তার বিষয়ে খোঁজখবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী গোমতীর নদীর অবৈধ মাটি নিয়ে প্রশ্ন: তোপের মুখে সাংবাদিকরা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ইরান খেলবে না বিশ্বকাপ রাজপথে হঠাৎ বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিলো জামায়াত নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত অর্থমন্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি মর্গে ইকরার মরদেহ, তবে কোথায় আছেন আলভী ও তার পরিবার? কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে পুলিশি পাহারায় থাকা ব্যবসায়ীর বাসায় মুহুর্মুহু গুলি ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশ কেশবপুরে সাবেক মেয়রের বাসায় দুর্বৃত্তদের হানা পারিবারিক কলহে বাবার ঘরে আগুন জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত পবিত্র ঈদুল ফিতর ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ত দর্জিরা মেট্রোপলিটন খ্রীষ্টান কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি’র প্রহসনের নির্বাচন ইস্তাম্বুলে আটকা পড়েছেন নুসরাত ফারিয়া এলজিইডির আনোয়ারুল ইসলাম এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে প্রেসক্লাবের আয়োজনে নবনির্বাচিত এমপিকে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল কবিতা আবৃত্তি, বিশ্লেষণ ও সাহিত্যিক আড্ডা অনুষ্ঠিত আরও ৫ আসনে কারচুপির অভিযোগে মামলা

৩৫ বছর পরে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলো হত্যা মামলা

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥
১৯৮৯ সাল। স্বৈরাচারী এরশাদের জমানার শেষ সময়। এই বছরের ১৫ই আগস্ট অস্ত্রের ঝনঝনাতিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ছাত্রশিবিরের সাথে ছাত্রদল এবং অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের রক্তাক্ত সংঘর্ষে ছাত্রদলের যুগ্ম-সম্পাদক কবীর নিহত হন, অর্ধশত আহত। এই খবরে সারা দেশে তোলপাড় ওঠে। সিন্ডিকেট বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে, ছাত্রশিবিরের ২২ জনকে বহিস্কার করে। ইসলমী ছাত্রশিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

১৯৮৯ সাল। স্বৈরাচারী এরশাদের জমানার শেষ সময়। এই বছরের ১৫ই আগস্ট অস্ত্রের ঝনঝনাতিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ছাত্রশিবিরের সাথে ছাত্রদল এবং অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের রক্তাক্ত সংঘর্ষে ছাত্রদলের যুগ্ম-সম্পাদক কবীর নিহত হন, অর্ধশত আহত। এই খবরে সারা দেশে তোলপাড় ওঠে। সিন্ডিকেট বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে, ছাত্রশিবিরের ২২ জনকে বহিস্কার করে। ইসলমী ছাত্রশিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

৩৫ বছর পরে হঠাৎ করে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলো ইকবাল হত্যা মামলা

ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, সংঘর্ষে প্রায় ৪০ জন ছাত্র হতাহত হন। এদের মধ্যে ছাত্রদল নেতা কবিরকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। পরে কবির চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন ২৬ আগস্ট। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সবক’টি ছাত্র সংগঠন ঐক্যবদ্ধ হয়ে শিবিরের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। হত্যার প্রতিবাদে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিন্দা করে কঠোর বিবৃতি দেন। শহীদ কবিরের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ে “কবীর চত্তর” নির্মাণ করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ৯০ পরবর্তীতে জামায়াত বিএনপির সাথে আপোষ করলে ওই হত্যা মামলায় অভিযুক্তরা খালাস পান। ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকায় জনপ্রশাসনের অতিরিক্ত সচিব এপিডি এরফানুল হকও অন্যান্য ২১ জন শিবির কর্মীর সাথে বহিস্কৃত হয়েছিলেন। পরে পাসকোর্সে গ্রাজুয়েশন করে তিনি বিসিএস পরীক্ষা দেন। প্রশাসন ক্যাডারের ১৮তম ব্যাচে নিয়োগ পান।

মো. এরফানুল হককে গত ৯ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এপিডি পদ থেকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে বদলি করা হয়। এই বদলীর পর পরই জামায়াতের পক্ষে থেকে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত সচিব এপিডি পদে পদায়ন পাওয়া কর্মকর্তা ফিরোজ সরকারের যোগদান ঠেকাতে কিছু স্থানীয় পত্রিকায় মিথ্যা-বানোয়াট প্রোপাগান্ডা ছড়ানো শুরু হয়েছে। জনপ্রশাসনে অতিরিক্ত সচিব এপিডি হিসেবে ফিরোজ সরকারের পদায়ন হওয়ার পর থেকে জামায়াতপন্থি আমলারা সচিবালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে তাদের রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠকে করছেন বলে গোয়েন্দা সূত্র নিশ্চিত করেছে।

আজ শনিবার জামায়াতের প্রভাবশালী আইনজীবী শিশির মনির সাক্ষাৎ করেছেন বিদায়ী এপিডি এরফানের সাথে। তিনি তাকে বলেছেন, চার্জ না দিতে। তারা ঠেকিয়ে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবেন। তার মানে, জনপ্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন নিয়ে জামায়াতে ইসলামী অল-আউটে নেমে পড়েছে। ক্যাবিনেট সচিবও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। ক্যাবিনেট সচিব শেখ রশিদ কেবল জামায়াতের রোকনই নন, দলটির অতিরিক্ত মহাসচিবের ভূমিকায় নেমেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রভাবশালী ৮২ ব্যাচের মোখলেস-কাণ্ডের সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এপিডি মো. এরফানুল হক জড়িত থাকার কারণে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের পর গত ৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাতে তাকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে বদলি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। এপিডি এরফানকে সরানোর পরে এই বদলি আটকানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে জামায়াত। কেননা এই এরফান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী ছাত্র শিবিরের ক্যাডার ছিলেন।

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনে নিরপক্ষতা ফিরে আনতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোখলেস উর রহমানকে অপসারণের পরে নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ (এপিডি) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব পদে ১৭ বিসিএসের কর্মকর্তা খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি একজন সৎ, দক্ষ এবং মেধাবী কর্মকর্তা হিসাবে পরিচিত। একই সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ (এপিডি) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. এরফানুল হককে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

এর আগে নানা অনিয়ম, অদক্ষতার কারণে গত ২১ সেপ্টেম্বর চুক্তিতে থাকা সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমানকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য পদে বদলি করা হয়। নতুন পদায়ন নিয়ে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে মতৈক্য না হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ এ মন্ত্রণালয়ে এখনও সচিব পদায়ন করা সম্ভব হয়নি। ফলে সচিবালয় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। মূলতঃ নতুন সচিব নিয়ে সরকারের ভেতরে যেমন টানাপোড়েন চলছে, তেমনি নির্বাচনে অংশগ্রহণেচ্ছুক বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্য চলছে প্রতিযোগিতা।

জনপ্রশাসন সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে সরকারের ভেতরে দ্বিধা ও টানাপোড়েন চলছে তিন সপ্তাহ। এ বিষয়ে বিএনপিপন্থি সরকারি কর্মকর্তারা নিক্রিয় রয়েছেন। এ সুযোগটি কাজে লাগিয়ে জামায়াতপন্থি কর্মকর্তারা নিজেদের পছন্দের সচিব বসাতে তৎপর হয়ে উঠেছেন। এমনকি তাদের দলের সর্বোচ্চ নেতারা তাদের পছন্দের কর্মকর্তাকে বসাতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। তাদের প্রবল চাপের কারণে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ সরকার সিদ্ধান্ত নিতে অনেকটাই সময়ক্ষেপণের কৌশল নিয়েছে বলে জানা গেছে।

গত ১৪ মাসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ওপর প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে সচিব, অধিদপ্তবের মহাপরিচালক পদসহ মাঠ প্রশাসনের ডিসি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদ বাগিয়ে নিয়েছে জামায়াতপন্থিরা। অন্যদিকে বিএনপি’র বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মাঠে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে তারা। বিএনপি মাঠ সামালাতে ব্যস্ত থাকায় সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রশাসন, ব্যাংকসহ বিভিন্ন অফিস দখলও নিয়েছে জামায়াত। আবার চট্টগ্রাম এলাকার এক প্রভাবশালী উপদেষ্টা জামায়াতের পছন্দের কর্মকর্তাদের পদায়নের জন্য মাঠে নেমেছেন জোরেসোরে। তবে শেষ পর্যন্ত কে হচ্ছেন জনপ্রশাসন সচিব সেটিই এখন প্রশাসনের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

জুলাই যোদ্ধা মনসুর স্বরণে স্মৃতি সংঘের আনুষ্ঠানিক যাত্রা

জুলাই যোদ্ধা মনসুর স্বরণে স্মৃতি সংঘের আনুষ্ঠানিক যাত্রা

এম এ রশিদ: রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলায় ২০২৫ সালে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত মনসুর মিয়ার স্বরণে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে শহীদ মনসুর স্মৃতি সংঘ। বুধবার বিকেলে মোহাম্মদপুরের বসিলায় দোয়া মাহফিল ও মিলন মেলার মাধ্যমে সামাজিক সংগঠন হিসেবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে সংগঠনটি। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বক্তারা বলেন, শহীদ মনসুর স্মৃতি সংঘ একটি অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন হিসেবে এলাকার উন্নয়ন, মানবকল্যাণ এবং দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে কাজ করে যাবে। তারা আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মকে সমাজ উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্ত করতে এবং ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ঘোষণা দেন যে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সচেতনতা ও দুঃস্থদের সহায়তায় বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের পাশে দঁড়াবে। অনুষ্ঠানটিতে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন বছিলা অনলাইন সোশ্যাল

আরও পড়ুন
language Change