তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
অপহৃত শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, গ্রেফতার ৫ ব্রাজিল দলের অনুশীলনে ফিরলেন নেইমার এসএসএফের ফায়ারিং রেঞ্জে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী রংপুরে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার ওপর হামলা প্রশাসনের অভিযানের পরও গভীর রাতে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার মহোৎসব রংপুর সদরে ফল মেলা ও পাটনার কংগ্রেসের উদ্বোধন সব বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে নকলায় স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ বিতরণ ফাইল আটকে কমিশন বাণিজ্য গণপূর্তের প্রকৌশলী শরিফুলের যমুনা রেলওয়ে সেতু প্রকল্পে হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে দুদক পানি নিষ্কাশনের জন্য কাটা বাঁধই এখন দুর্ভোগের কারণ জয়মনি গ্রামে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দুর্ভোগে বাসিন্দারা সংবাদ প্রকাশের জেরে সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা চাকরিতে প্রক্সি সিন্ডিকেটের নেপথ্যে জনস্বাস্থ্যের আনোয়ার ও কাস্টমসের সিপাহী আজিজ! অভিযোগের পাহাড়, তবুও নীরব রাজউক: ‘অপ্রতিরোধ্য’ দুর্নীতির জালে আবুল কালাম আজাদ উত্তরা ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মাকসুদুর আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানীর অভিযোগ সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ কমিটির উদ্যোগে মিছিল ‎ সিরাজগঞ্জে সেতুর নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার নলডাঙ্গার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন-মনিরুল ইসলাম ডাবলু বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান জ্বালানি সিন্ডিকেটের প্রভাবে সচিব সাইফুল ইসলাম বহাল তবিয়তে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের মানহানী মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ইরান ও লেবাননের পাশে থাকার ঘোষণা চীনের হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ১৬ বার জনগণের টাকা পাচার হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের শিশু ধর্ষণের আসামি মুনিরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মামলা ও সিন্ডিকেটের ফাঁদে ঢাকার ১২৩ পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি, বেহাত হাজার কোটি টাকা জিয়া শিশু কিশোর মেলা, গাজীপুর মহানগর কমিটি ঘোষণা ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ বিদ্যুৎতের তার চুরি করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ২ কামারখন্দে সাড়ে ৩ হাজার ফুট পতাকা টাঙিয়ে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের চমক বিশ্বম্ভরপুরের ফতেপুরে মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় মানববন্ধন ট্রাকচাপায় ট্রাফিক পুলিশ নিহত বুড়িচংয়ে কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য আটক মাদক সেবন ও অশ্লীল কর্মকাণ্ডে জড়িত ৪ জনের কারাদণ্ড ভাগনেকে বিয়ে করলেন মামী, দেশে ফিরে আত্মহত্যা প্রবাসী স্বামী চট্টগ্রাম-জামালপুরের শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ওপিসিডব্লিউ পরিদর্শক দল বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করে নতুন ইতিহাস গড়লেন মেসি মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলের পথে প্রধানমন্ত্রী সাব রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ ২০ বছরেও পাকা হয়নি ইটের রাস্তা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ বটিয়াঘাটায় সুধী সমাবেশ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ, পুলিশের কঠোর আশ্বাস শ্রীমঙ্গলে ৮ বছর বয়সী শিশুকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ পিরোজপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী আজাদের অভিনব টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ

শিবির নেতা ইউসুফের গ্রাসে গণপূতের্র ইএম কারখানা বিভাগ!

পাঠক সংখ্যা
638

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইএম কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর আশ্রয় প্রশ্রয়ে চলছে ভয়াবহ দুর্নীতি। কেউ কাজ শেষ করেও বিল পাচ্ছেনা আবার কেউ কাজ না করেও পুরো বরাদ্দ আত্মসাৎ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শিবিরের তুখোড় নেতা এই নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ বর্তমানে গণপূর্ত ই/এম বিভাগের দুর্নীতির খাদক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

প্রকৌশলী ইউসুফ আগে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন গ্রহণ করলেও বর্তমানে কাজ না করে পুরো টাকা নিজের পকেটে ভরছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ১৭ লাখ টাকার দরপত্রের বিপরীতে কোন প্রকার কাজ না করেই পুরো টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করেছে এই প্রকৌশলী সহ তার নিজস্ব সিন্ডিকেট।

সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রকৌশলী ইউসুফ ও এসও মিজান এবং এসডিই আসিফ। ইউসুফের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানা যায়, চুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় তিনি সরাসরি শিবিরের নেতা ছিলে। এছাড়া বর্তমান কর্মস্থল সংসদের ইএম কারখানা বিভাগে ৭০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ঢুকেছেন। প্রকৌশলী ইউসুফের ঘুষ ও কমিশনের অত্যাচারে ঠিকাদার এবং স্টাফ সবাই দিশেহারা হয়ে পড়লেও তিনি প্রধান প্রকৌশলীর আস্থাভাজন হওয়ায় এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় নাই তাদের। বিহারি কাওসার নামের এক ঠিকাদারকে বিভিন্ন লাইসেন্সে কাজ দিয়ে সিন্ডিকেট গঠন করেছেন এই ইউসুফ।
এই বিহারি কাওসার মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের আটকে পড়া পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত একজন বাংলাদেশী। আওয়ামী বিরোধী এই ঠিকাদারের সাথে মিলে ইউসুফ একত্রে সিন্ডিকেট ব্যবসা করেন। গণপূর্ত ইএম কারখানা বিভাগের একাধিক ঠিকাদারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউসুফ ঠিকমতো অফিসে করেন না, কখনও বিআইসিসিতে, কখনো আসাদগেট আড়ংয়ে আবার কখনো বিভিন্ন হোটেলে গিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে কমিশনের অ্যাডভান্স টাকা নেন। শুধু টাকা নেয়ার জন্য বাইরে বাইরে গিয়ে টাকা কালেকশন করে যে কারনে সঠিক সময় মত অফিস করে না তিনি।

অফিসের ফাইল ড্রাইভার দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যান। এ সকল কারণে ঠিকাদারবৃন্দ সময়মতো বিল পাচ্ছে না। বিল না পাওয়ায় কাজে বিলম্ব হচ্ছে। আর তার ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। বিআরটিসি প্রকল্পে ৫% ঘুষ না দিলে বিল দেন না ইউসুফ।

বিআইএম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে ঠিকাদারদের থেকে ১০% অ্যাডভান্স টাকা নিয়ে দরপত্র আহ্বান এবং অতিরিক্ত ৫% টাকা না দিলে কার্যাদেশ প্রদানে গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে মো. ইউসুফ এর বিরুদ্ধে। সাবেক শিবিরের নেতা প্রকৌশলী ইউসুফ এর খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, বিগত দিনে ইউসুফের দুর্নীতির আমলনামা বিস্তর “নাজমা এন্টার প্রাইজ” এর ২০১৪ সালের একটি তামাদি হওয়া বিলের টাকা ৫০% ভাগাভাগি করে বিল প্রদান করেন। ১৪ লাখ টাকার ঐ বিল দিয়ে নিজেই নিয়েছেন ৭ লাখ টাকা।
আবার জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘরের নবনির্মিত ভবনের সেন্ট্রাল এসির পরিচালন বাবদ ১৭ লাখ টাকার কাজ না করিয়ে এস ও মিজানের সাথে মিলে ৫০% টাকা নিয়ে বিল দিয়ে দেন নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ। এভাবেই সরকারি অর্থ লোপাটে নামছে ইউসুফ। শিবির নেতা হওয়ায় দেশপ্রেম এর পরিবর্তে দেশ ধ্বংসে লিপ্ত এই ইউসুফ জামাতের এখন বড় অর্থদাতা।

সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে তার এই শিবির সংযোগের এবং তার পরিবারের জামায়াতি ইসলামী কানেকশনের তথ্য বেরিয়ে আসছে বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়। তার অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং ঠিকাদার সকলেই তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান, কিন্তু তার নির্লজ্জ আচরণের কারণে কেউ তার সামনে মুখ খুলতে চায় না।

নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠরা বলেন, প্রকৌশলী ইউসুফের সীমাহীন দূর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতায় ঠিকাদার ও কর্মচারীগণ মনে করেন সচিব মহোদয় ব্যতীত অন্য কেউ তার গ্রাস থেকে আমাদের বাঁচাতে পারবে না। কারণ, তিনি প্রধান প্রকৌশলীর ঘনিষ্ঠদের একজন। এই বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর সঙ্গে তার অফিস কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোন এবং খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি ফিরতি কোন সদুত্তর দেননি।

শিবির নেতা ইউসুফের গ্রাসে গণপূতের্র ইএম কারখানা বিভাগ!
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইএম কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর আশ্রয় প্রশ্রয়ে চলছে ভয়াবহ দুর্নীতি। কেউ কাজ শেষ করেও বিল পাচ্ছেনা আবার কেউ কাজ না করেও পুরো বরাদ্দ আত্মসাৎ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শিবিরের তুখোড় নেতা এই নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ বর্তমানে গণপূর্ত ই/এম বিভাগের দুর্নীতির খাদক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

প্রকৌশলী ইউসুফ আগে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন গ্রহণ করলেও বর্তমানে কাজ না করে পুরো টাকা নিজের পকেটে ভরছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ১৭ লাখ টাকার দরপত্রের বিপরীতে কোন প্রকার কাজ না করেই পুরো টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করেছে এই প্রকৌশলী সহ তার নিজস্ব সিন্ডিকেট।

সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রকৌশলী ইউসুফ ও এসও মিজান এবং এসডিই আসিফ। ইউসুফের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানা যায়, চুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় তিনি সরাসরি শিবিরের নেতা ছিলে। এছাড়া বর্তমান কর্মস্থল সংসদের ইএম কারখানা বিভাগে ৭০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ঢুকেছেন। প্রকৌশলী ইউসুফের ঘুষ ও কমিশনের অত্যাচারে ঠিকাদার এবং স্টাফ সবাই দিশেহারা হয়ে পড়লেও তিনি প্রধান প্রকৌশলীর আস্থাভাজন হওয়ায় এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় নাই তাদের। বিহারি কাওসার নামের এক ঠিকাদারকে বিভিন্ন লাইসেন্সে কাজ দিয়ে সিন্ডিকেট গঠন করেছেন এই ইউসুফ।
এই বিহারি কাওসার মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের আটকে পড়া পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত একজন বাংলাদেশী। আওয়ামী বিরোধী এই ঠিকাদারের সাথে মিলে ইউসুফ একত্রে সিন্ডিকেট ব্যবসা করেন। গণপূর্ত ইএম কারখানা বিভাগের একাধিক ঠিকাদারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউসুফ ঠিকমতো অফিসে করেন না, কখনও বিআইসিসিতে, কখনো আসাদগেট আড়ংয়ে আবার কখনো বিভিন্ন হোটেলে গিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে কমিশনের অ্যাডভান্স টাকা নেন। শুধু টাকা নেয়ার জন্য বাইরে বাইরে গিয়ে টাকা কালেকশন করে যে কারনে সঠিক সময় মত অফিস করে না তিনি।

অফিসের ফাইল ড্রাইভার দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যান। এ সকল কারণে ঠিকাদারবৃন্দ সময়মতো বিল পাচ্ছে না। বিল না পাওয়ায় কাজে বিলম্ব হচ্ছে। আর তার ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। বিআরটিসি প্রকল্পে ৫% ঘুষ না দিলে বিল দেন না ইউসুফ।

বিআইএম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে ঠিকাদারদের থেকে ১০% অ্যাডভান্স টাকা নিয়ে দরপত্র আহ্বান এবং অতিরিক্ত ৫% টাকা না দিলে কার্যাদেশ প্রদানে গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে মো. ইউসুফ এর বিরুদ্ধে। সাবেক শিবিরের নেতা প্রকৌশলী ইউসুফ এর খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, বিগত দিনে ইউসুফের দুর্নীতির আমলনামা বিস্তর “নাজমা এন্টার প্রাইজ” এর ২০১৪ সালের একটি তামাদি হওয়া বিলের টাকা ৫০% ভাগাভাগি করে বিল প্রদান করেন। ১৪ লাখ টাকার ঐ বিল দিয়ে নিজেই নিয়েছেন ৭ লাখ টাকা।
আবার জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘরের নবনির্মিত ভবনের সেন্ট্রাল এসির পরিচালন বাবদ ১৭ লাখ টাকার কাজ না করিয়ে এস ও মিজানের সাথে মিলে ৫০% টাকা নিয়ে বিল দিয়ে দেন নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ। এভাবেই সরকারি অর্থ লোপাটে নামছে ইউসুফ। শিবির নেতা হওয়ায় দেশপ্রেম এর পরিবর্তে দেশ ধ্বংসে লিপ্ত এই ইউসুফ জামাতের এখন বড় অর্থদাতা।

সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে তার এই শিবির সংযোগের এবং তার পরিবারের জামায়াতি ইসলামী কানেকশনের তথ্য বেরিয়ে আসছে বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়। তার অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং ঠিকাদার সকলেই তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান, কিন্তু তার নির্লজ্জ আচরণের কারণে কেউ তার সামনে মুখ খুলতে চায় না।

নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠরা বলেন, প্রকৌশলী ইউসুফের সীমাহীন দূর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতায় ঠিকাদার ও কর্মচারীগণ মনে করেন সচিব মহোদয় ব্যতীত অন্য কেউ তার গ্রাস থেকে আমাদের বাঁচাতে পারবে না। কারণ, তিনি প্রধান প্রকৌশলীর ঘনিষ্ঠদের একজন। এই বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর সঙ্গে তার অফিস কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোন এবং খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি ফিরতি কোন সদুত্তর দেননি।

শিবির নেতা ইউসুফের গ্রাসে গণপূতের্র ইএম কারখানা বিভাগ!
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইএম কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর আশ্রয় প্রশ্রয়ে চলছে ভয়াবহ দুর্নীতি। কেউ কাজ শেষ করেও বিল পাচ্ছেনা আবার কেউ কাজ না করেও পুরো বরাদ্দ আত্মসাৎ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শিবিরের তুখোড় নেতা এই নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ বর্তমানে গণপূর্ত ই/এম বিভাগের দুর্নীতির খাদক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

প্রকৌশলী ইউসুফ আগে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন গ্রহণ করলেও বর্তমানে কাজ না করে পুরো টাকা নিজের পকেটে ভরছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ১৭ লাখ টাকার দরপত্রের বিপরীতে কোন প্রকার কাজ না করেই পুরো টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করেছে এই প্রকৌশলী সহ তার নিজস্ব সিন্ডিকেট।

সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রকৌশলী ইউসুফ ও এসও মিজান এবং এসডিই আসিফ। ইউসুফের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানা যায়, চুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় তিনি সরাসরি শিবিরের নেতা ছিলে। এছাড়া বর্তমান কর্মস্থল সংসদের ইএম কারখানা বিভাগে ৭০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ঢুকেছেন। প্রকৌশলী ইউসুফের ঘুষ ও কমিশনের অত্যাচারে ঠিকাদার এবং স্টাফ সবাই দিশেহারা হয়ে পড়লেও তিনি প্রধান প্রকৌশলীর আস্থাভাজন হওয়ায় এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় নাই তাদের। বিহারি কাওসার নামের এক ঠিকাদারকে বিভিন্ন লাইসেন্সে কাজ দিয়ে সিন্ডিকেট গঠন করেছেন এই ইউসুফ।
এই বিহারি কাওসার মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের আটকে পড়া পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত একজন বাংলাদেশী। আওয়ামী বিরোধী এই ঠিকাদারের সাথে মিলে ইউসুফ একত্রে সিন্ডিকেট ব্যবসা করেন। গণপূর্ত ইএম কারখানা বিভাগের একাধিক ঠিকাদারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউসুফ ঠিকমতো অফিসে করেন না, কখনও বিআইসিসিতে, কখনো আসাদগেট আড়ংয়ে আবার কখনো বিভিন্ন হোটেলে গিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে কমিশনের অ্যাডভান্স টাকা নেন। শুধু টাকা নেয়ার জন্য বাইরে বাইরে গিয়ে টাকা কালেকশন করে যে কারনে সঠিক সময় মত অফিস করে না তিনি।

অফিসের ফাইল ড্রাইভার দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যান। এ সকল কারণে ঠিকাদারবৃন্দ সময়মতো বিল পাচ্ছে না। বিল না পাওয়ায় কাজে বিলম্ব হচ্ছে। আর তার ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। বিআরটিসি প্রকল্পে ৫% ঘুষ না দিলে বিল দেন না ইউসুফ।

বিআইএম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে ঠিকাদারদের থেকে ১০% অ্যাডভান্স টাকা নিয়ে দরপত্র আহ্বান এবং অতিরিক্ত ৫% টাকা না দিলে কার্যাদেশ প্রদানে গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে মো. ইউসুফ এর বিরুদ্ধে। সাবেক শিবিরের নেতা প্রকৌশলী ইউসুফ এর খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, বিগত দিনে ইউসুফের দুর্নীতির আমলনামা বিস্তর “নাজমা এন্টার প্রাইজ” এর ২০১৪ সালের একটি তামাদি হওয়া বিলের টাকা ৫০% ভাগাভাগি করে বিল প্রদান করেন। ১৪ লাখ টাকার ঐ বিল দিয়ে নিজেই নিয়েছেন ৭ লাখ টাকা।
আবার জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘরের নবনির্মিত ভবনের সেন্ট্রাল এসির পরিচালন বাবদ ১৭ লাখ টাকার কাজ না করিয়ে এস ও মিজানের সাথে মিলে ৫০% টাকা নিয়ে বিল দিয়ে দেন নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ। এভাবেই সরকারি অর্থ লোপাটে নামছে ইউসুফ। শিবির নেতা হওয়ায় দেশপ্রেম এর পরিবর্তে দেশ ধ্বংসে লিপ্ত এই ইউসুফ জামাতের এখন বড় অর্থদাতা।

সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে তার এই শিবির সংযোগের এবং তার পরিবারের জামায়াতি ইসলামী কানেকশনের তথ্য বেরিয়ে আসছে বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়। তার অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং ঠিকাদার সকলেই তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান, কিন্তু তার নির্লজ্জ আচরণের কারণে কেউ তার সামনে মুখ খুলতে চায় না।

নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠরা বলেন, প্রকৌশলী ইউসুফের সীমাহীন দূর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতায় ঠিকাদার ও কর্মচারীগণ মনে করেন সচিব মহোদয় ব্যতীত অন্য কেউ তার গ্রাস থেকে আমাদের বাঁচাতে পারবে না। কারণ, তিনি প্রধান প্রকৌশলীর ঘনিষ্ঠদের একজন। এই বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর সঙ্গে তার অফিস কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোন এবং খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি ফিরতি কোন সদুত্তর দেননি।

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ইলেকট্রিক গাড়ি প্রদর্শনী ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

ইলেকট্রিক গাড়ি প্রদর্শনী ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্টঃ স্পোর্টস কার ও ইভি (ইলেকট্রিক ভেহিকল) গাড়ি বিষয়ক একটি প্রদর্শনী ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২৩ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজ থেকে করা এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়। পোস্টে জানানো হয়, এ প্রদর্শনীতে প্রধানমন্ত্রী আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন যানবাহন পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

আরও পড়ুন
language Change