তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে গণপূর্তের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মতিউর রহমানের অনিয়ম নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল এক মানবিক শিক্ষকের জীবন বাঁচাতে সাহায্যের আকুল আবেদন বাংলাদেশ কৃষি উদ্যোক্তা ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন সুন্দরবনে জলদস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা ৬ জেলে উদ্ধার দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে শহীদ জিয়ার আদর্শের বাস্তবায়ন চায় জনগণ যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় কোটি টাকা উপর টোল আদায় মায়ের স্মৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় মনোয়ার হাসান জীবনের ইফতার মাহফিল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন বিডিজেএ'র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা নূরে মদিনা মসজিদে সাউথ লন্ডন ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান বটিয়াঘাটায় উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল রোগীদের চিকিৎসায অর্থসহ ঈদসামগ্রী বিতরণ করলেন হাজী সারওয়ার জাহান মাষ্টার দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ১৩৮ টুকরা অবৈধ কাঠ জব্দ করনেশন রোড ব্যবসায়ী মালিক সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল আইনজীবী হিসেবে সাংবাদিক এসএম বিপ্লব হোসেনের পথচলা শুরু সাফল্যের শিখরে রামগড়ের কৃতি সন্তান সিআইডি প্রধান শেরপুরের নকলায় ১২ ভিক্ষুককে ভেড়া উপহার নিজ মাথায় মাটি টেনে খাল পুঃন খননের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর পাইকগাছায় উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ স্টিকার লাগিয়ে দাম জালিয়াতি: খিলগাঁওয়ের ‘কান্ট্রি বয় লাইফস্টাইল’-এ ভোক্তা ঠকানোর মহোৎসব! ফায়ার সার্ভিসে দুর্নীতির ছায়া: ডিজির খামখেয়ালি সিন্ডিকেট প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ ছুটির প্রথমদিনে কমলাপুর স্টেশনে উপচে পড়া ভিড় ‎নিউ কলোনি জামে মসজিদে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বিক্রিত জমিতে ঘর নির্মাণ, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দুর্নীতিমুক্ত শেরপুর জেলা পরিষদ গঠন করতে চাই ঝিনাইগাতীতে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি হাজার মাসের চেয়েও সেরা রাত: আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর মৌলভীবাজারের কাটাগাং খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন মোংলার চিলা বৈদ্যমারীতে যুবকের আত্মহনন দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা অপরিসীম খুলনায় যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা পুলিশ সুপারের ছবি ব্যবহার করে ঈদের চাঁদা আদায় র‍্যাবের ডিজি হলেন হাবীব, এসবিপ্রধান নুরুল আমিন, সিআইডিপ্রধান মোসলেহ খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ কুয়াকাটায় সরকারি খাস জমির গাছ কেটে বিক্রি বরগুনায় বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও ইফতার পার্টি হামলার পর দুবাই বিমানবন্দরে ফ্লাইট বন্ধ ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় কঠোর নির্দেশনা খেপুপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অশ্লীল ছবি ভাইরাল খুলনায় অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ রাজউকে ঘুষ-দুর্নীতি-অনিয়ম সিরিজ জয়ের পর বড় সুখবর পেল বাংলাদেশ সুন্দরবন অগ্নিনির্বাপণ রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা শুটিংয়ে জেরিনকে অন্তর্বাস পরতে বাধ্য করা হয়েছিল এবার চীনের দ্বারস্থ হলেন ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীর পিএস পরিচয় দেওয়া প্রতারক আটক খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে দিনাজপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত শ্রীমঙ্গলে জমি দখলের চেষ্টা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

যত ভুল ছিল হাসিনার

যত ভুল ছিল হাসিনার
পাঠক সংখ্যা
638

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

গত বছরের জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং তৎকালীন পুলিশপ্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন ট্রাইব্যুনাল। তাদের মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার পর থেকেই শেখ হাসিনার উত্থানপতন ও তার শাসনামল নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়। এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু শেখ হাসিনার কোন সিদ্ধান্তের কারণে তার এই পরিণতি হয়েছে। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পতনের ঘণ্টা বাজে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে।

বিদায়ঘণ্টা এর আগের বেজে উঠলেও ছাত্রজনতার তোপের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। সেই সময় ছোট বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আশ্রয় নেন ভারতের দিল্লিতে । এর মধ্যে দিয়ে শেখ হাসিনা এবং আ.লীগের টানা সাড়ে ১৫ বছরেরও বেশি শাসনামলের ইতি ঘটে।

শেখ হাসিনা সর্বমোট ক্ষমতায় ছিলেন ৫ হাজার ৬৯০ দিন। তার এই দীর্ঘ শাসনামলে রয়েছে ভালোমন্দ সব কাজই। তবে তার বেশিরভাগ কাজই ছিল জনস্বার্থবিরোধী। জনমতের পরোয়া না করেই তিনি নিজের মতো দেশ শাসন করতে চেয়েছেন। শুধু চাননি বরং নিজের মতো করেই দেশ শাসন করেছেন। যে কারণে তিনি ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছেন প্রতাপশালী স্বৈরশাসক। শেখ হাসিনার পতনের পরও তিনি রয়েছেন আলোচনায়। পতনের এক বছরেরও বেশি সময়জুড়ে শেখ হাসিনার ভুলগুলো নিয়ে রীতিমতো গবেষণা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার শাসনামল মূল্যায়নে সবচেয়ে বড় ভুল ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করা। এর মাধ্যমে তিনি দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে প্রতিষ্ঠিত একটি সর্বজনগ্রাহ্য ব্যবস্থার ইতি টানেন। সেই সঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। পরবর্তী সময়ে কখনো রাতের ভোট, কখনো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার একতরফা নির্বাচনের মতো বিতর্কিত প্রক্রিয়া চালু রেখে তিনি ক্ষমতা ধরে রাখতে থাকেন।

বিরোধী দল ও ভিন্নমত দমনে শেখ হাসিনা নজিরবিহীন উদাহরণ গড়ে তোলেন। সামাজিক মাধ্যমেও তার সমালোচনা করলে গ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন ধরনের হয়রানি ছিল তার শাসনামলের এক ভয়াবহ বাস্তবতা। অনেকের মতে, শেখ হাসিনার আরেকটি বড় ভুল ছিল তার নিয়ন্ত্রণহীন বক্তব্য। তিনি প্রায়ই অপমানজনক, তুচ্ছতাচ্ছিল্যপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করতেন এবং সৌজন্য বোধের অভাব প্রকাশ পেত কথাবার্তায়। রাজাকার, জঙ্গি বা দেশবিরোধী—এ ধরনের শব্দ উচ্চারণ তার কাছে যেন ছিল দৈনন্দিন রাজনৈতিক ভাষার অংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনা শুধু গণতন্ত্রকে দুর্বল করা ও ভিন্নমত দমনেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। তার দীর্ঘ শাসনামলে তিনি রাজনীতিকে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত করেন। নিজের ও পরিবারের দুর্নীতিতে জড়ানো, ঘনিষ্ঠজন ও বিদেশি স্বার্থগোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়া—এসব অভিযোগও তার বিরুদ্ধে ওঠে। পাশাপাশি ভারতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা, ভারসাম্যের নামে কূটনৈতিক সম্পর্ক দুর্বল করা এবং দেশের নিয়ন্ত্রণ বহিরাগত শক্তির প্রভাবে ঠেলে দেওয়া—এসব সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত তার নিজের জন্যও ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

তার বাবা শেখ মুজিবুর রহমানকে ঘিরে অতিরিক্ত প্রচার–প্রচারণা দেশের মানুষের কাছে অনেক সময়ই অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছিল। তিনি শেখ মুজিবকে পারিবারিক সম্পদে রূপান্তরিত করেন। পরিবারকেন্দ্রিকতা এতটাই প্রবল ছিল যে পরিবারের বাইরে কাউকে সহজে বিশ্বাস করতেন না। এ ছাড়া অকারণে বিদেশকে অতিমাত্রায় প্রাধান্য দেওয়া, সরকার ও দলকে এক করে ফেলা, ত্যাগী ও যোগ্য নেতাদের উপেক্ষা করা এবং হাইব্রিড নেতৃত্বের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়াও তার বড় ভুল হিসেবে দেখা হয়।

এ ছাড়া বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ রাষ্ট্রের প্রায় সব প্রতিষ্ঠানকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনা এবং ছাত্রলীগ–যুবলীগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারাও শেখ হাসিনার জন্য বিপদ ডেকে আনে। নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে যারা তাকে তোষামোদ করত, তাদের বিভিন্ন সুবিধা দিতেন—আর সেই সুযোগেই নিজের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড আড়াল করার চেষ্টা চলত।

ছাত্র–যুবক ও তরুণদের কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিকে অগ্রাহ্য করাই শেখ হাসিনার পতনের চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে দেখা হয়। এই দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলন দমাতে তিনি কঠোর দমনপীড়ন ও ভয়াবহ সহিংসতার পথ বেছে নেন। শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের নাতি–পুতি’ বলে অপমান করায় ক্ষোভ আরও তীব্র হয়। মুহূর্তেই দেশজুড়ে ফুঁসে ওঠে সাধারণ মানুষ। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি রাজনৈতিক দল, সামাজিক–সাংস্কৃতিক সংগঠন, পেশাজীবী এবং অভিভাবকরাও যুক্ত হন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একত্র আন্দোলনে। সবাই রাজপথে নেমে আসার সেই ঢেউই শেষ পর্যন্ত তার বিদায়ের পথ তৈরি করে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

নেছারাবাদে ব্যাংক কর্মচারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  মো:সোহেল মোল্লা। নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি। উপজেলার মিয়ারহাট বন্দর থেকে ইকবাল হোসেন নামে এক ব্যাংক কর্মচারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে নেছারাবাদ থানা পুলিশ।ইকবাল হোসেন ইসলামী ব্যাংক মিয়ারহাট শাখায় ম্যাসেন্জার কাম গার্ড পদে কর্মরত তার বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাইডগাও গ্রামের ৬নং ওয়ার্ডে বলে জানা যায়।২মাস আগে তিনি চাকরি সুবাদে মিয়ারহাট বন্দরের খাল পাড়ে বুলবুল সাহেবের ভাড়া বাসায় ওঠেন।গত রাতেওতিনি ঐ বাসাতেই ছিলেন। শনিবার বিকাল ৪টায় পাশের বাসার নাইম কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা নক করে।দরজা ভিতর থেকে বন্দ থাকায় কোন একটা ঝামেলা মনে করে পুলিশে খবর দেয়।পুলিশ এসে দরজা ভেন্গে ফ্যনের সাথে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্হায় ইকবাল হোসেনের লাস উদ্বার করে।প্রেমগটিত কারনে ইকবাল আত্মহত্যা করতে পারে বলে পুলিশ মিডিয়া কর্মীদের জানান।লাস সুরতহালের পরে ইকবালের আত্মাীয়সজনের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং

আরও পড়ুন
language Change