তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
দীঘিনালায় তীব্র তেল সংকটের মাঝে ব্যতিক্রম টাঙ্গাইলের ধনবাড়িতে ভাইঘাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চৈত্র মেলা অনুষ্ঠিত গোপালপুরে রেল দুর্ঘটনায় বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু গণহত্যা দিবসে মোংলা উপজেলা প্রশাসনের পুষ্পস্তবক অর্পণ শেরপুরের মেধাবী ছাত্র আইয়ুব নাঈম ৪৪ তম বিসিএস নন ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন রামগড় পশ্চিম বাগানটিলা জামে মসজিদ ও সমাজের বার্ষিক সাধারণ সভা খুলনায় লস্কর ইউনিয়নের বাইনতলা-খড়িয়া সড়ক যেন মরণফাঁদ গারো পাহাড়ে বন রক্ষায় মানববন্ধন কেশবপুরে ঈদের ছুটিতেও অব্যাহত ছিল পরিবার পরিকল্পনা সেবা ভিডিও কলে ব্ল্যাকমেইলারের হাতে জিম্মি রিক্সাচালকের পরিবার শ্রীমঙ্গল উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আকাশ গ্রেফতার কেশবপুরে ‘মদ্যপ অবস্থায়’ সংসদ সদস্যকে গালিগালাজ গণপূর্তে ছাত্রলীগ নেতা কাজী মাশফিক: ঠিকাদার সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক ও দুর্নীতির কেন্দ্রবিন্দু আওয়ামী দোসর নির্বাহী প্রকৌশলী এস. এম. ময়নুল হকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ দুর্নীতিবাজ আব্দুর রশিদ মিয়া হলেন এলজিইডি-এর প্রধান প্রকৌশলী ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাঁপছে সৌদি-কুয়েত-ইসরায়েল ভয়াল ২৫ মার্চ আজ, জাতীয় গণহত্যা দিবস এতিম শিশু ও প্রবীণদের জন্য প্রাণ-আরএফএলের বিশেষ ঈদ আয়োজন সংকেতেই আনা হয় বেনাপোল বন্দরে আটক হওয়া ৬ কোটি মূল্যের পণ্য পরিবার বিএনপি করে উত্তীর্ণ হয়েও চাকরিতে যোগ দিতে দেয়নি আব্দুল মান্নান মানবপাচারসহ ১১ মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ নাটোর জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক রহিম নেওয়াজ এর সম্বর্ধনা অনুষ্ঠিত জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি সরকার গ্রহণ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে গণপূর্তের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মতিউর রহমানের অনিয়ম নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল এক মানবিক শিক্ষকের জীবন বাঁচাতে সাহায্যের আকুল আবেদন বাংলাদেশ কৃষি উদ্যোক্তা ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন সুন্দরবনে জলদস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা ৬ জেলে উদ্ধার দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে শহীদ জিয়ার আদর্শের বাস্তবায়ন চায় জনগণ যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় কোটি টাকা উপর টোল আদায় মায়ের স্মৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় মনোয়ার হাসান জীবনের ইফতার মাহফিল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন বিডিজেএ'র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা নূরে মদিনা মসজিদে সাউথ লন্ডন ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান বটিয়াঘাটায় উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল রোগীদের চিকিৎসায অর্থসহ ঈদসামগ্রী বিতরণ করলেন হাজী সারওয়ার জাহান মাষ্টার দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ১৩৮ টুকরা অবৈধ কাঠ জব্দ করনেশন রোড ব্যবসায়ী মালিক সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল আইনজীবী হিসেবে সাংবাদিক এসএম বিপ্লব হোসেনের পথচলা শুরু সাফল্যের শিখরে রামগড়ের কৃতি সন্তান সিআইডি প্রধান শেরপুরের নকলায় ১২ ভিক্ষুককে ভেড়া উপহার নিজ মাথায় মাটি টেনে খাল পুঃন খননের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর পাইকগাছায় উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ স্টিকার লাগিয়ে দাম জালিয়াতি: খিলগাঁওয়ের ‘কান্ট্রি বয় লাইফস্টাইল’-এ ভোক্তা ঠকানোর মহোৎসব! ফায়ার সার্ভিসে দুর্নীতির ছায়া: ডিজির খামখেয়ালি সিন্ডিকেট প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ ছুটির প্রথমদিনে কমলাপুর স্টেশনে উপচে পড়া ভিড় ‎নিউ কলোনি জামে মসজিদে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বিক্রিত জমিতে ঘর নির্মাণ, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দুর্নীতিমুক্ত শেরপুর জেলা পরিষদ গঠন করতে চাই

যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে গাজার খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বড়দিন

যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে গাজার খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বড়দিন
পাঠক সংখ্যা
638

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

গাজায় ৭৬বছর বয়সী আতাল্লাহ তারাজি ক্রিসমাসের কিছু উপহার পেয়েছেন। যার মধ্যে ছিল মোজা এবং ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য একটি স্কার্ফ। তিনি কিছু ফিলিস্তিনি খ্রিস্টানদের সঙ্গে মিলিত হয়ে প্রার্থনার গানও গেয়েছেন।

গির্জার অন্য সদস্যদের সঙ্গে তরাজি যখন গাইলেন ‌‍‍‘খ্রিস্টের জন্ম হয়েছে, হালেলুইয়া’ (একটি হিব্রু শব্দ, যার অর্থ প্রভুর প্রশংসা), তখন কিছুক্ষণের জন্য হলেও যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার বিভীষিকা ঢাকা পড়েছিল বিশ্বাসের সুরে।

তারাজি এবং গাজার খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যান্যরা ধ্বংস ও অনিশ্চয়তার মাঝেও উৎসবের আনন্দ ধরে রাখার চেষ্টা করছেন।
তিনি বললেন, ‘আমি মনে করি, খ্রিস্টের জন্মের আনন্দ আমাদের সব কষ্টের ওপর জয়লাভ করতে হবে।’

গাজার সেন্ট্রাল সিটি এলাকার ‘হলি ফ্যামিলি চার্চ’ কম্পাউন্ডে আশ্রয় নেওয়া তরাজি বলেন, ‘আমরা এই পবিত্র মুহূর্তে যুদ্ধ, বিপদ আর বোমাবর্ষণের কথা ভুলে যেতে চাই। খ্রিস্টের জন্মের আনন্দ আমাদের সব তিক্ততাকে ছাপিয়ে যাক।

তিনি দুই বছরের বেশি সময় ধরে হোলি ফ্যামিলি চার্চ কমপাউন্ডে আশ্রয় নিয়েছেন।
তবে সবার জন্য উৎসবের অনুভূতি এক নয়। শাদি আবু দাউদের জন্য এবারের বড়দিনটি অত্যন্ত কষ্টের। গত জুলাই মাসে এই ক্যাথলিক চার্চ কম্পাউন্ডেই ইসরায়েলি হামলায় তার মা নিহত হন ও ছেলে আহত হয়।

ইসরায়েল এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে এটিকে দুর্ঘটনা বলে জানিয়েছিল। হামলার সময় আবু দাউদের পুত্র আহত হয়েছিল।
অর্থোপডক্স খ্রিস্টান আবু দাউদ বলেন, তিনি ধর্মীয় আচার ও প্রার্থনার বাইরে কোনো উদযাপন করবেন না। তিনি বলেন, ‘কোনো উৎসব নেই। পরিস্থিতি কঠিন।

ক্ষত এখনও আছে। যন্ত্রণা ও ব্যথা এখনো আছে। আমরা এখনো শান্তি ও অশান্তির মাঝামাঝি অবস্থায় বাঁচছি।’
অক্টোবর থেকে গাজায় শান্তি বিরতির পর ইসরায়েলের হামলা কিছুটা কমলেও মৃত্যুর ঘটনা পুরোপুরি থামেনি। ইসরায়েল ও হামাস একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের চ্যালেঞ্জ এখনো কার্যকর হয়নি।

আবু দাউদ বলেন, ‘আমি সব সময় আমার সন্তানদের বলি, ঈশ্বর সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাদের কঠিন যুদ্ধই দেন। আমরা আমাদের খ্রিস্টান বিশ্বাস এবং দেশকে ধরে রেখেছি। আমরা আমাদের দেশকে ভালোবাসি।’ তিনি সতর্ক করেছেন, যুদ্ধ চলাকালীন অনেক খ্রিস্টান গাজা ত্যাগ করেছেন এবং সুযোগ পেলে আরো অনেকে চলে যেতে চাইছেন। তিনি খ্রিস্টান সম্প্রদায় এবং গাজার সামাজিক কাঠামোর ওপর এর প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন।

২৩বছর বয়সী ওয়াফা ইমাদ এলসায়েঘ জানান, বন্ধুবান্ধব আর আত্মীয়রা না থাকায় আগের মতো আমেজ নেই। তিনি বলেন, ‘আমরা পরিবার নিয়ে সাজসজ্জা করছি ঠিকই, কিন্তু যাদের সঙ্গে সব আনন্দ ভাগ করে নিতাম, তারা আজ গাজায় নেই। এই পরিবেশ আগের মতো করে আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।’

৩৫বছর বয়সী মা এলিনোর আমাশ তার সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে ঘরে বড়দিনের গাছ (ক্রিসমাস ট্রি) সাজিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমার সন্তানেরা কিছু চকলেট আর মিষ্টি পেয়ে বোমার ভয় ছাড়া শ্বাস নিতে পারছে। কিন্তু তাঁঁবুগুলোতে বসবাসকারী মানুষের কষ্ট দেখে চোখে পানি আসে।’

গাজার খ্রিস্টানরা মনে করেন, তারা সংখ্যায় যত কম হোক না কেন, এটি এই ভূমির প্রতি ভালোবাসা এবং বিশ্বাসের এক অটল সাক্ষ্য। আত্তাল্লাহ তরাজি প্রার্থনা করেন যেন তার জাতি শান্তি ও স্বাধীনতা পায়। তিনি বিশ্বাস করেন, এই পরিস্থিতির চেয়েও বড়দিনের আনন্দ এবং তাদের বিশ্বাস অনেক বেশি শক্তিশালী।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞায় যে ৫ দেশ

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞায় যে ৫ দেশ

ডেস্ক রিপোর্টঃ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকা আরও সম্প্রসারণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে,মঙ্গলবার (১৬ডিসেম্বর) পাঁচটি নতুন দেশকে পূর্ণাঙ্গ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে এবং আরও কয়েকটি দেশের নাগরিকদের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা ও প্রবেশে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। নতুন করে পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞায় যুক্ত হওয়া দেশগুলো হলোবুরকিনা ফাসো,মালি,নাইজার,দক্ষিণ সুদান ও সিরিয়া। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ১২টি দেশ ছিল। এছাড়া আংশিক নিষেধাজ্ঞা ও প্রবেশ সীমাবদ্ধতার আওতায় আনা হয়েছে আরও ১৫টি দেশের নাগরিকদের। দেশগুলো হলো অ্যাঙ্গোলা,অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা,বেনিন,কোট দিভোয়ার,ডমিনিকা,গ্যাবন,গাম্বিয়া,মালাউই,মৌরিতানিয়া,নাইজেরিয়া,সেনেগাল,তানজানিয়া,টোঙ্গা,জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে। হোয়াইট হাউস আরও জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা ভ্রমণ নথি বহনকারীদের ক্ষেত্রেও পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ১৯টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসন সংক্রান্ত আবেদন স্থগিত করে। এসব আবেদনের মধ্যে গ্রিনকার্ড ও নাগরিকত্বের আবেদনও রয়েছে। ওই তালিকায়

আরও পড়ুন
language Change