তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ফাইল আটকে কমিশন বাণিজ্য গণপূর্তের প্রকৌশলী শরিফুলের যমুনা রেলওয়ে সেতু প্রকল্পে হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে দুদক পানি নিষ্কাশনের জন্য কাটা বাঁধই এখন দুর্ভোগের কারণ জয়মনি গ্রামে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দুর্ভোগে বাসিন্দারা সংবাদ প্রকাশের জেরে সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা চাকরিতে প্রক্সি সিন্ডিকেটের নেপথ্যে জনস্বাস্থ্যের আনোয়ার ও কাস্টমসের সিপাহী আজিজ! অভিযোগের পাহাড়, তবুও নীরব রাজউক: ‘অপ্রতিরোধ্য’ দুর্নীতির জালে আবুল কালাম আজাদ উত্তরা ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মাকসুদুর আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানীর অভিযোগ সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ কমিটির উদ্যোগে মিছিল ‎ সিরাজগঞ্জে সেতুর নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার নলডাঙ্গার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন-মনিরুল ইসলাম ডাবলু বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান জ্বালানি সিন্ডিকেটের প্রভাবে সচিব সাইফুল ইসলাম বহাল তবিয়তে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের মানহানী মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ইরান ও লেবাননের পাশে থাকার ঘোষণা চীনের হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ১৬ বার জনগণের টাকা পাচার হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের শিশু ধর্ষণের আসামি মুনিরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মামলা ও সিন্ডিকেটের ফাঁদে ঢাকার ১২৩ পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি, বেহাত হাজার কোটি টাকা জিয়া শিশু কিশোর মেলা, গাজীপুর মহানগর কমিটি ঘোষণা ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ বিদ্যুৎতের তার চুরি করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ২ কামারখন্দে সাড়ে ৩ হাজার ফুট পতাকা টাঙিয়ে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের চমক বিশ্বম্ভরপুরের ফতেপুরে মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় মানববন্ধন ট্রাকচাপায় ট্রাফিক পুলিশ নিহত বুড়িচংয়ে কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য আটক মাদক সেবন ও অশ্লীল কর্মকাণ্ডে জড়িত ৪ জনের কারাদণ্ড ভাগনেকে বিয়ে করলেন মামী, দেশে ফিরে আত্মহত্যা প্রবাসী স্বামী চট্টগ্রাম-জামালপুরের শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ওপিসিডব্লিউ পরিদর্শক দল বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করে নতুন ইতিহাস গড়লেন মেসি মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলের পথে প্রধানমন্ত্রী সাব রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ ২০ বছরেও পাকা হয়নি ইটের রাস্তা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ বটিয়াঘাটায় সুধী সমাবেশ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ, পুলিশের কঠোর আশ্বাস শ্রীমঙ্গলে ৮ বছর বয়সী শিশুকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ পিরোজপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী আজাদের অভিনব টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ রেল যোগাযোগের আওতায় যুক্ত হচ্ছে আরও ১০ জেলা ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ময়লা অপসারণে ব্যাপক উদ্যোগ-সফিউদ্দিন আহম্মেদ সেন্টু বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে বৃক্ষ রোপন অনুষ্ঠিত গণমাধ্যম স্বাধীন থাকলে ক্ষমতা জবাবদিহিতার মুখোমুখি থাকবে: তথ্যমন্ত্রী পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাব সহকারী মনির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়: আপিল শুনানি ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মুলতবি বাংলা টিভির সামাদুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়

মৌসুমী ফল যেভাবে সর্দি, কাশির উপশম করে

পাঠক সংখ্যা
638

সামসুন নাহার স্মৃতি ॥

এখন বসন্তকাল। ঋতু পরিবর্তনের এ সময় ঘরে ঘরে ঠান্ডা, সর্দি, কাশি, জ্বর দেখা দেয়। বসন্তকালের আবহাওয়া যতই মিষ্টি হোক না কেন, এ সময় অনেকেরই বিভিন্ন ধরনের সংক্রামক রোগ দেখা দিতে পারে। যেমন- চিকেন পক্স, গুটিবসন্ত কিংবা সর্দি-কাশি, ঠান্ডা, জ্বর ইত্যাদি।

সংক্রমিত রোগকে প্রতিরোধ করতে হলে দৈনিক খাদ্য তালিকায় চাই পর্যাপ্ত পরিমাণ মৌসুমি ফল ও বিভিন্ন রঙের শাকসবজি। বিশেষ করে ভিটামিন ‘সি’যুক্ত মৌসুমি ফল ও নানা রঙের শাকসবজি সমৃদ্ধ খাদ্যতালিকা তৈরি করতে হবে সবার জন্য।

দেশীয় মৌসুমি ফল খাওয়ার সু-অভ্যাসটি গড়ে তুলতে হবে পরিবারের ছোট-বড় সদস্যদের। রোগ প্রতিরোধ বাড়ানোর জন্য খেতে পারি আমরা দেশীয় মৌসুমি ফল, যেমন-পেয়ারা, আমড়া, কামরাঙ্গা, বাউকুল, বরই ইত্যাদি। এছাড়া মালটা, কমলা, আনার, নাশপাতি, ড্রাগন, আঙুর ফল খাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া ভিটামিন ‘সি’র সব থেকে ভালো উৎস হলো লেবু।

প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় আমরা একটি করে লেবু বা লেবুর তৈরি কোনো খাবার যেমন-লেবুর শরবত, লেবু চা খাওয়া যেতে পারে। কিছু ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো-

* পেয়ারা

পেয়ারা খেতে যেমন সুস্বাদু পুষ্টিগুণেও ভরপুর। ভিটামিন ‘সি’ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এ ফল ফ্রি রেডিকেল্রের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। যার ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সবুজ পেয়ারা ফল হিসাবে কিংবা সালাদে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি করা যায়। অনেক শিশু ফল খেতে চায় না। তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের ফল দিয়ে জ্যাম-জেলি ঘরে তৈরি করে দিতে পারেন, এতে করে শিশুরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ পেতে পারে।

* কমলা

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখা জরুরি। এমনকি কমলালেবু ওজন কমাতেও সাহায্য করে। কমলা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

* মালটা

মালটা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ হওয়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য শিশু কিংবা বয়স্কদের জন্য মালটার জুস কিংবা মালটার চা হতে পারে অতুলনীয় পানীয়।

* আনার বা বেদানা

লাল রঙের এবং ছোট ছোট দানাযুক্ত এ ফলটি রক্তস্বল্পতা রোধে কার্যকরী। বেদানা রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া প্রতিহত করে রক্তকে পরিশুদ্ধ করতে পারে এবং শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

* বরই বা কুল

এ সময় বাজারে বিভিন্ন ধরনের বরই বা কুল দেখতে পাওয়া যায়। ছোট বাউকুল বা দেশি কুল আমরা যে বরই-ই বলি না কেন রোগ প্রতিরোধ করতে বরই বা কুলের বিকল্প মেলা কঠিন। বরইতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’, মিনারেলস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ পুষ্টি যা শরীরের ফ্রি র‌্যাডিকেল মুক্ত করে দেহকে সুস্থ ও নিরোগ রাখতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খেতে পারেন, আমড়া, জাম্বুরা, আমলকী। মৌসুমি ফল দিয়ে বিভিন্ন ধরনের সালাদ, ভিন্ন, ভিন্ন রেসিপি করে দেওয়া যেতে পারে। চালতা কিংবা আমড়ার টক রান্না করা, আমলকীর মোরব্বা করা যেতে পারে।

বাজারের ক্যামিকেলযুক্ত জ্যাম-জেলি না কিনে ঘরেই এসব মৌসুমি ফল দিয়ে মুখরোচক জ্যাম-জেলি তৈরি করে শিশুদের সকালের নাস্তায় কিংবা স্কুলের টিফিনেও দেওয়া যেতে পারে।

লেখক : ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট অ্যান্ড ডায়েটিশিয়ান, উত্তরা ক্রিসেন্ট হসপিটাল, উত্তরা, ঢাকা

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

জাহাজের মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে ভ্যাট অব্যাহতি পাবে

সবুজ বাংলাদেশ ডেস্ক:  অব্যাহতি পাবে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠানের মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির সব ধরনের মূল্য সংযোজন কর। শিপইয়ার্ডগুলোকে গ্রিন শিপইয়ার্ডে উন্নীত করার লক্ষ্যে শর্তসাপেক্ষে এ কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর ‌এর নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৬ জুন পর্যন্ত এই ভ্যাট অব্যাহতি বহাল থাকবে। এনবিআর এ সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়েছে, সরকার ওই সময়ের মধ্যে সব জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ইয়ার্ডকে গ্রিন শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে উন্নীত করবে। নয়তো ওই সময়ের পর থেকে পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য কোনো জাহাজ বাংলাদেশে আসতে পারবে না। এছাড়া রেয়াতি হারে আমদানি করা মূলধনী যন্ত্রপাতি শুধু শিপ ব্রেকিং ও রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে ব্যবহার করা যাবে। আমদানি করা মূলধনী যন্ত্রপাতি ন্যূনতম পাঁচ বছরের আগে বিক্রি বা হস্তান্তর করা যাবে না বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।   সবা:স:জু-৩৪৯/২৪

আরও পড়ুন
language Change