বিনোদন ডেস্কঃ
ছোটপর্দার অভিনেত্রী শায়না আমিন মডেল হয়েছিলেন ‘এক জীবনে এত প্রেম পাব কোথায়’ শিরোনামের একটি গানে। ২০১১ সালে গানটি জনপ্রিয়তার শীর্ষ অবস্থান দখল করে নেয়। সেই থেকে ভক্তদের খুব কাছে চলে আসেন তিনি। তবে কয়েকটি কাজ করেই যেন তিনি হারিয়ে যান। আর কোনো কাজে ফেরা হয়নি শায়নার। তবে ভক্তদের মাঝে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুগ্ধতা ছড়ানো ছবি পোস্ট করেন তিনি।
এখনও সামাজিক মাধ্যমে শায়না নতুন কিছু মুহূর্ত শেয়ার করলেই তা আলোচনায় চলে আসে। সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের বরফঢাকা পাহাড়ে তার নান্দনিক ‘শীত বিলাস’ নতুন করে নজর কাড়ল ভক্তদের; সঙ্গে প্রকাশ পেল তার এক গ্ল্যামারাস উপস্থিতি।
বৃহস্পতিবার ফেসবুকে উইন্টার স্পেশাল কিছু ছবি প্রকাশ করেন শায়না। তাতে দেখা যায়, নীল আকাশের নিচে শুভ্র বরফে ঢাকা পাহাড়ের পাদদেশে উজ্জ্বল হলুদ রঙের উলের পোশাক পরে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। খোলা চুলে তার মিষ্টি হাসি আর প্রাণবন্ত ভঙ্গি যেন চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকেও তখন হার মানায়।
ক্যাপশনেও তুলে ধরলেন তা! লিখেছেন, ‘শীতে পাহাড়ের সৌন্দর্যে হারিয়ে গেছি।’ আর তার এই স্নিগ্ধ রূপ দেখে মুগ্ধ হয়েছে তার হাজারো ভক্তরা, তা বলার বাকি রাখে না।
মিডিয়া থেকে এক দশকের বেশি সময় ধরে দূরে থাকলেও শায়নার গ্ল্যামারে এতটুকুও ভাটা পড়েনি। এক ভক্ত লিখেছেন, ‘তোমায় দেখলে আজও ওই গানটিই মাথায় আসে- এক জীবনে এত প্রেম পাবো কোথায়’। আরেকজনের মতে, তিনি যেন বিশ্বের সেরা সুন্দরী।
দেশের সমসাময়িক অনেক তারকা যখন বিভিন্ন কারণে সমালোচিত হন, সেখানে শায়না আমিন এক ব্যতিক্রমী নাম। ভক্তদের প্রতি তার ভালোবাসা এবং বিতর্কমুক্ত জীবন তাকে ‘জিরো হেটার্স’ তারকার তকমা এনে দিয়েছে। মন্তব্যঘরে দেখা যায়, তাকে বিনোদন জগতে ফিরে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন ভক্তরা।
দীর্ঘদিন ধরে স্বামী ও সন্তান নিয়ে প্রবাসে সুখের দিন কাটাচ্ছেন শায়না আমিন। বছর খানেক আগে দেশে ফিরলেও অভিনয়ে ফেরার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছিলেন। বর্তমানে প্রবাসেই নিজের মতো করে নান্দনিক মুহূর্তগুলো অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন শায়না।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত