তারিখ লোড হচ্ছে...

রামগড়ে মোবাইল কোর্টের অভিযানে বাল্যবিবাহ বন্ধ ও জরিমানা সুনামগঞ্জের নবীনগর এলাকায় পুলিশের অভিযানে ভারতীয় মদসহ ২ জন আটক গোয়েন্দা সংস্থার পদক্ষেপ জরুরী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলা ও গুপ্ত সিন্ডিকেটের নানামুখি চক্রান্ত: কাশিয়ানীতে একযোগে আওয়ামী লীগের ১০ নেতার পদত্যাগ জামিনে মুক্তি পাওয়াদের বরণ করতে গিয়ে ফুলের মালাসহ আ.লীগের ৪ নেতাকর্মী আটক সৌদিতে আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিকান্ডে নাটোরে নলডাঙ্গার ৩ প্রবাসী নিহত  বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ৩১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি কক্সবাজার দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশনের নির্বাচন ২৮ আগস্ট সৌদি আরবে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১০ বাংলাদেশি নিহত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, চুরির অপবাদ দিয়ে শ্লীলতাহানি পাবনায় ব্যাংক হামলার পর সাংবাদিক নির্যাতন, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত লোকমান মেম্বারের বিরুদ্ধে একের পর এক... কপ-৩১: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের পথে, তুরস্কে জলবায়ু কূটনীতির নতুন পরীক্ষা ফায়ার সার্ভিস এর অবৈধ নিয়োগ ও বদলী বানিজ্য সহ হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামী এবং ওয়ার হাউস থেকে দূর্নীত... জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেফতার ডন, পানির নিচের গ্যাস পাইপে লিকেজ, নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরে সরবরাহ বন্ধ সাতক্ষীরা ছাত্রদলের উপর হামলা,জেলা সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কঠোর হুশিয়ারি ‎সুশৃঙ্খল সড়ক ও মোটরযান ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সুনামগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ৮১ সদস্য বিশিষ্ঠ পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন সাতক্ষীরায় রাস্তা উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব খাগড়াছড়িতে প্রমিলা কাপ ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন যে জাল থেকে রেহাই পাচ্ছে না জল জীবনের কেউ-নলডাঙ্গায় প্রসাশনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে পোনা মাছ নিধনের মহো... বৃষ্টির মৌসুম এলেই রাজধানী ঢাকা যেন এক পরিচিত দুর্ভোগের নগরী সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারকে ৩ মাসের আল্টিমেটাম শ্রীমঙ্গলে দলীয় নেতা তাজ উদ্দিনকে পাশে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন প্রক্ষাঘাতগ্রস্থ বিএনপি কর্মী  উত্তরাঞ্চলের বঞ্চনা দূর করে ন্যায্য উন্নয়নের অঙ্গীকার তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর গোল করে মেসির বাবাকে শ্রদ্ধা জানালেন ডি পল টক্সিক ট্রেলারে যশের তাণ্ডব, ১৫ ঘণ্টায় দেড় কোটি ভিউ ডিএমপির বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৪ যুক্তরাষ্ট্রে দাবানল নিয়ন্ত্রণে গিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত সোমবার এসএসসি-সমমানের ফল, জানা যাবে যেভাবে? মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে কেন গুটিয়ে নিয়েছেন শাকিব খান? জানালেন কারণ বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ চীনের পর পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো ভারত ঝিনাইগাতীতে ৬০০ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, মূল্য প্রায় ১৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা লংগদুতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে চক্ষু ক্যাম্প, ৭০০ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় চৌফলদণ্ডী ইউপিতে নাগরিক সেবা অব্যাহত রাখায় আলোচনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মনজুর আলম রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৫ গ্রেফতার মামলা ৫০ সুন্দরবনে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞায় প্রথমবার খাদ্য সহায়তা পেতে যাচ্ছে জেলেরা রেলের টেন্ডারে শত কোটি টাকার কারসাজির অভিযোগের কেন্দ্রে আফসার সিন্ডিকেট শ্রীমঙ্গলে ইতিহাসের আয়নায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান : প্রত্যাশা-প্রাপ্তি শীর্ষক আলোচনা সভা কাশিয়ানীর মাহমুদপুর স্কুলের সভাপতি হলেন গোবিন্দ কির্ত্তনীয়া দোয়ারাবাজারে এক ভূমিহীনের দখলে থাকা সরকারী জায়গা প্রভাবশালীচক্র স্টাম্পের মাধ্যমে জোরপূর্বক দখল সংবাদ প্রকাশের জেরে রামুতে সাংবাদিক আবুল কাশেমের ওপর হামলা; নিন্দা ও হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পাওয়া নতুন বাংলাদেশকে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে গড়ে তুলতে হবে: আফরোজা... অপ-সাংবাদিকতা  আজ পেশাদারিত্ব ও জনআস্থাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে

পুরান ঢাকায় অবৈধ পলিথিনের সাম্রাজ্য

পুরান ঢাকায় অবৈধ পলিথিনের সাম্রাজ্য
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ

পুরান ঢাকার অলিগলি ঘিরে গড়ে উঠেছে অবৈধ পলিথিন উৎপাদন ও সরবরাহের এক বিশাল, সুসংগঠিত এবং প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। চকবাজার, ইসলামবাগ, কামরাঙ্গীরচর ও লালবাগ এলাকাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে সক্রিয় রয়েছে প্রায় ৫-৬ শতাধিক অবৈধ পলিথিন কারখানা। এসব কারখানায় প্রতিদিন উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পলিথিন পরিবহন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

স্থানীয় সূত্র ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, চকবাজার থানার ইমামগঞ্জ এলাকা এই অবৈধ পলিথিন সরবরাহের প্রধান কেন্দ্র। এখান থেকে দেবীদাস ঘাট ও সুয়ারীঘাট মাছ বাজার এলাকা ব্যবহার করে মূলত মধুপুর ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি ও রহমানিয়া ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির মাধ্যমে কন্টেইনার, কাভার্ড ভ্যান ও ট্রাকে করে নিষিদ্ধ পলিথিন দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। এছাড়া বকুল ট্রান্সপোর্ট, রজনীগন্ধা ট্রান্সপোর্টসহ দেড় শতাধিক ছোট-বড় পরিবহন প্রতিষ্ঠান এই অবৈধ সরবরাহ চেইনের সঙ্গে যুক্ত।

তবে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, সারাদেশের পলিথিন সিন্ডিকেট কার্যত নিয়ন্ত্রিত হয় হাজী আমিনুল হক মুরাদের লাইন দিয়েই। এই পুরো অবৈধ সরবরাহব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করছে দুটি বড় পরিবহন সিন্ডিকেট মধুপুর ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি ও রহমানিয়া ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি।

স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গে যত অবৈধ পলিথিন সরবরাহ হয়, তার বড় অংশই এই দুটি পরিবহনের মাধ্যমে যায়। প্রতিদিন সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত এসব এলাকায় কন্টেইনার বুকিং হয়। রাত দশটার পর শুরু হয় মূল লোডিং। ভোর পর্যন্ত ট্রাক কাভার্ড ভ্যান ও কন্টেইনারে করে পলিথিন পাঠানো হয় দেশের বিভিন্ন জেলায়। গত ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে একই সিন্ডিকেট এই পরিবহন নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করে আসছে, যা কার্যত একটি সমান্তরাল অবৈধ লজিস্টিক ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। সিন্ডিকেটের প্রধান ও ঢাকা ৭ আসনের সাবেক এমপি হাজী সেলিমের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত হাজী আমিনুল হক মুরাদ পলিথিন মুরাদ বর্তমানে ধানমন্ডি থানার একটি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সহিংসতা পরিকল্পনাকারী মামলায় কারাগারে থাকলেও, পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থা এখনো তার নিয়ন্ত্রণেই চলছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

যদিও বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে এটি নিয়ন্ত্রণ করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসিবুর রহমান মানিক। মানিক এই পলিথিন সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

কারখানা মালিক, পরিবহন এজেন্ট ও বিক্রেতাদের মধ্যে এখনো তার নামই সবচেয়ে শক্তিশালী লাইন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মাঠপর্যায়ে সিন্ডিকেট পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন ফিল্ড সিন্ডিকেট প্রধান সেলিম। তার কামরাঙ্গীরচরসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পলিথিন কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় উৎপাদিত পলিথিন সরাসরি পরিবহন সিন্ডিকেটের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া জলিল, তারেক, ফারুক, শাহীন, রুবেলসহ আরও অনেকে এই নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করছেন।

বৃহস্পতিবার ১৫ জানুয়ারি দিবাগত রাত বারোটা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যুগান্তর সরেজমিন অনুসন্ধানে নামে চকবাজার এলাকায়। দেখা যায়, ইমামগঞ্জ, দেবীদাস ঘাট লেন ও সুয়ারীঘাট বেড়িবাঁধ এলাকায় শত শত ট্রান্সপোর্ট গাড়ি সারি করে দাঁড়িয়ে আছে। কন্টেইনার, কাভার্ড ভ্যান, মিনি ট্রাক ও বড় ট্রাকে পলিথিন লোড করা হচ্ছে, পাশাপাশি অন্যান্য পণ্যও পাঠানো হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ভ্যানগুলোতে প্রথমে পলিথিন ভরা হয় এবং তারপর অন্যান্য পণ্য লোড করা হয়, যাতে চেকপোস্টে ধরা না পড়ে। এই কৌশল ব্যবহারের কারণে পরিবহন ও সরবরাহ পুরোপুরি সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে আসছে।

সরেজমিনে আরো দেখা গেছে, রাস্তার দুই পাশে সারি সারি শত শত পলিথিনের বস্তা রাখা। একই সময় এলাকায় ৫–৬টি পয়েন্টে মোটরসাইকেলে পাহারায় থাকা কিশোর ও উঠতি বয়সের যুবক ও ওই এলাকার নাইট গার্ডদের দেখা যায়। নতুন বা অপরিচিত কেউ এলাকায় ঢুকলেই তাকে থামিয়ে নাম পরিচয় জানতে চাওয়া হয়। এসময় গোপন ক্যামেরায় ভিডিও ধারণের সময় ৮–১০ জন ব্যক্তি যুগান্তর প্রতিবেদককে ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে প্রতিবেদক ও তার সঙ্গে থাকা আরেকজনকে ১৫–২০ মিনিট আটকে রেখে হেনস্তা করা হয়।

তারা বলেন, আমরা ভেবেছিলাম সাংবাদিক বা ম্যাজিস্ট্রেট এসেছে পলিথিন ধরতে। পরে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া আজাদ নামে যিনি হাজী মুরাদের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত, এসে যুগান্তর প্রতিবেদককে ছাড়িয়ে নিয়ে যান এবং তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন।

সিন্ডিকেট সদস্য ফয়সাল, রবিন, শাহ আলম ও আকাশ প্রকাশ্যে স্বীকার করে বলেন, আমরা অবৈধ পলিথিনের ব্যবসা করি। সাংবাদিক, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট ছদ্মবেশে আসে। তাই বাইরের লোক দেখলেই আটকাই। রাত বারোটা থেকে ভোর পর্যন্ত বাইরের লোক ঢোকা নিষেধ। এ বক্তব্য থেকেই এলাকাজুড়ে সিন্ডিকেটের নিজস্ব নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার অস্তিত্ব স্পষ্ট হয়।

১৫–২০ বছর ধরে মাল টানা ভ্যানচালক নুরুল আমিন বলেন, পুরান ঢাকায় ৬–৭০০ পলিথিন কারখানা আছে। এখান থেকে প্রতিদিন ৪০–৫০ কোটি টাকার পলিথিন সারা দেশে যায়। প্রশাসন ধরলে আমরা বলি হাজী আমিনুল হক মুরাদের মাল সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে দেয়। এছাড়াও হাজি মুরাদের ইমামগঞ্জে ছয়টি পলিথিনের গোডাউন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি ১০-১৫ বছর ধরে চকবাজারে কাজ করি। হাজী মুরাদের লাইন সবচেয়ে শক্তিশালী থানা, চেকপোস্ট সব জায়গায় ম্যানেজ। স্থানীয় সূত্র ও অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, চকবাজার ইসলামবাগ এলাকার অবৈধ পলিথিন সাম্রাজ্যের বড় ডোনার হিসেবে উঠে এসেছে ভারী প্লাস্টিক, এনায়েত প্লাস্টিক, রজনীগন্ধা প্লাস্টিক, ভাই ভাই যুদ্ধ প্লাস্টিক এর মতো প্রতিষ্ঠানের নাম। এসব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অবৈধ পলিথিন কারখানার পাশাপাশি অন্যান্য প্লাস্টিকজাত পণ্যের কারখানাও রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বড় অর্ডার মূলত এই গোষ্ঠীর মাধ্যমেই নেওয়া হয়। পরে ছোট বড় বিনিয়োগকারী কারখানাগুলোকে দিয়ে অর্ডারভিত্তিক উৎপাদন করিয়ে একই পরিবহন চ্যানেলে সারা দেশে পাঠানো হয়।

স্থানীয় সূত্র ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, চকবাজার দেবীদাস ঘাট লেনে হাজী সেলিমের দাদার বাড়ির পাশে জুয়েল নামে এক ব্যবসায়ীর ১৫টি কারখানা রয়েছে। তিনি একাই প্রতিদিন কোটি টাকার পলিথিন উৎপাদন করেন। সুয়ারীঘাট ড্রামপট্টি গলিতে তারেকের কারখানা থেকে প্রতিদিন ১-২ কোটি টাকার পলিথিন যায়। সুয়ারীঘাট হাজী রোডে রানার বাড়ির ২ ও ৩ তলায় ফারুকের কারখানায় দৈনিক ২০০-২৫০ বস্তা পলিথিন উৎপাদন হয়। লালবাগ ইসলামবাগ-কামালবাগ মদিনা গেট এলাকায় এক কারখানায় পলিথিনের পাশাপাশি চানাচুর ও বিস্কুট উৎপাদনের তথ্য মিলেছে-যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি। প্রতিদিন বড় কারখানায় ২০-২৫টি এবং ছোট কারখানায় ৮-১০টি অটো মেশিন চলে। প্রতিটি কারখানা গড়ে ২৪ ঘণ্টায় ১০০-১৫০ বস্তা ২৫ কেজি পলিথিন উৎপাদন করে। কেজিপ্রতি গড় মূল্য ১৫০ টাকা ধরলে, ৫-৬ শত কারখানা থেকে প্রতিদিন অর্ধশত কোটি টাকার অবৈধ পলিথিন বাজারে ছড়িয়ে পড়ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এই অর্থের বড় অংশ নগদে লেনদেন হয়, যা সরকারকে রাজস্ব বঞ্চিত করছে এবং কালো টাকার প্রবাহ বাড়াচ্ছে। বিভিন্ন এলাকার কারিগর খোকন, সাঈদ, আনোয়ার, দেলোয়ার মিস্ত্রি ও সিরাজ মুন্সি জানান, ৪০ বছর ধরে এ ব্যবসা চলছে। ৭০-৮০ হাজার শ্রমিক জড়িত। সরকার বিকল্প শিল্প দিলে আমরা এই কাজ ছাড়তে রাজি।

পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পলিথিন উৎপাদন ও বিপণন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু বাস্তবে গ্রেফতার হন শ্রমিক বা ভ্যানচালকরা। মূল কারখানা মালিক ও পরিবহন সিন্ডিকেটের কর্ণধাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান।

গত মঙ্গলবার লালবাগ থানা পুলিশ ৬২৫ কেজি পলিথিন জব্দ করে অটোরিকশা চালক পলাশকে গ্রেফতার করলেও, মূল সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে মামলা না করে ভ্রাম্যমান আদালতে শুধু ভ্যানচালককে সাজা দেওয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন সুশীল সমাজ। অথচ পলাশ স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন, সে এবং তার বাবা সিন্ডিকেট প্রধান হাজী মুরাদ ও ফিল্ড সিন্ডিকেট সদস্য সেলিমের হয়ে অবৈধ পলিথিন টানার সঙ্গে যুক্ত।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ফরিদপুর জেলার সালথায় সন্ত্রাসী-মাস্তান ও ভূমি দস্যু কর্তৃক জুলুম অত্যাচার থেকে বাচার আবেদন

স্টাফ রিপোর্টারঃ খন্দকার দেলোয়ার হোসেন (৬০), পিতাঃ মৃতঃ খন্দকার সুজাউদ্দিন, মাতাঃ লাইলী বেগম, সাং- খো থানা সালথা, জেলার ফরিদপুর। আইজিপি বরাবরে আবেদন করেন যে, ফরিদপুর জেলার সালথা থানার অন্তর্গত ৪৯ নং নটখোলা মৌজার আর এস ২৫৩, ৮৫৪, ৭৮, ২৫৫ নং খতিয়ানের আর এম ১৬০২, ১৬০৫, ১৬১২, ১৫৯৭, ১৫২৯ নং দাগে এসএ ৯৪ নং খতিয়ান ১৬০২, ১৬১২ নং দাগ যাহার হাল ২৩৬৪ নং দাগ এস এস ৯৪ নং খতিয়ান ভূক্ত। এসএ ১৫৯৭ নং দাগে হাল ২১৫১ নং ान ৭৬ নং খতিয়ানে এসএ ১৬০৫ নং দাগ যাহার হাল ২২৫১ সর্বমোট জমির পরিমাণ ১.৭১ এননা জমির মধ্যে আমার মা লাইলী বেগম ৮ আনা অংশের মালিক হইয়া দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগ করিয়া আসিতেছে। বর্তমানে আমার মা খুবই অসুস্থ হওয়াতে উক্ত দাগের জমি আমি ও আমার

আরও পড়ুন
language Change