তারিখ লোড হচ্ছে...

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কাশিয়ানীতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত উত্তরায় বেনামি ক্লাবের রফিকের জমজমাট জুয়ার আসর, যথারীতি নিরব প্রশাসন উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে কবির কে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর খুরুশকুল ইউনিয়নের অকুতোভয় সৈনিক মরহুম আমির হামজার ১৬তম মৃত্যু... খুলনায় ৭১ পরিবারের জমি দখল, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন: ৫ বসতবাড়িতে তালা নোয়াখালীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে পিপ্তল ঠেকিয়ে চাঁদাবাজি, গ্রেফতার -১ পাঁচ আগস্টের দুই বছর: অর্জনের স্বীকৃতি, অপূর্ণতার প্রশ্ন পূবাইলে সাংবাদিকের পৈত্রিক জমি আওয়ামীলীগ নেতার দখলে নেয়ার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের অস্বাভাবিক সম্পদের পাহাড় পপুলার লাইফের গ্রাহকরা দাবির টাকা পাচ্ছে না ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের ফের সংঘর্ষ, পুলিশ মোতায়েন ‎ঢাকা জেলা সিএনজি মেট্রো করার মিথ‍্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা দুর্নীতি সিলেট রেঞ্জের মধ্যে শ্রেষ্ট অফিসার হিসেবে সম্মাননাপত্র গ্রহন করেন দিরাই থানার ওসি মোঃ আমিনুল ইসলাম বাড়ির পাশেই পৌরসভার ময়লার স্তূপ, মানবেতর জীবন ব্র্যাক আবাসনের বাসিন্দাদের আইনি ব্যবস্থার হুশিয়ারিতে উল্টো গণক্ষোভ মুন্সিগঞ্জে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর সহযোগিতায় কাজ শেষ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ রাজউকের মোবাইল কোর্ট নিয়ে প্রশ্ন: অথরাইজড অফিসার সাইদা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়সারা অভিযান ও অনিয়মের ... কেশবপুরে প্রধান শিক্ষকের বদলির দাবিতে মানববন্ধন রামগড়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর আটক দুপুরে প্রথম বৈঠকে বসছে সংবিধান সংশোধন কমিটি গলাচিপায় র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উদযাপন নদী খননের নামে ১৩৪ কোটি আত্মসাৎ, তবুও বহাল তবিয়তে বিআইডব্লিউটিএ’র সাইদুর রহমান রাশিয়া-ইউক্রেনে ভয়াবহ পাল্টাপাল্টি হামলা, প্রাণ গেল ২২ জনের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সে আগুন মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করলে কী হয়? বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম সেপ্টেম্বরে ১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইফ সাপোর্টে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প কদমতলী থানা অধীনস্থ রায়েরবাগে ১২ বছরের মাদ্রাসা ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু ‎ নোয়াখালীতে পুকুর থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে নাসীরুদ্দীন ও সার্জিসের কটুক্তির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জের বিক্ষ... এমপি মিলনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: দীর্ঘদিন পর চালু হলো কালীগঞ্জ-গুলিস্তান KTL বাস সার্ভিস রামুতে নূর ডেন্টাল পয়েন্ট নিয়ে প্রশ্ন,বিএসসি (ডেন্টাল) ডিগ্রি দিয়ে রুট ক্যানাল-সার্জারির অভিযোগ ব্রেন টিউমার সারেনি ইলিয়াস কাঞ্চনের, তবুও কেন দেশে ফেরা হাইকোর্টে জামিন পেলেন অভিনেতা জাহের আলভীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ: আলোচনায় সহকারী পরিচালক ডা. শফিউল আজম রাজউকের নির্দেশ অমান্য করে নির্মাণে আল-আকসা-৩ ভবন কর্তৃপক্ষ নলডাঙ্গায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা সদর এসিল্যান্ড অফিসে সেবার মান বৃদ্ধি-খুশি সেবা প্রত্যাশিরা বৃষ্টির পানি আর চোখের জল-একই ঘরে অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির জীবনযুদ্ধ মোংলায় প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষর জাল করে তদবির বাণিজ্য, গ্রেফতার ১ পানছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে জনকল্যাণমূলক সামগ্রী বিতরণ সুন্দরবন রক্ষায় ৪ হাজার কোটি টাকা দেবে জাতিসংঘ নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন জোরদারে আইওএমের আরও সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ আবারও আলোচনায় চট্টগ্রামের এস এম মিজানুল্লাহ সমরকন্দী ওরফে চশমা মিজান দুদক কমিশনার হতে শতকোটি টাকার লবিং: সাবেক কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পুর্ব সুন্দরবনে বন বিভাগের অভিযানে শুটকি তৈরির আস্তানা ধংস আটক হয়নি কেউ নিরাপত্তাহীনতায় সিরাজগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও তাঁর পরিবার সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলা ২০২৬ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সাংবাদিক নিবন্ধনের আগে সংবাদমাধ্যমের জবাবদিহি নিশ্চিত হোক

অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আলমগীর খানের অবৈধ সম্পদ

অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আলমগীর খানের অবৈধ সম্পদ
পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:

ঢাকা জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আলমগীর খানকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি বিভিন্ন অবৈধ সম্পদ ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে। সূত্রের দাবি, তার নামে রয়েছে ঢাকার ধানমন্ডি ও উত্তরায় দুটি বাড়ি, একাধিক ফ্ল্যাট এবং রাজবাড়ীতে ৮ তলা একটি ভবন, যা নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সূত্রে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে, এই সম্পদগুলো অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত।

স্থানীয় প্রশাসনিক সূত্র জানায়, এই সম্পদের বৈধতা এবং উৎস নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। যদিও আলমগীর খান ঢাকা জোনে দায়িত্বে ছিলেন, তবু তার সম্পদের পরিমাণ ও প্রকৃতি নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। সূত্রের মতে, সম্পদের এই পরিমাণ এবং প্রকৃতি এমনকি তার সরকারি বেতন ও সুযোগ-সুবিধার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

অভিযোগগুলোতে আরও উল্লেখ রয়েছে যে, তার প্রশাসনিক পদে থাকা অবস্থায় বিভিন্ন প্রকল্পের তদারকি ও অর্থ ব্যবহার যথাযথভাবে হয়নি। সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন না করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিল পরিশোধের ঘটনা বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে।

ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল (ই/এম) বিভাগ-৬ মাত্র দুই দিনের মধ্যে তিনটি কার্যাদেশ দিয়ে ঠিকাদারকে ১ কোটি ১৮ লাখ ৮১ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করে। অডিট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, এই দ্রুত কার্যাদেশ দেওয়ার ফলে যথাযথ তদারকি করা হয়নি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার অভাব লক্ষ্য করা গেছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ই/এম বিভাগ-৬-এর জন্য ৩টি ১৬ চ্যানেল ডিডিআর, ১২টি পিটিডোর ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা, ৩টি ডিসপ্লে মনিটর, ১০টি ডে-নাইট ভিশন ক্যামেরাসহ অন্যান্য মালামাল ঠিকাদারের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়েছিল। অডিট রিপোর্টে বলা হয়েছে, সরবরাহ ও স্থাপনের সময়সূচি এবং কার্যাদেশ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।

ই/এম বিভাগ-৮-এ গাড়ি চালকদের বেতন বাবদ অতিরিক্ত ব্যয়ের বিষয়ও আলোচনায় এসেছে। দুটি গাড়ির বিপরীতে ৩১জন চালকের পেছনে বছরে ৮৭ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে। এই বিষয়ে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে প্রশ্ন উঠেছে যে, অর্থের ব্যবহার এবং প্রশাসনিক তদারকি যথাযথ ছিল কি না।

২০১৬-১৭ সালের অডিট রিপোর্টে এসব অনিয়ম উল্লেখ থাকলেও, সেসময় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি, যা প্রশাসনিক ত্রুটি ও দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়। বিভিন্ন সূত্র জানায়, এই সময় কর্তৃপক্ষের ধীরগতি অনিয়মের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় ঠিকাদারদের বক্তব্য অনুযায়ী, “কার্যাদেশ দ্রুত দেওয়ার ফলে আমরা পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাই করতে পারিনি। এটি প্রশাসনিক ত্রুটি এবং অনিয়মের সুযোগ তৈরি করেছে।” এ ধরনের অভ্যন্তরীণ তদারকি এবং তদারকি ব্যবস্থার অভাবে অর্থের অপচয় এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার অভাব লক্ষ্য করা গেছে।

অফিস সূত্র জানায়, “যদিও অডিট রিপোর্টে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ রয়েছে, তথাপি বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে অনিয়মের প্রমাণগুলো অনিয়মের সুযোগ তৈরি করেছে।”

অবৈধ সম্পদ ও অনিয়মের অভিযোগগুলোর পাশাপাশি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ এবং জনবল থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত ব্যয়ের বিষয়ও প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ধরনের অনিয়ম জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলেছেন, “ওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে আলমগীর খানের প্রভাব থাকার কারণে প্রশাসনিক তদারকি দুর্বল ছিল। এই প্রভাবের কারণে অনিয়মের বিষয়গুলো দ্রুত সমাধান হয়নি এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা যথাযথভাবে গ্রহণ করা হয়নি।”

অডিট রিপোর্টে আরও বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে যে, সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি এবং কার্যাদেশ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। এ কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার অভাব এবং সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।এছাড়া, ঢাকার ধানমন্ডি ও উত্তরায় সম্পদ এবং রাজবাড়ীর ৮ তলা ভবনের বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থে এসব সম্পদ কেনা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রশাসনিক তদারকির অভাবে ঠিকাদারি কার্যক্রম এবং অর্থ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। এতে জনস্বার্থের ক্ষতি এবং সম্ভাব্য অর্থের অপচয় ঘটেছে।

এছাড়া, স্থানীয় কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের সাক্ষাৎকারে জানা গেছে, ই/এম বিভাগ-৬ এবং ই/এম বিভাগ-৮-এ ঠিকাদারি কার্যক্রমের জন্য কার্যাদেশ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ছিল না। কিছু কার্যাদেশ দ্রুত অনুমোদন পাওয়ার ফলে যথাযথ তদারকি ও যাচাই-বাছাই হয়নি।

অন্যদিকে, প্রশাসনিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, “বিভাগের অভ্যন্তরীণ তদারকি এবং অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী কার্যাদেশের প্রক্রিয়া নিয়মবহির্ভূত ছিল। এতে অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”

এই অভিযোগগুলোর কারণে, স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তদন্ত এবং নজরদারি দাবি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর বিষয়গুলো যাচাই করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করছে।

সংক্ষেপে বলা যায়, ঢাকা জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আলমগীর খানের বিরুদ্ধে অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দু হলো:

* অবৈধ সম্পদ অর্জন (ধানমন্ডি, উত্তরার বাড়ি, রাজবাড়ীর ৮ তলা ভবন, একাধিক ফ্ল্যাট)
* ঠিকাদারি কার্যাদেশ এবং বিল পরিশোধে স্বচ্ছতার অভাব
* গাড়ি চালকের অতিরিক্ত বেতন
* চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ এবং অর্থের অপচয়
* অডিট রিপোর্টে উঠে আসা অন্যান্য প্রশাসনিক ত্রুটি

এছাড়া, স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এই অভিযোগগুলো গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং যাচাই ও তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জনস্বার্থ রক্ষা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছে। এই প্রক্রিয়াগুলোতে তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী, ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

১১ দলীয় সমঝোতা নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের নতুন বার্তা

১১ দলীয় সমঝোতা নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের নতুন বার্তা

ডেস্ক রিপোর্টঃ ১১ দলীয় সমঝোতা নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার ১৫ জানুয়ারি গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ বার্তা দেয় তারা। দলের প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক ফজলুল করীম মারুফ স্বাক্ষরিত এই বার্তায় বলা হয়েছে, সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত কথা বলার মতো অবস্থা এখনো তৈরি হয় নাই, বহুমাত্রিক আলোচনা এখনো চলছে। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে ইসলামপন্থিদের একবক্স নীতিকে ভিত্তি করে যে রাজনৈতিক সমঝোতার পথচলা শুরু হয়েছিল, তা জাতির মনে প্রত্যাশা তৈরি করেছে। সেই পথচলায় কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হলেও সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু বলার সময় এখনো আসে নাই। নেতৃবৃন্দ বহুমাত্রিক ও বহুপাক্ষিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চূড়ান্ত কিছু বলার মতো অবস্থা তৈরি হলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং অপরাপর দলসমূহ আনুষ্ঠানিভাবেই জাতিকে অবহিত করবেন।

আরও পড়ুন
language Change