তারিখ লোড হচ্ছে...

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম সেপ্টেম্বরে ১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইফ সাপোর্টে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প কদমতলী থানা অধীনস্থ রায়েরবাগে ১২ বছরের মাদ্রাসা ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু ‎ নোয়াখালীতে পুকুর থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে নাসীরুদ্দীন ও সার্জিসের কটুক্তির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জের বিক্ষ... এমপি মিলনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: দীর্ঘদিন পর চালু হলো কালীগঞ্জ-গুলিস্তান KTL বাস সার্ভিস রামুতে নূর ডেন্টাল পয়েন্ট নিয়ে প্রশ্ন,বিএসসি (ডেন্টাল) ডিগ্রি দিয়ে রুট ক্যানাল-সার্জারির অভিযোগ ব্রেন টিউমার সারেনি ইলিয়াস কাঞ্চনের, তবুও কেন দেশে ফেরা হাইকোর্টে জামিন পেলেন অভিনেতা জাহের আলভীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ: আলোচনায় সহকারী পরিচালক ডা. শফিউল আজম রাজউকের নির্দেশ অমান্য করে নির্মাণে আল-আকসা-৩ ভবন কর্তৃপক্ষ নলডাঙ্গায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা সদর এসিল্যান্ড অফিসে সেবার মান বৃদ্ধি-খুশি সেবা প্রত্যাশিরা বৃষ্টির পানি আর চোখের জল-একই ঘরে অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির জীবনযুদ্ধ মোংলায় প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষর জাল করে তদবির বাণিজ্য, গ্রেফতার ১ পানছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে জনকল্যাণমূলক সামগ্রী বিতরণ সুন্দরবন রক্ষায় ৪ হাজার কোটি টাকা দেবে জাতিসংঘ নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন জোরদারে আইওএমের আরও সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ আবারও আলোচনায় চট্টগ্রামের এস এম মিজানুল্লাহ সমরকন্দী ওরফে চশমা মিজান দুদক কমিশনার হতে শতকোটি টাকার লবিং: সাবেক কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পুর্ব সুন্দরবনে বন বিভাগের অভিযানে শুটকি তৈরির আস্তানা ধংস আটক হয়নি কেউ নিরাপত্তাহীনতায় সিরাজগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও তাঁর পরিবার সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলা ২০২৬ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সাংবাদিক নিবন্ধনের আগে সংবাদমাধ্যমের জবাবদিহি নিশ্চিত হোক ১৩ মাসের ডেলিভারি: প্রতিশ্রুতি নয়, প্রমাণ চান সংশ্লিষ্টরা পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন ডিএজি-এএজিদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ৮৬ রানের লক্ষ্য দিয়েও চ্যাম্পিয়ন প্রাথমিক শিক্ষকদের যোগদানের তারিখ জানাল মন্ত্রণালয় পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৩ ডিএমপির বিশেষ অভিযানে, গুলশান ও যাত্রাবাড়ীতে গ্রেফতার ৩৭ গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ চতুর্থ পেড়িয়ে পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ করল উদ্যোক্তা জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১-এ অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরায় জনস্বার্থে কথা বলায় চটে গেলেন সদর উপজেলা সমাজসেবা ও সমবায় কর্মকর্তা পানির দাম ৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব চট্টগ্রাম ওয়াসার পূষ্পধারা হাউজিং এর নতুন জালিয়াতির ফাঁদ, পা দিলেই সর্বনাশ জুলাইকে বিতর্কিত করার অপচেস্টা চলছে:জাহাঙ্গীর শিকদার জগন্নাথপুরে ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে হাওরে নৌকা ডুবে ৪জন নিখোঁজ,১ জনের লাশ উদ্ধার রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষনা কেন্দ্রে শ্রমিক আনসারের নিরাপত্তার মাঝেও সেগুনগাছ চুরি কামরাঙ্গীরচরে মাদক, সন্ত্রাস, কিশোরগ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা মোংলায় তুষার রায়কে জড়িয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে মাতৃদুগ্ধদানে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান ১৫৯ গ্যাংয়ে কাঁপছে ঢাকা কিছুতেই দমানো যাচ্ছে না কিশোর গ্যাং কালচার স্বামীর সম্পত্তির অধিকার চান শারিরীক প্রতিবন্ধী বিধবা রহিমা রাঙামাটিতে কৃষকের পেঁপে বাগান ধ্বংসের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন  এম এ রশিদের রংপুর ডায়েরি এখন মানুষের কণ্ঠস্বর কদমতলী থানা প্রেসক্লাব ঢাকা নির্বাচন ২০২৬: যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী এইচএম হাকিম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর হাত থেকে ভিওডি বাংলার ডিএমডির সম্মাননা গ্রহণ

কথিত গরিবের সাশ্রয়ী আবাসনের নামে বিলাসী প্রকল্প

রাজউকের কথিত গরিবের সাশ্রয়ী আবাসনের নামে বিলাসী প্রকল্প
পাঠক সংখ্যা
638

মিম আক্তার॥
রাজধানীর নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের আবাসন সংকট নিরসনের কথা বলে একের পর এক প্রকল্প হাতে নিচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। কাগজে-কলমে এসব প্রকল্পকে ‘সাশ্রয়ী আবাসন’ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। গরিব ও মধ্যবিত্তদের স্বপ্ন দেখানো এসব আবাসন প্রকল্প যেন ক্রমেই রূপ নিচ্ছে বিলাসী ব্যয়ের প্রদর্শনীতে, যার সুবিধাভোগী হচ্ছে সমাজের বিত্তশালী ও ক্ষমতাবান শ্রেণি। উত্তরার ১৭ নম্বর সেক্টরে ৯৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে মাত্র ৫৯২টি ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ তারই জলজ্যান্ত উদাহরণ। উৎসব ভাতা, সেমিনার, গাড়ি কেনা, পরামর্শ সেবা ও প্রচার ব্যয়ের নামে বিভিন্ন খাতে বাড়তি কোটি কোটি টাকা বরাদ্দের এই প্রকল্প সত্যিই কাদের জন্য—সে প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। কারণ একদিকে যখন রাজধানীর নিম্ন আয়ের মানুষ মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজে ফিরছেন, তখন অন্যদিকে সরকারি জমিতে গড়ে তোলা কথিত এসব ‘সাশ্রয়ী’ ফ্ল্যাটের একেকটিরই গড় মূল্য দাঁড়াচ্ছে দেড় কোটি টাকার কাছাকাছি। যার নাগাল পাওয়া নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের কাছে শুধুই স্বপ্ন মাত্র।

সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রাজউক সর্বশেষ উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের আবাসন নির্মাণ করে। ৩টি ব্লকে (এ, বি এবং সি) আবাসিক বহুতল ভবন নির্মাণের সংস্থান রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে ১৮ নম্বর সেক্টরের ‘এ’ ব্লকে প্রতিটি ১৬ তলার ৭৯টি ভবনে মোট ৬৬৩৬টি ফ্ল্যাটের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন ‘বি ও সি’ ব্লকে নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য আবাসিক ভবনসহ অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে। সমাপ্ত হওয়া প্রকল্প বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রায় ১৬৫০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের প্রাথমিক মূল্য প্রতি বর্গফুট ৪,৮০০ টাকা করে নির্ধারণ করা হয়েছিল, যার প্রতিটির মোট দাম প্রায় ৮০ লাখ টাকার কাছাকাছি। তবে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের কথা বলে এসব ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হলেও রাজউক হেঁটেছে পুরোনো পথেই। নানা মত-পথের প্রভাবশালী এবং ধনাঢ্যরাই বরাদ্দ পেয়েছেন এসব ফ্ল্যাট। নিম্ন ও মধ্যবিত্তের আবাসনের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণের কথা বলে প্রকল্প হাতে নিলেও শেষমেশ লাভবান হয়েছেন ধনাঢ্যরাই। তবে অনিয়মের এখানেই শেষ নয়, যেন চলছে মাছের তেলে মাছ ভাজা। বরাদ্দ পাওয়ার পর অনেকেই এসব ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিচ্ছেন চড়া দামে। বর্তমানে ১৬৫০ বর্গফুটের এসব রেডি ফ্ল্যাট একেকটি বিক্রি হচ্ছে ১ কোটি ৩০ লাখ থেকে দেড় কোটি টাকায়।

রাজউক প্রস্তাবিত এবারের কথিত ‘সাশ্রয়ী আবাসন’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে উত্তরা আবাসিক মডেল টাউন (৩য় পর্ব)-এর আওতায়। মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী পুরো এলাকা উত্তরা ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ নম্বর— এই চারটি সেক্টরে বিভক্ত। এর মধ্যে উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরের ‘জে’ ব্লকে ৯৪০ কোটি ৪৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য আবাসন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজউক। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়েছে পাঁচ বছর, যার সম্পূর্ণ অর্থ সরকারি কোষাগার থেকে ব্যয় হবে।

এই প্রকল্পের আওতায় ছয়তলা বিশিষ্ট ছয়টি আবাসিক ভবনে মোট ৫৯২টি ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ৬০০ নেট বর্গফুটের ৩০৮টি এবং ৪০০ নেট বর্গফুটের ২৮৪টি ফ্ল্যাট থাকবে। পাশাপাশি একটি বেজমেন্টসহ ১২ তলার একটি বাণিজ্যিক ভবন এবং ছয়তলা মসজিদ ভবন নির্মাণের কথাও উল্লেখ রয়েছে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনায় (ডিপিপি)। অবকাঠামোর অংশ হিসেবে অভ্যন্তরীণ রাস্তা ও ফুটপাত, একটি পার্ক, তিনটি খেলার মাঠ, এসটিএস, পাম্প হাউস, সাবস্টেশন এবং দুটি নিরাপত্তা গেট নির্মাণ করা হবে।

ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণ করলে প্রকল্পের অস্বাভাবিক দিকগুলো আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। শুধু আবাসিক ভবন নির্মাণেই ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা। ভূমি উন্নয়ন, ল্যান্ডস্ক্যাপিং, আরবরিকালচার ও পার্ক নির্মাণে বরাদ্দ ১৬১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। অনাবাসিক ভবন নির্মাণে ২৫৬ কোটি টাকা, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদিতে ৫৭ কোটি ৪২ লাখ টাকা এবং কেন্দ্রীয় এলপি গ্যাস সরবরাহ নেটওয়ার্কে ৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এর বাইরে রয়েছে সেমিনার ও সভা, উৎসব ভাতা, পরামর্শ সেবা, প্রচার ও বিজ্ঞাপন, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা এবং যানবাহন ক্রয় ও রক্ষণাবেক্ষণসহ একাধিক খাতে কোটি কোটি টাকার বরাদ্দ।

সব মিলিয়ে সরকারি জমিতে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য আবাসন নির্মাণের নামে নেওয়া এই প্রকল্পে প্রতিটি ফ্ল্যাটের গড় ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ১ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বেশি। ফলে প্রকল্পের উদ্দেশ্য, ব্যয়ের যৌক্তিকতা এবং প্রকৃত সুবিধাভোগী কারা সে প্রশ্ন নতুন করে সামনে আসছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজউকের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো. গোলাম রাব্বী  বলেন, ‘উত্তরায় নতুন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। রাজউকের অধিগ্রহণ করা জমিতে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। নিম্নবিত্তদের জন্য এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।’

এই প্রকল্পের কিছু কিছু খাতে অতিরিক্ত ব্যয় নির্ধারণের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কোনো অতিরিক্ত ব্যয় ধরা হয়নি, নিয়ম অনুযায়ীই ব্যয় ধরা হয়েছে।’

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বাবা, তোমারে ছাড়া জেলের মধ্যে আমি কেমনে থাকমু একলা একলা?

স্টাফ রিপোর্টার: কোলেপিঠে আদর যত্নে তিল তিল করে গড়ে তোলা ২৫ বছর বয়সের বুকের ধন ছেলে কাউসার বাগমারকে বাবা হয়ে নিজ হাতে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করবেন, এমন চিন্তা কখনো করেননি বাবা রশিদ বাগমার। বাস্তবে এমন ঘটনাটি ঘটেছে আজ গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার জামালপুর গ্রামে। লেখাপড়া শেষে দেশে কোন চাকরি-বাকরি না পেয়ে সৌদি পাড়ি জমায় কাউসার বাগমার। চাকরির মেয়াদ শেষে বছর খানেক আগে দেশে ফিরে আাসে কাউসার। দেশে এসে শুরু হয় বেকার জীবন যাপন। এক পর্যায়ে মাদকসেবীদের পাল্লায় পড়ে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে কাউসার। বেকার জীবনে মাদকের টাকা জোগাড় করতে না পেরে মা-বাবার শরণাপন্ন হয় কাউসার। মাদক সেবনের কাংখিত পরিমাণ টাকা চেয়ে না পেয়ে মা-বাবার সাথে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি করতো কাউসার। মা বাবার নেশার টাকা জোগাড় করতে অবশিষ্ট আর কিছুই ছিলোনা তাদের

আরও পড়ুন
language Change