তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং কালিগঞ্জে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন দেশের পতাকা বিক্রি করেন রেনু মিয়া রোগাক্রান্ত মৌলভীবাজার জেলার অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিক সিরাজগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের জিএমের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন নামাজে পড়াতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল খতিবের রামগড় পাহাড়াঞ্চল গবেষণা কেন্দ্রে কফি চাষে সফলতা, নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন স্বপ্ন পুঁজি করে এগিয়ে চলা: সংগ্রাম পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার দীঘিনালার নারী উদ্যোক্তা হালিমা খাতুন নোয়াখালীতে শিশু আসমা হত্যা মামলার রায় আজ, সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা পরিবারের পরীক্ষানিরীক্ষা করানো কি চিকিৎসকের অক্ষমতার প্রমাণ মেট্রোরেলের ঢাবি স্টেশন ৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ইতিহাস বলছে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নিবে ব্রাজিল ময়মনসিংহে মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল এলাকাবাসী রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযানে ৫৮ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি আটক দুই বছর পর আবারও তৈলারদ্বীপ সেতুতে টোল আদায়ের উদ্যোগ সরকারি চাকরিতে ১১-২০তম গ্রেডে বাড়ছে ১৩৫% বেতন সিরাজগঞ্জে দুদকের মামলায় মাছ ব্যবসায়ী ছালাম কারাগারে বড়ছড়ায় ব্যবসায়িদের হয়রানি ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন এয়ারপোর্ট থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতার করেছে চাটখিল পুলিশ টাইব্রেকারে কবাখালীকে হারিয়ে দীঘিনালা জোন কাপ জিতল বোয়ালখালী চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি অতিরিক্ত আইজিপি হওয়ায় খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপারের ফুলের শুভেচ্ছা কালিগঞ্জে বোরো চাষির তালিকা জালিয়াতির অভিযোগ বার কাউন্সিলের অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট বাঁশখালীর আ. লীগ নেতা রিয়াজ উদ্দিন সুমনের মোবাইলে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাকিস্তানে হামলা চালাল আফগানিস্তান পূর্বাচলে হবে ৪ থানা, ৬ তদন্ত কেন্দ্র: আইজিপি কর্ণফুলী নদীতে লাইটার জাহাজ ডুবি, ১২ জন উদ্ধার দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে ঢাবির শিক্ষার্থীরা: প্রধানমন্ত্রী আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ডিএমডির বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা,ও অধিকার বাস্তবায়ন জরুরি শ্রীমঙ্গলে উদযাপিত হচ্ছে ১৭১তম সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস ‎চাটখিলে পুলিশের অভিযানে জুয়া চক্রের মূল হোতাসহ গ্রেফতার ১০ রাজউক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী সাংবাদিকদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ নলডাঙ্গায় দুর্বৃত্তের হামলায় আহত আওয়ামী লীগ নেতা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ নলডাঙ্গা পৌরসভার কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা বৃষ্টি হলেই হাঁটু সমান কাদা, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী চাঁদপাই স্কুলে জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতামূলক কর্মসুচি পালন রাজবাড়ীতে গৃহবধূ নির্যাতন অভিযোগের নতুন মোড় দেশের ১১ ভাগ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে: মির্জা ফখরুল প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ ওরিয়েন্টেশন ও বার্ষিক পিকনিক অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বন্দরে ১৯৮ কোটি টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স পেল চসিক ম্যাচ শেষে স্টেডিয়াম পরিষ্কার করলেন জাপানি সমর্থকরা সিন্ধু নদীর পানিবণ্টন ইস্যুতে ভারতের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি পাকিস্তান কাতারে নিহত পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ পৌঁছাল সিলেটে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আপিল বিভাগ পরিবেশ রক্ষায় লংগদুতে ৩ হাজার ৫০০ গাছের চারা বিতরণ সুনামগঞ্জ পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেট ঘোষণা ব্র্যাকের মতামতের অপেক্ষায় জমি বিরোধ সিরাজগঞ্জে ২০১২ সালের মাদক মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

শেরপুরে পতিত জমিতে সূর্যমুখী চাষে বাম্পার ফলনের আশাবাদী কৃষক

শেরপুরে পতিত জমিতে সূর্যমুখী চাষে বাম্পার ফলনের আশাবাদী কৃষক
পাঠক সংখ্যা
638

মিজানুর রহমানঃ

শেরপুরের নকলা উপজেলায় পতিত জমিতে ও বাড়ির আঙ্গীনায় ভোজ্য ও ঔষধি তেলবীজ ফসল সূর্যমুখী চাষের অপার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আর এই সম্ভাবনার কথা বলছে কৃষি বিভাগ। সূর্যমুখীতে শতাংশে আয় হচ্ছে ২ হাজার টাকা থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে। নাম মাত্র শ্রমে ও সল্প ব্যয়ে বাড়তি আয়সহ সূর্যমুখীর দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য সবার নজর কেড়েছে। সূর্যমুখীর প্রতিটি খেতে প্রতিদিনই বিভিন্ন বয়সের দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নকলার মাটি ও আবহাওয়া সূর্যমুখী চাষের উপযোগী। স্বল্প সময়, অল্প ব্যয়ে ও নামমাত্র শ্রমে সূর্যমুখী চাষ করে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই কৃষি বিভাগ সূর্যমুখী চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সূর্যমুখী আবাদ করেছেন।

এবছর উপজেলার ৬টি ব্লকে বাংলাদেশ চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প (১ম সংশোধিত) এর আওতায় ৭টি কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সূর্যমুখীর চাষ পুরো উপজেলায় ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হবে বলে আশাব্যক্ত করছে কৃষি বিভাগ। যদিও নকলায় পরীক্ষা মূলকভাবে চাষ শুরু হয়েছিলো ২০১৫/২০১৬ সাল থেকে। চলতি রবি মৌসুমে উপজেলার লয়খা ব্লকে ২টি প্রদর্শনী এবং চন্দ্রকোনা, চরমধুয়া, বাছুর আলগা, কাজাইকাটা ও চরভাবনা ব্লকে ৩৩ শতাংশ করে জমিতে একটি করে কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবছর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপজেলা কৃষি অফিসের বাস্তবায়নে নকলায় ২ হেক্টর জমিতে ৮-১০ জন কৃষক-কৃষাণী সূর্যমুখী চাষ করেছেন। তারা নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে এল.টি সানফ্লাওয়ার-১ জাতের সূর্যমুখী রোপন করেছেন। প্রতিটি খেতে সূর্যমুখী ফুল ফোটেছে। কিছু কিছু খেতে সূর্যমুখীর ৫০%-৭০% বীজ হয়েগেছে।

লয়খা ব্লকের লয়খা গ্রামের কৃষক ফখরুল হাসান জানান, তার বাড়ীর আঙ্গীনার ৩৩ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী আবাদ করেছেন। বীজের ধরন দেখে তিনি আশা করছেন এবছর ফলন ভালো হবে। তিনি জানান, জমি তৈরি করা থেকে এপর্যন্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (এসএএও) মো. মিন্টু খানসহ কৃষি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তাগন তাকে নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন। তার জমিতে প্রথমে আমন ধান চাষ করা হয়েছিলো। এখন সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। এর পরে রোপা আমন বা পাট রোপন করা হবে। মধ্যবর্তী ও অপ্রধান এ তেলবীজ ফসল চাষে অন্যরা আগ্রহী হলেও, ব্যাপকহারে বাজারজাতের সুযোগ না থাকায় কৃষকরা চিন্তিত। তাই কৃষকদের মধ্যে সূর্যমুখী আবাদে পিছুটান রয়েছে।

একই ব্লকের অন্য এক কৃষক সারোয়ার জাহান জানান, কৃষি বিভাগের সার্বিক তত্বাবধানে চাষ করা সূর্যমুখীর বাম্পার ফলন হবে। তিনি জানান, এরই মধ্যে শেরপুরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবদুল ওয়াহেদ খান, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ তাবাসসুম মকবুলা দিশা, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফারিহা ইয়াসমিন ও কৃষিবিদ সাগর চন্দ্র দে মাঠ পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ সেবা প্রদান করেছেন। তাদের সূর্যমুখী খেতের ফুলের সৌন্দর্য দেখতে এসে অনেক দর্শনার্থী এই ফসল চাষের পদ্ধতিও শিখছেন বলে জানান তিনি।

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাগর চন্দ্র দে জানান, উপজেলার ৬টি ব্লকের পতিত জমিতে বাংলাদেশ চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প (১ম সংশোধিত) এর আওতায় ৭টি কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে। এতে কৃষকরা লাভবান হওয়ায় অন্যান্য কৃষকরা আগ্রহী হয়েছেন। এফসল চাষ করে অনেকে স্বাবলম্বী হয়েছেন, ফলে সৃষ্টি হয়েছে কর্মসংস্থান। আগামীতে উপজেলায় সূর্যমুখী আবাদের পরিমাণ ও কৃষকের সংখ্যা বাড়বে বলে তিনি আশাব্যক্ত করেন। ফলন দেখে অন্যান্য কৃষকরা তাদের পতিত জমিতে তেলবীজ ফসল হিসেবে সূর্যমুখী চাষের দিকে ঝুঁকছেন। সেইসাথে উপজেলার বিভিন্ন বাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ও পতিত জমিতেও সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে।

পুষ্টি বিজ্ঞানের মতে, ভোজ্যতেলের মধ্যে সূর্যমুখীর তেল মানব শরীরের জন্য খুব উপকারী। সূর্যমুখী তেলে থাকা ম্যাগনেসিয়াম মানুষের মানসিক চাপ দূর করে এবং লিনোলিক এসিড মানব হার্ট ভালো রাখে। সূর্যমুখীর তেল অন্যান্য তেলের চেয়ে বেশ আলাদা। কোলেস্টেরলমুক্ত সূর্যমুখীর তেলে প্রচুর পরিমাণ প্রাণশক্তি থাকায় এটি মানব শরীরের দুর্বলতা কমিয়ে কর্মক্ষমতা বাড়ায়। রান্নার জন্য সয়াবিন বা সরিষা তেলের চেয়ে সূর্যমুখী তেল প্রায় ১০ গুণ বেশি পুষ্টিসমৃদ্ধ। শরীর সুস্থ রাখতে ও হাড় মজবুত করতে সূর্যমুখী তেল গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে পারে বলে স্থানীয় পুষ্টিবিদরা জানান। এই তেলের উৎপাদন বাড়লে একদিকে মানুষ স্বাস্থ্যসম্মত ও অতিউপকারী তেল পাবেন, অন্যদিকে লাভবান হবেন চাষিরা। এটি মানবদেহের জন্য অনেকটাই মহৌষধ হিসেবে ভূমিকা পালন করে বলে মন্তব্য করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবদুল ওয়াহেদ খান জানান, চলতি মৌসুমে কৃষি বিভাগের সহায়তায় নকলা উপজেলায় ২ হেক্টর জমিতে কৃষকরা সূর্যমুখীর চাষ করেছেন। ৩ মাস মেয়াদি এই ফসলে লাভ বেশি পেলেও, স্থানীয় ভাবে বাজারজাত করার সুযোগ না পাওয়ায় কৃষকদের মাধ্যমে এই আবাদ বাড়াতে বেগ পেতে হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি জানান, ব্যাপকহারে বাজারজাতের ব্যবস্থা করলে কৃষকরা অধিক আগ্রহী হবেন। নভেম্বর মাসের প্রথমার্ধে সাড়িবদ্ধভাবে সূর্যমুখীর বীজ বপন করা হয়। বীজ বপনের ৯০ দিন থেকে ১০০ দিনের মধ্যে ফসল সংগ্রহ করা যায়। সামান্য রাসায়নিক সার ও ২-৩ বার প্রয়োজনীয় সেচ দেওয়া ছাড়া বাড়তি যত্ন নিতে হয়না। সূর্যমুখী গাছ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায় এবং এই তেল মানব দেহের জন্য বেশ উপকারী। এই তেলবীজ আবাদে ব্যয়ের তুলনায় কৃষকরা কয়েকগুণ লাভ পেয়ে থাকেন। পতিত জমিতে সূর্যমুখী চাষ করে যেকেউ স্বাবলম্বী হতে পারেন বলে মন্তব্য করেন কৃষিবিদ মো. আবদুল ওয়াহেদ খান।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

এম হাফিজ উদ্দিন খানের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক প্রকাশ

এম হাফিজ উদ্দিন খানের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক প্রকাশ

ডেস্ক রিপোর্টঃ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও নাগরিক সমাজের বিশিষ্ট কর্মী এম হাফিজ উদ্দিন খান-এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা মরহুমের দীর্ঘ কর্মময় জীবনে রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এম হাফিজ উদ্দিন খান ছিলেন একজন সৎ, প্রজ্ঞাবান ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্রকর্মী। রাষ্ট্রসেবায় তাঁর নিষ্ঠা ও নৈতিক অবস্থান আমাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। প্রফেসর ইউনূস আরও বলেন, ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি আমার একজন সহপাঠী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। জীবনের নানা সময়ে তাঁর প্রজ্ঞা, মানবিকতা ও স্পষ্টভাষিতা আমাকে সমৃদ্ধ করেছে। তাঁর মৃত্যুতে আমি একজন বিশ্বস্ত সহকর্মী ও বন্ধুকে হারালাম। তিনি বলেন, হাফিজ উদ্দিন খান কর্মজীবনে যে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতা প্রদর্শন

আরও পড়ুন
language Change