তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
আ.লীগ সরকার পতনের দিন বঙ্গভবনে কী ঘটেছিল, জানালেন রাষ্ট্রপতি আজকের ভিতরে আসামী আটক না করলে তোমাকে শোকজ করব বায়োফার্মার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি: লকিয়তুল্লাহ এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে ফতুল্লা ডিপোর চুরির নিয়ন্ত্রক ‘ টুটুল’এখনো অধরা? দনিয়া-মাতুয়াইল ভূমি অফিসে দালাল সিন্ডিকেটের গডফাদার কর্মকর্তা সঞ্জীব ও আসাদুজ্জামান ‎ শেরপুরে পাচারকালে ৯৮০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ শেরপুরের নকলায় পৌর টোলের নামে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ভাংচুর ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন এতিমদের সাথে নবনির্বাচিত এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুলের ইফতার খাগড়াছড়িতে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আটক চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসি’র অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ চাঁপাইনবাবগঞ্জে মন্দিরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, আটক ১ বরগুনায় সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় আছেন যারা খাগড়াছড়িতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি-এর উদ্যোগে শহীদ দিবস উদযাপন অধ্যক্ষের স্বাক্ষর জাল করে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ শেরপুরে জমি দখল-গাছ কর্তন ও প্রাণনাশের হুমকি ঢাকাসহ ৬ সিটি করপোরেশনে নতুন প্রশাসক নিয়োগ ইরানে নতুন করে জেন-জি বিক্ষোভ বিদেশ সফরে কেন যেতে পারেননি, জানালেন রাষ্ট্রপতি চট্টগ্রামে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৭ ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক হচ্ছেন কায়সার রশিদ তৃণমূল থেকে নগর ভবনের নেতৃত্বে: স ম জাহাঙ্গীর কবির বমি করলে কি রোজা ভাঙে? পাথরঘাটা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মহান শহীদ দিবসে পতাকা উত্তোলন হয়নি দাম বাড়ল স্বর্ণ-রুপার ২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান-বইমেলা উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে পারে ১০-১২ মার্চ পূর্বাচল জুরেই অবৈধ দখলদার ; বাড়ছে মাদক কারবারিদের আনাগোনা; হচ্ছে ছিনতাই ভারতে মা ও ১০ মাসের শিশুকে পুড়িয়ে হত্যা চাঁপাইনবাবগঞ্জে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা মাতৃভাষা আল্লাহর সেরা দান শেরপুরের ঝিনাইগাতী শহীদ মিনারে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন বরগুনা সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ডেপুটি এটর্নি জেনারেল জুই প্রথম প্রহরে শহিদ মিনারে দীঘিনালা উপজেলা বিএনপির শ্রদ্ধা বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে টানে চীনের তরুণী অচিরেই শুটিংয়ে ফিরছেন না তানিয়া বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুর কারাগারে, গৃহকর্মীর স্বীকারোক্তি মিটফোর্ডে ওষুধ সিন্ডিকেটের অভিযোগ : গোপন উৎপাদন ও সারা দেশে সরবরাহ জাইমা রহমানের প্রশংসা করলেন তিশা ট্রাক চাপায় বাবা-ছেলের মৃত্যু! বেঁচে গেল শিশু ঝিনাইগাতীতে অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন প্রতিরোধে অভিযান বরগুনার গৌরীচন্নায় বাউন্ডারির ভিতরে আটকে পড়েছে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা পটুয়াখালী মির্জাগঞ্জে ৯০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হাসনাত মোর্শেদ ভূইয়া ‎স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একান্ত সচিব নিযুক্ত ভ্রাম্যমান আদালতে রামগড়ে দুই হোটেল মালিককে জরিমানা লংগদু জোনের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ গ্লোবাল এভিয়েশন এন্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন ভাষা শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা পকেটে টাকা না থাকলে বিপিএলে দল করা উচিত না

বায়োফার্মার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি: লকিয়তুল্লাহ এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে

বায়োফার্মার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি: লকিয়তুল্লাহ এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে
পাঠক সংখ্যা
638

বিশেষ প্রতিনিধি:

ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বায়োফার্মা লিমিটেড-কে ঘিরে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে উচ্চ আদালতের নির্দেশ বহাল থাকার পরও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেছে। কিন্তু অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. লকিয়তুল্লাহ এখনো আইনের আওতার বাইরে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তদন্তের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

গত বছর প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী-এর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ হাইকোর্টের দেওয়া অনুসন্ধান আদেশ বহাল রাখেন। কোম্পানির পক্ষ থেকে করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়ে আদালত স্পষ্ট করেন, অভিযোগ অনুসন্ধানে কোনো স্থগিতাদেশ নেই। ফলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার আইনি বাধা ছিল না।

কী ছিল আদালতের নির্দেশ:

‘দেশে দেশে পাচার বায়োফার্মার টাকা’ শীর্ষক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে রুল জারি করেন। অভিযোগ অনুসন্ধান করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে দুদক চেয়ারম্যান ও এনবিআর চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসচিব, অর্থসচিব, বিএফআইইউ ও কোম্পানির চেয়ারম্যান-ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ বিবাদীদের জবাব দিতে বলা হয়।

আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখার পরও এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সূত্র আরো বলেন এই তদন্তকার্য থামিয়ে রাখতে কোটি টাকার বাণিজ্য হয়েছে বায় ফার্মার সঙ্গে।

৫০০ কোটির অনিয়মের অভিযোগ:

কোম্পানির অভ্যন্তরীণ পাঁচটি তদন্ত কমিটির ৪০৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার অনিয়ম, আত্মসাৎ ও পাচারের তথ্য উঠে আসে। অভিযোগ রয়েছে, সহযোগী ও কাগুজে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিপুল অর্থ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ‘বায়োফার্মা ফাউন্ডেশন’ ও ‘গোল্ড ট্রেডিং কোম্পানি’সহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অস্বাভাবিক লেনদেন শনাক্ত হয়।

শেয়ারহোল্ডারদের অভিযোগ, ২২ বছরেও লভ্যাংশ বিতরণ হয়নি। প্রায় ১৫ বছর নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা হয়নি। বিক্রির পরিমাণ কম দেখিয়ে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগও রয়েছে। অথচ একই সময়ে পরিচালনা পর্ষদের কয়েকজন সদস্যের বিদেশে সম্পদ সঞ্চয়ের তথ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নেতৃত্বের গঠন ও বিতর্ক:

১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিটি ১৯৯৯ সালে নতুন মালিকানায় যায়। পরে এটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তর করা হয়। সাবেক চেয়ারম্যান এন এ কামরুল হাসান বিদেশে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন নাছিমা বেগম ঝুমুর। ভাইস চেয়ারম্যান ডা. আনোয়ারুল আজিম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. মিজানুর রহমান দায়িত্বে রয়েছেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, কাগজে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেও ডা. লকিয়তুল্লাহ কার্যত প্রতিষ্ঠানের মূল সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ছিলেন। আর্থিক লেনদেন, বিনিয়োগ, সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তার একচ্ছত্র প্রভাব ছিল।

হত্যা মামলায় নতুন মাত্রা:

কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান ডা. সওকাত আলী লস্করের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দায়ের করা হত্যা মামলা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তার পরিবার অভিযোগ করেছে, দায়িত্ব নেওয়ার পর দুর্নীতির বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে শুরু করলে তিনি হুমকি পেতে থাকেন। পরে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে ডা. লকিয়তুল্লাহকে। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান ডা. আনোয়ারুল আজিমসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে মামলাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলা হয়েছে। তবে মামলাটি বিচারাধীন থাকায় সংশ্লিষ্ট মহল অপেক্ষায় আছে তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

তদন্তে ধীরগতি কেন:

দুদক সূত্রে জানা গেছে, আর্থিক নথি যাচাই, ব্যাংক লেনদেন ও বিদেশে বিনিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অগ্রগতি জানানো হয়নি। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ আদালতের নির্দেশ বহাল থাকার পর তদন্তে দৃশ্যমান গতি প্রত্যাশিত ছিল।

এদিকে বাজারে এক সময়ের প্রভাবশালী এই কোম্পানির উৎপাদন ও সুনাম দুইই কমেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। কর্মচারীদের একটি অংশ অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন। শেয়ারহোল্ডারদের আশঙ্কা, দ্রুত আইনি পদক্ষেপ না হলে প্রতিষ্ঠানটি আরও গভীর সংকটে পড়বে।

সব মিলিয়ে আদালতের নির্দেশ বহাল, অভ্যন্তরীণ তদন্তে বিপুল অর্থ অনিয়মের চিত্র এবং হত্যা মামলার মতো গুরুতর অভিযোগ থাকার পরও মূল অভিযুক্তদের অবস্থান ও তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর স্পষ্ট পদক্ষেপই পারে এই দীর্ঘসূত্রতার অবসান ঘটাতে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

হাসপাতালে আগুন, শিশুসহ নিহত ৬

সবুজ বাংলাদেশ ডেস্ক:    ভারতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে আগুনে ৬ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে দুই ডজনেরও বেশি লোক। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় তামিল নাডু রাজ্যে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে। বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ৬ জনকে দিনদিগুল শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের লিফটে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গেছে। পুলিশ সুপার এ প্রদীপ এএফপিকে জানিয়েছেন, আগুনে প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছে, তবে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল। হাসপাতারের অভ্যর্থনা কক্ষ থেকে আগুনের সুত্রপাত হলে তা দ্রুত অন্যান্য তলায় ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নিভানোর সরঞ্জামের পর্যাপ্ত ঘাটতি থাকায় এবং অনিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে ভারতে ভবনে আগুন লাগার ঘটনা সাধারণ ব্যাপারে পরিণত হয়েছে।   সবা:স:জু-৩৩৪/২৪

আরও পড়ুন
language Change