এম ইদ্রিস আলী, সাতক্ষীরাঃ
বাংলাদেশ ভারত দুদেশের সীমানায় বয়ে চলেছে ইছামতি নদী। জেলার কলারোয়া, সাতক্ষীরা সদর, দেবহাটা, কালিগঞ্জ উপজেলার সীমানায় বয়ে চলেছে এই নদী। জেলার কয়েকটি বহমান নদীর মধ্যে এটি অন্যতম। তবে দেবহাটা উপজেলার বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে নদীটি। ইছামতি নদী অত্যান্ত খরস্রোতা হওয়ায় প্রতিবছর দূর্বল বাঁধ ভেঙে সীমান্ত পাড়ের এলাকা প্লাবিত হয়। এমনকি ভাঙনের ফলে দেবহাটা সদর ইউনিয়নের রাজনগর ও চরদেবহাটা মৌজা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বিগত বছরগুলোতে ভাঙনের ফলে বন্যায় অসংখ্য গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে ফসলের খেত, মৎস্য ঘের, বসতবাড়ি ডুবে ব্যাপক ক্ষতিরমুখে পড়ে স্থানীয়রা। প্রতিবছর ভাঙন ঠেকাতে সংস্কারও হয়।
কিন্তু টেকসই পদ্ধতি না হওয়ায় তেমন আশা দেখায় না। টেকসই বাঁধ না থাকায় সীমান্ত সংলগ্ন খানজিয়া, নাংলা, নওয়াপাড়া, ছুটিপুর, বসন্তপুর, উপজেলা সদর, বিওপি, থানা ভবন, শীবনগর, সুশীলগাঁতী, চর-শ্রীপুর, ভাতশালা, কোমরপুর সহ বিভিন্ন গ্রামের জন সাধারণের দিন কাটে দুশ্চিন্তার মধ্য দিয়ে। স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুর রহমান, সেলিম হোসেন সহ কয়েকজন বলেন, সামনে বর্ষাকাল। তার আগে যদি ইছামতি নদীর বাঁধ রক্ষায় ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তাহলে আমাদের এলাকা রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাবে। দূর্বল বাঁধ পানির চাপে ভেঙে প্লাবিত হওয়ার আশংঙ্কা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু তালেব বুলবুল বলেন, নদী ভেঙে আমাদের অনেক জমি বিলিন হয়ে গেছে। আমরা প্রতিবছর জমি হারাচ্ছি। সেই সাথে আমাদের থানা ও বিজিবি ক্যাম্প সহ পাশের এলাকার ব্যাপক ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করছি। দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বলেন, ভাঙনের ফলে ইছামতি নদীতে আমাদের দেশের ভূখন্ড হারিয়ে যাচ্ছে। টেকসই বাঁধ নির্মানের জন্য আমরা উর্দ্ধতন মহলকে জানিয়েছি। প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় স্থায়ী উদ্যোগ গ্রহন করা যাচ্ছে না।
সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, আমি সংসদ অধিবেশনে এলাকার সমস্যা তুলে ধরে সরকারের দৃষ্টিকার্ষণ করবো। বরাদ্দ নিয়ে যাতে সীমান্তের ভূখন্ড রক্ষা করা যায় সে বিষয়ে আমার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত