তারিখ লোড হচ্ছে...

মুন্সিগঞ্জে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর সহযোগিতায় কাজ শেষ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ রাজউকের মোবাইল কোর্ট নিয়ে প্রশ্ন: অথরাইজড অফিসার সাইদা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়সারা অভিযান ও অনিয়মের ... কেশবপুরে প্রধান শিক্ষকের বদলির দাবিতে মানববন্ধন রামগড়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর আটক দুপুরে প্রথম বৈঠকে বসছে সংবিধান সংশোধন কমিটি গলাচিপায় র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উদযাপন নদী খননের নামে ১৩৪ কোটি আত্মসাৎ, তবুও বহাল তবিয়তে বিআইডব্লিউটিএ’র সাইদুর রহমান রাশিয়া-ইউক্রেনে ভয়াবহ পাল্টাপাল্টি হামলা, প্রাণ গেল ২২ জনের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সে আগুন মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করলে কী হয়? বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম সেপ্টেম্বরে ১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইফ সাপোর্টে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প কদমতলী থানা অধীনস্থ রায়েরবাগে ১২ বছরের মাদ্রাসা ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু ‎ নোয়াখালীতে পুকুর থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে নাসীরুদ্দীন ও সার্জিসের কটুক্তির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জের বিক্ষ... এমপি মিলনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: দীর্ঘদিন পর চালু হলো কালীগঞ্জ-গুলিস্তান KTL বাস সার্ভিস রামুতে নূর ডেন্টাল পয়েন্ট নিয়ে প্রশ্ন,বিএসসি (ডেন্টাল) ডিগ্রি দিয়ে রুট ক্যানাল-সার্জারির অভিযোগ ব্রেন টিউমার সারেনি ইলিয়াস কাঞ্চনের, তবুও কেন দেশে ফেরা হাইকোর্টে জামিন পেলেন অভিনেতা জাহের আলভীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ: আলোচনায় সহকারী পরিচালক ডা. শফিউল আজম রাজউকের নির্দেশ অমান্য করে নির্মাণে আল-আকসা-৩ ভবন কর্তৃপক্ষ নলডাঙ্গায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা সদর এসিল্যান্ড অফিসে সেবার মান বৃদ্ধি-খুশি সেবা প্রত্যাশিরা বৃষ্টির পানি আর চোখের জল-একই ঘরে অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির জীবনযুদ্ধ মোংলায় প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষর জাল করে তদবির বাণিজ্য, গ্রেফতার ১ পানছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে জনকল্যাণমূলক সামগ্রী বিতরণ সুন্দরবন রক্ষায় ৪ হাজার কোটি টাকা দেবে জাতিসংঘ নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন জোরদারে আইওএমের আরও সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ আবারও আলোচনায় চট্টগ্রামের এস এম মিজানুল্লাহ সমরকন্দী ওরফে চশমা মিজান দুদক কমিশনার হতে শতকোটি টাকার লবিং: সাবেক কাস্টমস কমিশনার হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পুর্ব সুন্দরবনে বন বিভাগের অভিযানে শুটকি তৈরির আস্তানা ধংস আটক হয়নি কেউ নিরাপত্তাহীনতায় সিরাজগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও তাঁর পরিবার সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলা ২০২৬ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সাংবাদিক নিবন্ধনের আগে সংবাদমাধ্যমের জবাবদিহি নিশ্চিত হোক ১৩ মাসের ডেলিভারি: প্রতিশ্রুতি নয়, প্রমাণ চান সংশ্লিষ্টরা পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন ডিএজি-এএজিদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ৮৬ রানের লক্ষ্য দিয়েও চ্যাম্পিয়ন প্রাথমিক শিক্ষকদের যোগদানের তারিখ জানাল মন্ত্রণালয় পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৩ ডিএমপির বিশেষ অভিযানে, গুলশান ও যাত্রাবাড়ীতে গ্রেফতার ৩৭ গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ চতুর্থ পেড়িয়ে পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ করল উদ্যোক্তা জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১-এ অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরায় জনস্বার্থে কথা বলায় চটে গেলেন সদর উপজেলা সমাজসেবা ও সমবায় কর্মকর্তা পানির দাম ৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব চট্টগ্রাম ওয়াসার পূষ্পধারা হাউজিং এর নতুন জালিয়াতির ফাঁদ, পা দিলেই সর্বনাশ জুলাইকে বিতর্কিত করার অপচেস্টা চলছে:জাহাঙ্গীর শিকদার জগন্নাথপুরে ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে হাওরে নৌকা ডুবে ৪জন নিখোঁজ,১ জনের লাশ উদ্ধার

দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে শহীদ জিয়ার আদর্শের বাস্তবায়ন চায় জনগণ

দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে শহীদ জিয়ার আদর্শের বাস্তবায়ন চায় জনগণ
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ

শহীদ জিয়ার স্মৃতি ফিরে এলো ২০২৬ সালের ১৬ মার্চ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়ায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। কোদাল দিয়ে মাটি কেটে তিনি এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। উদ্বোধন শেষে তিনি খালের পাড়ে একটি গাছ লাগান। প্রধানমন্ত্রীর সাহাপাড়া খাল পুনঃখননের উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশব্যাপী ‘নদীনালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হলো। সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদীনালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রথম পর্যায়ে দেশের ৫৩টি জেলায় এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলাধার সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। প্রধানমন্ত্রী তার বাবা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে এ কর্মসূচি শুরু করেছেন। জিয়াউর রহমান তার শাসনামলে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন ও সেচব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। বর্তমান উদ্যোগকে সে কর্মসূচির ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চিরবিদায়ের ৪৫ বছর পরও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এখনো বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে চিরজাগরূক। শ্রদ্ধার আসনে আসীন। জিয়াউর রহমানের শাসনামল, বাংলাদেশে সামরিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল তিনি রাষ্ট্রপতি হন, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করেন, ১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন এবং কৃষি, শিল্প ও পররাষ্ট্রনীতিতে উল্লেখযোগ্য সংস্কার সাধন করেন। ১৯৮১ সালে নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি শাসনক্ষমতায় ছিলেন। তার এই স্বল্প সময়ের শাসনকালে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনায় সততা, নিষ্ঠা এবং দেশপ্রেমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। এ দেশের মানুষ এখনো শহীদ জিয়াকে স্মরণ করে তার সততার জন্য। একজন রাষ্ট্রপ্রধান কতটা সৎ জীবনযাপন করতে পারেন তার উদাহরণ হলেন জিয়াউর রহমান। একজন রাষ্ট্রপতি যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকেন, কোনোভাবেই যদি দুর্নীতিকে প্রশ্রয় না দেন, তাহলেই যে একটি সরকার দুর্নীতিমুক্ত হতে পারে শহীদ জিয়ার শাসনকাল তার প্রমাণ। শহীদ জিয়া নিজে সততার চর্চা করেছেন জীবনভর। যেখানেই দুর্নীতি দেখেছেন সেখানেই তিনি কঠোরভাবে তা দমন করেছেন। জিয়াউর রহমানের সততা নিয়ে এখনো আলোচনা হয় জনগণের মাঝে। তিনি একজন সৎ মানুষের প্রতিকৃতি।

রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় তিনি কখনো নিজের জন্য বিলাসিতা, আত্মীয়স্বজনের প্রভাব বা ক্ষমতার অপব্যবহার করেননি। তার কর্মজীবনে দেখা যায় নিজের পরিবারের কেউ সরকারি সুবিধা বা বিশেষ ক্ষমতা ভোগ করেনি। রাষ্ট্রপতি ভবনের বিলাসবহুলতা হ্রাস করে সাধারণ জীবনযাপন বজায় রেখেছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করেছেন আমরণ। তার ঘনিষ্ঠজনরা জানান, প্রেসিডেন্ট থাকার সময় জিয়া নিয়মিত অফিস সময়ের আগেই কাজে যোগ দিতেন, ব্যক্তিগত ব্যয় রাষ্ট্রের ওপর চাপিয়ে দিতেন না এবং তার পরিবারকেও সেই শিক্ষা দিতেন। জাতীয় উন্নয়নে নিষ্ঠা ও পরিকল্পিত কর্মতৎপরতা ছিল তার স্বভাবসুলভ। শহীদ জিয়া দেশ গড়ার মহান ব্রত নিয়ে এক নতুন উন্নয়ন চিন্তার সূচনা করেন। তার শাসনামলে যে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়, তা ছিল প্রান্তিক জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর। তার সততা নিষ্ঠা নিয়ে প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ ‘দেয়াল’ উপন্যাসে লিখেছেন-বাংলাদেশের মানুষ মনে করতে শুরু করল অনেক দিন পর তারা এমন একজন রাষ্ট্রপ্রধান পেয়েছে যিনি সৎ। নিজের জন্যে কিংবা নিজের আত্মীয়স্বজনের জন্যে টাকাপয়সা লুটপাটের চিন্তা তার মাথায় নেই। বরং তার মাথায় আছে দেশের জন্যে চিন্তা। তিনি খাল কেটে দেশ বদলাতে চান। জিয়া মানুষটা সৎ ছিলেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই। লোক দেখানো সৎ না, আসলেই সৎ। তার মৃত্যুর পর দেখা গেল জিয়া পরিবারের কোনো সঞ্চয় নেই।

জিয়াউর রহমানের শহীদ হবার ৪৫ বছর পর তার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমানের হাতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব। তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেই শহীদ জিয়ার আদর্শ ফিরিয়ে এনেছেন দেশ পরিচালনায়। তারেক রহমানের সাদামাটা পোশাক, সময়ের প্রতি তার শ্রদ্ধা, প্রটোকল ছাড়া যানজটে আটকে থাকা-এসবই শহীদ জিয়ার আদর্শকে স্মরণ করিয়ে দেয়। শহীদ জিয়ার আদর্শের সবচেয়ে বড় স্তম্ভ ছিল সততা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার দৃঢ় অবস্থান। জিয়াউর রহমানের তিরোধানের পর দুর্নীতিবিরোধী রাষ্ট্রনায়কের অভাব তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছে। তারেক রহমানের ভিতরে জিয়ার প্রতিচ্ছবি দেখে সাধারণ জনগণ আশান্বিত। সাধারণ মানুষ চায় একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ। যেখানে পদে পদে ঘুষ বাণিজ্য হবে না। যে দেশে নাগরিকদের চাঁদাবাজদের ভয়ে আতঙ্কে থাকতে হবে না। সরকারি কাজের জন্য হয়রানির শিকার হতে হবে না।

শহীদ জিয়ার মৃত্যুর পর, গত ৪৫ বছরে বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। এখন রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি। এখানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে পিয়ন চাপরাশি পর্যন্ত উপরি চায়। থানার ওসি থেকে শুরু করে সরকারের বড় কর্তা প্রায় সবাই ঘুষে কাঙাল। এখানে চাকরি পেতে ঘুষ লাগে। পদোন্নতির জন্য ঘুষ দিতে হয়। ভালো পোস্টিংয়ের রীতিমতো নিলাম হয়। সাব-রেজিস্ট্রারদের ভালো জায়গায় পদায়নের জন্য ৫ থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। ভালো থানার ওসি পদে নিয়োগ পেতে ঘুষের অঙ্ক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। গণপূর্ত বিভাগ, স্থানীয় প্রকৌশল বিভাগ, পিডিবির মতো সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভালো জায়গায় প্রকৌশলীদের পদায়নের জন্য নির্ধারিত অঙ্কের টাকা নজরানা দিতে হয়। আগে থেকেই এসব পদের বিপরীতে ঘুষ লেনদেন ছিল ওপেন সিক্রেট। কিন্তু অন্তর্র্বর্তী সরকারের আমলে এই পদায়ন বাণিজ্য মহামারির আকার ধারণ করেছে। ঘুষের রেট দ্বিগুণ হয়েছে। অন্তর্র্বর্তী সরকারের এক ছাত্র উপদেষ্টা ঘুষ বাণিজ্যের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। প্রধান প্রকৌশলী, ওয়াসার এমডি, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক পদে নিয়োগ দিতেও নেওয়া হয়েছে কোটি কোটি টাকার উৎকোচ। সচিব পদে নিয়োগ থেকে জেলা প্রশাসকের পদায়নে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে গণমাধ্যমে। দুর্নীতি ক্যানসারের মতো বিস্তার লাভ করেছে সরকারের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে। গণমাধ্যমে এখন প্রতিদিন অন্তর্র্বর্তী সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টার দুর্নীতির কেলেঙ্কারি ফলাও করে প্রকাশিত হচ্ছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনে শত শত অভিযোগ আসছে সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে। ২০০৭ সালের এক-এগারোর সরকার যেমন দুর্নীতির ব্যাপক বিস্তার ঘটিয়েছিল। বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিয়েছিল ১০ বছর, ঠিক তেমনি সুশীল সমাজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত অন্তর্র্বর্তী সরকার বাংলাদেশকে লুটপাটের এক স্বর্গরাজ্য বানিয়ে ফেলেছিল। পিআইবি কিংবা বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বোচ্চ পদে দুর্নীতিবাজদের বসিয়ে যথেচ্ছ লুটপাটের লাইসেন্স দিয়েছিল বিগত অন্তর্র্বর্তী সরকার। একজন ব্যক্তি যখন ঘুষ দিয়ে কোন চেয়ারে বসে, তখন প্রধান লক্ষ্য হয় দুর্নীতি করে টাকা আত্মসাৎ। প্রথমে সে ঘুষের টাকা ওঠায়, তারপর তিনি নিজের পকেট ভারী করেন। অনেকেই মনে করেন, অন্তর্র্বর্তী সরকারের দেড় বছরে দেশে যে পরিমাণ দুর্নীতি এবং ঘুষ বাণিজ্য হয়েছে, তা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে এক ধ্বংসস্তূপের মধ্যে। দেশে এক লুটপাটের রাজত্ব কায়েম হয়েছিল গত দেড় বছর। সেখান থেকে রাষ্ট্র পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারের প্রথম কাজ হলো, দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতির কঠোর প্রয়োগ।

বাংলাদেশে যদি শুধু দুর্নীতি বন্ধ হয় তাহলেই দেশের ৯০ শতাংশ সমস্যার সমাধান সম্ভব। দুর্নীতি বন্ধ করতে পারলেই দেশের অবিশ্বাস্য উন্নয়ন সম্ভব। সরকারের বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের পদায়নে যদি অবৈধ লেনদেন বন্ধ করা যায়, তাহলেই জনগণের হয়রানি দূর করা সম্ভব। আর এটা করতে হলে শহীদ জিয়ার আদর্শ অনুসরণ করতে হবে সরকারের কর্মকাণ্ডে। জিয়া নিজেকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে পেরেছিলেন বলেই তাঁর সরকার দুর্নীতি দমন করতে সক্ষম হয়েছিল। তাই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম কাজ হবে দুর্নীতিকে না বলা। নিয়োগ বাণিজ্য, পদায়ন বাণিজ্য, তদবির বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য এবং উন্নয়ন প্রকল্পে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে পারলেই দুর্নীতি দমন করা যাবে। যেটি শহীদ জিয়া তাঁর শাসনকালে করে দেখিয়েছেন। ১৬ মার্চ খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে শহীদ জিয়া যেন আবার ফিরে এসেছেন এই বাংলাদেশে। প্রধানমন্ত্রী যদি তাঁর আদর্শবান পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনমনীয় অবস্থান গ্রহণ করেন, তাহলেই বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না। এ দেশের জনগণ রাষ্ট্র পরিচালনায় তারেক রহমানের মধ্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের প্রকাশ দেখতে চায়। খাল কাটার মতো দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে শহীদ জিয়াই হোক তারেক রহমানের পথপ্রদর্শক।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪: অনিয়মের ‘হর্তাকর্তা’ ইকবাল ও নুরুল

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪: অনিয়মের ‘হর্তাকর্তা’ ইকবাল ও নুরুল

শাহ আলমঃ ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ (পবিস-৪) এর সদর দপ্তরে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছে ভয়ঙ্কর দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য ও তদবির নির্ভর এক সিন্ডিকেট এমন বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে টেকনিক্যাল ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) ইকবাল মাহাদী ও লাইনম্যান নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীদের দাবি, সরকারি সেবা দেওয়ার আড়ালে তারা সাধারণ গ্রাহক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকদের জিম্মি করে কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন।দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ পত্রিকার অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। অভিযোগ রয়েছে, নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ কিংবা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন সংযোগ নিতে গেলেই গ্রাহকদের উপর সৃষ্টি করা হয় নানা ধরনের কৃত্রিম জটিলতা। বিশেষ করে সোলার সিস্টেম সংযুক্তির শর্তকে হাতিয়ার বানিয়ে আবেদনকারীদের উপর আর্থিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো আবেদন ফাইল টেকনিক্যাল ডিজিএম ইকবাল মাহাদীর দপ্তরে পৌঁছানোর পরই

আরও পড়ুন
language Change